ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দিল্লির বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে বসিয়ে রাখার ঘটনায় সংসদে তীব্র ক্ষোভ


দিল্লির বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে বসিয়ে রাখার ঘটনায় সংসদে তীব্র ক্ষোভ

ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার সংক্রান্ত ঘটনার ফলে জাতীয় সংসদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এই বিষয়টি উত্থাপন করেন বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. সাইফুল আলম খান মিলন।

তিনি ঘটনাটিকে একটি জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সাইফুল আলম খান একই সঙ্গে সরকারিভাবে এ বিষয়ে অবস্থান জানতে চান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দাবি করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেলে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান উল্লেখ করেন, যথাযথ কূটনৈতিক চিঠি থাকার পরও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দিল্লির বিমানবন্দরে প্রায় দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

পরে তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও, সেই তীব্র অপমানবোধের কারণে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

সাইফুল আলম খান মিলন প্রশ্ন তুলতে থাকেন, এ ঘটনার পেছনে বাংলাদেশের কূটনৈতিক কোনো ব্যর্থতা ছিল কি না এবং সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিষয়টি শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির নয়, এটি পুরো দেশের মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত। তাই সংসদে ৩০০ বিধির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া প্রয়োজন।

তবে উত্থাপিত বিষয়টিকে পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণ করেননি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, উত্থাপিত বিষয়টি পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতায় পড়ে না। তবে সংসদ সদস্য যদি চাইলে এ বিষয়ে বিধি অনুযায়ী পৃথক নোটিশ দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ম অনুযায়ী বিবেচনা করবে সংসদ।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সফরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বড় সুযোগ তৈরি হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৭ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সফরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বড় সুযোগ তৈরি হবে

প্রধানমন্ত্রী তাহের রহমানের আসন্ন মালয়েশিয়া সফরের মাধ্যমে বন্ধ শ্রমবাজার পুনরায় চালুর একটি বড় সুযোগ তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।

সোমবার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিদেশে শ্রম বাজার সম্প্রসারণ নিয়ে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাহের রহমানের আসন্ন মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে বড় সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী তাহের রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন এবং তিনি আগামী ২১ থেকে ২২ জুন কুয়ালালামপুর সফর করবেন। এর পর, তিনি ২৩ থেকে ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবেন। সরকারপ্রধানের কুয়ালালামপুর থেকে সরাসরি বেইজিং যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, শ্রমবাজার ইস্যুতে থাইল্যান্ডসহ প্রায় ১৮টি দেশে ১৮টি এমওইউ পাঠানো হয়েছে, যা স্বাক্ষরের অপেক্ষায় আছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই কাজগুলো সম্পন্ন হচ্ছে।

কর্মসংস্থানের জন্য সম্প্রতি রাশিয়াতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন কিছু বাংলাদেশি, কারণ তাদের ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধে জড়ানোর মতো ঘটনা ঘটেছে।

এ প্রসঙ্গে, নুরুল হক নুর বলেন, রাশিয়ায় এখন থেকে যারা যাবেন, তারা যেন কোনোভাবেই যুদ্ধে না জড়ান এবং ওয়ার্কিং ভিসায় যান। এ বিষয়ে দূতাবাস ও বিএমইটি কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করবে।

তিনি জানান, সরকারের আগামী পাঁচ বছরের টার্গেটে রাশিয়ায় ৩-৪ লাখ কর্মী পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। মূলত সেখানে যুদ্ধের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও স্থানীয় লোকজন চলে যাওয়ায় এই কর্মীর চাহিদা তৈরি হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে, রাশিয়ায় যাওয়া ৩০ বাংলাদেশিকে যুদ্ধে জড়ানোর একটি অভিযোগের বিষয়ে সরকার শুরু থেকেই তৎপর। যেসব এজেন্সি তাদের পাঠিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং রিক্রুটিং লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে।

একটি নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য পুরো দেশের বাজার বন্ধ করে দেওয়া যৌক্তিক হবে না—এ কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলা কোনো সমাধান নয়। বরং কীভাবে ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট বা সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লোক পাঠানো যায়, সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১০-১২ লাখ মানুষ বিদেশে যান। এর মধ্যে ২-৪ হাজার লোকের ক্ষেত্রে ভিসা বা প্রতারণাজনিত সমস্যা হতে পারে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ বোর্ড কাজ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও সাপোর্ট দিচ্ছে। রাশিয়ার ক্ষেত্রে এখন থেকে যারা যাবেন, তারা যেন কোনোভাবেই যুদ্ধে জড়ান এবং ওয়ার্কিং ভিসায় যান— তা দূতাবাস ও বিএমইটি কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, লাওস, কম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনামের মতো দেশেও মাঝে মাঝে স্ক্যাম বা প্রতারণার ঘটনা ঘটে। লিগ্যাল ওয়ার্ক পারমিট থাকার পরও যদি মন্ত্রণালয় লোক পাঠাতে বাধা দেয়, তখন রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো অভিযোগ করে যে মন্ত্রণালয় বাজার নষ্ট করছে। সুতরাং, ভিসা সতর্কতার সঙ্গে চেক করে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশে বৈশ্বিক অস্থিরতা, অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবেলা করে অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

জাতীয় সংসদে সোমবার (১৫ জুন) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারী ব্যয়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে অপচয় কমানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, অগ্রাধিকারহীন ব্যয় সংকোচন এবং প্রশাসনিক ব্যয়ে মিতব্যয়িতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কার্যক্রমও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয় করতে হলেও সরকার সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম, পুরোহিত ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী প্রদানের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরো শক্তিশালী করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সম্পূরক বাজেটে ব্যয় ও ঘাটতির কিছু সমন্বয় করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে সরকারি নিট ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। তবে নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে সরকারি ব্যয়, বিশেষ করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের গতি কিছুটা মন্থর হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি জানান, সংশোধিত বাজেটে বাজেট ঘাটতি প্রস্তাব করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৩ শতাংশের সমান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সংশোধিত বাজেটে ২৭টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার পরিমাণ ৫৬ হাজার ১১৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে ৩৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বরাদ্দ ৫৯ হাজার ৩৪৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা কমানো হয়েছে।

সম্পূরক বাজেটের ওপর অনুষ্ঠিত আলোচনা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রাণবন্ত ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও পরামর্শ দিয়েছেন, যা সরকারের নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে।

সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী স্পিকারের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সকল সদস্যের প্রতি সম্পূরক আর্থিক বিবৃতিতে বর্ণিত দায়যুক্ত ব্যয় ব্যতীত অন্যান্য ব্যয় বাবদ দাবিকৃত মঞ্জুরি অনুমোদনের আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরাকান আর্মির হাতে নাফ নদী থেকে সাতজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


আরাকান আর্মির হাতে নাফ নদী থেকে সাতজন আটক

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী থেকে দুটি ট্রলারসহ সাতজন জেলেকে আটক নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল ৮টার দিকে শাহপরীর দ্বীপের কাছাকাছি নাফ নদীর মোহনা এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

আটক জেলেরা হচ্ছেন- টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা মো. ফায়সাল, সৈয়দুর রহমান, সৈয়দ আলম, মো. হেলাল, মো. জলিল, আজম উল্লাহ এবং মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ।

স্থানীয় জেলে সুলতান আহমদ জানান, সোমবার সকালে শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদীর মোহনায় মাছ ধরার সময় মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত এলাকা থেকে এসে আরাকান আর্মির সদস্যরা দুটি ট্রলারসহ সাতজন জেলেকে আটক করে নিয়ে যায়। আটক জেলেদের সকলের বাড়ি শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় অবস্থিত।

তিনি আরো বলেন, জেলেরা প্রতিদিন নাফ নদীর ওই এলাকায় মাছ শিকার করেন। নদীতে সঠিকভাবে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সীমান্ত চিহ্নিত করা কঠিন হওয়ায় অনেক সময় জেলেরা ভুলবশত মিয়ানমার সীমান্তের দিকে চলে যান। এ সুযোগে আরাকান আর্মির সদস্যরা বিভিন্ন সময় জেলেদের ধাওয়া করে ধরে নিয়ে যায়।

আরেক জেলে মো. আলী জানান, নাফ নদী এবং সাগরে মাছ ধরা এখন জেলেদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। সব সময় আরাকান আর্মির আতঙ্ক তাদের মধ্যে কাজ করছে। সুযোগ পেলেই আরাকান আর্মির সদস্যরা স্পিডবোটে এসে অস্ত্রের মুখে জেলেদের আটক করে নিয়ে যায়। এ কারণে জেলেরা চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছেন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী বলেন, শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় সাতজন জেলেকে আরাকান আর্মি আটক করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। এই বিষয়ে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ে ফসলি জমির মাটি কাটায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


ধামরাইয়ে ফসলি জমির মাটি কাটায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধভাবে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটার দায়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে পুলিশ মামলাটি দায়ের করেছে। ১৫ জুন পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করেছে।

এই মামলায় নাম উল্লেখ করে তিন চালকসহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে, পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে রবিবার গভীর রাতে, অভিযোগ আছে যে, ইটভাটায় মাটি নেওয়ার সময় পুলিশ তিন ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করেছে। ওই সময় পুলিশ পাঁচটি ড্রাম্প ট্রাকও জব্দ করেছে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন ট্রাকচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, মো. হৃদয় ও আবু রায়হান। এছাড়া মামলায় অন্য আসামিরা হলেন মহিশাষী গ্রামের রাতুল, শোলধন গ্রামের জুয়েল, মধুডাঙ্গা গ্রামের রাফি মোহাম্মদ সজিব ও সুরুজ আহমেদ।

স্থানীয়দের মতে, ধামরাইয়ে ফসলি জমির মাটি কাটার বিষয়টি অব্যাহত রয়েছে। প্রভাবশালীদের সিন্ডিকেট এবং ইটভাটার মালিকদের কারণে এই সমস্যাটি ক্রমেই দুর্ভোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান এবং জরিমানা সত্ত্বেও আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাবে এই অবস্থা পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে কৃষি জমির পরিমাণ কমছে এবং কৃষিপণ্য উৎপাদনও হ্রাস পাচ্ছে।

এই কারণে ভবিষ্যতে খাদ্য ঘাটতির সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই জমির মালিকরা সাময়িক লাভের আশায় মাটি বিক্রি করে দেন। এই মাটি বিক্রি আশপাশের কৃষি জমি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কৃষি জমির এই মধ্যবর্তীকালে ধ্বংস যেন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হচ্ছে।

এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, প্রভাবশালী ব্যক্তি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একটি অংশ এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকায় সাধারণ কৃষকরা প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে বাধার মুখে পড়েন। উপজেলা প্রশাসন প্রায়ই অভিযান পরিচালনা করছে এবং ভেকু জব্দ করছে।

কিন্তু জরিমানা আদায়ের পরে আবারও চক্রগুলো মাটি কাটা শুরু করে। ফলে স্থায়ী সমাধান সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল মামুন জানিয়েছেন, ফসলি জমির মাটিকাটা বন্ধে প্রতিরাতেই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। ভেকু ও ট্রাক জব্দ করে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে, কিন্তু এরপরও মাটির কাটার কার্যক্রম বন্ধ করা যাচ্ছে না।

স্থানীয় সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন মন্তব্য করেছেন যে, কৃষিজমির মাটি কেটে নেওয়ায় ধামরাই এখন জলাশয়ে পরিণত হয়ে গেছে। শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠার মতো জমি পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এমপি বলেছেন, অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%