ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অস্ট্রেলিয়া-ভানুয়াতুর মধ্যে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা চুক্তি সই


অস্ট্রেলিয়া-ভানুয়াতুর মধ্যে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা চুক্তি সই

অস্ট্রেলিয়া ও ভানুয়াতু একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তিটি অন্যান্য দেশের বিনিয়োগের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, এমন উদ্বেগের কারণে বেশ কয়েকটি মাস বিলম্বিত হয়েছিল।

চুক্তির শর্তাবলী অনুসারে, যদি ভানুয়াতুর গুরুত্বপুর্ণ অবকাঠামোতে কোনো তৃতীয় পক্ষ বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে তাদের অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। এছাড়া, অস্ট্রেলিয়া দেশটির প্রধান নিরাপত্তা এবং পুলিশি সহযোগী হিসেবে থাকবে। এই চুক্তির আওতায় আগামী ১০ বছরে ৫০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ মন্তব্য করেন, ভানুয়াতু তাদের ভূখণ্ডে কোনো বিদেশি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দেবে না, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোটি সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার অনুমতিও দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

এই চুক্তিটি মূলত সেপ্টেম্বর মাসে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কিছু রাজনৈতিক উদ্বেগের কারণে তা পিছিয়ে গিয়েছিল।

এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হলো, চীন  ভানুয়াতুর সবচেয়ে বড় বিদেশি ঋণদাতা হিসেবে পরিচিত। চীনের অর্থায়নে দেশটিতে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, সংসদ ভবন এবং বিভিন্ন রকম অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে। অতিরিক্তভাবে, ভানুয়াতু চীনের সঙ্গে একটি নতুন অর্থনৈতিক চুক্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জোথাম নাপাত জানান, এই চুক্তিটি বর্তমানে বেইজিংয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই চুক্তিতে কোনো গোপনীয়তা থাকবে না এবং প্রয়োজনে তা জনগণের সামনে প্রকাশ করা হবে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমালোচকদের জবাব দিতে জার্মানিকে জিততে হবে বিশ্বকাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ এম


সমালোচকদের জবাব দিতে জার্মানিকে জিততে হবে বিশ্বকাপ

জার্মানির কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান জানিয়েছেন, তার দলকে নিয়ে যে ধরণের সংশয় ও সমালোচনা রয়েছে, তা দূর করতে হবে বিশ্বকাপ জয়ই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এই মন্তব্য তিনি শেষ-৩২ পর্বে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে করেছেন।

গ্রুপ 'ই'-তে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করে এবং আইভরি কোস্টকে শেষ মুহূর্তের গোলে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে জার্মানি এক ম্যাচ হাতে রেখেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ-৩২ নিশ্চিত করেছে। তবে শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের কাছে হারের পর, টুর্নামেন্টে তাদের অনেক দূর যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হয়েছে আবারও প্রশ্ন।

সোমবার বোস্টনে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচে ডি গ্রুপের তৃতীয় দল প্যারাগুয়েকে হারাতে পারলে, শেষ-১৬-তে জার্মানির সামনে শক্তিশালী ফ্রান্সের মতো প্রতিপক্ষ অপেক্ষা করতে পারে।

ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে নাগেলসম্যান বলেন, "জার্মান জাতীয় দলকে নিয়ে কথা বললে লক্ষ্য থাকে প্রতিটি ম্যাচ জেতা। আগামীকালের ম্যাচ জেতা এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। প্রত্যাশার চাপ সামলানোর উপায় হলো আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা, ভালো পরিকল্পনা করা এবং খেলোয়াড়দের এমন পরিকল্পনা দেওয়া যাতে তারা মাঠে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তারা যেন মাঠে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, নিজেদের সামর্থ্য দেখাতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিততে পারে।"

তিনি আরো বলেন, "ফুটবলে শেষ পর্যন্ত সবকিছুই জয়ের ওপর নির্ভর করে। জিতলে সবকিছু নিখুঁত মনে হয়, আর হারলে সবকিছু খারাপ লাগে। তাই আগামীকাল আমাদের জিততেই হবে।"

সাবেক বায়ার্ন মিউনিখ কোচ নাগেলসম্যান স্বীকার করেছেন, ইকুয়েডরের বিপক্ষে শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পরও তার দল "কৌশলগত আত্মহত্যা" করেছে। যেখানে অন্য অনেক কোচ শেষ গ্রুপ ম্যাচে পরের রাউন্ড নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় মূল খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়েছিলেন, সেখানে নাগেলসম্যান তার দলের প্রায় পূর্ণশক্তির খেলোয়াড়দের নামিয়েছিলেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, সেই পরাজয়ের কোনো নেতিবাচক প্রভাব দলের ওপর পড়বে না।

তিনি বলেন, "আগামীকাল আমাদের নিখুঁত পারফরম্যান্স দিতে হবে। অনুশীলনে ছেলেদের দেখে আমি খুবই সন্তুষ্ট। আমি নিশ্চিত, তারা আগামীকাল নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেবে।"

প্রথম দুই ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে তিন গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে দারুণ প্রভাব দেখানো কেই হাভার্টজ একাদশে থাকবেন এমন ধারণা করা হচ্ছে। আর্সেনালের এই ফরোয়র্ড বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে খেলার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন। কারণ আগের দুই বিশ্বকাপেই জার্মানি গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় হয়েছিল।

হাভার্টজ বলেন, "আমার মনে হয় বড় ম্যাচ খেলতেই আমি বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কেন এমন হয় আমি জানি না। তবে এসব ম্যাচে আমি খুব স্বস্তিতে থাকি।"

চেলসি ও আর্সেনালের হয়ে দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে গোল করা এই ফরোয়ার্ড বলেন, "আশা করি ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ বিশ্বকাপেও আমি সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারব।"

কুরাসাওয়ের বিপক্ষে বড় জয়ে দুটি গোল করেছিলেন হাভার্টজ। তবে ইউরো ২০২৪-এ নিজেদের মাঠে ফ্লোরিয়ান রিটজ ও জামাল মুসিয়ালাকে নিয়ে যে আক্রমণভাগ দারুণ ছন্দে ছিল, বিশ্বকাপে এখনো সেই সমন্বয় দেখা যায়নি।

চোটের কারণে হাভার্টজ ও মুসিয়ালার মৌসুম বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডে লিভারপুলে যোগ দেওয়ার পর প্রথম মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হিমশিম খেয়েছেন রিটজ।

হাভার্টজ বলেন, "আমরা খুব কাছাকাছি আছি। কোথায় উন্নতি করা যায়, কীভাবে আরও ভালো হওয়া যায়, এসব নিয়ে আমরা নিয়মিত আলোচনা করি। আমরা তিনজনই জানি আমাদের পূর্ণ সামর্থ্য এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি এবং সেটাই করতে চাই।"

তিনি আরো বলেন, "আগামীকালের ম্যাচের আগে আমরা পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী যে জিততে পারব। আমরা তিনজনই এর আগে বড় মঞ্চে খেলেছি এবং নিজেদের উপর আমাদের পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গবাদিপশু সুরক্ষায় ৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ এম


গবাদিপশু সুরক্ষায় ৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ

গবাদিপশুর রোগবালাই সুরক্ষায় যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে সরকার একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। করোনা পরিস্থিতির পর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) এবং ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিস (এফএমডি) রোগের জন্য প্রায় ২ (দুই) কোটি করে মোট ৪ (চার) কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

বেসরকারিভাবে আমদানিকৃত এই ভ্যাকসিনগুলোর পাশাপাশি, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনও বাড়ানো হচ্ছে। গত বছর এ ভ্যাকসিনের উৎপাদন ছিল ৫ লাখ ডোজ, কিন্তু এবারে তা বাড়িয়ে ২০ লাখ ডোজ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান বলেছেন, মূলত ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিস (এফএমডি) ও এলএসডি রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে তারা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। এর অংশ হিসেবে বেসরকারিভাবে প্রায় দুই কোটি ডোজ এলএসডি ভ্যাকসিন এবং দুই কোটি ডোজ এফএমডি ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। উৎপাদন আরও বাড়ানোরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে দেশে উৎপাদন পর্যাপ্ত না হওয়ার কারণে, বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে এই ভ্যাকসিন আমদানির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তারা চাহিদার অনুপাতে ভ্যাকসিন আমদানি করবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, দেশে সরবরাহকৃত ভ্যাকসিনের পরিমাণ যথেষ্ট না থাকায় ২ কোটি ডোজ ট্রাইভ্যালিন এফএমডি ভ্যাকসিন এবং ২ কোটি ডোজ এলএসডি ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া বাণিজ্যিক মুরগীর ক্ষেত্রে একটি প্রাণঘাতী রোগ দেখা দিয়েছে, যা তেলোপ্যাথোজনিক। এই রোগের কারণে খামারিদের ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। তাই, বাণিজ্যিক মুরগীতে লোপ্যাথোজনিক প্রতিরোধে এইচ৯এন২ এর বিভিন্ন কম্বিনেশন ভ্যাকসিন আমদানি করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাজারে এই ভ্যাকসিনের অভাব থাকার কারণে, মোট ৫০ কোটি ডোজ এইচ৯এন২ এবং এর বিভিন্ন কম্বিনেশন ভ্যাকসিন আমদানি করার অনুমোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলস্বরূপ দুনিয়াজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে মশা, মাছি ও এঁটুলির বংশবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গবাদি পশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ও ক্ষুরারোগ (এফএমডি) এর মতো ভাইরাসজনিত রোগের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এসব সংক্রামক রোগের হাত থেকে দেশের প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতকে রক্ষা করতে চলতি বছরে ব্যাপক পরিসরে ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. তারেক হোসেন জানিয়েছেন, গরমের কারণে সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গবাদিপশুর ভাইরাসজনিত ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’ (এলএসডি) উদ্বেগজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকাল এবং অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে এই রোগের প্রকোপ বেড়ে যাচ্ছে। এফএমডি (ক্ষুরারোগ) এবং এলএসডি গবাদিপশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ রোগ। এই রোগের কারণে খামারিদের অর্থনৈতিক ক্ষতি অনেকাংশে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি এলএসডি ও এফএমডি রোগ সম্পর্কে জানাচ্ছেন যে, এলএসডি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত গরু, মহিষ ও ছাগলকে আক্রান্ত করে। মশা-মাছি, মুখের লালা ও খামারে অব্যবস্থাপনার কারণে এ রোগ দ্রুত ছড়ায়। এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো হলো, আক্রান্ত গরুর শরীরের তাপমাত্রা ১০৩-১০৫ ডিগ্রিতে বেড়ে যায়। গরু সাধারণত খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং শরীরে খুবই ব্যথা অনুভব করে। দুই দিনের মধ্যে গরুর শরীরে বসন্তের মতো গুটি গুটি চাকা দেখা দেয়, পরে সেখান থেকে পুঁজ জমে ফেটে মাংস খসে যায়। এর ফলে গরুর প্রজনন কমে যায় এবং এটির ওজন ও দুধ উৎপাদনও কমে যায়।

তারেক হোসেন আরো বলেন, জুন, জুলাই ও আগস্ট এ তিন মাস এলএসডির জন্য পিক টাইম। এই রোগে গবাদিপশুর মৃতের হার ১০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। যদি সময়মত চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে পশু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়।

প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ১৯২৯ সালে আফ্রিকার জাম্বিয়ায় প্রথম এ রোগ শনাক্ত হয়েছিল। ধীরে ধীরে এই রোগটি আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ২০১৯ সালের চট্টগ্রাম অঞ্চলে লাম্পি স্কিন ডিজিজ শনাক্ত হয়। এর পর দেশে বিভিন্ন জেলায় এই রোগটির বিস্তার ঘটে। বর্তমানে এটি গবাদিপশু খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০০ এম


কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি (৬১)। পরে তাকে ঢাকার মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৬টার সময় তিনি কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সকাল সোয়া ৮টার সময় হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাকে নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।

দীপু মনিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ফজলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুপুরের আগে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এরপর কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর বর্তমানে হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে তার চিকিৎসা চলছে।

তার অসুস্থতার কারণ বা বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে স্কেলের গেজেট কবে প্রকাশ হবে? জানা গেল সর্বশেষ তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৪ এম


পে স্কেলের গেজেট কবে প্রকাশ হবে? জানা গেল সর্বশেষ তথ্য

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে সরকার দুই ধাপে ব্যবস্থা নিতে পারে। আসন্ন জুলাই থেকেই নতুন পে স্কেলে সম্পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট উৎস।

চলতি সপ্তাহের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের রোডম্যাপ অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন কমিটির। সরকারি বেসামরিক প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর তিনটি পৃথক পে কমিশনের প্রতিবেদনের পর পর্যালোচনা করে কমিটি তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবরের মাধ্যমে জানা গেছে সোমবার (২৯ জুন) দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর, জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে এ সংক্রান্ত গেজেট অর্থ মন্ত্রণালয় প্রকাশ করতে পারে। প্রথম অবস্থায় নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার তিন বছর ও দুই বছর মেয়াদি—দুটি বিকল্পের কথা চিন্তা করেছিল।

তিন বছরের পরিকল্পনার অনুযায়ী, আগামী দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করার ব্যবস্থা হতে পারে এবং তৃতীয় বছরে ভাতা কার্যকর হবে। কিন্তু অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, দুই ধাপে মূল বেতন বাস্তবায়ন হলে সরকারের ইন্টিগ্রেটেড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমে (আইবিএএসপ্লাসপ্লাস) কিছু কারিগরি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

এ জন্য তারা একবারেই মূল বেতন পুরোটা কার্যকর করার সুপারিশ করেছে। তবে সামগ্রিকভাবে কমিটি দুই ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় এগোচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, 'চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। আমরা আশা করছি, জুলাইয়ের মাঝামাঝি বা তার পরের সপ্তাহে গেজেট প্রকাশ করা হবে।'

বর্তমান ২০টি গ্রেডের মধ্যে, ১ থেকে ১০ নম্বর গ্রেডে ১০০ শতাংশ বা তার কিছুটা কম এবং ১১ থেকে ২০ নম্বর গ্রেডে গড়ে ১৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করে কমিটি।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্য ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তৃতায় ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আমরা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা করছি। গত ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা একই কাঠামোর আওতায় বেতন-ভাতা পাচ্ছেন, অথচ মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।'

পে স্কেল সংশোধনের আগের উদাহরণগুলোর মতো এবার বাজেট নথিতে বেতন-ভাতা খাতে আলাদা করে কোনো বৃদ্ধি উল্লেখ করা হয়নি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বরাদ্দটি নেট পাবলিক সার্ভিস খাতে রাখা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের তুলনায় এ খাতে ব্যয় ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা বেড়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা।

কর্মকর্তাদের মতে, বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে ৪৪ হাজার কোটি টাকার এ বরাদ্দ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ে ব্যয় করা হবে। এবার মূল বেতনে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর সুপারিশ করেছে নবম পে কমিশন।

২০১৫ সালে দুই ধাপে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ওই বছর সংশোধিত মূল বেতন এবং পরের বছর সংশোধিত ভাতা কার্যকর হয়েছিল। বর্তমান সরকার তার ১৪ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ৯ লক্ষ পেনশনভোগীর জন্য বছরে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%