ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিয়ে নিয়ে বিরোধের অভিযোগ, কালীগঞ্জে এক যুবকের আত্মহত্যা


বিয়ে নিয়ে বিরোধের অভিযোগ, কালীগঞ্জে এক যুবকের আত্মহত্যা

গাজীপুরের কালীগঞ্জে আত্মহত্যার একটি ঘটনার কথা জানা গেছে। পরিবারটির দাবি রয়েছে যে, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক অনুযায়ী প্রেমিকার বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে ধাপে ধাপে তিনি প্রায় ১৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু, বিয়ের ঘটনার সুরাহা না হওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন তারিখে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

নিহত প্রেমিক সৈয়দ আফ্রিদি (২৩) কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নের রাথুরা দর্জিবাড়ি এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে।

আরও পড়ুন: আদালতের নির্দেশের পরও সিলেটের বিরোধপূর্ণ বাড়িতে দখল অব্যাহত

নিহতের স্বজনদের আলোচনায় উঠে এসেছে যে, রাথুরা এলাকায় আওলাদ হোসেনের মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রায় এক বছর আগে পলখান এলাকায় এক মারামারির ঘটনা হয়েছিল, যেখানে প্রেমিকার বোনের স্বামী আহত হন।

এই ঘটনায় চিকিৎসাসহ অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য আফ্রিদি প্রচুর অর্থ প্রদান করেন। তিনি পারিবারিক জমি বিক্রি এবং আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার করে প্রায় ১২-১৩ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

সম্প্রতি তার প্রেমিকা যোগাযোগ কমিয়ে দেন এবং বিয়ের প্রস্তাব দিলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়। এই ঘটনায় হতাশ হয়ে উঠেন আফ্রিদি। মঙ্গলবার দুপুরে ঘরের দরজা বন্ধ করে গামছা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে থাকেন তিনি।

স্বজনরা পরে দরজা ভেঙে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, ১০ যাত্রী আহত

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, "লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।" কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন আরও জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ১০৬তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৮ এম


আজ ১০৬তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস

একটি জাতির ইতিহাসের ক্ষেত্রে কিছু প্রতিষ্ঠান কেবল উচ্চশিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তারা রাষ্ট্রচিন্তা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সংস্কৃতি এবং জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে পরিণত হয়ে যায়। বাংলাদেশের জন্য এই অহমের পরিচায়ক হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। নবাব সলিমুলল্লাহ, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী এবং শেরেবাংলার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং প্রচেষ্টা ফলস্বরূপ, ১৯২১ সালের ১ জুলাই শুরু হয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠটি। এখন এটি ১০৬তম বছরে প্রবেশ করেছে।

১৯২১ সালে পূর্ব বাংলায় আধুনিক উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে তিনটি অনুষদ, ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক এবং ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ১২টি ইনস্টিটিউট, ৫৬টি গবেষণাকেন্দ্র এবং ৮৪টি বিভাগ রয়েছে যেখানে ৪০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। স্কুল-কলেজের পরে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, কূটনীতি, সাহিত্য, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, গণমাধ্যম এবং রাজনীতির মতো রাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব প্রদান করছেন।

টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র‌্যাংকিং ২০২৬-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬০০ ধাপ এগিয়ে ৪০১-৬০০ ব্যান্ডে স্থান অর্জন করেছে। পাশাপাশি কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিং ২০২৭-এ টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বের সেরা ৬০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অবস্থান ধরে রেখেছে। এছাড়া, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং এলসেভিয়ারের প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫ জন শিক্ষক ও গবেষকের নাম স্থান পেয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, গবেষণাকেন্দ্রিক, উদ্ভাবননির্ভর এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৫ বছর পূর্তি সামনে রেখে ২০ বছর মেয়াদি ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি একাডেমিক প্ল্যান (২০২৬-২০৪৬)’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবন, নৈতিক নেতৃত্ব, গবেষণা উৎকর্ষ, শিক্ষা আধুনিকায়ন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতার বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

আজ ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিপাদ্যে ১০৬তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। দিনব্যাপী এ উদযাপনের মধ্যে রয়েছে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, কেক কাটা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভা। সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষক-শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রা সহ স্মৃতি চিরন্তনে সমবেত হবেন। পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পায়রা চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে এবং সাড়ে ১০টায় টিএসসি মিলনায়তনে আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতিষ্ঠাতাদের স্মরণ করার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৯ এম


ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই অভ্যুত্থানে: রিজভী

 

আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ধারাবাহিক আন্দোলনের সর্বোচ্চ প্রতিফলন ঘটেছে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ কথা মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ দেশের মানুষকে সবসময় অন্যায়, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রেরণা দেবে।

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (১ জুলাই) প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে 'আলোয় স্মৃতি সমুজ্জ্বল' শীর্ষক মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১১টা থেকে ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, "এই আলো শুধু সাময়িক অন্ধকার দূর করার জন্য নয়, এটি ভুবনভরা আলো। জুলাইয়ের স্মৃতি আমাদের আলোকিত করবে, প্রজ্বলিত করবে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আবার নতুন সংগ্রামে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেবে।"

তিনি বলেন, "জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল শুভ সময়ে জন্ম নেয়নি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তারা দমন-পীড়ন, নির্যাতন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পথ চলেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই দীর্ঘ আন্দোলনেরই শ্রেষ্ঠ প্রকাশ।"

68853063-e5fc-4d7f-95b2-4aed6cec7492

শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রিজভী বলেন, "এই আলোর প্রজ্বালন শুধু এক দিনের জন্য নয়। প্রতিদিন সব কটি জানালা খুলে রাখতে হবে, যেন কোনো অগণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারী শক্তির আর কখনও আগমন ঘটতে না পারে। শহীদদের স্মৃতি শুধু একটি দিনের জন্য নয়, একটি মাসের জন্যও নয়; তাদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রতিদিন জাগিয়ে রাখবে।"

তিনি বলেন, "আমি চীনের প্রাচীর দেখিনি, আবু সাঈদের বুক দেখেছি। চীনের প্রাচীরের মতো বুক চিতিয়ে কীভাবে গুলি খেতে হয়, সেই দৃশ্য আমি দেখেছি। আমি হিমালয় দেখিনি, কিন্তু ওয়াসিম আকরামকে হিমালয়ের মতো দাঁড়িয়ে তপ্ত বুলেট বরণ করতে দেখেছি। আমি প্রশান্ত মহাসাগর দেখিনি, কিন্তু আহাজাবের মায়ের চোখের জল দেখেছি। সেই অশ্রু প্রশান্ত মহাসাগরের চেয়েও গভীর।"

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, "ফ্যাসিবাদ পরাজিত হয়েছে, কিন্তু তার অবশিষ্টাংশ এখনো সমাজের নানা জায়গায় রয়েছে। তারা দেশের মেগা প্রকল্প-মেট্রোরেল ও পদ্মা সেতুর অর্থ পর্যন্ত লুট করেছে। তাই ছাত্রসমাজকে সবসময় সজাগ থাকতে হবে। ইতিহাস বলে, ছাত্রসমাজ কখনো ঘুমায় না।"

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "তারেক রহমানের কাজ দেখে মনে হচ্ছে আমরা সবাই জাতীয়তাবাদী। শুধু ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ড নয়, আজ রেড সিগন্যালে যে গাড়িটি নিয়ম মেনে দাঁড়িয়ে যায়, সেটিও জাতীয়তাবাদের অংশ।"

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, "গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া হাজারো ছাত্র-জনতা এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মী ও সমর্থকের স্মরণে আমরা এই কর্মসূচি পালন করছি। প্রতিবছরই এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।"

তিনি বলেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে সারাদেশে যারা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ কখনো ভুলে যাওয়া হবে না। ছাত্রদল বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবসময় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে।"

ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান বলেন, "গণঅভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি রক্ত দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্যাতনের পরও দেশের স্বার্থে আমরা কখনো আপস করিনি।"

তিনি আরও বলেন, "জুলাইকে কোনো ব্যবসার উপকরণ হতে দেওয়া হবে না। এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় মূল্য দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। বাংলাদেশ চলবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার ও সুশাসনের ভিত্তিতে। সবার আগে বাংলাদেশ- এই নীতিই প্রতিষ্ঠা করতে হবে।"

গভীর রাত পর্যন্ত চলা মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণে নিবেদিত এ কর্মসূচিতে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৯ এম


এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ব্রাজিলের সামনে দাঁড়িয়েছে এমন এক প্রতিপক্ষ, যাদের মধ্যে ইতিহাস কখনোই স্বস্তির নয়। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল ব্রাজিল এখন শেষ ষোলোতে প্রতিপক্ষ হিসেবে নরওয়ের মুখোমুখি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে একাধিকবার মুখোমুখি হওয়া দলগুলোর মধ্যে নরওয়ে একমাত্র দল, যাদের বিরুদ্ধে ব্রাজিল এখনও পর্যন্ত কোনো জয়ের দেখা পায়নি।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ ম্যাচে ডালাসের এ টি অ্যান্ড টি স্টেডিয়ামে আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে নরওয়ে তাদের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। এই জয়ে ব্রাজিলের সঙ্গে তাদের বহুল আলোচিত লড়াইও নিশ্চিত হয়েছে।

ম্যাচের ৩৯ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের বাড়ানো বলে আন্তোনিও নুসা গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেয়। ৭৪ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আমাদ দিয়ালো গোল করে আইভরি কোস্টকে সমতায় ফেরান। তবে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে প্যাট্রিক বার্গের অ্যাসিস্ট থেকে আর্লিং ব্রট হালান্ড নরওয়েকে জয়সূচক গোল করে শেষ ষোলোয় পৌঁছে দেন।

এছাড়াও ব্রাজিল পূর্বে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছিল। এবার কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার জন্য মুখোমুখি হবে এমন এক প্রতিপক্ষের যে, বিপক্ষে ব্রাজিলের ইতিহাস মোটেও সুখকর নয়।

এ পর্যন্ত ব্রাজিল ও নরওয়ে চারবার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে নরওয়ে জিতেছে দুইটি ম্যাচ এবং বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। ব্রাজিল এখনও পর্যন্ত নরওয়েকে হারাতে পারেনি।

দুই দলের মুখোমুখি ইতিহাস হলোঃ

.১৯৮৮ সালে প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র,

.১৯৯৭ সালে প্রীতি ম্যাচে নরওয়ের ৪-২ গোলের জয়,

.১৯৯৮ ফ্রান্স বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নরওয়ের ২-১ গোলের জয়,

.২০০৬ সালের প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র।

বিশেষত ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে হারিয়ে নরওয়ের জয়টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন হিসেবে বিবেচিত হয়। সেই স্মৃতি পৌরাণিকভাবে আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল।

এদিকে রাউন্ড অব ৩২ এর অন্য ম্যাচগুলোতে টাইব্রেকারে জার্মানিকে বিদায় দিয়েছে প্যারাগুয়ে। একইভাবে নেদারল্যান্ডসকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মরক্কো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পূর্ণাঙ্গ রায়ের অপেক্ষায় আসলাম চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩০ এম


আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পূর্ণাঙ্গ রায়ের অপেক্ষায় আসলাম চৌধুরী

বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী, যিনি চট্টগ্রাম-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন, তার প্রার্থিতা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বাতিল করেছে। ফলে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না। তবে পুনর্নির্বাচন হবে নাকি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে, তা পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর জানা যাবে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আপিল বিভাগের রায় ঘোষণার পর আসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে। পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করেছে। আপিল প্রক্রিয়া চলাকালে তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং ভোটারদের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু আপিল বিভাগের সর্বশেষ রায় তার প্রার্থিতা বাতিল করেছে, যার ফলে নতুন আইনি বাস্তবতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, তার বিচার বিভাগের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও শ্রদ্ধা রয়েছে। আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি হাতে পাওয়ার পর আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করে রিভিউ আবেদন করা হবে। আইন অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা তিনি উল্লেখ করেছেন।

রায়ের পর দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আসলাম চৌধুরী সংযমের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো অবস্থাতেই মহাসড়ক অবরোধ, ভাঙচুর বা সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, এমন কর্মসূচি গ্রহণ করা যাবে না। রাজনৈতিক কর্মসূচির ফলে জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি হলে তা কারো জন্যই ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনে না। তাই আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে সাংগঠনিকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার নির্দেশ দেন তিনি।

মামলার ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে বিরোধটি নির্বাচন কমিশন, হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগ, এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও বিচারিক ধাপ অতিক্রম করেছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত, হাইকোর্টের আদেশ এবং আপিল বিভাগের রায়ের মধ্যে আইনি ব্যাখ্যার পার্থক্য নিয়ে প্রশ্নের উত্তর আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে পাওয়ার আশা রয়েছে। মামলার ভবিষ্যতের গতিপথ বোঝার জন্য পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিকল্প নেই, এমন মন্তব্য আইনজীবী ও নির্বাচন বিশ্লেষকদের।

আইন সংশ্লিষ্টদের মতে, সংক্ষিপ্ত আদেশে শুধু মামলার ফলাফল প্রকাশ করা হয়, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ, আইনের ব্যাখ্যা, সংশ্লিষ্ট নজির এবং সিদ্ধান্তের ভিত্তি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। রিভিউ আবেদনের যৌক্তিকতা নির্ধারণে এইসব পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সংশ্লিষ্ট পক্ষ এখন পূর্ণাঙ্গ রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%