১০:৫৯ পি.এম
ইরানের খার্গ দ্বীপে মার্কিন সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় দেশটি কয়েক মাস ধরে ব্যাপক প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপটিতে হামলার হুমকি দেওয়ার পর এই প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির বিষয়টি আবারও গুরুত্ব পায়।
গত মার্চে সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হামলার পরপরই ইরান খার্গ দ্বীপে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের ঝুঁকি প্রসঙ্গক্রমে প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা আরও বৃহৎ আকারে সম্প্রসারিত হয়।
আরও পড়ুন: এনসিপির আহ্বায়ক হলেন নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, দ্বীপের প্রতিরক্ষায় ইরান অতিরিক্ত স্বল্প-পাল্লার, কাঁধে বহনযোগ্য ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপের জন্য ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা (ম্যানপ্যাডস) মোতায়েন করেছে। এইসব ব্যবস্থা মূলত কম উচ্চতায় উড্ডয়নকারী বিমান ও হেলিকপ্টার এড়াতে ব্যবহৃত হয়।
এছাড়া, সম্ভাব্য স্থল অভিযান প্রতিহত করার জন্য দ্বীপটির বিভিন্ন স্থানে স্থলমাইন স্থাপন করা হয়েছে বলে সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে দ্বীপের উপকূলীয় এলাকায় এসব বিস্ফোরক বসানো হয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনাদের অবতরণের ঝুঁকি থাকতে পারে।
খার্গ দ্বীপকে ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে মনে করা হচ্ছে। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমে রফতানি করা হয়, ফলে দ্বীপটির নিরাপত্তা ইরানের জন্য কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।
মার্কিন সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের কোনো অভিযান পরিচালনা করে, তাহলে সেটা অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হবে এবং এতে বড় ধরনের প্রাণহানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র: সিএনএন
আরও পড়ুন: চূড়ান্ত ভোটের আগে ব্রাজিলে টেলিভিশন বিতর্কে লুলা ও বলসোনারো মুখোমুখি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন