ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেধার যথাযথ বিকাশে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা কাঠামো: শিক্ষামন্ত্রী


মেধার যথাযথ বিকাশে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা কাঠামো: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম আহসানুল হক মিলন বলেছেন, মেধার যথাযথ বিকাশে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা কাঠামো।

তিনি শনিবার (১১ জুলাই) সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা খাত আজ বিশ্বব্যাপী একটি বৃহৎ বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন: জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা মানিকের স্মরণে শিক্ষার্থীদের মোমবাতি প্রজ্বালন

মেধার যথাযথ বিকাশও অনেক ক্ষেত্রে বাণিজ্যিকীকরণের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি শুদ্ধ, মানবিক ও মানসম্মত শিক্ষা কাঠামো প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করার প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীরা এক সময় বাংলাদেশে পড়তে আসলেও বর্তমানে অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশমুখী হচ্ছে।

এই প্রবণতা কমিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষা, গবেষণা এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।

আরও পড়ুন: চুয়েটে ৩৬ দিন পর বুধবার থেকে ক্লাস শুরু, বিভাগের প্রধানরা নিশ্চিত নন

একজন শিক্ষার্থীর জীবনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হচ্ছে শিক্ষা।

স্বাধীন ও অলাভজনক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা প্রশংসনীয়।

সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়িয়ে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে সরকার যে ব্যয় বহন করে, তা অনেক শিক্ষার্থী উপলব্ধি করে না।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষা ব্যয় বহন করে।

এ কারণে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই শিক্ষার মান আরও উন্নত করা প্রয়োজন, যা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্বপ্ন ছিল।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, গণমানুষের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এটি দেশের উচ্চশিক্ষায় একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ।

সত্যিকার অর্থেই গণমানুষের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না, সেটি দেখতেই আমি এখানে এসেছি।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

মন্ত্রী আরো বলেন, গণ বিশ্ববিদ্যালয় তুলনামূলক কম খরচে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করছে, যা দেশের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যও অনুসরণীয়।

কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আধুনিক, গবেষণামুখী ও প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে উন্নয়নের যেসব ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করতেই আমার এ সফর।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তরিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে এবং শিক্ষকদের আরও শিক্ষাকেন্দ্রিক হতে হবে।

সाथে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যুগে সৃজনশীল ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষা যেন কখনো বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত না হয়; বরং মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. তমিজ উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ না করলে দেশ পাকিস্তানই থাকত: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ না করলে দেশ পাকিস্তানই থাকত: স্পিকার

পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে যদি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু না করত, তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। তিনি জানিয়েছেন যে, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট যদি ১৯৭১ সালের পাক বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু না করত, তবে এ দেশ এখনও পাকিস্তানই থাকত।

তিনি শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা শহরের মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ‘মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকা’ নামক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

হাফিজ উদ্দিন জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীতে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না। তিনি সাধারণত ফুটবল নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। জগন্নাথ কলেজে প্রভাষকের চাকরিও পেয়েছিলেন। একই সময় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্যও তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

তার বাবা তাকে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দেখতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত সেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা হয়নি। পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় থাকার সময় ফুটবল ফেডারেশনের সেক্রেটারি মেজর মোহাম্মদ মালিক তাকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছিলেন।

তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলের মাঠে ফুটবল খেলার সময় তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের স্মৃতি উঠে আসেন। স্পিকার বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের মধ্যে ফুটবল খেলা চলছিল। এখানে তিনি দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ছিলেন। হাফিজ উদ্দিন বলেছেন, রেফারি হুইসেল বাজিয়ে তাকে ডাকেন। হাফপ্যান্ট পরে, সাদা শার্ট পরিহিত, চোখে একটি সানগ্লাস ছিল। তিনি তার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে বলেছিলেন, ‘আই অ্যাম মেজর জিয়া। তুমি পাস আউট করে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যাবে। মাই ব্যাটালিয়ন ইজ নোন অ্যাজ সিনিয়র টাইগারস। সেনাবাহিনীর সবচেয়ে চ্যাম্পিয়ন ফুটবল টিম সিনিয়র টাইগারস।’

হাফিজ উদ্দিন আরও বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি স্বাধীনতার মহান ঘোষক, এ দেশের মহান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে, যিনি আমাকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। তার কথাতেই আমি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়েছি, অন্যদের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, সেটি হয়েছিল ছয় দফার ভিত্তিতে। তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে সম্পদ ও সুযোগের সমবণ্টন ছিল না। সেই বৈষম্য নিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ক্ষুব্ধ ছিল। পশ্চিম পাকিস্তানের চারটি প্রদেশকে যেভাবে তত্ত্বাবধান করা হত, পূর্ব পাকিস্তান ছিল অবহেলিত। পূর্ব পাকিস্তানে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছিল না। তখনকার আন্দোলনের নাম ছিল ‘সাম্যের । দুটি অঞ্চলের মধ্যে সমতা ছিল না। সম্পদের সমবণ্টন ছিল না। এজন্য পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ক্ষুব্ধ ছিল। এটিকে সম্বল করে আওয়ামী লীগ তৎকালীন নির্বাচনটি জিতেছিল।

মুক্তিযুদ্ধকে কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন স্পিকার। তিনি জানিয়েছেন, এটি ছিল জনতার যুদ্ধ। ১৯৭১ যারা দেখে নাই তারা দুর্ভাগা। আমাদের মধ্যে ভাগ্যবানরা ১৯৭১ সাল দেখতে পেয়েছে। আমাদের কাছে তো মাত্র পাঁচটা ব্যাটালিয়ন ছিল। চার হাজার সৈনিক। মুক্তিবাহিনী ছিল প্রায় লাখের মতো। ছাত্র, শিক্ষক, রিকশাচালক, দোকানদার, বাসের চালক, সহকারী, পিয়নসহ সব পেশার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিজিবি, উদ্ধার ১২২ পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


বান্দরবানে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিজিবি, উদ্ধার ১২২ পরিবার

গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যার কারণে বান্দরবান জেলা শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে অনেকগুলো পরিবার বাস্তুহারা হয়ে পড়েছে। এই বিপর্যস্ত ও দুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

প্রতিকূল আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা এবং বন্যার প্রবল স্রোত উপেক্ষা করে গত রাত থেকেই বিজিবি বান্দরবান সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রুবায়াত জামিলের নেতৃত্বে সেক্টর দপ্তরের সদস্যরা বান্দরবান জেলা সদরের পার্শ্ববর্তী ক্রাইক্ষ্যংপাড়া এলাকার বন্যাদুর্গত ১২২টি পরিবারকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে। তাদের শহীদ মোশাররফ বিজিবি স্কুল এবং ক্রাইক্ষ্যংপাড়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি দুর্গত মানুষের জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি, জরুরি ওষুধ এবং অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সার্বিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

এই বিষয়ে বিজিবি বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তর জানায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বদা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অন্যতম মানবিক অঙ্গীকার।

তারা আরও জানিয়েছে, সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, বন্যা, ভূমিধসসহ উদ্ভূত বিভিন্ন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিজিবির এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা পরিস্থিতিতে ৫ জেলার এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


বন্যা পরিস্থিতিতে ৫ জেলার এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনা করে ডিসিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাগুলি স্থগিত করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘বন্যা পরিস্থিতির মোকাবেলা করার জন্য সরকারের কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে মনিটর করছেন। সরকার দায়বদ্ধতার সঙ্গে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।’

উপদেষ্টার সংবাদের পর তিনি আরো বলেন, ‘দুর্গত এলাকাগুলোর প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং করলে জনগণের পাশে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রতিটি মন্ত্রণালয় তার দেওয়া নির্দেশনার অনুসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’

তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের ত্রাণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এর আগে, শুক্রবার (১০ জুলাই) বৈরী আবহাওয়া এবং বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার শনিবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরীর সই করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত জেলাগুলো হলো চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি।

এটি মনে রাখতে হবে যে, এর আগে একই কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনে সব জেলার ৮ জুলাইয়ের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।

কয়েক দিনের অতি ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অংশ তলিয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একসময় সরকারি আমলারা খিচুড়ি রান্না করতে বিদেশ যেতেন: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


একসময় সরকারি আমলারা খিচুড়ি রান্না করতে বিদেশ যেতেন: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, একসময় সরকারি আমলারা খিচুড়ি রান্না করতে, কচুরিপানা পরিষ্কার করতে বিদেশে যেতেন। সেই দিনগুলোর অবসান হয়ে গেছে।

এখন সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় স্পোর্টস কালচার, ফ্যামিলি ভ্যালুস, ডিবেট, এবং লার্নিং উইথ হ্যাপিনেসের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে সাভারে গণ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, পারিবারিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং নৈতিক শিক্ষাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী এমন একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে চান, যারা শিক্ষাকে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করবে।

নতুন কারিকুলামে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, পাশাপাশি পারিবারিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা এবং প্রকৃত ইতিহাস ধাপে ধাপে সব শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে সংযোজন করা হচ্ছে।

এহসানুল হক মিলন বলেন, চলতি বছরের পাঠ্যপুস্তকে ইতোমধ্যে অনেক পরিমার্জন আনা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যে পুরো কারিকুলাম পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। একটি যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে ধাপে ধাপে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বাড়ানো হচ্ছে এবং আধুনিক পদ্ধতিতে সেগুলো পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%