ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্লাটিনাম অ্যাওয়ার্ড ও গোল্ড মেডেল জয়


ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্লাটিনাম অ্যাওয়ার্ড ও গোল্ড মেডেল জয়

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ‘টিম ফ্যান্টম ফোর্জ’ প্লাটিনাম অ্যাওয়ার্ড এবং গোল্ড মেডেল জয়ী হয়েছে।

এই প্রতিযোগিতা, ইনোভেশন ও্যাল্ড কাপ (IWC) এবং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেনশন অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন (I3C) শীর্ষক, যেখানে নর্দান ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমান ও মো. নাঈম হোসেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

দলের সুপারভাইজার হিসেবে মাহাদি হাসান সৌরভ ছিলেন। তার তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রকল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উপস্থাপন করার সক্ষমতা অর্জন করেছে বলেও জানা গেছে। প্রতিযোগিতার কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে বাংলাদেশের এই অর্জনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

বিশ্বের ১৬টি দেশ থেকে ৪৫৮টি দল এবং ১ হাজার ৩০০ এরও বেশি অংশগ্রহণকারী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৩০টি প্লাটিনাম অ্যাওয়ার্ড, ৯৪টি গোল্ড মেডেল, ৮২টি সিলভার মেডেল এবং ৫৬টি ব্রোঞ্জ মেডেল প্রদান করা হয়।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এভাবে সাফল্য দেশের উচ্চশিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের সক্ষমতার ইতিবাচক প্রতিফলন। বিশেষ করে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি বড় অর্জন, যা ভবিষ্যতে গবেষণা এবং উদ্ভাবনে আগ্রহ বাড়াবে।

‘টিম ফ্যান্টম ফোর্জ’-এর এই সাফল্য বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন অর্জন দেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে এমন আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দামুড়হুদায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ২ কর্মী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫১ পি.এম


দামুড়হুদায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ২ কর্মী গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় দুই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ জুন) দুপুরে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন দামুড়হুদার হাউলী ইউনিয়নের তারানীপুর গ্রামের আক্কেল আলীর ছেলে হাফিজুল ইসলাম (২৬) এবং একই গ্রামের মিরাজুল ইসলামের ছেলে মমিনুল হক আকাশ (২৮)। শনিবার (৬ জুন) রাতে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত ৩ জুন রাতে উপজেলার চিতলা গ্রামে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজু আহমেদ রিংকুর নেতৃত্বে একটি মশাল মিছিল আয়োজন করা হয়েছিল। এ মিছিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পরদিন দামুড়হুদা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ৪০ থেকে ৫০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি শেখ মেসবাহ উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার তাদের চুয়াডাঙ্গা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান জারি রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীর তীর কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, বিপদে ২০টি গ্রাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫১ পি.এম


নদীর তীর কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, বিপদে ২০টি গ্রাম

স্বচ্ছ, শীতল ও সবুজ জলধারা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে যাদুকাটা নদী সুনামগঞ্জের রূপেশ্বরী এখন অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। রাতের অন্ধকারে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মদদে নদীর তীর কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার ফলে বিশ্বখ্যাত জয়নাল আবেদীন শিমুল বাগান, ঘাগটিয়া এবং মানিগাঁওসহ পূর্ব-পশ্চিম তীরের ২০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের বসতভিটে, গাছপালা এবং পরিবেশ-প্রকৃতি হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা এবং ঘুরতে আসা পর্যটকদের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের সহায়তায় প্রতি রাতে ড্রেজার ও সেইভ মেশিনের মাধ্যমে নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এর ফলে শত শত নৌযানে বালু ভর্তি করে পাচার করা হচ্ছে। ফলে মানুষের ঘরবাড়ি, সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প, কাঁচা-পাকা সড়ক, ফলদ এবং বনজ গাছের বাগান নদীগর্ভে হারাতে বসছে।

গত দুই মাস ধরে স্থানীয়ভাবে তৈরি করা মেশিন, বেলচা, বালতি ও শ্যালু মেশিনের সেইভসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে দিন-রাত নদীর তীর কেটে বালু বোঝাই করা হচ্ছে। কখনো রাতের অন্ধকারে ড্রেজার বা বোমা মেশিন ব্যবহার করে, আবার কখনো দিনে নৌকা নোঙর করে বেলচা ও বালতি দিয়ে তীরে গভীর গর্ত খোলা হচ্ছে। এর ফলে পুরো তীর ধসে পড়ছে। শত শত কাঠের তৈরি বারকি এবং স্টিলের নৌকা নদীর তীরে জড়ো হয়ে দিন-রাত সাহায্য করছে।

এই অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর পূর্ব এবং পশ্চিম তীরের ঘাগটিয়া, মানিগাঁও, লামাশ্রম, রাজাগাঁও, সোহালা, মিয়ারচর, বারিকটিলা, লাউড়েরগড়, বিন্নাকুলি ও গড়কাটিসহ ২০টি গ্রাম বর্তমানে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব গ্রামের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সেতু, কৃষিজমি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে রয়েছে।

নদীর তীর ভাঙনের শিকার অনেক বাসিন্দা তাদের ভেঙে যাওয়া বসতঘরের পুরোনো মরিচা পড়া ঢেউ টিন, বাঁশ-পালা ও কাঠের চটিসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী নৌকায় বোঝাই করে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।

প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় বালু উত্তোলনকারী সিন্ডিকেট গ্রামের বাসিন্দাদের বসতভিটের ঠিক সামনে থেকে তীর কাটায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিন্ডিকেটের ক্ষমতার দাপটে সাধারণ মানুষের বসতঘর, গোয়ালঘর, খড়ের ঘর থেকে শুরু করে রান্নাঘর, কৃষিজমি ও বাঁশবাগান সবকিছু বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

তীর কাটার ফলে বিভিন্ন গাছগাছালির শিকড় মাটির গভীর থেকে নদীর পানিতে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। কোথাও কোথাও আস্ত বাঁশঝাড় নদীতে ধসে পড়ছে। এইভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে সবুজ বৃক্ষরাজির শোভিত যাদুকাটা নদীর তীরবর্তী গ্রামের পরিণতি মরু প্রান্তরে পরিণত হবে।

এই ধ্বংসযজ্ঞের ফলে দেশের বৃহত্তম জয়নাল আবেদীন শিমুল বাগানও এখন বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। বাগানের কয়েক হাজার শিমুল গাছ ও লেবু বাগান নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। বাগানের উত্তর ও পূর্ব দিকে নদী ক্রমশ এগিয়ে আসছে। পূর্ব দিকে যদি আর মাত্র ১০০ মিটার তীর কাটা হয়, তবে বাগানের সামনের অংশ নদীতে তলিয়ে যাবে।

ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের মেঘালয়ের খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড় থেকে শুরু হওয়া যাদুকাটা নদীর প্রস্থ একসময় ছিল মাত্র ৫৭ মিটার। কিন্তু বিগত তিন দশকে অনবরত তীর কেটে বালু উত্তোলনের কারণে নদীটির প্রস্থ সর্বনিম্ন ২০০ মিটার থেকে সর্বোচ্চ ১ কিলোমিটার বেড়ে গেছে।

নদী রক্ষা এবং বালু মহালের ইজারা বাতিল করে এই এলাকায় পরিবেশ প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণার দাবিতে সুনামগঞ্জ এবং সিলেটে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসী ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস করেন না। তারা এই বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তবে এই বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পরিবেশ দফতরের পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম আদালতের আদেশের অজুহাত দেখান। তিনি বলেন, ‘আদালতের আদেশের কারণে আমরা বোমা মেশিন, ড্রেজার ও সেইভ দিয়ে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছি না।’

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার বলেন, ‘তীর কেটে বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়।’

অবশ্য সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান নদীর পাড় কাটা বন্ধে সকল বাহিনী মিলে যৌথ অভিযানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এখন থেকে জরিমানার পরিবর্তে কারাদণ্ড দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

এবং উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৫ জুন) যাদুকাটা নদীর তীর কেটে বালু উত্তোলনের সময় তীর ধসে পড়লে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষের ঘটনা, আহত ২০ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষের ঘটনা, আহত ২০ জন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদরে দোকানের জায়গা নিয়ে বিরোধের কারণে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রবিবার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার থলিয়ারা গ্রামে থেমে থেমে এ সংঘর্ষ চলতে থাকে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামের মিন্দার আলী গোষ্ঠীর জুবায়ের এবং মধ্যবাড়ী বড় গোষ্ঠীর জয়নাল মিয়ার মধ্যে একটি দোকানের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। ওই দোকানটি ছিল থলিয়ারা গ্রামের মিন্দার আলী গোষ্ঠীর জুবায়েরের দখলে। পরে স্থানীয় গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে গত চারদিন আগে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মিন্দার আলী গোষ্ঠীর লোকজন গ্রাম্য সালিশের রায় অবলম্বন করতে অস্বীকার করেন।

তারপর আজ রোববার সকালে আবারও মধ্যবাড়ী গোষ্ঠী ও মিন্দার আলী গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ২০ জন সদস্য আহত হন।

আহতদের মধ্যে থলিয়ারা গ্রামের মিন্দার আলী গোষ্ঠীর সৈয়দ জামাল নামের এক ব্যক্তি টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তিনি হাজী জাহের মিয়ার ছেলে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নাটাই উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইয়াকুব আলী ভূঁইয়া জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে দুপক্ষকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় আমাদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। আসন্ন ঘটনায় পুলিশ দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৩ ঘন্টা চেষ্টা চালায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। সংঘর্ষে জড়িত থাকার কারণে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করেছে। তবে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো পক্ষই মামলা দায়ের করেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে আ. লীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


নাটোরে আ. লীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার

নাটোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে পুলিশ মইনুল হক চুনু ও একজন মাহিদুল ইসলাম মানিককে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার (৭ জুন) রাতে গভীর সময়ে চুনুর বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া মইনুল হক চুনু সিংড়ার কলম ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামের মৃত লাল প্রামাণিকের ছেলে। তিনি কলম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্যও। অন্যদিকে, মাহিদুল ইসলাম মানিক সিংড়ার চামারী ইউনিয়নের বিলদহর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি চামারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা রয়েছে। তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%