ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ফ্রান্সসহ ইউরোপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা


ফ্রান্সসহ ইউরোপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা

 

অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার প্রক্রিয়া অধিক দৃঢ় এবং দ্রুত করার নতুন নীতিতে একমত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ফরাসি বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে যে, নতুন ব্যবস্থায় আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত বা বৈধ কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের ইউরোপ থেকে সরাসরি তাদের নিজ দেশে অথবা তৃতীয় দেশে স্থাপিত বিশেষ প্রত্যাবাসন কেন্দ্রে পাঠানোর সুযোগ থাকবে।

গত ১ জুন প্রকাশিত রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপে যেসব বিদেশিকে দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়, তাদের একটি বড় অংশ বাস্তবে নিজেদের দেশে ফিরে যায় না। এই পরিস্থিতিতে বহিষ্কার প্রক্রিয়া কার্যকর করা নিশ্চিত করার জন্য ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নতুন নীতিতে একমত হয়েছে।

আরও পড়ুন: পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মামলার চূড়ান্ত ধাপের বিচার দ্রুত শেষ করতে আসামিপক্ষের উদ্যোগ

নতুন প্রস্তাব অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তির আশ্রয় আবেদন চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যাত হয় অথবা ইউরোপে থাকার বৈধ অনুমতি না থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশ ওই ব্যক্তিকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। প্রয়োজনে, তাদের নিজ দেশে না পাঠিয়ে ইউরোপের বাইরে অবস্থিত কোনো তৃতীয় দেশে স্থাপিত 'রিটার্ন হাব' বা প্রত্যাবাসন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

অবশ্য নতুন ব্যবস্থায় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত পারস্পরিকভাবে স্বীকৃত হবে। ফলে এক দেশ থেকে অন্য দেশে গিয়ে বহিষ্কার এড়ানোর সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিবাসন নীতির এই পরিবর্তনটি ইউরোপের সাম্প্রতিক বছরের অন্যতম কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসে অভিবাসন বিষয়ক রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় ইউরোপীয় নেতারা আরও কঠোর অবস্থানে গেছেন।

ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই বৈধভাবে কর্মসংস্থান, ব্যবসা অথবা শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত আছেন কিন্তু একটি অংশ এখনও কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা কিংবা আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে যাদের আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বা যাদের বৈধ বসবাসের অনুমতি নেই, তারা আগের তুলনায় দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারি ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার আওতায় আসতে পারেন। তবে এতে ফ্রান্সসহ ইউরোপে অনিয়মিতভাবে অবস্থানকারীদের জন্য ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো নতুন ব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেছে, তৃতীয় দেশে প্রত্যাবাসন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা অভিবাসীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে।

তবে ইউরোপীয় কমিশনের দাবি, যাদের ইউরোপে থাকার আইনগত ভিত্তি নেই তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা কার্যকর করার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে ইউরোপে অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে অনিয়মিত অভিবাসীদের ওপর প্রশাসনিক চাপ ও প্রত্যাবাসন কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।

আরও পড়ুন: মানহীন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের কাগজপত্র বা বৈধতার বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে, তাদের দ্রুত আইনি সহায়তা নেয়া এবং অবস্থান নিয়মিত করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে ৫০ দোকান পুড়ে ছাই, কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


কুড়িগ্রামে ৫০ দোকান পুড়ে ছাই, কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী বাজারে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ৫০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন যে কয়েক কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সোয়া ৬টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শুরু হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় কোনো নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকার কারণে, খবর পেয়ে পাশের নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ব্যবসায়ীদের ধারণা, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোতে কাপড়, কসমেটিকস এবং ফলের দোকানসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছিল। এ অগ্নিকাণ্ডের ফলে ব্যবসায়ীদের সর্বস্ব পুড়ে গিয়ে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

এই বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ জানিয়েছেন, ‘কীভাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি এবং কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ণয়ের কাজ চলছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননে অবিলম্বে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান আইআরজিসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


লেবাননে অবিলম্বে ইসরাইলি হামলা বন্ধের আহ্বান আইআরজিসির

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) লেবাননের ওপর ইসরাইলি হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহকে বাদ দিয়ে ইসরাইল ও লেবাননের যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে।

আইআরজিসি তাদের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ইসরাইলকে অবিলম্বে লেবাননের জনগণের ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে লেবাননের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমানার ভেতরে দখল করা সব এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) জারি করা ওই বিবৃতিতে লেবাননকে সম্মান ও মর্যাদার দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বলেছে, দেশটি এখনও দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর নির্মম হামলার মুখে রয়েছে। আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘শান্তি প্রতিষ্ঠা’র নামে যে হস্তক্ষেপ করছে, তা আসলে আরও বেশি সহিংসতা ও অপরাধ বৃদ্ধি করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অক্ষম ও ভীত’ ইসরাইলি বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে এখন সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে এবং ঘরবাড়ি, হাসপাতাল ও স্কুল ধ্বংস করছে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, দখলকৃত অঞ্চলের কোনো গ্রামও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ওপর আস্থা রাখে না এবং তাদের ইতিহাস মূলত ধ্বংস ও ক্ষতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

আইআরজিসি আরও জানায়, এই অঞ্চলের জনগণ লেবাননকে একা ছেড়ে দেবে না এবং লেবাননের মানুষ যুদ্ধের মাধ্যমে যা হয়নি, তা ইসরাইলকে অর্জন করতে দেবে না। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের মূল শর্ত ছিল সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবাননে, পূর্ণ যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা।

আইআরজিসি জানায়, লেবাননের জনগণ ইসলামি বিশ্বের গর্ব এবং তারা সব ধরনের উপায়ে তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, দখলকৃত লেবাননি এলাকা থেকে সরে না গেলে এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি আসবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত বুধবার (৩ জুন) ওয়াশিংটনে ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকে যুদ্ধবিরতির শর্তে সম্মত হয় ইসরাইল ও লেবানন। চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার জন্য ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হওয়ার ওপর নির্ভর করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার শর্ত হলো, হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি হামলা বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ লেবানন থেকে গোষ্ঠীটির সদস্যদের সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া দুই দেশ কিছু ‘পাইলট জোন’ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে একমত হয়েছে। এসব এলাকা লেবানিজ সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সেখানে কোনো অরাষ্ট্রীয় পক্ষ বা সশস্ত্র গোষ্ঠী থাকতে পারবে না।

তবে হিজবুল্লাহ এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। হিজবুল্লাহ বহুবার বলেছে যে, তারা ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধবিরতি আলোচনা আকৃতিকে স্বীকৃতি দেয় না এবং তা মেনে চলবে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, খুব সম্ভবত, ইরান-মার্কিন আলোচনার অংশ হিসেবে লেবাননে একটি শর্তহীন যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত হিজবুল্লাহ লড়াই চালিয়ে যাবে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ এই চুক্তিকে ‘বাস্তবিক ও কূটনৈতিক উভয় স্তরেই একটি বিরাট সাফল্য’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি হলেও হিজবুল্লাহ যদি ইসরাইলি জনপদে হামলা করে, তাহলে ইসরাইলি সেনাবাহিনী লেবাননের রাজধানী বৈরুতে আঘাত হানবে।

পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয় ইরান। গত বুধবার (৩ জুন) লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-মায়াদিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, লেবাননের বৈরুতের ওপর হামলার মুখে তারা ‘চুপ থাকবে না’। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বৈরুতের ওপর যেকোনো হামলা পুরো অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত উসকে দিতে পারে এবং ফের ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ শুরু হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ভেসে গেলেন আরেক বোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ভেসে গেলেন আরেক বোন

চাঁদপুরের মতলবে ধনাগোদা নদীতে গোসল করতে গিয়ে স্রোতের তোড়ের কারণে এক বোনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন বাকপ্রতিবন্ধী ছোট বোন।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরের দিকে। মৃত বোনের নাম স্বপ্না রানী (৪০) এবং নিখোঁজের নাম রনী রানী (৩০)। তাদের পরিবারের বাসস্থান চাঁদপুর সদর উপজেলার মনোহরখাদী গ্রামে এবং বাবার নাম পরেশ সরকার।

মৃতের পরিবারের সদস্য রাজীব সরকার জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির নিকটবর্তী ধনাগোদা নদীতে ওই দুই বোন গোসল করতে যান। ঠিক সেই সময় স্রোতের মুখে পড়ে যান বাকপ্রতিবন্ধী রনী রানী। তাকে উদ্ধারের উদ্দেশ্যে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন বড় বোন স্বপ্না রানী। একপর্যায়ে স্রোতের তোড়ে দুইজনই পানিতে ভেসে যান।

পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বপ্না রানীর মরদেহ উদ্ধার করা গেলেও নিখোঁজ রনী রানীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত ছোট বোন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

যেখানে নদী থেকে উদ্ধার করার পরে স্বপ্না রানী জীবিত আছেন মনে করে স্বজনরা তাকে দ্রুত চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সফিকুর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত স্বপ্না রানী এক সন্তানের জননী ছিলেন। তার স্বামী শম্ভু সরকার পেশায় একজন পাথর ব্যবসায়ী। অপরদিকে, নিখোঁজ রনী রানী অবিবাহিত ছিলেন।

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম জানান, মৃত স্বপ্না রানীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ বৃদ্ধ, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ এম


ভাণ্ডারিয়ায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ বৃদ্ধ, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ১ নম্বর ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জয়নাল বেপারী (৬৩) নদীতে পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি ওই এলাকার মৃত সফিউদ্দিন বেপারীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মাগরিবের সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাড়ির সামনে ৯ নম্বর ভিটাবাড়িয়া বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পোনা নদীর ঘাটে ওজু করতে যান জয়নাল বেপারী। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে নদীর ঘাটে গিয়ে তার ব্যবহৃত পায়ের স্যান্ডেল ভাসতে দেখা যায়। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও ভাণ্ডারিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা রাতেই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। তবে দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পরে শুক্রবার সকালে বরিশাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ আব্দুর জয়নাল বেপারীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিখোঁজ জয়নাল বেপারী এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক।

ভাণ্ডারিয়া ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন অফিসার আব্দুস সোবাহান জানান, নিখোঁজের খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। তবে রাত পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে শুক্রবার সকালে বরিশাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ডুবুরি দল নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%