মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৮:৪০ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ জুলাই ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে আয়োজিত কল্যাণ সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার জনাব গৌতম কুমার বিশ্বাস।
এছাড়া কল্যাণ সভায় জেলার কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যবৃন্দ এবং সিভিল স্টাফরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সভার সময় পুলিশ সদস্যরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, সুযোগ-সুবিধা এবং কল্যাণ বিষয়ক বিষয়াদি পুলিশ সুপারের কাছে তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার মহোদয় উত্থাপিত সমস্যাগুলো গুরুত্ব সহকারে শুনেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভাব্য সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জনাব মোঃ একরামুল হক (পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব মোঃ ইয়াসির আরাফাত, সহকারী পুলিশ সুপার (প্রবেশনারি) এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কল্যাণ সভা শেষে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে জুন/২০২৬ মাসের অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ সুপার মহোদয়ের সভাপতিত্বে এই সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে উপজীব্য করে বিশেষ সংকলন প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। এই সংকলনে জুলাই যোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক প্রবন্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের জুলাইকেন্দ্রিক কর্মসূচি স্থান পাবে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে লেখা আহ্বান করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রবিবার (১৯ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংকলনের জন্য লেখা ও জুলাইসংক্রান্ত কর্মসূচির বিবরণ আগামী ২৭ জুলাই জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক বরাবর পাঠাতে হবে। [email protected] এই ই-মেইল ঠিকানায় বাংলা ১২ পয়েন্ট (SutonnyMJ ফন্ট) ব্যবহার করে লেখা জমা দেওয়া যাবে।
ঢাবি প্রশাসন জানিয়েছে, সংকলনটিতে জুলাই যোদ্ধাদের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের জুলাইকে ঘিরে আয়োজিত কর্মসূচির বিবরণ সংকলিত হবে।
এ সংকলন প্রকাশের লক্ষ্যে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকারকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক।
অন্যদিকে, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ১৭ জুলাই সন্ধ্যায় স্যার এ এফ রহমান হল মিলনায়তনে ‘গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদ মুক্তির মাস জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন। এ সময় জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ, প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন এবং ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই স্যার এ এফ রহমান হল সন্ত্রাসমুক্ত হওয়ার ঘটনা তুলে ধরা হয়।
দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলেও পৃথকভাবে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা, প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতা, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বিনিময়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিতর্ক প্রতিযোগিতা।
এছাড়াও, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ‘জুলাই স্মৃতিকথন’ শীর্ষক একটি বিশেষ সংকলন প্রকাশ করবে। পাশাপাশি, শামসুন নাহার হল ২৬ জুলাই, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল ও ফজলুল হক মুসলিম হল ২৪ ও ২৫ জুলাই, রোকেয়া হল ৩০ জুলাই, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ২৫ জুলাই, শেখ মুজিবুর রহমান হল ১ থেকে ৪ আগস্ট, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ২৪ জুলাই, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ২৫ জুলাই, অমর একুশে হল ২৩ থেকে ২৫ জুলাই, বিজয় একাত্তর হল ২৩ জুলাই, নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী ছাত্রী নিবাস ২২ জুলাই এবং ড. কুদরাত-ই-খুদা হোস্টেল ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আশা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে প্রকাশিতব্য এ সংকলন ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে ১৩ দিনব্যাপী ‘টাইগার লাইটনিং-২০২৬’। রবিবার (১৯ জুলাই) সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডে এর উদ্বোধন করা হলো।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত উক্তি করেন, এই যৌথ প্রশিক্ষণ সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিকে আরো শক্তিশালী করবে। রাষ্ট্রদূতের মতে, এটি শুধুমাত্র একটি সামরিক প্রশিক্ষণ নয়, বরং দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রতি যৌথ অঙ্গীকারের প্রতীক।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান উল্লেখ করেন, ‘টাইগার লাইটনিং’ হলো বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ ধরনের যৌথ অনুশীলনের মাধ্যমে উভয় দেশের সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিকে আরো সুদৃঢ় করা হবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ফরমেশন প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই মহড়া আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি প্যাসিফিক ও ওরেগন ন্যাশনাল গার্ড থেকে ৯১ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড ও বিভিন্ন ফরমেশন থেকে ৯৩ জন সদস্য অংশগ্রহণ করছেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এই যৌথ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। এতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথ আভিযানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি আরো জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি রোববার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় মাগুরা জেলা অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন। আইনমন্ত্রী বলেন, পিরোজপুর জেলায় ১৬ বছর ‘মহারাজ’ নামে এক সংসদ সদস্য ছিলেন। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে কাগজে-কলমে কাজ হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে লুটপাটের মাধ্যমে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা মহারাজদের পকেটে ঢুকে গেছে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আপনার টাকা, আপনার ন্যায্য হিস্যা, আপনার কাছে পৌঁছে দেওয়া এই সরকারের অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের ন্যায়বিচারের পথ দেখিয়েছে। এ দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছরে ফ্যাসিস্টদের পৃষ্ঠপোষকতা করার কারণে পুলিশ ও আমলাদের চাকরি গেছে। এখান থেকে সবার শিক্ষা নেওয়া উচিত।
এ সময় আইনমন্ত্রী নিজ হাতে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ১১২টি বাইসাইকেল, গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ৫১টি সেলাই মেশিন, অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ২০টি হুইলচেয়ার, ক্রীড়া সামগ্রী ও গাছের চারা বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বির আহমেদের সভাপতিত্বে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবির, জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুন্নাহার প্রমুখ।
মাগুরা সদর উপজেলার উন্নয়ন তহবিল (এডিপি) থেকে গৃহীত প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পরিষদের আয়োজনে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার নন্দীগ্রামে ছাত্রদল নেতাকর্মীর সহযোগীতায় ৫০ পিচ ইয়াবা সহ উপজেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হোসেন আলী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। শীর্ষ মাদক কারবারী হোসেন আলী, নন্দীগ্রাম পৌর কলেজ পাড়া এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক দ্রব্য (ইয়াবা) ব্যবসার সাথে জড়িত এবং উপজেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার সময় পৌর কলেজ পাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসার খবর পেয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তারেক ও পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিনের সহযোগীতায় ঘটনাস্থল থেকে হোসেন আলীকে মাদক সহ হাতে নাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, হোসেন আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক দ্রব্য (ইয়াবা) ব্যবসার সাথে জরিত। একাধিক সূত্র অনুযায়ী, ইয়াবার সর্ব বৃহৎ চালান হোসেন আলীর মাধ্যমে উপজেলায় প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন উপায়ে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে যায়।
উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন বলেন, মাদক সমাজের জন্য এক ভয়ংকর ব্যাধি। এই ব্যাধী থেকে সমাজকে রক্ষার্থে ছাত্রদল সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। এসময় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও থানায় মাদক মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ