ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাতক্ষীরায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা


সাতক্ষীরায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা

 জেলার কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার সময় কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপি’র কার্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন যে, এ ঘটনায় কোনো হতাহত কিংবা তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ সভাপতি মো. ইদ্রিস আলী বাসস’কে জানান, তিনিসহ ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, রওশন কাগুজিসহ ১০/১২ জন অফিসে বসে ছিলেন। রাত ১০টার দিকে তারা অফিস তালা দিয়ে মহিউদ্দিনের চায়ের দোকানে চাবি রেখে সামনে মোটর সাইকেলের গ্যারেজে বসেছিলেন। এমন সময় বোমার শব্দ শুনে তারা দ্রুত অফিসের দরজা খুলে দেখতে পান, অফিসের এক কোনায় আগুন জ্বলছে।

ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল ইসলাম বলেন, বিরোধী দলের লোকজন সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এ ধরনের ঘটনাগুলো ঘটিয়ে থাকে। খবর পেয়ে রাতেই কালিগঞ্জ থানার পুলিশসহ বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রাতেই এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে কৃষ্ণনগর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটায় হোটেলভাড়া চার গুণ, কক্ষ নেই কোথাও!

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল হোসেন বাসস’কে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে, এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিরাষ্ট্র সমাধানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানাল ফ্রান্সে ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি নাগরিক সমাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২০ পি.এম


দ্বিরাষ্ট্র সমাধানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানাল ফ্রান্সে ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি নাগরিক সমাজ

চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানে আসতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। শুক্রবার (১২ জুন) প্যারিসে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই আহ্বানটি উচ্চারণ করা হয়।

বৈঠকে বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দুই পক্ষ থেকে প্রায় ২৫০ জন সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। ফ্রান্স এই উদ্যোগকে সামনে নিয়ে আসে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও শান্তির প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখার উদ্দেশ্যে।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো মন্তব্য করেন, ‘আমরা পৃথিবীতে যুদ্ধ থেকে সরে আসার অসংখ্য কারণ খুঁজে পেতে পারি। কিন্তু আপনারা এখানে আছেন, আপনাদের উপস্থিতিই আশা ও পদক্ষেপের ভিত্তি।’ তিনি আরও বলেন, ফ্রান্স যুদ্ধের বিরুদ্ধে রয়েছে, বরং শান্তির পক্ষে অবস্থান নিতে চায়।

এই বৈঠকের ফলে একটি আট দফার ‘কল ফর অ্যাকশন’ বা কার্যকর পদক্ষেপের প্রস্তাব গৃহীত হয়, যেখানে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করা, গাজা পুনর্গঠন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শক্তিশালী সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এই আহ্বানটি আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সের আल्पস অঞ্চলে অনুষ্ঠিতব্য জি-৭ সম্মেলনে নেতাদের কাছে উপস্থাপন করা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ এখনও চলমান থাকলেও কূটনৈতিকভাবে দুই রাষ্ট্র সমাধানের ধারণা আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্রিয় হয়ে উঠছে।

এদিকে গাজার অবরুদ্ধ এলাকায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে প্রতিদিনই নৃসংশতা চালাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। এক রাতেই তারা ১৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। যুদ্ধবিরতির চুক্তির পর থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করে গাজার অধিকাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিচ্ছে ইসরাইল।

কথিত যুদ্ধবিরতির আড়ালে গাজায় ইসরাইলি হামালা এখন দৈনন্দিন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি আল-মাওয়াসি বাস্তুচ্যুত্য শিবিরে একজন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে যখন তিনি নিজ তাঁবুর সামনে সকালের কফি খাচ্ছিলেন।

ইসরাইল তাকে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য বলে দাবি করলেও, প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ওই জনাকীর্ণ ক্যাম্পে কোনো সামরিক তৎপরতা ছিল না। একই দিনে দেইর আল-বালাহতে একজন কিশোরসহ আরও কয়েকজনকে আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইসরাইলি সেনাদের গাজা থেকে ধাপে ধাপে পিছু হটার কথা থাকলেও, তারা বাস্তবে ভূখণ্ডটির আরও গভীরে প্রবেশ করছে। ‘ইয়েলো লাইন’ বা বিভাজন রেখা সম্প্রসারণ করে ইতোমধ্যে গাজার অধিকাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার।

এমনকি ইসরাইল সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে আরো বৃদ্ধি করতে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, গাজার লাখ লাখ বাসিন্দার মানবিক দায়িত্ব না নিয়ে কৌশলগত নিরাপদ অঞ্চল তৈরি এবং গাজাকে ফিলিস্তিনি শূন্য করার দীর্ঘমেয়াদি নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে ইসরাইল।

হামলা ও উচ্ছেদের পাশাপাশি গাজাবাসীদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে ত্রাণের গাড়ি আটক করে রাখা হচ্ছে। যুদ্ধবিরতির চুক্তি অনুসারে প্রতিদিন কয়েকশ ট্রাক ত্রাণ ঢোকার কথা থাকলেও, বাস্তবে তার অর্ধেকেরও কম ঢুকছে। ফলে বেশিরভাগ মানুষ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে পচে যাওয়া লাশ ও ভেঙে পড়া পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে বেশিরভাগ আশ্রয়শিবিরে ইঁদুর ও চর্মরোগের মহামারি দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে দখলকৃত পশ্চিম তীরে নতুনভাবে তাণ্ডব ও উগ্র হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা। রামাল্লার উত্তর-পশ্চিমে দেইর আবু মিশাল গ্রামে লাঠি, ছুরি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সহযোগিতামূলক উদ্যোগে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৩ পি.এম


বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সহযোগিতামূলক উদ্যোগে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে, ঢাকা নির্ভরশীল গঠনমূলক সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) কর্তৃক আয়োজিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনীতিক কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সম্মেলন’ এবং ‘ঝুঁকি মোকাবেলায় স্থিতিশীলতার সদ্ব্যবহার’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময়ে জ্বালানি সংকটকে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়াতে প্রথম গন্তব্য হতে চায়, যা বৈশ্বিক বিনিয়োগের জন্য একটি প্রতিযোগিতামূলক, নিরপেক্ষ এবং স্থিতিশীল পরিবেশের মাধ্যমে সম্ভব হবে।

বৈশ্বিক ঝুঁকিগুলো সফলভাবে মোকাবেলা করতে অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর আস্থা রাখতে হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল করা। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে সরকার টেকসই, স্বচ্ছ এবং পূর্বাভাসযোগ্য নীতিগত পরিবেশ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ড. খলিলুর রহমান জানান, বর্তমানের বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।

এসময় তিনি প্রথাগত খাতের বাইরে গিয়েই সরকার দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-এআই, সৃজনশীল শিল্প এবং ক্রীড়া খাতের মতো উদীয়মান বৈশ্বিক ক্ষেত্রগুলোতে কার্যকর সরকারি নীতিমালা ও পৃষ্ঠপোষকতা বাড়িয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিশ্বমঞ্চে সফলভাবে তুলে ধরতে হবে। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্র নীতির অধীনে জাতীয় উন্নয়ন কর্মসূচিকে সামনে রেখে সম্মেলনে বাংলাদেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কূটনীতির অগ্রাধিকারগুলো আলোচনা করা হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদজনদের মধ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে অর্থবহ সংলাপ ও মতবিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে। সম্মেলনে তিনটি বিষয়ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন (থিমেটিক প্লেনারি সেশন) অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম অধিবেশন ‘দ্য পলিসি কম্পাস’এ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নীতিগত দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে। দ্বিতীয় অধিবেশন ‘ক্যাপিটাল ফর গ্রোথ’-এ বিনিয়োগ ও অর্থায়নের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। তৃতীয় অধিবেশন ‘দ্য নিউ স্টেজ- এআই, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি অ্যান্ড স্পোর্ট’-এ নতুন প্রবৃদ্ধির চালিকা শক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সম্মেলনের লক্ষ্য হলো সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাত এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতার শক্তি বাড়িয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপান্তর ও টেকসই প্রবৃদ্ধির এজেন্ডাকে এগিয়ে নেয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানুষের কল্যাণে বিএনপির রাজনীতি : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


মানুষের কল্যাণে বিএনপির রাজনীতি : প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য বললেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০ টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজারে পাতালী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, আমরা কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য খালখনন কর্মসূচি শুরু করেছি। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি দেব কৃষক কার্ডের মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও জানান, গ্রামে-গঞ্জে মিলিয়ে বাংলাদেশে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ রয়েছে। নারীরা বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক। এই নারীদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বিনা মূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই নারীরা যদি স্বাবলম্ভী না হয়, তাহলে পুরুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে না এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে না। এজন্য এই নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বর্তমান সরকার ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, যারা ভালো করবে তাদেরকে উপবৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

এর আগে শনিবার সকালে তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে খালটির পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজলসহ সরকারের এবং প্রশাসনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তারা।

১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে স্থানে দাঁড়িয়ে কোদাল হাতে পাতলী খাল খনন কাজের সূচনা করেছিলেন, ঠিক সেই স্থান থেকেই পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তার পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন শেষে তিনি সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবাপ্পের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সমালোচনার অভিযোগ তুললেন দেম্বেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৯ পি.এম


এমবাপ্পের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সমালোচনার অভিযোগ তুললেন দেম্বেলে

লা লিগার পরাশক্তি রিয়াল মাদ্রিদের সাম্প্রতিক অফ-ফর্মের পুরো দায় যেন কিলিয়ান এমবাপ্পের কাঁধে এসে পড়েছে। ফরাসি এই তারকাকে নিয়ে চারদিকে যে সমালোচনা চলছে, তা ‘অন্যায্য’ এবং ‘সীমা ছাড়ানো’ বলে মন্তব্য করেছেন তার জাতীয় দলের সতীর্থ উসমান দেম্বেলে।

স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক ‘মার্কা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পিএসজি ফরোয়ার্ড দেম্বেলে এমবাপ্পের সাবেক ক্লাব সতীর্থ হিসেবে তার পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেন।

২০২৪ সালে ফ্রি ট্রান্সফারে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর থেকে এমবাপ্পে কঠিন সময়ের মধ্যে রয়েছেন। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর গ্যালারিতে সমর্থকরা ঘরের মাঠেও তাকে সমর্থন করতে দ্বিধা করছেন না। এমনকি ক্লাবের জন্য তার বিদায়ের দাবিতে একটি অনলাইন পিটিশনে অবিশ্বাস্যভাবে লাখ লাখ মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। অথচ এমবাপ্পের সাবেক ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) দুইবার চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতেছে, অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদকে তাদের পরিচিত ধারায় ফিরতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে।

এমবাপ্পের ওপর চলমান মানসিক চাপ নিয়ে দেম্বেলে মন্তব্য করেন, ‘তাকে নিয়ে যে সমালোচনা হচ্ছে, তা অত্যন্ত অন্যায্য। কিলিয়ানকে নিয়ে কিছু মানুষ একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করছে। ও একজন অসাধারণ খেলোয়াড় এবং মাঠের বাইরে ভীষণ ভালো একজন মানুষ। কেবল কিলিয়ান এমবাপ্পে বলেই তাকে নিয়ে এত মাতামাতি। মানুষের উচিত তাকে এভাবে তাড়া করা বন্ধ করা।’

দেম্বেলের ক্ষোভ অব্যাহত থাকে যখন বলেন, ‘সে জুতার ফিতা বাঁধল কি বাঁধল না, মোজা টেনে তুলল কি তুলল না—সেটা নিয়েও কথা হয়। এটা আসলেই بড্ড বেশি। দিনশেষে সে তো একটা মানুষ। ফ্রান্স দলের হয়ে সে আমাদের সাথে অসাধারণ খেলছে, ও আমাদের একজন নেতা।’

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপে ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশমের বিদায়ের পর ফ্রান্সের ডাগআউটে সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ কোচ এবং ফরাসি কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানের আসার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

এই বিষয়ে দেম্বেলে জানান, ‘দেশম একজন অনন্যসাধারণ কোচ। ফরাসি জাতীয় দলের কোচদের ইতিহাসে তিনি চিরকাল কিংবদন্তি হয়ে থাকবেন। তবে আমরা আশাবাদী, একদিন জিদানকে ফ্রান্সের বেঞ্চে স্বাগত জানাতে পারব। আমি নিশ্চিত, তিনি দায়িত্ব নিলে দারুণ কিছু করবেন।’

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের হয়ে ফাইনালে গোল করেছিলেন দেম্বেলে। অন্যদিকে ২০২২ সালের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেও শিরোপা ছোঁয়া হয়নি এমবাপ্পের। এবার যুক্তরাষ্ট্রে সেই আক্ষেপ মুছে ফেলবার লক্ষ্যেই মাঠে নামছে ফরাসিরা। আগামী মঙ্গলবার সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফ্রান্সের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%