বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:৫৪ এম
কেপ ভার্ডে, যে দেশটির নাম কিছুদিন আগে অনেকের কাছে ছিল অজানা। বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবার খেলা শুরু করে এই ছোট দেশটি এক রূপকথার কাহিনী রচনা করেছে। এবং সেই কাহিনীর সবচেয়ে বড় নায়ক হিসেবে টিকে আছেন গোলকিপার ভোজিনিয়া। অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে রাতারাতি ঝড় তুলেছিলেন তিনি। তবে বিশ্বকাপের খেলাগুলো শেষ হয়ে গেলেও ভোজিনিয়ার স্বপ্নযাত্রা কিন্তু থেমে যায়নি। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শ্যাভেজ থেকে তিনি এখন যোগ দিয়েছেন চিলির সবচেয়ে সফল ফুটবল ক্লাব কোলো কোলোতে।
গত সোমবার (৩ আগস্ট) চিলির শীর্ষ লিগের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো কোলোর সঙ্গে ছয় মাসের জন্য চুক্তি করেন ভোজিনিয়া। চুক্তির পরের দিনই একটি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকে ক্লাবটির নতুন সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এর ঠিক একদিন আগে রোববার সান্তিয়াগোতে পৌঁছালে বিমানবন্দরে কোলো কোলোর উচ্ছ্বসিত সমর্থকরা তাকে অভ্যর্থনা জানান। নতুন পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে তিনি দুই দিনেই সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেন।
ভোজিনিয়ারের পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সময় কেটেছে তুলনামূলকভাবে ছোট ক্লাব ও নিম্ন স্তরের লিগে। তিনি স্লোভাকিয়া, অ্যাঙ্গোলা, মলদোভা, সাইপ্রাস এবং পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের বিভিন্ন দলের হয়ে খেলেছেন। নিজের প্রতি তার বিশ্বাস ছিল যে, ধারাবাহিক পরিশ্রম একদিন তাকে বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ এনে দেবে।
অবশেষে সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। চিলির সবচেয়ে সফল ক্লাব, ৩৪টি লিগ শিরোপা ও ১৪টি কোপা চিলি জয়ী কোলো কোলো তার কাছে ডাক পাঠিয়েছে। নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, তুলনামূলকভাবে ছোট লিগ এবং কম আলোচিত ক্লাবগুলোতে খেললেও কখনো নিজের সামর্থ্য নিয়ে সন্দেহ জন্মায়নি।
‘আমি সব সময় বিশ্বাস করেছি, আমি বড় ক্লাবের হয়ে খেলার যোগ্য। তাই যখন কোলো কোলোর প্রস্তাব পেয়েছি, তখন সিদ্ধান্ত নিতে এক মুহূর্তও ভাবতে হয়নি। প্রথম দিন থেকেই আমি জানতাম, আমার গন্তব্য এখানেই। অন্য ক্লাব থেকেও প্রস্তাব ছিল, কিন্তু কোলো কোলোই ছিল আমার প্রাধান্য।’
‘বিশ্বকাপে খেলা নিঃসন্দেহে আমার ফুটবল জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন, কিন্তু সেটিকে এখন পিছনে ফেলে আসতে হচ্ছে। এত সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি ক্লাবের সদস্য হতে পারা আমার ক্লাব ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত।’
বিশ্বকাপের মঞ্চেই ভোজিনিয়ার নাম ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বের সামনে। গ্রুপ পর্বে যখন স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্ডের ঐতিহাসিক ড্রয়ের মাধ্যমে দলের প্রথম পয়েন্ট অর্জনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে শেষ ষোলোর খেলায় শক্তিশালী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে চমৎকার গোলকিপিংয়ের প্রদর্শনে ম্যাচটি অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত নিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং আবারও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক দারুণ নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে ফিফার সেরা একাদশে স্থান পান ভোজিনিয়া। তার প্রতি সম্মান জানিয়ে বিজ্ঞানীরা একটি নতুন সামুদ্রিক শামুকের প্রজাতির নাম রেখেছেন ভোজিনিয়ার নামে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ হাজার, কিন্তু টুর্নামেন্টে উজ্জ্বল প্রদর্শনের পর এই সংখ্যা বেড়ে এখন পৌঁছে গেছে প্রায় তিন কোটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে গুলশানের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
ডিএমপির ডিবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ঢাকার গুলশানে একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রুজু করা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় রাজধানী ঢাকার মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে তিন দিনব্যাপী ‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ শীর্ষক স্থিরচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।
এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার বিকালে এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এমপি, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও সুধিজনরা।
‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ প্রদর্শনীটি জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণ, শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং আন্দোলনের ইতিহাস দলিলভিত্তিকভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্য নিয়ে সংগঠিত হয়েছে।
প্রদর্শনীটির উদ্বোধনী দিন রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এটি চলবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এই প্রদর্শনীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরল অনেক চিত্র স্থান পেয়েছে। প্রথম দিনের বিপুল দর্শনার্থী প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুই বছর আগে সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহ ইতিহাসে বিশেষভাবে স্থান করে নিয়েছে। তিনি বলেন, শিশু থেকে তরুণ সবাইকে এই ইতিহাস জানতে হবে।
তিনি প্রদর্শনী ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, এসব আয়োজন মানুষের কাছে জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগকে আরো গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, যদি কেউ নতুন করে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তবে জনগণ অতীতের মতোই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি)-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোক্তার আলী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান হলো সাম্য, ঐক্য ও নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রতিজ্ঞা। সে আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক ঐক্য ও সমতার চেতনা। এখানে সবাই সমান অবস্থানে ছিল এবং একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছিল। এই আত্মত্যাগ, সাহস ও ঐক্যের মাধ্যমেই নতুন বাংলাদেশ গঠনের পথ খুলে গিয়েছে।
বুধবার(৫ আগস্ট) গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক প্রাঙ্গণে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। উপাচার্য বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শিক্ষা ধারণ করে এমন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। যেখানে বৈষম্য থাকবে না, সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মানবাধিকার সমুন্নত থাকবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবার দায়িত্ব হবে আন্তরিকভাবে কাজ করা।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য শহীদ আবু সাঈদসহ সব শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করার পাশাপাশি তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। সেই সঙ্গে আহতদের তাড়াতাড়ি সুস্থতা কামনা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুবেল শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আতাউর রহমান খান। এছাড়া বক্তব্য দেন জুলাই শহীদ শেখ রাকিবের পরিবারের সদস্য কেয়া আক্তার, ইন্টারনেট অব থিংস অ্যান্ড রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক আশিকুচ্ছালেহীন, সহকারী নেটওয়ার্ক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বিমলেশ সাহা, এডুকেশনাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী তানজীম আলম তাসীন এবং ইন্টারনেট অব থিংস অ্যান্ড রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী তালহা যোবায়ের।
আলোচনা সভা শেষ হওয়ার পর, জুলাই শহীদ শেখ রাকিবের পরিবারের সদস্য কেয়া আক্তারসহ এডুকেশনাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী তানজীম আলম তাসীন, আবদুল্লাহ আল রাফিসহ অন্যান্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। আলোচনা সভার আগে দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ এবং এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয়নগরে একটি সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকালে উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
অনুষ্ঠানে বিজয়ননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
এসময় তিনি বক্তব্যে বলেন, ফ্যাসিস্টদের অন্যায় অত্যাচারে বিজয়নগরবাসী খুবই অতিষ্ঠ ছিল। এই কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে বিজয়নগরের আউলিয়া বাজার থেকে প্রথম দিকে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। এখানে ফ্যাসিস্টরা এতটাই ক্ষমতাধর ছিল যে, তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পেত না। কিন্তু সেই সময়ে ছাত্র জনতা আউলিয়া বাজার ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে সারা জেলায় একটি জাগরণ সৃষ্টি করেছিল, যা পরে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, বিজয়নগর থানার ওসি মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপি নেতা জমির হোসেন দস্তগীর, উপজেলা বিএনপি নেতা শাহ আলম মোল্লা, এনসিপি নেতা হেফাজতে ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদ প্রতিনিধি, জুলাই যোদ্ধা শহীদ সাজিদুর রহমান ওমরের মা-বাবা এবং আহত জুলাই যোদ্ধা শাহ আলম, মো. জাকারিয়া, বাবুল মিয়াসহ উপজেলা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন组织ের নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ