ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাজ না করেই ৬০ লাখ টাকার বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ


কাজ না করেই ৬০ লাখ টাকার বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনটির বিভিন্ন স্থানে পলেস্তরা খসে পড়ছে এবং বৃষ্টি হলেই ছাদের পানি ভেতরে পড়ছে। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা ইউপির এই ভবনটির শৌচাগারগুলোর অবস্থাও খুব খারাপ। পানির কলগুলো ঠিকমতো কাজও করছে না।

 

প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ভবনটি সংস্কার করা খুব জরুরি। শোনা যাচ্ছে সংস্কারের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। তবে জুন মাস চলে গেলেও সংস্কার হয়নি।

আরও পড়ুন: বি আর বি ক্যাবল, ৪৮ বছর বিশ্বাসের পথে সমৃদ্ধির যাত্রা

 

অন্য দিকে, উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের অবস্থাও একই। রং জ্বলে গেছে এবং শৌচাগার ব্যবহারযোগ্য নয়। এই ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাও একই কথা বলেন। উল্লেখ্য, তিনি জানান, ‘আমাদের ভবনটি সংস্কার করা খুব প্রয়োজন ছিল। শুনেছি সংস্কারের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ১০ লাখ টাকার বরাদ্দ ছিল। কিন্তু সংস্কার হয়নি।’

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ধারা এবং ধুরাইলসহ হালুয়াঘাটের মোট ছয় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংস্কারের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ১০ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন: ‎রাঙামাটিতে বাস থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২

 

নিয়ম অনুযায়ী, জুন মাসের মধ্যে এ বরাদ্দের টাকায় সংস্কার কাজ করা কথা ছিল। কিন্তু জুন মাসের মধ্যে সংস্কার হয়নি এবং টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানোর নিয়ম। এ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা গেলে, হালুয়াঘাটে সংস্কার কাজ হয়নি তবে টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। তাহলে এই ৬০ লাখ টাকা গেল কোথায়, সেটাই এখন একটি প্রশ্ন।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তার অভিযোগ, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে বরাদ্দ ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন হালুয়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং অন্যান্য কর্মকর্তা। দাবি করা হচ্ছে যে স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তিও এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াত নেতার গণজোয়ারের দাবি, নির্বাচনে জনগণের ক্ষোভ প্রকাশের আশাবাদ

 

রবিবার (২ আগস্ট) অভিযোগের অনুসন্ধানে যাওয়া হয় সংস্কারের তালিকায় থাকা ছয় ইউনিয়নের মধ্যে গৃহীত ধারা, ধুরাইল, কৈচাপুর, এবং গাজিরভিটাতে।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, এই চারটি ইউপি ভবনের কোনওটিতেই সংস্কার হয়নি। এমনকি সংস্কারের জন্য বরাদ্দের খবরও জানেন না ইউপি সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন: সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে বাবার দাফনে বাধা সন্তানরা

 

ধুরাইল ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিনহাজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংস্কারের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু অর্থ বছরের সময়সীমা পার হয়ে গেলেও কোনও সংস্কার হয়নি। আমাদের ইউপি ভবনে বহু সংস্কারের প্রয়োজন।’

 

একই ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল হাসেম বলেন, ‘সংস্কারের জন্য কোনও বরাদ্দ রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে কোন সংস্কার কাজ হতে দেখিনি।’

আরও পড়ুন: জেলা প্রশাসক মিজ কউসার গাবুরার মেগা প্রকল্প পরিদর্শন করলেন

 

আবুল হাসেম, সংস্কারের জন্য বরাদ্দের টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে- এমন অভিযোগের ব্যাপারে বলেন, ‘এ অভিযোগ সত্য হলে, এটি একটি খুব অন্যায় কাজ হবে। আমার দাবি, আত্মসাৎ করা টাকা ফিরিয়ে এনে সংস্কার করা হোক।’

 

কৈচাপুর এবং গাজিরভিটা ইউপি ভবনেও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সেখানে কোন সংস্কার কাজ হয়নি। কৈচাপুর ইউপির চেয়ারম্যান এবং সব সদস্যকে অপসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে হালুয়াঘাট উপজেলার পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহজাহান প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তাকে কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। তবে এ ইউপির হিসাব সহকারী শফিকুর রহমান জানান, কিছুরই সংস্কার কাজ হয়নি। একই দিন বিকেলে গাজিরভিটা ইউনিয়ন পরিষদে গেলে সেখানকার প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুব্রত দেবনাথ জানান, সম্প্রতি শেষ হওয়া অর্থ বছরে কোনো সংস্কার হয়নি।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে মাটিয়ান হাওরপাড় মাটিয়ান গ্ৰামে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংস্কারের তালিকায় থাকা স্বদেশি এবং জুগলী ইউপি ভবনেও কোন সংস্কার কাজ হয়নি।

 

সংস্কার না করে ৬০ লাখ টাকা তুলে নেওয়ার বিষয়ে জানতে রবিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদের কার্যালয়ে যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রথমে জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। পরে তিনি উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কয়েকজন কর্মকর্তাকে তার কক্ষে ডেকে আনেন।

 

কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ইউএনও বলেন, ‘গত অর্থ বছরের ৩০ মে এ ছয়টি ইউপি ভবন সংস্কারের জন্য ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। সংস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভবনগুলোকে নতুন করে রং করা। কিন্তু বর্ষাকাল থাকায় রং করা হলে তা উঠে যেতে পারে, সেজন্য সংস্কার করা হয়নি।’

 

এসময় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে ৬০ লাখ টাকা পে ওয়ার্ডার করে রাখা আছে, বলে দাবি করেন ইউএনও।

 

ইউএনও যখন এ বিষয়ে কথা বলতে থাকেন, তখন পাশ থেকে হালুয়াঘাটের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ইসমাইল হোসেন ইউএনওকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘স্যার বলেন, সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে।’ এরপর ইউএনও বলেন, ‘সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। ছয়টি ভবনের সংস্কারের জন্য ঠিকাদারও নিয়োগ করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে নারী শিক্ষককে অশালীন আচরণ ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


কাউখালীতে নারী শিক্ষককে অশালীন আচরণ ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ১৪ নং মধ্য সোনাকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি একই বিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষককে অশালীন আচরণ, মানসিক হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় রাখার অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগী সহকারী শিক্ষক ফেরদৌস আক্তার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। উল্লেখ্য, অভিযোগের অনুলিপি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা) এবং কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগে ফেরদৌস আক্তার জানান, তিনি ২০১২ সালের ২১ এপ্রিল থেকে বিদ্যালয়টিতে কর্মরত রয়েছেন। অভিযোগ তাঁর দাবি, সহকারী শিক্ষক মিলন কৃষ্ণ পাল দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে অশালীন মন্তব্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আসছেন। বিদ্যালয়ে একমাত্র নারী শিক্ষক হিসেবে প্রতিনিয়ত আতঙ্ক এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালে অভিযুক্ত শিক্ষক উচ্চস্বরে মোবাইলে ভিডিও চালান। এছাড়া, যখন তিনি কমনরুমে নামাজ আদায় করতে যান, তখন সেখানে অবস্থান করেন, যা তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে। এমন আচরণের কারণে বিদ্যালয়ের পূর্ববর্তী কয়েকজন নারী শিক্ষকও অন্যত্র বদলি নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগের দাবি করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী শিক্ষক মিলন কৃষ্ণ পাল জানান, “আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।” বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শ্যামল চন্দ্র মন্তব্য করেন, “সহকারী শিক্ষক ফেরদৌস আক্তার বিষয়টি আমাকে একাধিকবার জানিয়েছেন। আমি শিক্ষক মিলন কৃষ্ণ পালকে কয়েকবার সতর্ক ও সংশোধনের জন্য বলেছি। এখন বিষয়টি আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।” কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ অহিদুর রহমান জানান, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যাতা পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাতিয়াইনের গ্লোরী এগ্রোর পচা কোম্পানির সংবাদ প্রকাশের পর মাধবপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান, দুই শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদন মোঃ শরীফ উদ্দিন

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


ছাতিয়াইনের গ্লোরী এগ্রোর পচা কোম্পানির সংবাদ প্রকাশের পর মাধবপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান, দুই শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা ছাতিয়াইন ইউনিয়নের রতনপুর এলাকায় গ্লোরী এগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেডের পরিবেশ দূষণ ও তীব্র দুর্গন্ধ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে তালাশ বিডি, দৈনিক দেশ রূপান্তরসহ একাধিক জাতীয় পত্রিকায় এ নিয়ে লেখা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে।

অভিযানে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে দুটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএইচএল পেপার মিলস-এর বিরুদ্ধে বয়লারের গরম পানি কন্ডেন্সার ছাড়াই সরাসরি নিষ্কাশনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের শেষে উভয় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়েছে। মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, "পরিবেশ দূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

এর আগে, গ্লোরী এগ্রো প্রোডাক্টসের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, কারখানা থেকে নির্গত তীব্র দুর্গন্ধে পথচারীরা নাক-মুখ চেপে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা ও বমিভাবসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া কৃষিজমি, জলাশয় ও পরিবেশ দূষণের অভিযোগও ওঠে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রশাসনের এই অভিযানকে স্থানীয়রা ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির দায়ে যশোরে ২ ব্যবসায়ীর জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির দায়ে যশোরে ২ ব্যবসায়ীর জরিমানা

 সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় বেশি দামে সার বিক্রির কারণে যশোরের অভয়নগরে ২ ব্যবসায়ীকে মোট ১০ হাজার ৫শ’ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার মরিচা ও শুভরাড়া বালুরঘাট বাজারে উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, যার নাম আশীষ কুমার বসু।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার মো. খায়রুজ্জামান জানান, ১ হাজার ৩৫০ টাকা মূল্যের এক বস্তা সরকারি টিএসপি সার ২ হাজার ৩শ’ টাকায় বিক্রি করার অপরাধে মেসার্স মাসুদ-মামুন ট্রেডার্সের মালিক মাসুদ মোল্যাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং মেসার্স ভাই ভাই কৃষি স্টোরের মালিক রিয়াজ উদ্দীনকে ৫শ’ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভয়নগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভী খাতুন বাসস’কে বলেন, বেশি দামে সার বিক্রির খবর পাওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়েছিল।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ কুমার বসু বাসস’কে জানান, সরকার নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় বেশি দামে সার বিক্রি করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।

জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালন উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালন উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সভা অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠি, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : ‘রুপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে জেলা কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, জেলা মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক প্রণব কুমার বিশ্বাস, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদা এবং জেলা তথ্য কর্মকর্তা লেলিন বালা প্রমুখ।

সভায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ মাছ চাষ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় জানানো হয়, আগামী ১৬ থেকে ১৮ আগস্ট জেলায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ পালিত হবে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, মৎস্য খাত বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%