১১:০৪ এম
ইউক্রেনে শনিবার ভোরে রাশিয়ার পরিচালিত পৃথক হামলায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। এ তথ্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। একদিন আগে এক ব্যস্ত শপিং সেন্টারে ঘটেছিল ভয়াবহ হামলা, যাতে বহু মানুষ হতাহত হয়।
কিয়েভের দারনিতস্কি জেলায় একটি গুদামে আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। কিয়েভ সিটি সামরিক প্রশাসন জানান, সেখানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে খবরটি সংবাদ সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। কিয়েভ কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে জানায়, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী হামলায় একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছে।
আরও পড়ুন: গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আজ
অপরদিকে, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝ্ঝিয়ায় রাশিয়ার ড্রোন হামলায় এক পুরুষ নিহত এবং আরো চারজন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে ওই অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ইভান ফেদোরভ।
শুক্রবার ইউক্রেনে রাশিয়া ধারাবাহিক হামলার ফলে অন্তত ২০ জন নিহত হওয়ার একদিন পর এসব হামলা হয়েছে। শুক্রবার দিবালোকের একটি ড্রোন হামলায় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নিজ শহর ক্রিভি রিহের একটি শপিং সেন্টারে ১৬ জন নিহত হয়েছিল।
আঞ্চলিক সামরিক গভর্নর ওলেক্সান্দর গানঝা জানিয়েছেন, ওই হামলার পর রাতভর উদ্ধার অভিযান চলেছে। বর্তমানে নয়জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে দুইজন শিশু রয়েছে।
উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ওই হামলায় ১৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ২৩ জন শিশু রয়েছে।
আরও পড়ুন: সরকারি এলপিজি বিতরণে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, তদন্তের দাবি হামিদুর রহমান আযাদের
জাতিসংঘের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে ইউক্রেনে বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম কয়েক মাসের পরে যেকোনো বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
রাশিয়ার হামলা আরও বাড়তি মাত্রা ধারণ করায় ইউক্রেন তার মিত্র দেশের কাছে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা চেয়ে আসছে। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মোকাবিলার জন্য ইউক্রেনীয় বাহিনী কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে।
অন্যদিকে, গত কয়েক মাসে ইউক্রেন রাশিয়ায় পাল্টা হামলা বৃদ্ধি করেছে। মস্কোকে আলোচনা টেবিলে নিয়ে এসে যুদ্ধ বন্ধের জন্য চাপ সৃষ্টি করার লক্ষ্যেও এসব হামলা করা হচ্ছে।
তবে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়নি। রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিংবা ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে।
আরও পড়ুন: রামগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত যুবক ওয়াসিমের মৃত্যু
জেলেনস্কি এ শর্তগুলো মেনে নিতে স্পষ্টভাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তার মতামত হলো, এসব শর্ত মেনে নেওয়া হবে আত্মসমর্পণের সমান এবং এতে ভবিষ্যতে ইউক্রেন আবারও রাশিয়ার হামলার ঝুঁকির সম্মুখীন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন