ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চুয়েটের আবাসিক হলে গাঁজাসহ ৯ শিক্ষার্থী আটক


চুয়েটের আবাসিক হলে গাঁজাসহ ৯ শিক্ষার্থী আটক

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শহীদ আবু সাইদ হল থেকে ৯ শিক্ষার্থীকে গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জামসহ আটক করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক দল হাতেনাতে তাদের আটক করে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটের সময় শহীদ আবু সাইদ হলের ৫২৯ নম্বর কক্ষে একটি অভিযানে অংশ নিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের দুইজন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের পাঁচজন এবং ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দুইজন রয়েছে। আটক শিক্ষার্থীদের চারজন শহীদ আবু সাইদ হলের, তিনজন মুক্তিযোদ্ধা হলের, একজন ড. কুদরাত-ই-খুদা হলের এবং একজন কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন: ‘রুমিন ফারহানারা মৌসুমি রাজনীতি করেন’ মন্তব্য রাশেদ খাঁনের

শহীদ আবু সাইদ হলের সহকারী প্রভোস্ট আব্দুল্লাহ আল রিফাত এই বিষয়ে জানান, গতকাল রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি সমস্যা সমাধানের জন্য তারা হলে যান। সেখানে সন্দেহজনক একটি কক্ষে অভিযান পরিচালনা করলে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মাদকাসক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় কক্ষটি থেকে গাঁজা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রশাসন মাদক ও র‍্যাগিংয়ের বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আগামী রোববার স্টুডেন্ট ডিসিপ্লিন কমিটির সভায় এ ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা করা হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শেষে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কারিগরি শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিলেন শিবির সভাপতি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সংসদ জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার বাতিঘর: কিরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৫ এম


জাতীয় সংসদ জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার বাতিঘর: কিরণ

মেধা ও মননের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে বিতর্ক প্রতিযোগিতা। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অন্য পক্ষের মতামত ও যুক্তিকে যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে পাল্টা যুক্তি প্রয়োগ করতে হয়। এতে বিরোধী মতের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে। বিগত শাসনামলে আমরা কোন কার্যকর জাতীয় সংসদ পাইনি। অথচ জাতীয় সংসদ হচ্ছে জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার বাতিঘর, এমনটাই জানালেন ডিএফডি চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ কিরণ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান জাতীয় সংসদ একটি কার্যকর ও প্রাণবন্ত সংসদ হিসেবে ইতিমধ্যে জনগণের কাছে প্রশংসিত হচ্ছে। এই সংসদ মানুষের অধিকার ও আশা-আকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস। সরকারি ও বিরোধী দল যুক্তি-পাল্টাযুক্তির মাধ্যমে মানুষের প্রত্যাশার কথাগুলো বলছে। ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিতের কথা বলছে।

সংসদ নেতা ও বিরোধী দলীয় নেতা আলোচনার মঞ্চে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভিন্নমত পোষণ করলেও দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) ইডেন মহিলা কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতা—২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ এসব কথা বলেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শামিম আরা লুনা

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম, কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক শাহানাজ পারভীন, ডিবেটিং ক্লাবের মডারেটর অধ্যপক ড. আফরোজা বেগম, ক্লাবের সভাপতি ফাতেমা তুজ জোহরা সুরভী প্রমুখ।

তিন দিন ব্যাপী আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ২৪টি বিতর্ক দল অংশগ্রহণ করছে। আগামী ১২ জুলাই রোববার প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল: থালাপতি বিজয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৬ এম


আমাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল: থালাপতি বিজয়

অভিনয় ছেড়ে রাজনীতি শুরু করার মাত্র দুই বছরের মাথায় জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থালাপাতি বিজয় নামেই অধিক পরিচিত, একেবারে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। তাকে ভক্তরা ভালোবেসে থালাপাতি বা অধিনায়ক হিসেবে ডাকে। তবে মহানায়ক থেকে জননায়ক হওয়ার পথের বাঁধাগুলো কিছু সহজ ছিল না। ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কারুর জেলায় অনুষ্ঠিত এক জনসভায় অংশ নেওয়ার সময় বিজয়কে একনজর দেখার জন্য মানুষের ছেয়ে যাওয়া ভিড়ে পদদলিত হয়ে নারী ও শিশুসহ ৪১ জন প্রাণ হারান। এই ঘটনার পর অনেক চড়াই-উতরাই পেরোতে হয়েছে বিজয়কে। কিন্তু আটকানো যায়নি বিজয়ের বিজয়রথ। গত এপ্রিল মাসে নির্বাচনে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে - এই দুই দ্রাবিড় দলের ৫৯ বছরের পালাবদলের বৃত্ত ভেঙে বিজয়ের নেতৃত্বাধীন টিভিকে জোট ক্ষমতায় আসে। গত ১০ মে চেন্নাইয়ের জওহারলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে আয়োজন করা এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি তামিলনাড়ুর ২২তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর শুক্রবার বিজয় কারুরে গিয়েছিলেন। সে মর্মান্তিক ঘটনার ১০ মাস পর তিনি সেখানে গিয়ে সেই ঘটনার জন্য গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি আমার জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ঘটনা, যা এখনও আমাকে তাড়া করে বেড়ায়।’ এই ঘটনার জন্য তিনি পুলিশের এবং তখনকার ক্ষমতাসীন ডিএমকের তীব্র সমালোচনা করেছেন। বিজয় বলেন, ‘সেদিন পুলিশ আমাকে বিভ্রান্ত করেছে। আমি তাদের বিশ্বাস করে সমাবেশে এগিয়ে গিয়েছিলাম। আমি যখন কারুরে প্রবেশ করছিলাম, তখন তারা (পুলিশ) আমাকে থামাতে পারত, তারা আমাদের সতর্ক করতে পারত, বলতে পারত যে ভিড় অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এমনকি সমাবেশটি বাতিল করারও পূর্ণ অধিকার তাদের ছিল। কিন্তু তারা তা করেনি, তারা আমাকে ভিতরে নিয়ে গিয়েছিল। তখন আমি পুলিশকে পুরোপুরি বিশ্বাস করেছিলাম এবং এমনকি মিটিংয়ে তাদের ধন্যবাদও জানিয়েছিলাম। আমি এই নাটকের বিষয়ে কিছু জানতাম না। কিন্তু এর জন্য আসলে কে দায়ী... এর পেছনে কার হাত ছিল?’ তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, তার ইঙ্গিত ছিল তখন রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা ডিএমকে ও তখনকার মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের দিকে। ‘নিষ্পাপ, দেবদূতের মতো শিশুদের’ হারানোর জন্য শোক প্রকাশ করার পাশাপাশি, ঘটনার পর তার নীরবতা নিয়ে যে সমালোচনা ছিল, তারও জবাব দেন তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে প্রকাশ্যে কিছু না বলার কারণে বিজয় এবং তার দল টিভিকে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল। কালো পোশাক পরিহিত বিজয় বলেন, ‘আপনারা আমাকে নিয়ে উপহাস করেছেন... যখন আমি বাড়িতে বিধ্বস্ত ও যন্ত্রণার মধ্যে ছিলাম, তখন আপনি আপনারা বলেছিলেন আমি লুকিয়ে আছি।’ বিজয় আরও ইঙ্গিত দেন, গত এপ্রিলের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে ডিএমকে এবং পুলিশ ‘ষড়যন্ত্র’ করে এই পদদলিত হওয়ার ঘটনাটি ঘটিয়েছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘পুলিশ কি পর্যাপ্ত কর্মী মোতায়েন করেছিল? তারা নির্লজ্জভাবে আমাকে দোষারোপ করেছে এবং এম কে স্টালিন রাজনীতি করেছেন।’ কারুরের ঘটনায় নিহত ৪১ পরিবারের সদস্যদের সরকারি চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। কিন্তু ডিএমকের এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। ডিএমকের দাবি, সরকারের এই পদক্ষেপ চলমান তদন্তে সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু আদালত তাদের আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত প্রশ্ন তোলে, ‘আপনারা ঠিক কী বলতে চাচ্ছেন? আপনারা কি চান একজন মুখ্যমন্ত্রী কী করবেন, তা আদালত ঠিক করে দিক?’ শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের কারুর সফরের আগে, ডিএমকে এ মামলায় সাক্ষীদের বক্তব্য সুরক্ষিত রাখার জন্য আদালত কর্তৃক নিযুক্ত তদারকি কমিটি এবং এই ঘটনার তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর কাছে আবেদন জানায়। কিন্তু এর আগে, বিজয়ের কারুর পৌঁছানোর প্রায় এক ঘণ্টা পরে, মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ নিহতদের পরিবারের সদস্যদের চাকরি দেয়ার সিদ্ধান্তকে সরকারের ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’ হিসেবে অভিহিত করে, এতে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং নিয়োগপত্র বিতরণের অনুমতি দেয়। তবে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এ নিয়োগ আপাতত সাময়িক থাকবে। মামলার চূড়ান্ত রায়ের পর তাদের চাকরির বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুর বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে সৈয়দপুরে ১১ দলের মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ এম


রংপুর বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে সৈয়দপুরে ১১ দলের মিছিল

রংপুর বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সৈয়দপুরে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট একটি স্বাগত মিছিল আয়োজন করেছে। ১১ জুলাই রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ১১ দলের মহাসমাবেশ সফল করতে এটি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতের সময় শহরের স্মৃতি অম্লান চত্ত্বর জিআরপি মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাঁচমাথা মোড়ে এসে শেষ হয়। মিছিলের শেষ স্থানে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয় যেখানে বক্তব্য দিয়েছেন সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির শফিকুল ইসলাম এবং শহর জামায়াতের আমির শরফুদ্দিন খান।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে একটি শক্তিশালী জনসমাগমের আহবান জানান এবং দাবি করেন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ-ইন বন্ধ করা এবং জনদুর্ভোগ কমানোর জন্য। ১১ জুলাই রংপুর বিভাগীয় সমাবেশে ব্যাপক জনসমাগম ঘটানোর জন্য তারা নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। স্বাগত মিছিল ও সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুইলচেয়ার পেয়ে খুব উপকার হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ এম


হুইলচেয়ার পেয়ে খুব উপকার হলো

হুইলচেয়ার খান পাওয়া খুব উপকার হইলো। আমার ছাওয়াটা এখন ভালো ভাবে চলাফেরা করতে পারবে, হামার দেখি কাউয়ো দেখে না। রোডেম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে হুইলচেয়ার খেন দিলো। হামরা দোয়া করি, তারা আরো ভালো থাকুক। এ কথা গুলো বলছিলেন হুইল চেয়ার পাওয়া কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী শামীম হাসানের মা শাহিদা বেগম (৬০)। তিনি আরো বলেন, আমার স্বামী অনেক আগেই মারা গেছে। প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে আমি অনেক কষ্টে দিন পার করছি। এহনা হুইল চেয়ার কিনব তার টাকা নাই। মঙ্গলবার অডিটোরিয়াম হল রুমে রোডেম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিবেদনে উল্লেখিত উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে মোট ৩০জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইল চেয়ারে বিতরণ করা হয়।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান, চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার, রোডেম ফাউন্ডেশনের ন্যাশনাল ডিরেক্টর, ডোসেয়ক হং, ফাউন্ডেশনের বিজনেস ম্যানেজার ডেভিড হালদার, প্রকল্প ম্যানেজার বাবলু রিবেরু, চিলমারী প্রতিনিধি আতাউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চিলমারী ইউনিয়নের বৈইলমনদিয়ার খাতা এলাকার সমশের আলী বলেন, বয়স্ক মানুষ ঠিক মতো চলাফেরা করতে পারে না। কাইয়ো এহনা হুইল চেয়ারও দেয় না। হুইল চেয়ার খেন পাওয়া খুব উপকার হইছে।

রোডেম ফাউন্ডেশনের চিলমারীর দায়িত্বে থাকা আতাউর রহমান বলেন, যারা হুইল চেয়ার কিনতে পারে না, তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে তালিকা করা হয়েছে।

রমনা মডেল ইউনিয়নের বাসিন্দা আলামিন মিয়া (৫৫) বলেন, ফাউন্ডেশনটি চিলমারীতে অনেক আগে থেকেই প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তারা শুধু হুইল চেয়ার দেন না, খাদ্য সহায়তা ও করেন। আমরা আশা করি, হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে তারা কাজ করুক।

রোডেম ফাউন্ডেশনের ন্যাশনাল ডিরেক্টর ডসেয়ক হং জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের বোঝা নন বরং সমান অধিকার ও সম্ভাবনাময় নাগরিক হিসেবে দেখি। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের অপরিহার্য শর্ত। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্ষমতা বিকাশে পরিবার, সমাজ, সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাসহ সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, ফাউন্ডেশনটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%