প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের মঞ্চে যখন ব্রাজিলের প্রত্যাশা রাফিনিয়ার কাঁধে, তখন তার সাফল্যের মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে সাথে আছেন স্ত্রী নাতালিয়া রদ্রিগেজ বেলোলি। মাঠে রাফিনিয়ার দুর্দান্ত গতি ও ক্ষিপ্রতা যখন ভক্তদের হৃদয়ে ঝড় তোলে, তখন তার বাইরের জীবনের স্থিরতা হয়ে পাশে রয়েছেন নাতালিয়া।
তাদের এই প্রেমের গল্প কোনো সাধারণ গল্প নয়, বরং এটি দীর্ঘদিনের এক বন্ধুত্বের ফসল যার ফলে গড়িয়েছে পরিণয়ে। ব্রাজিলের পোর্তো আলেগ্রেতে বেড়ে ওঠা রাফিনিয়া যখন সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ক্লাবগুলোর মধ্যে পর্তুগাল, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড থেকে বার্সেলোনার মতো স্থানে পৌঁছেছেন, তখন নাতালিয়া সর্বদা তার ছায়ার মতো সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
২০২১ সালে কানকুনের এক ভ্রমণে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যায়। সেই বছরেই রাফিনিয়া একটি রোমান্টিক আয়োজনে নাতালিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ২০২২ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পরের বছর তাদের কোলজুড়ে আসে পুত্র সন্তান গায়েল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নাতালিয়া একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং মডেল হিসেবে পরিচিত। রাফিনিয়ার মাঠের আগ্রাসী চরিত্রের বিপরীতে, নাতালিয়া তার ‘শান্তির’ পরিচয়ে নিজেদের প্রতি সুবিচার করেন।
নাতালিয়া একবার ব্যক্তিগত রসায়ন নিয়ে লিখেছেন যে, তিনি নিজেই ঝড়ের মতো, আর রাফিনিয়া তার শান্ত আশ্রয়। তিনি বলেছেন যে চিৎকার বা কঠোরতা নয়, বরং ভালোবাসা দিয়ে যে কোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব, তা তিনি রাফিনিয়ার কাছ থেকেই শিখেছেন।
বার্সেলোনার ম্যাচে গ্যালারিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত উপস্থিত থাকা নাতালিয়া এখন শুধুমাত্র রাফিনিয়ার স্ত্রী নন, বরং ব্রাজিল দলের অন্যতম বড় সমর্থক এবং অনুপ্রেরণা।
বিশ্বকাপের এই বিশাল কর্মযজ্ঞে রাফিনিয়ার জীবনের এই স্থিতিশীলতা এবং তাদের পারিবারিক বন্ধন ভক্তদের কাছে একটি অনন্য অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছে। এটি মনে করিয়ে দেয় যে ফুটবলারের সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের এক অটুট বিশ্বাস ও ভালোবাসার ভিত্তি।
সূত্র: মার্কা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন