রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
০৯:২১ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করার উদ্দেশ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং মাদক প্রতিরোধে সামাজিক উদ্যোগ-এর আয়োজনে এই সভা সম্পন্ন হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদক প্রতিরোধে সামাজিক উদ্যোগের আহ্বায়ক ও সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান নাসিম আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান।
এ সময় বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ, মাদক প্রতিরোধে সামাজিক উদ্যোগের প্রধান সমন্বয়কারী প্রফেসর মোঃ শাহ আলম, প্রভাষক মোঃ লুৎফর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সিনিয়র সাংবাদিক এনামুল হক, কাউখালী থানার ওসি (তদন্ত) এবাদ আলী, অ্যাডভোকেট কমল মুখার্জি, সুনন্দা সমাদ্দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহ আলম, শোয়েব সিদ্দিকী, হাফেজ মাওলানা এবাদত হোসেন, প্যানেল চেয়ারম্যান আজম আলী খান, শামসুর রহমান মিল্টন, অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনী পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট (অব.) মোঃ হাবিবুর রহমানসহ আরও অনেক ব্যক্তি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দি পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস প্রেসিডেন্ট মেহেদী হাসান, পজেটিভ পিরোজপুরের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জুবায়ের আল মামুন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি হাসান মামুন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।
সভায় বক্তারা মাদকাসক্তিকে সমাজের জন্য, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি ভয়াবহ অভিশাপ বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, মাদক নির্মূলে শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভরশীল হওয়া সম্ভব নয়। বরং পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বক্তারা মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বক্তারা আরও মন্তব্য করেন যে, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পিরোজপুরজুড়ে শুরু হওয়া মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে সফল করাটাও জরুরি। সচেতনতা বৃদ্ধি, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের মাধ্যমে মাদক বিস্তার রোধ করা সম্ভব বলেও মত প্রকাশ করেন।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয় বরং পুরো একটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সুতরাং, মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি মানুষের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা চাই কাউখালীকে একটি মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে। সকলেই নিজেদের অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করুন। সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শক্তি।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান নাসিম আলী বলেন, মাদকবিরোধী আন্দোলনকে শুধু কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এটিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। সাংবাদিক, শিক্ষক, অভিভাবক, ধর্মীয় নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং তরুণদের মিলিত প্রচেষ্টায় শক্তিশালী একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারলে মাদক নির্মূল সম্ভব হবে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক বিভেদ নেই। এটা একটি জাতীয় সমস্যা। যুবসমাজের সুরক্ষা করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার প্রয়োজন। রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসন यदि একত্রে কাজ করে, তাহলে মাদকমুক্ত কাউখালী গড়ে তোলা সম্ভব হবে। আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ পরিবার ও সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন ও বিদ্যমান বিধিবিধান বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, "২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হবার পর কেন দীর্ঘ ২১ বছর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন ও বিদ্যমান বিধিবিধান বাস্তবায়ন নিয়ে কথা বলতে হবে? তাহলে পূর্বে যে নিয়মে চলছে, সে নিয়মেই চলবে নাকি পরিবর্তন দরকার?"
তিনি বলেন, "যদি পরিবর্তন দরকার হয় বা পরিবর্তন চাই, তাহলে টিম জগন্নাথ স্লোগানকে ধারণ করে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।"
কথার ধারাবাহিকতায়, "সে ক্ষেত্রে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে এবং জবি আইনের যে ধারাগুলো পরিবর্তন দরকার সেগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে, তাহলে আমরা আইনের পরিবর্তন করতে সক্ষম হব।"
অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন আরও বলেন, "পাশাপাশি সকল শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মোতাবেক চলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবারের মতো অন্তরে ধারণ করতে হবে।"
উপাচার্য আরও বলেন, "বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে কিভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নিতে পারে, সেজন্য আপনাদেরকে কাজ করতে হবে।"
তিনি আরও বলেছেন, "পাঠদানের পাশাপাশি সকল তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ করতে হবে এবং গবেষণার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।"
এ সময় তিনি জানান, "ইতোমধ্যেই আমাদের প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম ও ৩টি সংবিধি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে অনুমোদনের জন্য জমা প্রদান করেছি।"
"সবাই মিলে টিম জগন্নাথ-এর মাধ্যমে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল হিসেবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে পারবো।"
পরবর্তীতে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য প্রদান করেনÑ বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, অনুষদের ডিন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিচালক এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন।
এছাড়াও মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেনÑ বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং সকল বিভাগের শিক্ষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানোর মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধের জন্য ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ অঞ্চলগুলোতে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতদের তালিকায় রয়েছেন- মো. বাবু, মো. বিশাল, মো. তাকভীর, মো. রাকিব, মো. আফিকুল ইসলাম, মো. দিপু, সোহাগ আলম, মো. রহিদুল মোমেন রাসেল, রাইসুল বসুনিয়া রাসেল এবং মো. রোমান।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি রয়েছে এবং তারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। সকল গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছেন যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শিশু ও শিক্ষার্থীও রয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) নকলা পৌরসভা, নকলা ইউনিয়ন, বানেশ্বরদী, উরফা ইউনিয়ন ও টালকী ইউনিয়নে এসব ঘটনা ঘটে।
তথ্য অনুযায়ী, কুকুরের আক্রমণের পাশাপাশি বিড়ালের আঁচড়ে আক্রান্ত হয়ে আরো অন্তত ২৮ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর জলাতঙ্কের টিকা (অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন) গ্রহণ করেছেন। এদিকে, বিকেল বেলায় কুকুরটিকে এলাকাবাসী পিটিয়ে মেরে ফেলেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও ভ্যাকসিন প্রদান রেজিষ্ট্রার খাতার তালিকা অনুযায়ী, পৌরসভার বাজারদী এলাকার আনিছুর রহমানের ছেলে আরাব (৫), মানিক মিয়ার মেয়ে নেজাত (১২), আব্দুর রহমানের ছেলে রায়ান (৫), খলিলের মেয়ে মীম (৫) ও ফিরোজ মিয়ার ছেলে রিয়াজ কবির (২০) আহত হয়েছেন। এছাড়া কায়দা এলাকার আব্দুর রহিমের মেয়ে ঝিনুক (৯), লূৎফরের ছেলে সজিব (১৩), আব্দুল হালিমের মেয়ে শাহানাজ (২৬), শামীমের মেয়ে তোহা (১৩) ও আব্দুল কাদিরের স্ত্রী মর্জিনা (৪৫) হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। কুর্শাবাদাগৈড় এলাকার মিরাজ আলীর ছেলে জিহাদ (৯) এবং ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মিন্টু মিয়া (৫৬), নকলা ইউনিয়নের ধনাকুশা গ্রামের সেকান্দর আলীর স্ত্রী ছকিনা বেগম (৩৫) এবং ছত্রকোনা এলাকার নছর আলীর ছেলে আতর আলী (৫৫) ও অন্যান্যরা আক্রান্ত হয়েছেন।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে এবং বিড়ালের আচড়ে আক্রান্ত এরকম ২৮ জন জলাতঙ্কের টিকা গ্রহণ করেছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ২ জন মারাত্মক জখম হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে জরুরি বিভাগের সহকারী সার্জন ডা. মো. নাজমুল হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ করে কুকুরের কামড়ে ও বিড়ালের আচড়ে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ‘এর আগে কুকুরের কামড়ে ও বিড়ালের আচড়ে একদিনে এত রোগী নকলা হাসপাতালে আসার নজির নেই।’ তিনি আরও জানান, কুকুরের কামড়ে ও বিড়ালের আচরের ক্ষতস্থান কমপক্ষে ১৫ মিনিট প্রবাহমান পানি ও সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধোয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে আসতে হবে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। নিয়ম মেনে অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন গ্রহণ করলে কোন সমস্যা হবে না বলেও তিনি জানিয়েছেন।
এই ঘটনায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের নজরে আসে। তারপর তিনি নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সাথে যোগাযোগ করেছেন এবং পৌরসভা থেকে প্রয়োজনীয় অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন নকলা হাসপাতালে সরবরাহের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘নকলা হাসপাতালে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুদ আছে। আহতদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে।’ তাছাড়া, হাসপাতালের বাইরের যদি কারো ঔষধ কেনার প্রয়োজন হয় তাহলে পৌরসভা থেকে সহযোগিতা করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
জরুরি জনসেবা বিবেচনায় এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করায় জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা-কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনেকে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। জনগণের মধ্যে তাদের প্রশংসা কুড়িয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র—দুই পক্ষই পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে জড়াতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা জেনারেল সাইমন মায়াল। তিনি মন্তব্য করেছেন, উভয়ই চলমান হামলাগুলোকে আলোচনা কৌশলের অংশ হিসেবে ব্যবহার করছে।
আলজাজিরাকে দেওয়া তার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘কিছু পদক্ষেপ প্রতীকী, আবার কিছু সত্যিই প্রাণঘাতী—কারণ এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটে।’
তবে শেষ পর্যন্ত কে তেমন চাপ সৃষ্টি করবে যে, আগের সমঝোতা স্মারকের চেয়ে আরো কার্যকর ও স্পষ্ট কোনো চুক্তি হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। তার মতে, ‘আগের সমঝোতা স্মারকটি শুরু থেকেই টেকসই হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম ছিল।’
মায়ালের মতে, তেহরানে এমন একটি অংশ রয়েছে যারা যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো সুবিধা পেতে আগ্রহী।
তবে তাদের এই অবস্থানের বিপরীতে রয়েছে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তারা সংঘাত অব্যাহত রাখার পক্ষপাতী।
তিনি বলেন, ‘ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে সরে আসে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে এবং তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনে, তাহলে তা বাস্তবসম্মত ও লাভজনক সিদ্ধান্ত হবে। তবে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী এবং আইআরজিসির কাছে বিষয়টি একইভাবে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।’
মায়ালের মন্তব্যে ইঙ্গিত করা হয়েছে, ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্য এবং কট্টরপন্থীর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার পথে অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ