১২:৫৩ এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় সামরিক অভিযানের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছেন। তিনি নতুনভাবে বিমান হামলা এবং হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলোতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছেন।
মঙ্গলবার রাতে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে ট্রাম্প একটি জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখল এবং ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স পাহাড়’-এ বোমা হামলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র আরও দুই দফা বিমান হামলা চালিয়েছে। এদিন বেশ কয়েকটি জাহাজকে ইরানের উপকূলে চলাচল করতে নিষেধ করা হয়। এর মধ্যে খার্গ দ্বীপের দিকে যাত্রা করা একটি জাহাজকে সতর্ক করার পরও ফিরে না যাওয়ায় সেটিতে ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে মার্কিন বাহিনী। যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার পর টানা পঞ্চম দিনের মতো এই হামলা চালানো হলো।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চান। কিন্তু তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়তে রাজি না হওয়ায় আলোচনা থমকে আছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তি ব্যবহারসহ চাপ সৃষ্টি করছে।
সামরিক চাপের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে ‘পিকঅ্যাক্স পাহাড়’। এই পাহাড়ের ভেতরে গ্রানাইট পাথরের ৩০০ থেকে ৪৭৫ ফুট গভীর সুড়ঙ্গ রয়েছে। সেখানে বাঙ্কার-বিধ্বংসী বোমা দিয়েও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো কঠিন। তবে ট্রাম্প বলেছেন, তাদের বোমা অনেক গভীরে পৌঁছাতেও সক্ষম।
অন্যদিকে, খার্গ দ্বীপ বা হরমুজ প্রণালির অন্য দ্বীপগুলো দখল করা হলে ইরানের তেল রপ্তানি বড় ধাক্কা খাবে। এটি ভবিষ্যতের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখবে। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপে মার্কিন সেনারা সরাসরি বিপদে পড়বেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হতে পারে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন