বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:১৩ পি.এম
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক সাবেক বাসচালকের বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অন্তত ২৮ কোটি রুপি নগদ অর্থ এবং ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় মিনার মন্ডল নামে একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মিনার মন্ডল আগে বাসচালকের কাজ করতেন এবং বর্তমানে পাথর ব্যবসার সঙ্গে তিনি যুক্ত। তিনি পাথর ব্যবসায়ী টুলু মন্ডলের আত্মীয়। প্রতিবেদনে টুলু মন্ডলকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত বলে বলা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে মিনার মন্ডলের বাড়িতে পুলিশ অভিযান শুরু করে। প্রথমে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি রুপি উদ্ধার হলেও গণনা শেষে নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৮ কোটি রুপি। এত বিপুল পরিমাণ টাকা গুনতে গিয়ে ব্যবহৃত পাঁচটি টাকা গণনার যন্ত্র বিকল হয়ে যায় বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ১৫ কেজি সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২১ কোটি রুপি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিনার মন্ডল দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া নগদ অর্থ এবং সোনা টুলু মন্ডল এবং তাঁর কথিত অবৈধ সিন্ডিকেটের।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিনার মন্ডলের সঙ্গে টুলু মন্ডলের মালিকানাধীন পাথরের খনি ও ক্রাশিং ইউনিটের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। কীভাবে মিনার মন্ডলের কাছে এত বিপুল অর্থ ও সম্পদ এল এবং এর উৎস কী তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিযানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। তবে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি যে, অভিযানটি কোনো নির্দিষ্ট অপরাধ বা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের তদন্তের অংশ কি না।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং উদ্ধার হওয়া অর্থ ও সোনার প্রকৃত মালিকানা, উৎস এবং সম্ভাব্য অবৈধ লেনদেন বিষয়গুলো যাচাই করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনার ফলে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন একটি স্থানে এ ঘটনাটি ঘটে।
মৃত ভ্যানচালক হলেন রাহুল মুছল্লী (৩০), তিনি কালিয়া উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের বাবুল মুছল্লীর ছেলে এবং পেশায় একজন ভ্যানচালক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, দুপুরের দিকে রাহুল মুছল্লী নিজের ব্যাটারিচালিত ভ্যানটি নিয়ে সালামাবাদ সড়ক দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন। এ সময় সাবেক চেয়ারম্যান শামীমের বাড়ির সামনে পৌঁছানোর পর, হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তার ভ্যানটি সড়কের কাছে ডোবায় পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় রাহুল ছিটকে পড়ে যান এবং গুরুতর আঘাত পান।
পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাহুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান যে, হাসপাতালে নিয়ে আসার পূর্বে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে রাহুলের মৃত্যু ঘটেছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল এবং হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। সড়ক দুর্ঘটনার সঠিক কারণ বিস্তারিতভাবে অনুসন্ধান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করেছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নিহতের মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সাইদুর রহমান খান। তিনি এর আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করতেন। বুধবার (২৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে জারি করা একটি প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়টি জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, সচিব মো. সাইদুর রহমান খানকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বদলি করে দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে। এটি জনস্বার্থে জারি করা একটি আদেশ, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনীতি শেষ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
তিনি বলেছেন, "আওয়ামী লীগের রাজনীতি দিল্লিতে দাফন হয়ে গেছে।"
তিনি আরও জানান, "শেখ হাসিনা পালিয়ে না গেলে অন্য কিছু হতে পারতো। তবে যেহেতু সে পালিয়ে গেছে, তার মানে আওয়ামী লীগ আর দেশের রাজনীতিতে ফিরতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস হয় না।"
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জেলার সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপি ও জামায়াতের রাজনীতির সমালোচনা করে রাশেদ খান মন্তব্য করেন, "এনসিপি বাংলাদেশে নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতির কথা বলে নতুন ভণ্ডবস্তের রাজনীতি শুরু করেছে।"
এনসিপিকে তিনি বলেন, "গঠনমূলক রাজনীতি করুন।" রাশেদ খান দাবি করেন যে, "এনসিপির রাজনীতি এখন জামায়াতের পরামর্শে পরিচালিত হচ্ছে।"
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দর্শনের নানা দিক তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, "প্রধানমন্ত্রী প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন না। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বারবার প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।"
তিনি আরও জানান, "প্রধানমন্ত্রী এর আগে বলেছেন, তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে এখন কারো মেরুদণ্ড ভাঙতে চান না। প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন, দেশটা সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে গড়তে হবে।"
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী বলেন, "আমরা লক্ষ করছি, এনসিপির কিছু নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণীকে নিয়ে কটূক্তি করে বেড়াচ্ছে। জুলাই পদযাত্রায় এনসিপির নেতারা স্থানীয় এমপি, মন্ত্রীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করছে। এভাবে যদি তারা কথা বলে, তাহলে আপনি কতজন নেতাকর্মী সমর্থককে নিয়ন্ত্রণ করবেন? যারা একজন এমপিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে, তাদের সামনে গিয়ে তাদের এমপিকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করবেন, আর মানুষ আপনাদের ছেড়ে দেবে।"
রাশেদ খান আরও বলেন, "সিলেটের মানুষ, হবিগঞ্জের মানুষ সেই জায়গা থেকেই প্রতিবাদ করেছে।"
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, "শেখ হাসিনা অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। সে যদি নেতাকর্মীদের দেশে রেখে বিদেশে পালিয়ে না যেত, তাহলে অন্যকিছু হতে পারত। কিন্তু পালিয়ে গেলে আর ফেরা যায় না। কারণ, হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার কারণে দেশে তাদের নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে গেছে। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি দিল্লিতে দাফন হয়ে গেছে।"
সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করাসহ মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের পরামর্শ দেন রাশেদ খান। সেই সঙ্গে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক প্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানান। সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সুধীজনরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই), বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নবীনবরণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি এবং ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রভোস্ট পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম এবং রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। পরে ফুলেল শুভেচ্ছায় নবীনদের বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর 'বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৫ বছরের পথপরিক্রমা' শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, আবাসিক হলের প্রভোস্ট, পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নবীনদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে হলে শুধু এআই টুলস বা প্রিন্ট করা নোটের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে মৌলিক পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে। দেশের কৃষি ও কৃষকের ভরসাস্থল হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, তোমরা অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এই ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছ। তাই তোমরা মেধাবীদের মধ্যেও মেধাবী। তবে শুধু মেধা নয়, আত্মবিশ্বাস, দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের কৃষি, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় ঐতিহাসিক অবদান রেখে চলেছে। শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে গবেষণা, খেলাধুলা, বিতর্ক, নেতৃত্ব বিকাশ এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষকদের উদ্দেশে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর সঙ্গে একটি পরিবার ও একটি স্বপ্ন জড়িয়ে থাকে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও আন্তরিক সম্পর্ক অপরিহার্য। উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উঠে আসে যখন তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্মার্ট ক্যাম্পাসে রূপান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। হাই-স্পিড ইন্টারনেট, স্মার্ট ক্লাসরুম, সমন্বিত ডিজিটাল সেবা এবং অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভর্তি থেকে শুরু করে প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ ও গবেষণার যে অবকাঠামো গড়ে তুলেছে, তা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি অনুসরণযোগ্য মডেল। আগামী চার থেকে পাঁচ বছর পর এখানকার শিক্ষার্থীরাই দক্ষ কৃষিবিদ, গবেষক ও বিজ্ঞানী হিসেবে দেশের কৃষি উন্নয়ন এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নেতৃত্ব দেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ