ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা জানালেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা জানালেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বর মণ্ডল এবং তার টিমকে সম্প্রতি সাক্ষাতের জন্য ডেকেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছেন। এ তথ্য জানিয়ে জব্বর মণ্ডল বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের ডেকেছিলেন। আমাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জেনেছেন। কিছু বিষয়ে পরামর্শ এবং নির্দেশনা দিয়েছেন।’

প্রধানমন্ত্রী বিশেষ কোনো বার্তা দিয়েছেন কিনা- এই প্রশ্নের জবাবে জব্বর মণ্ডল জানান, ‘বলেছেন, তবে এখন এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। উনি (প্রধানমন্ত্রী) আমাদের টিমের সবারই প্রশংসা করেছেন।’

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর দ্রুত সমাধানের বিষয়েও তাকে নির্দেশনা দেন। তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি করপোরেশনসহ মাঠপর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত একটি সভায় এ নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে কমিটিকে এক মাসের মধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত সমাধানযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা চিহ্নিত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্যও নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে সদস্য করে তিন সদস্যের এ কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

সভায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার বিষয় তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে জেলা পর্যায়ে জনবল বৃদ্ধি, উন্নতমানের পরীক্ষাগার স্থাপনের বিষয় এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনায় আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের দাবি জানানো হয়েছে। তারা ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকালীন নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়ও উল্লেখ করেছেন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সমস্যা থাকবেই। তার পরও সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে এবং বসে থাকলে চলবে না। পৃথিবীর অনেক দেশ এক সময় আমাদের চেয়েছিল তারা অনুন্নত ছিল, কিন্তু আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও তাই এগিয়ে যেতে হবে।

এ প্রসঙ্গে উল্লেখ থাকে, দীর্ঘদিন ধরে বাজারে অতিরিক্ত দাম এবং ভেজাল পণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আব্দুল জব্বর মণ্ডল। তিনি বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে বাজারে ন্যায্য দাম প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তার শান্তশিষ্ট স্বভাব এবং ধৈর্যশক্তির মাধ্যমে বিক্রেতাদের সঠিক দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য করেন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শাস্তি বা জরিমানা প্রদান করছেন। এর ফলে ক্রেতাদেরও লাভ হচ্ছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশীয় মাছ রক্ষায় ৬৬৯ অভয়াশ্রম: সংসদে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫১ পি.এম


দেশীয় মাছ রক্ষায় ৬৬৯ অভয়াশ্রম: সংসদে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, দেশীয় মাছের প্রজাতির বিলুপ্তি রোধ এবং জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সংরক্ষণ, গবেষণা, অভয়াশ্রম স্থাপন এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল পুনরুদ্ধারসহ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি আরো যোগ করেন, দেশীয় মাছের সংরক্ষণে সরকার অভয়াশ্রম স্থাপন, উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত, প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ, আইন প্রয়োগ জোরদার এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার বিভিন্ন বিদ্যমান হুমকি মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। যাহাতে দেশের নদ-নদী এবং অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে ৬৬৯টি মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর আওতায় ১ হাজার ১৯৫ দশমিক ৯১ হেক্টর এলাকা রয়েছে, যা স্থানীয় উপকারভোগী দল পরিচালনা করছে।

তিনি আরো জানান, চট্টগ্রামের নাজিরহাট সেতু থেকে হালদা-কর্ণফুলী মোহনা এবং কালুরঘাট সেতু পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার এলাকা মাছের অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে। মৌলভীবাজার জেলার তিনটি উপজেলায় ১০টি স্থায়ী মাছের অভয়াশ্রমও সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

আমিন উর রশিদ বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য হল সংরক্ষণ কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা এবং এজন্য ‘অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের অভয়াশ্রম স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের নিয়মিত কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এর পাশাপাশি প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়াতে বিল নার্সারি স্থাপন করা হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজস্ব ও উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ৯৪৭টি বিল নার্সারি স্থাপন করা হয়েছে।

দেশীয় মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন শীর্ষক একটি প্রকল্পও সরকারের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রতিবছর ২৯ মে থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সাতটি হাওর জেলায় ৩০ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়।

মন্ত্রী জানান, মৎস্য সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং কারেন্ট জালের মতো ধ্বংসাত্মক অবৈধ জালের ব্যবহার ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশীয় মাছের বিলুপ্তি রোধে গবেষণার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত ৪১টি দেশীয় মাছের প্রজনন ও চাষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যার মধ্যে পাবদা, গুলশা, শিং, মাগুর, ভেদা, বাটা, সরপুঁটি, ভাঙ্গনা, কালিবাউশ, মহাশোল, আইড়, চিতল, ফলি, কুচিয়া, টেংরা, খলিশাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মন্ত্রী সংসদকে জানান, বর্তমানে দেশে দেশীয় মাছের প্রজাতির সংখ্যা ২৬১টি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ বোয়ালখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চিকিৎসাসেবায় ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ বোয়ালখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চিকিৎসাসেবায় ভোগান্তি

 

তিন দিনের টানা ভারি বর্ষণে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জনজীবন অত্যন্ত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিচতলা, জরুরি বিভাগ, ল্যাব এবং প্রশাসনিক কক্ষে হাঁটু সমান পানি জমে গেছে, যা চিকিৎসাসেবায় ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় জনদুর্ভোগ আরো বেড়ে গেছে। নদীর তীরবর্তী কয়েকটি এলাকার রাস্তাঘাট এবং বসতবাড়িও পানিতে তলিয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেল, হাসপাতালের ভেতর-বাইরের আঙিনাসহ নিচতলায় হাঁটু সমান পানি জমে রয়েছে। জরুরি বিভাগের ভেতরেও পানি ঢুকে পড়েছে।

কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা প্রদান করে চলেছেন। বিভিন্ন রোগী এবং তাদের স্বজনদের হাঁটু পানির মধ্যে দিয়েই হাসপাতালে যাতায়াত করতে দেখা গেছে।

এদিন এক নারী, হোসনা আরা (৫৮), যিনি উচ্চ রক্তচাপ এবং শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতলে এসেছিলেন, তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. পূজা ভূমিক বলেন, রোগী স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাকে প্রয়োজনীয় উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মামুনুল হক মামুন জানান, হাসপাতালটি রাস্তার তুলনায় নিচু হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যায় ভুগছে। কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি জমে থাকে। তিনি বলেন, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন এবং পৌর প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, তবে জলাবদ্ধতার মধ্যেও জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা চালু রয়েছে।

এদিকে টানা বর্ষণের কারণে উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী, কধুরখীল, পশ্চিম শাকপুরা, ঘোষখীল, চরখিদিরপুর এবং চরণদ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বহু বাড়ির উঠোন এবং গ্রামীণ সড়ক হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা।

পশ্চিম গোমদণ্ডীর চরখিদিরপুর গ্রামের বাসিন্দা শওকত হোসেন জানিয়েছেন, চারদিকে শুধু পানি। বাড়ির উঠোন ডুবে গেছে। চলাচল করতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া ভারি বর্ষণের পর উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এই কারণে বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি অফিসের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মোবাইল ফোনে চার্জ দিতে না পারায় জরুরি যোগাযোগে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

পৌর সদরের বাসিন্দা মো. আজিজ জানিয়েছেন, দুই দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। মোবাইলে চার্জ না থাকায় জরুরি যোগাযোগও করা যাচ্ছে না। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়, কিন্তু মাস শেষে সম্পূর্ণ বিল দিতে হয়।

পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমা জানিয়েছে, পৌর এলাকার কয়েকটি স্থানে জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে। পানি নিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার করতে পৌরসভার কর্মীরা কাজ করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আগামীকাল উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা ডাকা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসংলগ্ন ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত পানি নেমে যেতে পারে এবং মানুষের দুর্ভোগ কমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আঞ্চলিক সহযোগিতায় বিমসটেককে গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


আঞ্চলিক সহযোগিতায় বিমসটেককে গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরীয় বহুমুখী কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগকে (বিমসটেক) বাংলাদেশের গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন।

মঙ্গলবার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিমসটেক মহাসচিব ইন্দ্র মণি পান্ডে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এটি সম্পর্কে মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বিমসটেক মহাসচিব সংস্থাটির চলমান কার্যক্রম ও বিভিন্ন উদ্যোগের অগ্রগতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি বিমসটেকের কর্মসূচি এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব এবং গঠনমূলক অবদানের প্রশংসা করেন। একই সাথে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে অভিন্ন সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বৈঠকে বিমসটেক প্রক্রিয়ার প্রতি বাংলাদেশের অব্যাহত অঙ্গীকার প্রতিমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন। তার মতে, বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালীন সময়ে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও উদ্যোগী করার জন্য সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শামা ওবায়েদ সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, আঞ্চলিক সংযোগ, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বিমসটেকভুক্ত দেশের জনগণের জন্য বাস্তব সুফল নিশ্চিত করার মধ্যেও তিনি জোর দেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালে গৃহীত সিদ্ধান্ত ও অগ্রাধিকারগুলোর সময়মতো বাস্তবায়ন করতে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বিভিন্ন খাতভিত্তিক বিমসটেক বৈঠক আয়োজন করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

এ সময় উভয়পক্ষ বাংলাদেশের সভাপতিত্বকালে গ্রহণযোগ্য সম্ভাব্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে মতবিনিময় করে। এছাড়াও, সমৃদ্ধ, সহনশীল ও উন্মুক্ত বিমসটেক গড়ে তোলার অভিন্ন লক্ষ্যকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে যৌথভাবে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রেনে পাসপোর্ট, প্লেনের টিকিটসহ ব্যাগ রেখে সৌদিপ্রবাসী নেমে গেলেন, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


ট্রেনে পাসপোর্ট, প্লেনের টিকিটসহ ব্যাগ রেখে সৌদিপ্রবাসী নেমে গেলেন, অতঃপর...

ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশনে নেমে, ট্রেনে পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ একটি ব্যাগ ফেলে রেখে যাওয়ার কারণে চরম সমস্যায় পড়েন সাগর খান নামে এক সৌদিপ্রবাসী। পরে, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার মাত্র আধাঘণ্টার মধ্যে রেলওয়ে পুলিশের কার্যক্রমের ফলে ব্যাগটি উদ্ধার করা হয়।

ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জুলাই রাত ৯টা ২৮ মিনিটে।

সাগর খান জানান, তার সৌদিপ্রবাসী দুলাভাই জসিমউদ্দীন সন্ধ্যা ৬টায় আখাউড়া থেকে ‘মহানগর গোধুলি’ ট্রেনে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাত ৯টা নাগাদ তারা বিমানবন্দর রেলস্টেশনে নেমে একটি রেস্টহাউজের দিকে যান। সেখানে গিয়ে জসিমউদ্দীন বুঝতে পারেন যে, তিনি ট্রেনেই তার পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট এবং অন্যান্য জরুরি কাগজপত্রসহ ব্যাগটি রেখে এসেছেন।

তারা দ্রুত বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ফিরে গেলেন কিন্তু তখন ট্রেনটি কমলাপুর রেলস্টেশনের দিকে চলে গেছে। পাশাপাশি, রাত ২টা ৩৫ মিনিটে জসিমউদ্দীনের সৌদি আরবগামী ফ্লাইট থাকার কারণে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি খুবই বিপদজনক হওয়ায়, সাগর খান বাধ্য হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।

৯৯৯-এর কলটি গ্রহণ করেন কলটেকার বুলবুল আহমেদ। পুরো ঘটনার সঙ্গে কলারের এবং রেলওয়ে পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করেন ৯৯৯-এর ডিসপাচার এসআই মিজানুর রহমান।

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ থেকে কমলাপুর রেলওয়ে থানা ও রেলওয়ে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। রেলওয়ে পুলিশ কমলাপুর স্টেশনে এসে ট্রেনটির ‘ন’ বগির ৭/৮ নম্বর সিট এবং লাগেজ র‍্যাক তল্লাশি করলেও তারা ব্যাগটি খুঁজে পায়নি।

পরে, কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশের একাধিক দল স্টেশনের বিভিন্ন স্থানে নিবিড় তল্লাশি শুরু করে। একপর্যায়ে তারা এক ভবঘুরে কিশোরের কাছে একটি ব্যাগ দেখতে পায়। পুলিশ সেটি পরীক্ষা করার পর সেখানে বিদেশযাত্রার পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া যায়।

৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই, রেলওয়ে পুলিশ ব্যাগটি উদ্ধার করে। পরে কলার সাগর খানকে ফোনে বিষয়টি জানানো হয় এবং যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে ব্যাগটি তার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%