ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১১ জুন উঠে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞা: সাগরে মাছ শিকারে যেতে প্রস্তুত জেলেরা


১১ জুন উঠে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞা: সাগরে মাছ শিকারে যেতে প্রস্তুত জেলেরা

১১ জুন বঙ্গোপসাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে যাচ্ছে। ৫৮ দিন বিরত থাকার পর জেলেরা আবারো সাগরে মাছ ধরতে নামার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ঘাটে পড়ে থাকা বোটগুলো মেরামতের কাজ চলছে পুরোদমে।

জেলেপল্লী ঘুরে দেখা যায়, জেলে হাছানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ১১ জুন সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সবাই। কেউ ডকইয়ার্ডে ট্রলারের মেরামতের কাজ শেষ করছেন, আবার কেউ মাছ ধরার জালগুলো ঠিকঠাক করে নিচ্ছেন।

ফিশিং বোটের কালু মাঝির সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষের আর বেশি দিন নেই। এজন্য তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এমনকি তারা জেলেদের অগ্রিম টাকা ও প্রধান করতে শুরু করেছেন।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও বৈরি আবহাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সাগরে ট্রলার নামানোর প্রস্তুতি নিলেও জেলেদের দুশ্চিন্তা কাটছেনা।

কক্সবাজার ফিসারীঘাটে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলার পর ব্যবসায়ী রাব্বি জানান, যদি আবহাওয়া ঠিক থাকে ১১ জুন তারা তাদের ট্রলার সাগরে পাঠাবেন। কিন্তু আবহাওয়া নিয়ে বরাবরই সংসয়ে রয়েছেন। এ ছাড়াও বর্ষা মৌসুমের আগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় অনেক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বোট মালিকরা।

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরের ফেরার অপেক্ষায় মৎস্যজীবীরা। সেই লক্ষ্যে সমস্ত ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে। কক্সবাজার সদরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সরকারি নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে মেনে চলার চেষ্টা করা হয়েছে। ১১ জুন থেকে ট্রলারগুলো যেন নির্বিঘ্নে সাগরে যেতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞার ৫৮ দিন শেষ হচ্ছে। মৎস্যজীবীদের সামনে আসছে আয় রোজগারের নতুন স্বপ্নের দিন। হাসি ফেরার অপেক্ষায় মৎস্য ব্যবসায়ীদের।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ঘটে যাওয়া মারাত্মক একটি ঘটনার প্রেক্ষাপটে, সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দুজন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স (যাবতীয় নথি) হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারিক আদালত থেকে এই নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

গত রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল উল্লেখ করে বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী, আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তাদের গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হবে। একইসঙ্গে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

এছাড়া, আসামি সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই জরিমানা রামিসার আইনি উত্তরাধিকারকে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জরিমানার জন্য যদি অনাদায় ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কালেক্টরেট অফিসকে ওই আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে বিক্রির আদেশ দেওয়া হয়েছে, এবং ওই অর্থ রামিসার আইনি উত্তরাধিকারীদের প্রদান করতে হবে।

রায়ে আরও বলা হয়, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে সক্ষম হবেন।

হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিনের মাথায়, এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

এর আগে, ২৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন এবং একই দিন মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয় এবং ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন, এবং একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী, ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়, এবং ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। পরে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয়, এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলার দায়ের করেন, এবং ২১ মে আসামি সোহেল রানা ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

ভিকটিম রামিসার বাবা জানান, তিনি পল্লবীর সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন এবং বনানীতে একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করেন। রামিসা ছিল দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদগাঁওতে আটক ৪, চোরাই মাল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


ঈদগাঁওতে আটক ৪, চোরাই মাল উদ্ধার

কক্সবাজারের ঈদগাঁও গরুর বাজারে চুরির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আরো একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক যুবকের নাম ছৈয়দ হোছন (৩২)। তাকে ৮ জুন গভীর রাতে ইউনিয়নের উত্তর মাইজ পাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। ছৈয়দ এলাকার মোক্তার আহমদের পুত্র। এ সংক্রান্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস,আই আজিমুল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করেন। গ্রেপ্তার যুবক হলেন ঈদগাঁও থানায় দায়েরকৃত মামলা নম্বর- ৩ এর এজাহারভূক্ত ৪ নম্বর আসামী। এই মামলার মোট আসামীর সংখ্যা ৬ জন। মামলাটির এজাহার ৭ জুন দাখিল করা হয়। যার ধারা ৩৭৯, ৪১১/৩৪। মামলার বাদী হলেন খালেদ হোছাইন (৪২), যিনি চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি গরুর বাজার (জাগির পাড়া) এলাকায় অবস্থান করছেন। একই এলাকার এনামুল হকের নির্মানাধীন ভবনে ২ জুন গভীর রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। ৬ জুন বিকেলে প্রথমে আটককৃত দু'জনের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বাঙারী মালামালের দোকান থেকে চোরাই মালগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী, ছৈয়দকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথমে আটককৃতরা হলেন ঈদগাঁও চান্দের ঘোনার মোঃ জাহেদুল ইসলাম সিফাত (১৯) এবং ইসলামাবাদ ইউনিয়নের রাবারড্যাম এলাকার মোঃ আরাফাত (২৪)। অভিযানে বাঙারী দোকানদার মোঃ ফারুক (৪৫) কেও আটক করা হয়। ফারুকের বাড়ি চকরিয়া পৌরসভার নিজপানখালী এলাকায়। বর্তমানে তিনি গরুর বাজার (জাগির পাড়া) এলাকায় অবস্থান করছেন। ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম শিফাতুল মাজদার জানান, চুরির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটিতে প্রথমে তিন'জন এবং পরে একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি দু'জন এখনো পলাতক রয়েছে। তাদেরকে আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা চলছে। তিনি আরো বলেন, গরুর বাজার এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, রাহাজানি, মাদক ও ইয়াবা ব্যবসা বন্ধ করা এবং বাজারের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ভারতের, দাবি রিপোর্টে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ভারতের, দাবি রিপোর্টে

ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের নিশানা প্রকাশ করেছে স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)।

আমরা জানতে পারছি, সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ‘মোতায়েন’ করার পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র পর্যবেক্ষণ সংস্থা বলছে, এতদিন ভারত পারমাণবিক ওয়ারহেড ও তাদের বহনকারী ব্যবস্থা আলাদা আলাদা সংরক্ষণ করত। অর্থাৎ, শান্তিকালীন সময়ে যুদ্ধাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র একসাথে রাখা হতো না। তবে নতুন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভারতের কিছু পারমাণবিক অস্ত্র এভাবে অপারেশনাল মোতায়েন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে, যা পূর্বের ‘শুধু মজুত’ অবস্থান থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নির্দেশ করে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, যদি প্রস্তুত-ব্যবহারযোগ্য পারমাণবিক অস্ত্র ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো বা নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে স্থাপন করা হয়, তবে তা উচ্চতর সামরিক প্রস্তুতির নির্দেশ বহন করে। সিপ্রির তথ্যানুসারে, এই ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড প্রথমবারের মতো ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র বা নৌভিত্তিক বাহনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে, অথবা অপারেশনাল বাহিনীর ঘাঁটিতে রাখা হয়েছে।

এছাড়াও, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত এক বছরে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারে সামান্য বৃদ্ধি ঘটেছে। একইসাথে কিছু ওয়ারহেড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিনে (এসএসবিএন) মোতায়েন করা হয়েছে এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল চালানো হয়েছে।

সিপ্রি জানাচ্ছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের মজুত প্রায় ১৯০টিতে পৌঁছাবে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বাড়ছে। এই অস্ত্রগুলো ভারতের ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ ব্যবস্থার একটি অংশ হিসেবে স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশপথে বহনযোগ্য বোমা ও পারমাণবিক সাবমেরিনে বিতরণ করা হয়েছে।

আরো বলা হয়েছে, এতদিন ধরে ধারণা করা হতো যে, ভারত শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেডগুলো তাদের উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার থেকে আলাদা রাখে। তবে সাম্প্রতিক পদক্ষেপ- যেমন ক্যানিস্টারভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও সমুদ্রভিত্তিক টহল- ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ভারত কিছু ওয়ারহেডকে শান্তিকালেও তাদের লঞ্চারগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

অথচ, ভারত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি অনুসরণ করছে। এই নীতি বলে, ভারত কখনো প্রথমে পারমাণবিক হামলা ব্যবহার করবে না এবং কেবলমাত্র নিজেদের ভূখণ্ড বা বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলে সে ক্ষেত্রে প্রতিশোধমূলক ব্যবহার করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সিপ্রির এই পর্যবেক্ষণ দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্য ও পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করতে পারে। যদিও ভারত দাবি করে যে তার পারমাণবিক সক্ষমতা কেবল প্রতিরোধমূলক, তবে নতুন মোতায়েনের ইঙ্গিত সামরিক প্রস্তুতির মাত্রা বাড়ানোর দিকে ইঙ্গিত করছে। সূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামীকাল পালিত হবে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


আগামীকাল পালিত হবে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৬ আগামীকাল বুধবার (১০ জুন) যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে। এই দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ব শান্তিরক্ষায় অবদান রাখা এবং দায়িত্ব পালনকালে নিহত ও আহত শান্তিরক্ষীদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে, বিশ্ব শান্তিরক্ষায় জীবন উৎসর্গকারী এবং আহত শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি, সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং বাংলাদেশ বেতারে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ১৯৮৯ সালে নামিবিয়া মিশনের মাধ্যমে এই কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৯২৮ জন নারী সদস্যসহ মোট ২১ হাজার ৮২৮ জন পুলিশ সদস্য ২৫টি দেশে ২৭টি শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমান সময়ে ৮ জন নারী সদস্যসহ বাংলাদেশ পুলিশের ৩৭ জন কর্মকর্তা জাতিসংঘ পুলিশ (ইউএনপোল) ও জাতিসংঘের বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যরা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসছেন। দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ পুলিশের ২৫ জন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে তারা বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। হাইতির ভূমিকম্প-পরবর্তী মানবিক সহায়তা কার্যক্রম থেকে শুরু করে আফ্রিকা ও ইউরোপের যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে তাদের অবদান আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। প্রায় চার দশক ধরে বাংলাদেশ পুলিশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন। জাতিসংঘের ম্যান্ডেট অনুযায়ী, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশ তাদের অঙ্গীকার অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য যে, প্রতিবছর ২৯ মে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হয়। তবে এ বছর ওই দিন সরকারি ছুটি থাকায় দিবসটি ১০ জুন উদযাপন করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%