বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:২১ পি.এম
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই), বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নবীনবরণ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি এবং ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রভোস্ট পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম এবং রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। পরে ফুলেল শুভেচ্ছায় নবীনদের বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর 'বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৫ বছরের পথপরিক্রমা' শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, আবাসিক হলের প্রভোস্ট, পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নবীনদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে হলে শুধু এআই টুলস বা প্রিন্ট করা নোটের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে মৌলিক পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে। দেশের কৃষি ও কৃষকের ভরসাস্থল হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, তোমরা অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এই ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছ। তাই তোমরা মেধাবীদের মধ্যেও মেধাবী। তবে শুধু মেধা নয়, আত্মবিশ্বাস, দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের কৃষি, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় ঐতিহাসিক অবদান রেখে চলেছে। শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে গবেষণা, খেলাধুলা, বিতর্ক, নেতৃত্ব বিকাশ এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষকদের উদ্দেশে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর সঙ্গে একটি পরিবার ও একটি স্বপ্ন জড়িয়ে থাকে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও আন্তরিক সম্পর্ক অপরিহার্য। উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উঠে আসে যখন তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্মার্ট ক্যাম্পাসে রূপান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। হাই-স্পিড ইন্টারনেট, স্মার্ট ক্লাসরুম, সমন্বিত ডিজিটাল সেবা এবং অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভর্তি থেকে শুরু করে প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ ও গবেষণার যে অবকাঠামো গড়ে তুলেছে, তা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি অনুসরণযোগ্য মডেল। আগামী চার থেকে পাঁচ বছর পর এখানকার শিক্ষার্থীরাই দক্ষ কৃষিবিদ, গবেষক ও বিজ্ঞানী হিসেবে দেশের কৃষি উন্নয়ন এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নেতৃত্ব দেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে ১১টি চুরি হওয়া গরু এবং গরু পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপও। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকালে বাগেরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস বিফিংয়ে পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জেলার ফকিরহাট থানার একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে গত ১৬ জুলাই ফকিরহাট উপজেলার শ্যামবাঘাত এলাকার ইমরান শেখ (৪০) এবং রামপাল উপজেলার সোলাকড়া দক্ষিণপাড়া এলাকার নাহিদ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিমান্ডে এনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (২৯ জুলাই) রাত ৩টা ৪০ মিনিটে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের শুরুতেই ফকিরহাট উপজেলার শিউলি ফিলিং স্টেশন এলাকায় চোরাই গরু পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ধৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত ইউনিয়নের কাটেঙ্গা গ্রামে মো. আরিফ মোল্লা (৩৮)-এর বাড়ির গোয়ালঘরে অভিযান চালিয়ে ১১টি ছোট-বড় চুরি করা গরু উদ্ধার করা হয়। এ সময় আরিফ মোল্লাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ইমরান শেখের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগসহ চোরাই মাল গ্রহণ, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মারামারির অভিযোগে ৬টি নিয়মিত মামলা এবং একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে। নাহিদ শেখের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও চোরাই মাল গ্রহণের অভিযোগে ৩টি মামলা রয়েছে। আরিফ মোল্লার বিরুদ্ধে চোরাই মাল গ্রহণ ও মারামারি সংক্রান্ত ২টি মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ক্রিকেটার অজিঙ্কা রাহানে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন বার্তা দিয়ে চোখের জলে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর খবর জানিয়েছেন।
রাহানে শুধুমাত্র একজন সফল ব্যাটসম্যান হিসেবেই নন, বরং ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবেও তার নজরকাড়া সাফল্য রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে তার একটি বিশেষ রেকর্ড রয়েছে যা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, এমএস ধোনি, বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মারও নেই।
নিউজ আঠেরোর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে তার নজরকাড়া সাফল্য রয়েছে। তিনি কমপক্ষে ৫টি টেস্টে অধিনায়কত্ব করেছেন এবং ম্যাচ জিতেছেন। এটি তার নেতৃত্বের গুণের ও সাফল্যের এক বিরল উদাহরণ। সাবেক ক্রিকেটাররা একাধিকবার রাহানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন।
রাহানের অধিনায়ক হিসেবে যাত্রা যদিও অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ছিল, তবে ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে তিনি একটি উজ্জ্বল ও স্মরণীয় অধ্যায় রেখে গেছেন। তিনি মোট ৬টি টেস্টে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার মধ্যে ৪টিতে জয় এবং ২টিতে ড্রয়ে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন।
তার অধিনায়কত্বের সবচেয়ে বড় ও গর্বের মুহূর্ত ২০২০-২১ সালের ঐতিহাসিক বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে আসে। অ্যাডিলেড টেস্টে ভারতের লজ্জাজনক ৩৬ রানে অলআউট হওয়ার ধাক্কা এবং বিরাট কোহলির দেশে ফিরে যাওয়ার কঠিন পরিস্থিতিতে রাহানে নেতৃত্বের আসনে বসেন। তার নেতৃত্বে দলটির জন্য সুনামের সাথে ফিরে আসে।
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে তিনি এক দুর্দান্ত অধিনায়কোচিত শতরান হাঁকিয়ে দলকে জাগান। পরবর্তীতে প্রধান খেলোয়াড়দের চোট-আঘাতের সমস্যা সামলানোর পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বে গ্যাবা টেস্টে জয়সহ সিরিজটি ২-১ কৃতিত্ব অর্জন করে দলের ঝুলিতে।
বিদেশের মাটিতে ভারতের ক্রিকেটের কঠিন পরীক্ষার সময়ে তার এই সংযমী, ধীর-স্থির ও বুদ্ধিদীপ্ত নেতৃত্ব তাকে দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা 'ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক' হিসেবে অমর করে রেখেছে। রাহানের এই অবদান ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, এনসিপি বাংলাদেশে নতুন রাজনীতির নামে ভণ্ডের বন্দোবস্ত কায়েম করছে। Thursday (৩০ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘এনসিপি জামায়াতের মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। জামায়াত একটি চালাক ও ধুরন্ধর দল। তারা নিজেদের মধ্যে বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখছে। সংসদ চলাকালে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশংসা করে বক্তব্য দেয়।
কিন্তু মাঠে গিয়ে দেখা যায় যে, তারা গণঅভ্যুত্থানের হুমকি দেয়। আবার তারাই এনসিপির নেতৃবৃন্দকে দিয়ে বিএনপির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করছে।
তিনি আরো বলেন, এনসিপির নেতৃবৃন্দকে বলব, আপনারা রাজনীতির পরিবেশকে যদি নষ্ট করেন তাহলে তার উত্তম জবাব দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। জামায়াত ও এনসিপির সকল ষড়যন্ত্রের দাতভাঙ্গা জবাব দেওয়ার হুশিয়ারি দেন রাশেদ খাঁন।
এছাড়া, জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. এম এ মজিদ, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাও বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভায় জেলার নানা উন্নয়ন, সম্ভাবনা, সমস্যা ও তা সমাধানে পরামর্শ গ্রহণ করেন রাশেদ খাঁন এবং সমাধানের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরও জীবদ্দশায় ভোগ-দখলের অধিকার বাবা-মায়ের হাতে থাকবে সে বিষয়ে বিধান যুক্ত করে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর আইন’ সংশোধনের পরিকল্পনা করছে সরকার, জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্যে সবার প্রতি প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান যে, প্রস্তাবিত এই আইনি পরিবর্তনের ফলে আদালতে দেওয়ানি বা সিভিল মামলার সংখ্যা অনেকটাই কমে আসবে। এসব মামলার প্রায় বড় অংশটাই মূলত সম্পত্তির বণ্টন এবং হিসাব-নিকাশ নিয়ে তৈরি হয়। মন্ত্রী বলেন, আমাদের মুসলিম আইনে হেবা হয় এবং হিন্দু আইনে উইলও হচ্ছে, আবার আমাদের মুসলিম আইনে ওয়াসিয়তনামা হতে দেখা যায়। বিদ্যমান হেবা ব্যবস্থার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা যদি হেবা করে দেন, তবে সঙ্গে সঙ্গে তাদের হাতে থাকা সম্পত্তি চলে যাচ্ছে। ফলে তারাও নিজেদের সম্পত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং পরবর্তিতে সন্তানের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তিনি উল্লেখ করেন, যদি ছেলে-মেয়ে তাদের দেখেন না, তাহলে বাবা-মায়ের কিছু করার থাকে না; তারা অসহায় হয়ে পড়েন। আইনমন্ত্রী এসময় আরও জানান, হেবার পাশাপাশি ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট’-এ (সম্পত্তি হস্তান্তর আইন) গিফটের একটি ধারা রয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণভাবে হেবার বাইরে গিয়েও কেউ গিফট দিতে পারেন। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ১৯৬৩ সালের পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের আলোকে সরকার সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ‘ইউসুফ্রাক্ট রাইট’ বা জীবনস্বত্বের বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, সন্তানকে সম্পত্তি গিফট করার পরও বাবা-মা তাদের জীবদ্দশায় সেটি ভোগদখল করার অধিকার নিজের কাছে রাখতে পারবেন। আইনমন্ত্রী বলেন, বাবা-মায়ের জীবনদশায় দুই পক্ষের সম্মতি ছাড়া কেউ ওই সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে না। সন্তান যেমন বিক্রি করতে পারবে না, তেমনি বাবা বা মা চাইলেও এককভাবে বিক্রি করতে পারবেন না। তবে বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছাড়ের বিধান থাকতে পারে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি এমন পরিস্থিতি আসে যে বাবার চিকিৎসার প্রয়োজন হয় এবং ওই সম্পত্তি না বিক্রি করলে চিকিৎসা সম্ভব নয়, কিন্তু সন্তান বিক্রিতে সম্মতি না দেয়, সেক্ষেত্রে জেলা জজকে একটা ক্ষমতা দেওয়া থাকবে। জেলা জজের কাছে আবেদন করা হলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন। এই সংশোধনের ফলে ভবিষ্যতে সিভিল মামলা ফাইলিং কমে আসবে এবং অনেক পারিবারিক সমস্যার সমাধান হবে, এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা কাজ করতে চাই এবং জনগণের কল্যাণে পরিবর্তন করতে চাই। আমাদের যেখানে যেভাবে সম্ভব পরিবর্তন করতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে আইনমন্ত্রী জানান, বাগেরহাটে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে ওঠা গুমের (এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স) অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করবে সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ