ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আয়-রোজগার বাড়ার দোয়া ও আমল


আয়-রোজগার বাড়ার দোয়া ও আমল

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي وَوَسِّعْ لِي فِي رِزْقِي وَبَارِكْ لِي فِيمَا رَزَقْتَنِي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লি জাম্বি, ওয়া ওয়াসসি লি ফি রিজকি, ওয়া বারিক লি ফিমা রাজাকতানি।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমার গুনাহ ক্ষমা করে দিন, আমার রিজিক প্রশস্ত করে দিন এবং আপনি আমাকে যে জীবিকা দান করেছেন তাতে বরকত দান করুন।

আরও পড়ুন: সউদী সরকার নিরলসভাবে সারা পৃথিবীতে কুরআনের খেদমত করে যাচ্ছে: রাষ্ট্রদূত

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবীজি (সা.)-কে রাতে উল্লিখিত দোয়া পড়তে শুনেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৫০০)

নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়-রোজগার বাড়ানোর জন্য এই দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘তিনিই তোমাদের জন্য জমিনকে সুগম করে দিয়েছেন, কাজেই তোমরা এর পথে-প্রান্তরে বিচরণ করো এবং তার রিজিক থেকে আহার করো।’ (সুরা মুলক: ১৫)

আয়-রোজগার বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু আমল রয়েছে। তবে এ বিষয়টি মনে রাখা দরকার যে, প্রচুর আয়-রোজগার করলেই সুখ ও মানসিক শান্তি পাওয়া যায় না। এর জন্য কিছু আমল রয়েছে, যার মাধ্যমে জীবনে বরকত এসেছে, এবং অল্পেও অনেক তৃপ্তি ও মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: চন্দ্রপাড়া দরবারে অসচ্ছলদের সহায়তা ও ওরসের তারিখ ঘোষণা

তাকওয়া অর্জন করা।

তাকওয়া বলতে বোঝায় মহান আল্লাহর ভয়। এটি আয়-রোজগারের লাভের অন্যতম একটি উপায়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার জন্য নিষ্কৃতি বের করে দেবেন। এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দেবেন।’ (সুরা তালাক, আয়াত : ২-৩)।

হাফেজ ইবনে কাসির (রহ.) উপরোক্ত আয়াত দুটির তাফসির প্রসঙ্গে বলেন যে, যে ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশাবলী পালন করে এবং তার নিষিদ্ধ কার্যাবলী থেকে বিরত থেকে তাকওয়া অবলম্বন করে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য সব বিপদাপদ থেকে মুক্ত হওয়ার পথ করে দেবেন এবং যেখান থেকে সে রিজিক লাভ করার কথা স্বপ্নেও চিন্তা করে না, সেখান থেকে তাকে রিজিক দেবেন। (তাফসিরে ইবনে কাসির ৪/৪০০)

পাপাচার থেকে মুক্ত থাকা।

আরও পড়ুন: মসজিদুল হারামে এক ইমামের পেছনে জামাতের ১০০ বছর পূর্ণ

সবসময় পাপাচার থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখা উচিত। কারণ নেক আমল ও ভালো কাজে মানুষের জীবন এবং জীবিকায় বরকত আসে, এবং পাপ কাজ জীবন-জীবিকার বরকত নষ্ট করে। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কেবল দোয়াই ভাগ্যকে প্রতিহত করে, নেক কাজে আয়ু বৃদ্ধি পায় এবং বান্দা পাপের কারণে জীবিকা থেকে বঞ্চিত হয়।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২২৪১৩)

হালাল পন্থায় আয়।

রিজিকে বরকতের জন্য অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হালাল পন্থায় আয় করা। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘হালাল জীবিকা সন্ধান করা নির্ধারিত ফরজসমূহের পরে বিশেষ একটি ফরজ।’ (শুআবুল ইমান, বায়হাকি; কানজুল উম্মাল: ৯২০৩)।

দান করা।

আরও পড়ুন: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ

দান-সদকা মানুষের জীবনে বরকত নিয়ে আসে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে আদম সন্তান! তুমি খরচ করো, তোমার জন্য খরচ করা হবে (অর্থাৎ প্রাচুর্য আসবে)।’ (বুখারি: ৫৩৫২)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আজ বন্ধ আমদানি-রপ্তানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আজ বন্ধ আমদানি-রপ্তানি

৮০তম ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় দেশের পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এবং ভারতের ফুলবাড়ী স্থলবন্দর দিয়ে একদিনের জন্য সকল ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পাথরসহ সকল ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে।

তবে পণ্য বাণিজ্য বন্ধ থাকাকালীন দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকবে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের কারণে দেশটিতে সরকারি ছুটি ঘোষিত হয়েছে, এ কারণে বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ী স্থলবন্দর সড়কপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বন্দর-সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, একদিন বন্ধ থাকার পর আগামী রবিবার (১৬ আগস্ট) সকাল থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে অস্ত্রসহ একজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


ঝিনাইদহে অস্ত্রসহ একজন আটক

ঝিনাইদহে দেশীয়ভাবে তৈরি ওয়ান শুট্যর গান ও ককটেলসহ ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে শহরের খাজুরা জোয়ার্দার পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, গতকাল শুক্রবার রাতে খাজুরা জোয়ার্দার পাড়া নদীর পাড়ে মাদক কেনাবেচার ঘটনা দেখে স্থানীয়রা তাদের ধাওয়া করে। এতে অন্যরা পালিয়ে গেলেও স্থানীয়দের হাতে ওমর ফারুক আটক হন। এরপর তাকে মারধর করা হলে সে মাদকের বিষয়টি স্বীকার করে। খবর পেয়ে পুলিশ যখন আসে তখন তার বাসা তল্লাশি করে ১টি ওয়ান শুট্যর গান, ১টি সাইলেন্সার এবং ৪টি ককটেল উদ্ধার করে।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘অস্ত্রসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী, খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী, খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

একজন নিপাট গৃহবধূ হিসেবে খালেদা খানম এসেছিলেন স্বামী জিয়াউর রহমানের পরিবারে। ঘর-সংসার সামলানোর চৌহদ্দিতে আবদ্ধ থাকা একজন বাঙালি নারীর জীবন পরিবর্তনের নানা বাঁক পেরিয়ে এগিয়ে চলেছিল। সংসারজীবন থেকে বেরিয়ে বেগম জিয়া গণতন্ত্রের মহাযাত্রায় নাম লেখান। তিনি হয়ে ওঠেন গণমানুষের বাতিঘর।

গৃহবধূ থেকে রাজনীতির পথে যাত্রা শুরু করা এই দীর্ঘ অধ্যায়টি সহজ ছিল না। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে পাথেয় করে মা, মাটি ও মানুষের রাজনীতি করার সংগ্রামে অদম্য ও অবিচল থাকার জন্য বেগম খালেদা জিয়া পেয়েছিলেন ‘আপোসহীন নেত্রী’র উপাধি।

প্রিয়তম স্বামীর মৃত্যুতে বেগম জিয়ার পরিবারে নেমে আসে ঘন কালো আঁধার। তিনি দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে একা হয়ে পড়েন। অভিভাবক হারানোর বেদনার পাশাপাশি নতুন দিনের অনিশ্চয়তা ভর করে তার সংসারে।

১৯৮২ সালে, স্বামীর মৃত্যুর আট মাস পর রাজনীতির কঠিন পথচলায় যুক্ত হন এই নারী। গণতন্ত্রের জন্য তিনি সংগ্রাম শুরু করেন। স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী এরশাদের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিলেও ভোট বর্জনের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন তিনি।

১৯৮৭ সাল থেকে খালেদা জিয়া এরশাদ হটানোর এক দফার আন্দোলন শুরু করেন। বিচক্ষণ ও দৃঢ় এই সিদ্ধান্তের ফলে তিনি পান ‘আপোসহীন নেত্রী’ খেতাব। বেশ কয়েকবার গৃহবন্দি হলেও তিনি পিছু হটেননি। তার নেতৃত্বে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের যে বীজ রোপিত হয়েছিল, তার চূড়ান্ত বিস্ফোরণ ঘটে ১৯৯০ সালে, ৬ ডিসেম্বর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়।

১৯৯১ সালে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। খালেদা জিয়ার হাত ধরে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়। দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ আবারও সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যায়।

১৯৯৬ সালে স্বল্প মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী থাকলেও জনদাবির প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সংবিধানে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যুক্ত করেন বেগম জিয়া। ওই বছর সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হন তিনি। সে সময় সংসদ ও রাজপথে নানা দাবিতে সোচ্চার ছিলেন তিনি, যারা জাতীয়তাবাদী। মহানগর থেকে জেলা-উপজেলার প্রান্তিক জনপদে জনতার দাবি নিয়ে তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন।

২০০১ সালে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন বেগম খালেদা জিয়া। জীবনের কোনো নির্বাচনে পরাজয় বরণ করেননি এই মা, মাটি ও মানুষের নেত্রী। ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত ফখরুদ্দীন সরকারের সময়ে বিএনপি নেত্রীকে কারারুদ্ধ করা হয়। দলের ভাঙনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়। সে সময় দেশ ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হলেও তিনি দেশ ছাড়েননি।

এরপর শুরু হয় ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ সংগ্রাম। সামনে ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে খালেদা জিয়া। সব মত ও পথের মতামত উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেন। ২০১৪ সালে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন বেগম খালেদা জিয়া।

সন্তানদের ওপর অমানবিক অত্যাচার, তারেক রহমানের নির্বাসন, আরাফাত রহমান কোকোর অকাল মৃত্যু এবং নিজের ওপর দমন-পীড়ন; এত কিছু সত্ত্বেও দমে যাননি বেগম খালেদা জিয়া।

লৌহকঠিন মনোবল নিয়ে জাতির জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি দৃঢ়তা ও অটল সাহসের প্রতীক হয়ে। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি সামনে থেকে। ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে আয়োজনের অন্তরায় হিসেবে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে শেখ হাসিনা সরকার সংগ্রামী এই নেত্রীকে কারাবন্দি করে।

দুই বছরের বেশি সময় কারাগারে নিঃসঙ্গ জীবন কাটানোর পর শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পান তিনি। পরিবার ও পরিজনহীন একাকিত্ব তাঁকে একলা জীবনের বাসিন্দা করে তুলেছিল। যে সংসারটি ছিল সন্তান, পুত্রবধূ ও নাতনিদের সরব উপস্থিতিতে মুখর, জীবনের সায়াহ্নে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সেখান থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে তিনি ফিরোজার বাসভবনে নিঃসঙ্গ সময় কাটাতে বাধ্য হন। এর পরের সময়গুলো কাটে হাসপাতালের বিছানায়, জীবন ও মৃত্যুর বেদনাবহ টানাপড়েনে।

দীর্ঘ বছর ধরে বেগম জিয়ার আপোসহীন সংগ্রামের পথপরিক্রমায় নির্যাতিত ও সংগ্রামী মানুষের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে ২০২৪ সালের আগস্টে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পতন হয় শেখ হাসিনা সরকারের। বেগম জিয়াকে জাতির অভিভাবকের সম্মানে অধিষ্ঠিত করে আপামর ছাত্র-জনতা। সম্মানে সব মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি মেলে গণতন্ত্রের এই নেত্রীর।

স্বৈরাচারের পরশ্রীকাতরতায় দীর্ঘদিন উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত বেগম জিয়া মুক্ত পরিবেশে বেশিদিন থাকতে পারেননি। ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর শেষ হয় গণতন্ত্রের জন্য জীবনভর লড়াই করা এই নেত্রীর জীবনযাত্রা। দেশজুড়ে নেমে আসে শূন্যতা। অসংখ্য মানুষ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বিদায় জানান আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে।

নিয়তির অনিবার্যতায় একটি মহাকালের পরিসমাপ্তি ঘটলেও মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয়ের কারণে বেগম খালেদা জিয়া ইতিহাসের পাতায় স্থায়ী হয়ে থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিগ্রিতে ভর্তি শুরু কাল, যেভাবে করবেন আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ এম


ডিগ্রিতে ভর্তি শুরু কাল, যেভাবে করবেন আবেদন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ডিগ্রি (পাস) প্রোগ্রামের ভর্তি আবেদন আগামীকাল রবিবার বিকেল ৪টায় শুরু হচ্ছে। আবেদন করা যাবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।

শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে কোর্সভিত্তিক মেধা তালিকা প্রস্তুত করা হবে। একই মেধা নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএ (৪০: ৬০ অনুপাত) এবং প্রয়োজনে মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। যদি তাতেও সমতা থাকে, তাহলে বয়স কম শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ভর্তি কার্যক্রম ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে, যার মধ্যে রয়েছে ১ম মেধা তালিকা, ২য় মেধা তালিকা, কোটার মেধা তালিকা এবং ১ম ও ২য় রিলিজ স্লিপ। তবে, এবার ৩য় রিলিজ স্লিপে আবেদন করার সুযোগ থাকবে না।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি বা সমমান এবং ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি) ও ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

এ-লেভেল, ও-লেভেল ও বিদেশি সনদধারীদের জন্য নির্ধারিত নিয়মে সরাসরি ডিন অফিসে বা ইমেইলে আবেদন করা হবে।

অবশ্য এগুলো ছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যারা গত দুই শিক্ষাবর্ষে (২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬) স্নাতক (সম্মান), স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল বা স্নাতক (পাস) প্রোগ্রামে ভর্তি হয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্ড পেয়েছেন, তারা এই শিক্ষাবর্ষে নতুন করে ভর্তি হতে পারবেন না। তবে পূর্ববর্তী ভর্তি বাতিল করে নতুন শিক্ষাবর্ষে আবেদন করতে পারবেন। একইসাথে, যদি কোনো শিক্ষার্থী দ্বৈত ভর্তি হয়ে থাকেন, তাহলে তার উভয় ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।

আবেদনে লাগবে ১০০০ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর প্রাথমিক আবেদন ফরমসহ ফি বাবদ এক হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজে (কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে অথবা সরাসরি) জমা দিতে হবে।

কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে নির্ধারিত ফি জমা দেবে। কলেজ কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করে অনলাইনে নিশ্চয়ন করবে। তবে নিশ্চয়ন ছাড়া কোনো আবেদনকারীকে মেধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।

আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানানো হয়েছে, আবেদন করতে হলে ওয়েবসাইটে গিয়ে Applicant Login অপশনের Degree Pass- এ ক্লিক করতে হবে। পরে বাম পাসের Apply Now বাটনে ক্লিক করে এসএসসি ও এইচএসসির রোল নম্বর দিয়ে আবেদন পক্রিয়া শুরু করতে হবে। আবেদনকারীর নামসহ অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত হবে।

এরপর আবেদনকারীকে বিভাগ ও জেলা ভিত্তিক College Selection Option থেকে পছন্দের কলেজ নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচিত কলেজে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শূন্য আসনের তালিকা দেখা যাবে। আবেদনকারীকে সেই তালিকা থেকে তার ভর্তি-যোগ্য (Eligible) বিষয়ের পছন্দক্রম নির্ধারণ করে সর্বোচ্চ পাঁচটি কলেজে বিষয় এন্ট্রি দিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে।

আবেদন শেষে আবেদন ফরম ডাউনলোড করে অফসেট সাদা কাগজে প্রিন্ট অথবা পিডিএফ কপি সংরক্ষণ করতে হবে। এই ফরম সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে। পরে কলেজ কর্তৃক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফি প্রদান করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%