ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আ স ম আব্দুর রব কলেজ ছাত্রদলের নেতৃত্বে নয়ন-ফারহাদ


আ স ম আব্দুর রব কলেজ ছাত্রদলের নেতৃত্বে নয়ন-ফারহাদ

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আ স ম আব্দুর রব সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এতে তৌহিদুল ইসলাম নয়নকে প্রধান আহ্বায়ক এবং মো. ফরহাদ হোসেনকে সদস্য সচিব করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠনের তথ্য জানা গেছে।

রবিবার (২১ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বারাকাত সৌরভ ও সদস্য সচিব হাসিবুর রহমান অভির স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

নব গঠিত কমিটিতে মো. সজিবুর রহমানকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে এবং সজিব মাহমুদকে, মো. শাকিল হোসেন তাবাসসুম, তাসফিয়া জাহান ও নাসরিন আক্তারকে যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া সাহেদ হোসেন রিদন, রিহাম হোসেন রিদয়, শাহিদন আলম শান্ত এবং ফারহান হোসেন শিহাবকে সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এইভাবে মোট ১২ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

গঠিত কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলাম নয়ন জানিয়েছেন, "ক্লিন ইমেজের ছাত্রনেতাদের দিয়ে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।"

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তিনি আরও বলেছেন, কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদের অধিকার আদায় এবং শিক্ষা বিস্তারে ছাত্রদল সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইপ্রাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৩ এম


সাইপ্রাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

সাইপ্রাসে নিখোঁজ শাহরিয়ার আহমেদ ইমন নামক এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২২ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ড সংঘটনের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ইমনের পরিবারের কাছে তাঁকে মুক্তিপণ দাবি করেছিলেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, গত ১২ জুন ওরোক্লিনি এলাকায় ইমনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তিনি কোফিনু অঞ্চলের একটি কারখানায় প্রথম কর্মদিবসে যোগ দিতে যাচ্ছেন বলে পরিচিতদের জানিয়েছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার রাতে, তিনি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এক বন্ধুকে তাঁর অবস্থানের একটি লোকেশন পাঠিয়েছিলেন।

এরপর থেকে তাঁর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া সন্দেহভাজন ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং নিহতের বিভিন্ন ব্যক্তিগত সামগ্রী কোথায় রেখেছিল, সে সম্পর্কেও তিনি তথ্য দিয়েছেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, ইমন ও অভিযুক্তের পরিচয় হয়েছিল একটি বাসযাত্রার সময়। অভিযুক্ত দাবি করেছেন, সে সময় ইমনের আচরণে তিনি অপমানিত বোধ করেছিলেন। তবে পুলিশ মনে করছে, ব্যক্তিগত ক্ষোভের পাশাপাশি অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যও এই ঘটনার পেছনে কাজ করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ইমনকে কোফিনু এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে হত্যা করে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হত্যার কিছু সময় পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ইমনের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তাঁর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং মুক্তিপণ দাবি করেন। এর মাধ্যমে অপহরণের একটি ভুয়া নাটক তৈরি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন।

উদ্ধার হওয়া মরদেহটি পচনরত অবস্থায় পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, নিখোঁজ হওয়ার রাতেই ইমন হত্যার শিকার হন। বর্তমানে মরদেহ উদ্ধার হওয়া স্থানে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার নেপথ্যের সব তথ্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। নিহত শাহরিয়ার আহমেদ ইমন নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাখরনগর এলাকার বাসিন্দা নাসির মিয়ার ছেলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পায়রা নদীর গ্রাসে পটুয়াখালীর হাজারো মানুষের স্বপ্ন শেষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৪ এম


পায়রা নদীর গ্রাসে পটুয়াখালীর হাজারো মানুষের স্বপ্ন শেষ

পটুয়াখালীর পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে দুমকি উপজেলার ৪নং আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাজারসহ সহাস্রাধিক বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বাঁচার জন্য পায়রা নদীর গ্রাস থেকে তারা ইতিমধ্যে ঘরবাড়ি নিয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন, যারা যুগ যুগ ধরে ওখানেই বসবাস করে আসছিলেন। বেড়িবাঁধ না থাকায় বেশ কয়েকশত পরিবার মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

৮০ বছরের বৃদ্ধা মো. জলিল উদ্দিন ফকির নদীর দিকে তাকিয়ে কাঁদছেন। তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও আমাদের সুন্দর একটি ঘড় ছিল, পুকুর ভরা মাছ, গোয়ালে গরু, খেতে ধান ছিল কিন্তু এখন সেগুলো শুধুই স্মৃতি।

সর্বশেষ সম্বলটুকু বাঁচাতে তিনি ঘর ভেঙে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছেন এই ৮০ বছরের বৃদ্ধা।

প্রতি বছর পটুয়াখালী দুমকি উপজেলার ৪নং আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের পায়রা নদীর অরক্ষিত বেড়িবাঁধ ভেঙে বাহেরচর ও আঙ্গারিয়ার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় থাকে। ঘরবাড়ি, ফসলের ক্ষেত এবং গাছপালা সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ওই গ্রামের শত শত পরিবার। নদীগর্ভে চলে গেছে এখানকার হাজারো মানুষের সাজানো স্বপ্ন। ইতোমধ্যে অনেকের ঘড়-বাড়ি চিরতরে মুছে গেছে।

নদীর তীরে বসবাসকারী মানুষগুলো ঘর বাড়ি স্থানান্তর করে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে অন্যত্র আশ্রয়ের চেষ্টা করছে। আগ্রাসী নদী ভাঙনের ফলে ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। পূর্বপুরুষের ভিটে-মাটি কবর হারানো মানুষগুলো অসহায় হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তারা মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন এবং এখন প্রাণের ত্রাণ চান না, তারা স্থায়ী বেড়িবাঁধ চান।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা স্থায়ী সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন, আশ্বাস নয়। আলেয়া বেগম বলেন, আমি ২০ বছর আগে যখন এখানে আমার শ্বশুর বাড়ি এসেছি তখন দেখেছি তাদের সাজানো সংসার ছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে পায়রা নদীর ভাঙনের কারণে সবকিছু নিয়ে গেছে। এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে আছি। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই।

কামাল হোসেন বলেন, আমরা জানি, যদি ভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে কোনো কিছু না করা হয় তাহলে আগামী ৪ বছরের মধ্যে আমাদের যে ভিতরে ঘরবাড়িগুলো রয়েছে, সেগুলো নদীতে তলিয়ে যাবে।

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, বর্তমানে ভাঙন রোধে আমরা অস্থায়ী ভাবে কাজ করবো। তবে তিনি দ্রুতই স্থায়ী সমাধানের কথাও জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা।

পটুয়াখালীতে মোট ১ হাজার তিনশ’ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ২২ কিমি এবং ৬ কিমি বেড়িবাঁধ পুরো ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির কাছ থেকে শেখা অত্যন্ত কঠিন: ম্যাক অ্যালিস্টার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


মেসির কাছ থেকে শেখা অত্যন্ত কঠিন: ম্যাক অ্যালিস্টার

আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির কাছ থেকে শেখা অত্যন্ত কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন তার সতীর্থ আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। অ্যালিস্টার অভিমত দিয়েছেন যে, মেসি এতই মেধাবী যে, তিনি যা করেন, তা দেখার পরও সাধারণভাবে সেই একই কাজ করা সম্ভব নয়।

অ্যালিস্টার সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কথা বলেছেন। এই মিডফিল্ডার জানিয়েছেন, মেসি যা করেন, সেগুলো সাধারণ কিছু নয়। ফুটবল সংক্রান্ত কিছু শিখে উঠতে না পারলেও, তিনি অবশ্যই মেসির কাছ থেকে মূল্যবোধ ও বিনয় সম্পর্কে শিক্ষা নেন।

অ্যালিস্টার বলেছেন, ‘সে (মেসি) যা করে, সেখান থেকে শেখা খুব কঠিন। কারণ বিষয়গুলো বুঝতে পারলেও, আপনি কখনও সেটা করতে পারবেন না। আমি তার কাছ থেকে যা শিখি, তা হলো তার মূল্যবোধ এবং অসাধারণ বিনয়। সে বিশ্বের সেরাদের একজন।’

অ্যালিস্টার আরও বলেন, ‘লিওর সঙ্গে থাকা আমি খুবই উপভোগ করি। তার মতো কাউকে কখনও দেখা যাবে না। তার পাশে থেকে সবকিছু দেখা একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সে যা করে, সেগুলো সাধারণ কিছু নয়। আমি শুধু তার প্রতিভার সর্বোচ্চ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করি, কারণ জয় নিশ্চিত করতে তার আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর অন্যদিকে থাকে তাকে নিয়ে গভীর মুগ্ধতা।’

এদিকে, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ৩-০ গোলের এক জয়ের মাধ্যমে। ওই ম্যাচের তিনটি গোলই করেন লিওনেল মেসি, প্রথমটিতে কিছুটা অবদান রয়েছে অ্যালিস্টারের। নিজেদের অর্ধ থেকে বাড়ানো রদ্রিগো ডি পলের পাস মাঝমাঠে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যালিস্টার ধরেননি, বরং সেটি মেসির জন্য ছেড়ে দেন। এ বিষয় নিয়ে অ্যালিস্টার বলেন, ‘প্রথম গোলটির সময় আমি একটু মাঝমাঠে ছিলাম। আমি দেখেছিলাম যে লিও আমার পেছনে ছিল। বলটি ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারটি নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, কিন্তু যে ফুটবল খেলেছে সে জানবে যে রদ্রিগোর (ডি পল) পাসের গতি ও শক্তি যেমন ছিল, তাতে আমি খুব ভালোভাবেই জানতাম বলটি আমার জন্য নয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়েটের আবাসিক হলে খুলে পড়েছে সিলিং ফ্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৬ এম


চুয়েটের আবাসিক হলে খুলে পড়েছে সিলিং ফ্যান

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় সিলিং ফ্যানটি ছিটকে নিচে পড়ে গেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জানা যায়, ঘটনার দিন শনিবার (২১ জুন) দুপুরে ঐ আবাসিক হলের ডি-৩০০ নম্বর কক্ষে একটি সিলিং ফ্যান হঠাৎ করে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় ছাদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে তা নিচে পড়ে যায়। সে সময় কক্ষে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা টেবিলে বসে পড়াশোনা করছিলেন।

কক্ষে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের যন্ত্রীকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মোরশেদ এলাহী বলেন, "গণরুমে পর্যাপ্ত ফ্যান থাকলেও বেশিরভাগ ফ্যান নষ্ট কিংবা ধীরগতির, তাই আমাদের ব্যক্তিগত ফ্যান ব্যবহার করতে হয়। এ বিষয়ে আমরা অনেকবার স্যারদেরকে জানিয়েছি, তারা কিছু কিছু সমস্যার সমাধান করেছেন আর কিছু সমস্যার সমাধান হয়নি। গণরুমের ফ্যানগুলো দেখলেই মনে হতো যে এখনই খুলে পড়বে। আজকে তাই হয়েছে। ফ্যানটি যেভাবে পড়েছে, সামান্য এদিক-ওদিক হলেই কারও মাথায় আঘাত লাগতে পারত। আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি।"

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা দ্রুত হল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কক্ষটির পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ফ্যানগুলো পরিবর্তনের দাবি করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%