০৯:১৯ পি.এম
চট্টগ্রামে ‘বে টার্মিনাল’ চালু হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে শুভসূচনা হবে।” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কথা জানিয়েছেন। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকালে সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ছিল- বিগত সরকার ‘বে টার্মিনাল’ নামে সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার নামে কোটি কোটি টাকা অপচয় করে অসমাপ্ত অবস্থায় এটি ফেলে গেছে। এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে বলেছেন, “এই বে টার্মিনাল এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকরণ করার জন্য বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কি কি পদক্ষেপ নেবে?” প্রধানমন্ত্রী জবাবে বলেন, “এই প্রশ্নের ডিটেইলটা এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আপনি নোটিশ দিলে আমি আপনাকে ডিটেইলটা জানাতে সক্ষম হব। তবে বে টার্মিনাল- এর বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “আপনাকে আমি বলতে পারি যে, বে টার্মিনালটা চালু হলে পরে অবশ্যই এটার একটা উপকারিতা আমাদের সামগ্রিক অর্থনীতি এবং দেশের জন্য হবে।” প্রধানমন্ত্রী যুক্ত করেন, “বে টার্মিনাল চালু হলে বড় আকারে আমাদের মাদার ভেসেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিরতে পারবে। এখন নাব্যতার কারণে অনেক সময় বড় জাহাজ আসতে পারে না। যখন বড় জাহাজগুলো মাদার ভেসেলগুলো আসবে, তখন স্বাভাবিকভাবে ট্রান্স ব্যয় বা খরচ অনেক কমে আসবে।” “একই সঙ্গে বড় জাহাজগুলো আসার পরে এবং বে টার্মিনাল চালু হলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যেহেতু ব্যবসা-বাণিজ্যের বা আমদানি রপ্তানির গতি বৃদ্ধি পাবে, এটি জাতীয় অর্থনীতিতে একটি বড় ইতিবাচক ভূমিকাও রাখবে।” ‘এখানে দুর্নীতি হলে ব্যবস্থা’ এই শিরোনামে সরওয়ার জামাল নিজামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাকে জানাতে চাই যে, চট্টগ্রাম বন্দরটি দেশের সম্পদ এবং এটি একটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ, জনগণের সম্পদ। এখানে কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি দুর্নীতি ঘটে থাকে, সেটি যখনই ঘটুক, অবশ্যই দেশের আইন অনুযায়ী যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিচার হবে।” তিনি আরও বলেন, “একই সঙ্গে আমাদের সরকারের প্রচেষ্টা থাকবে যেন যেকোনো জায়গায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় না হয় এবং আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে যে, দুর্নীতিমুক্ত একটি পরিবেশ পর্যায়ক্রমিকভাবে গড়ে তোলা।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন