ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘বান্ধবী’ গুঞ্জনের নেপথ্য গল্প জানালেন পূর্ণিমা


‘বান্ধবী’ গুঞ্জনের নেপথ্য গল্প জানালেন পূর্ণিমা

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা পর্দার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমানভাবে আলোচনায় থাকেন। তিনি যখনই নতুন কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করেন, তখন সেটি ভক্তদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।

সম্প্রতি, পূর্ণিমার একটি ভিডিওকে ঘিরে ‘বান্ধবী’ গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে এবং এ নিয়ে এবার বিষয়টি খুলে বলেছেন এই অভিনেত্রী।

মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পূর্ণিমা শেয়ার করা একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়। ভিডিওটিতে তিনি কয়েকজন নারীর সঙ্গে অত্যন্ত সাবলীল ও আনন্দঘন পরিবেশে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: বিচ্ছেদের পর জাস্টিন ট্রুডোর প্রেমে কেটি পেরি

ভিডিওটির ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছিলেন, ‘এই সেই আমার বান্ধবীরা’ এবং তিনি সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন ভালোবাসার ইমোজি।

ভিডিওটি প্রকাশের পরে নেটদুনিয়ায় অনেক ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে খোলামেলা কথা বলেছেন পূর্ণিমা।

স্মিত হেসে তিনি জানিয়েছেন, ‘না আমি দিয়েছি, আমি আর পরে আরেকটা ভিডিও দিয়েছি আমার বান্ধবীর সঙ্গে, ফটোশুট করছি, এমনকি আমি তো বানাইনি, বান্ধবী বানিয়েছিলেন আপনারা।’

এ সময়, তিনি একটি রিসোর্টের আতিথেয়তা এবং সেখানে রান্নার প্রতি তাঁর ভালো লাগার কথাও তুলে ধরেছেন। পূর্ণিমা বলেছেন, ‘আমি একটা রিসোর্টে যাই, সেখানে উনারা খুবই মজার রান্না করে, আমি খেতে পছন্দ করি, আমি কিচেনে যাই, উনারা কি কি রান্না করেন দেখতে।’

আরও পড়ুন: ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৬৬২ জন

তিনি আরো বলেন, ‘তারা বসে থাকে যে আমি কখন আসব, আমি রান্নাটা দেখব। মাঝে মাঝে আমি একটু বলি যে আমি একটু শসা কাটি, একটু লেবু কাটি, বলে হ্যাঁ কাটুক, খুবই আন্তরিকভাবেই ওরা আমাকে পছন্দ করে।’

পূর্ণিমার এই ব্যাখ্যার পর ‘বান্ধবী’ গুঞ্জনের পিছনে আসল সত্য উদঘাটিত হয়েছে বলে মনে করছেন তাঁর ভক্তরা। অভিনেত্রীর সরল ও হাস্যরসাত্মক ভাবমূর্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যথেষ্ট প্রশংসিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলেছে লোহিত সাগরে নতুন করে শুরু হওয়া উত্তেজনা।এই অঞ্চলে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নতুন করে নৌ অবরোধ আরোপ করেছে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই অবরোধের ফলে আরেক দফা প্রভাব পড়তে পারে।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠছে, ইরান বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের এই ফ্রন্টে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কি পুরনো সংঘাত নতুন করে উজ্জীবিত করতে যাচ্ছে?

গত সোমবার হুথিরা ঘোষণা দেয়, তারা কোনো জাহাজকে সৌদি আরবের বন্দরে পণ্য ওঠানো বা নামানোর অনুমতি দেবে না।

এই হুমকি কার্যকর হলে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ব্যাহত হতে পারে এবং বিশ্বব্যাপী মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৭ শতাংশ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এই প্রণালির মাধ্যমে সাধারণত বিশ্বের প্রায় ১২ শতাংশ বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন হয়। অন্যদিকে সৌদি আরবের মোট তেল উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ বর্তমানে লোহিত সাগরপথের এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হচ্ছে।

হুথিদের এই ঘোষণার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট আরো বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।  এই বিষয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আনুষ্ঠানিক সামরিক সহায়তা চায়নি সৌদি আরব।

নতুন কৌশলে কোন পথে যাচ্ছে যুদ্ধ?

এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, হুথিরা যদি লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

ট্রাম্প বলেছেন, ‘এ ধরনের কিছু ঘটলে আমরা সেটি মোকাবিলা করব। এর আগেও আমরা হুথিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি বাস্তবে এতটা সহজ নয়।

বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন আরেকটি সামরিক ফ্রন্টে জড়াতে হতে পারে।

বহু বছর ধরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এবং পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার মুখেও হুথিরা নিজেদের সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

ফলে তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের অভিযান চালাতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইতোমধ্যে ইরানকে ঘিরে পরিচালিত সামরিক তৎপরতার পাশাপাশি আরেকটি ফ্রন্টে যুদ্ধ পরিচালনা করতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো ও পেন্টাগনের সাবেক কর্মকর্তা জেসন ক্যাম্পবেল বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রকে একই সঙ্গে দুটি সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক সম্পদ ভাগ করে ব্যবহার করতে হবে।

এতে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন যুদ্ধজাহাজের একটি অংশ ইয়েমেন উপকূলের দিকে সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

তাহলে হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হবে।হুথিদের পুরনো পদক্ষেপে ট্রাম্পের নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হুথিদের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। ট্রাম্প শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে সীমিত সামরিক অভিযান চালিয়ে দ্রুত তেহরানকে আলোচনায় ফিরিয়ে আনার আশা করেছিলেন। কিন্তু সংঘাত ক্রমেই বিস্তৃত হয়ে আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিচ্ছে। সতর্ক করে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল পরিমাণ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবহার করতে হবে। এতে ইতোমধ্যেই চাপের মুখে থাকা মার্কিন অস্ত্রভান্ডার আরও সংকুচিত হতে পারে। হুথিদর সামরিক সক্ষমতা নিয়ে সাবেক মার্কিন উপ-সহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল মুলরয় রয়টার্সকে জানান, অতীতেও তারা একাধিকবার প্রমাণ করেছে যে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল ব্যাহত করার সক্ষমতা এবং ইচ্ছা—দুটিই তাদের রয়েছে। এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক নৌপথ সচল রাখতে হুথিদের অবস্থানে একাধিক বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে ট্রাম্প প্রশাসনও ইয়েমেন উপকূলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে সেই অভিযান আরও জোরদার করে। কিন্তু সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব অভিযানের পরও হুথিদের নৌপথে হামলার সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি। বরং গত বছরের দুই মাসব্যাপী অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি বিমানবাহী রণতরী, একাধিক যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং বি-২ কৌশলগত বোমারু বিমান মোতায়েন করতে হয়েছিল। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ২০টিরও বেশি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং শত শত সামরিক বিমান মোতায়েন রয়েছে। ইরানকে ঘিরে চলমান সংবাদের মোকাবিলায় আরও সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম অঞ্চলটিতে পাঠানো হচ্ছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ফলে ইয়েমেনকেন্দ্রিক নতুন সংঘাত শুরু হলে প্রয়োজনীয় নৌ ও আকাশ শক্তি, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামরিক সম্পদ বণ্টন আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) সামরিক বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত মেরিন কর্মকর্তা মার্ক ক্যানসিয়ান মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি চ্যালেঞ্জ হলেও হুথিরাও দীর্ঘমেয়াদে সমস্যায় পড়তে পারে। কারণ ইরানের ওপর চলমান অবরোধের কারণে তাদের প্রধান সমর্থক থেকে অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ শতভাগ কার্যকর না হলেও যথেষ্ট কার্যকর। ফলে হুথিদের পক্ষে দীর্ঘ সময় ধরে এমন অভিযান চালিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে পুলিশ-জনতার মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


কাউখালীতে আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে পুলিশ-জনতার মতবিনিময় সভা

পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, রাতের পাহারাদার ব্যবস্থা জোরদার করতে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য থানা পুলিশের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের তালুকদার হাট বাজার প্রাঙ্গণে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান মিন্টু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম সেপাই, শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা লোকমান হাওলাদার, বিট অফিসার এএসআই মোঃ আরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন কাউখালী থানার এসআই ও শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের বিট অফিসার দীপক বালা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলাকায় কোনো ধরনের অপরাধ, মাদক ব্যবসা, চুরি কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তথ্য গোপন না রেখে দ্রুত পুলিশকে জানাতে হবে। রাতে পাহারাদার ব্যবস্থা আরও জোরদার করলে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে। মাদকের বিরুদ্ধে কাউখালী থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

"জনগণ ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ ধরনের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিকদের নিয়ে আমরা নিয়মিত সভা করছি। মাদক, চুরি, কিশোর গ্যাং ও অন্যান্য অপরাধ দমনে জনগণের তথ্যই পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি। সবাই সচেতন থাকলে কাউখালীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।"

অনুষ্ঠানের সভাপতি শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। এলাকাকে শান্তিপূর্ণ রাখতে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মাদক, চুরি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আমরা পুলিশের সঙ্গে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। রাতে পাহারাদার ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারেন।

সভায় উপস্থিত বক্তারা এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও জনসাধারণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে মাদকমুক্ত, অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবার মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও স্পেন, কবে-কখন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


আবার মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও স্পেন, কবে-কখন

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের ক্ষত এখনো শুকায়নি। কিন্তু আর্জেন্টিনার জন্য ‘প্রতিশোধের’ অপেক্ষা খুব বেশি দীর্ঘ হতে নাও পারে।

যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী আগায়, তাহলে আর্জেন্টিনা ও স্পেন আবার মুখোমুখি হতে পারে বছরের শেষ দিকে। এইবারের মঞ্চ হবে ফিনালিসিমা।

স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (কনমেবল) ও ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (উয়েফা) আবারও আর্জেন্টিনা-স্পেন ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে। ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং ২০২৪ ইউরোর চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মধ্যে এই ম্যাচটি দীর্ঘদিন ধরেই অনিশ্চয়তায় ছিল।

আগের সূচি অনুযায়ী, ম্যাচটি ছিল গত ২৭ মার্চ কাতারের লুসাইলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার কারণে কাতারে ম্যাচটি আয়োজন সম্ভব হয়নি।

কাতার না হলে ম্যাচটি কোথায় আয়োজন করা হবে, তা নিয়ে পরবর্তীতে ফিনালিসিমা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একমত হতে পারেনি। স্পেনের পক্ষ থেকে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ভেন্যু হিসেবে প্রস্তাব ছিল, অপর দিকে আর্জেন্টিনা বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামকে ভেন্যু হিসেবে চাইছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবাই ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি।

তবে এখন আবার বছরের শেষে ফিনালিসিমা আয়োজনের সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। এতে বিশ্বকাপ ফাইনালের পর দুই দলের আরেকটি লড়াই দেখার সুযোগ ফুটবলপ্রেমীরা পেতে পারেন।

এখনো ম্যাচের তারিখ, ভেন্যু কিংবা আনুষ্ঠানিক সূচি ঘোষণা করা হয়নি। কনমেবল, উয়েফা এবং সংশ্লিষ্ট ফুটবল ফেডারেশনগুলোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই সবকিছু নিশ্চিত হবে।

এদিকে, মার্কার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এ বছরের ৯ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডো রয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

নিউ জার্সিতে গত রবিবার ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের এক গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই অভ্যুত্থানের ২ বছরেও শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি : সাইফুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


জুলাই অভ্যুত্থানের ২ বছরেও শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি : সাইফুল হক

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক মন্তব্য করেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি আত্মত্যাগ করেছে। তবে গত দুই বছরে তাদের বাঁচার অধিকার নিশ্চিত হয়নি। তিনি উল্লেখ করেছেন, ছাত্রদের মতো শ্রমিকরা ক্ষমতার ভাগ দাবি করেননি, তারা শুধুমাত্র অধিকার ও মর্যাদা চেয়ে এসেছেন।

এখনো তাদের আশা পূরণ হয়নি।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বিপ্লবী শ্রমিক সংহতি আয়োজিত ‘২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান ও শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা সহ শ্রমিকদের জন্য অবিলম্বে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড তৈরি করতে হবে। জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শ্রমিকদের বাঁচার জন্য পর্যাপ্ত মজুরি নির্ধারণ জরুরি।

বক্তৃতায় বিএনপির সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, দেশে প্রায় ৭ কোটি ৩৫ লাখ শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ বাস করছেন। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হলে গণ-অভ্যুত্থানের লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বিভিন্ন সনদে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের কারণে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার একটি নৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা সরকারের রয়েছে। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি শ্রমিকদের অধিকারের পক্ষে সংসদে ভূমিকা রাখারও আশ্বাস দিয়েছেন।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী দাবি করেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শ্রমিকরা হয়তো ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন, কিন্তু গত দুই বছরে শোষণ-বৈষম্য অনেক বেড়েছে। শত শত কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং কয়েক লাখ শ্রমিক বেকারের দলে যোগ দিয়েছে, যাদের মধ্যে নারীদের সংখ্যা বেশি। এই পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন না হলে অভ্যুত্থান, ভোট ও গণতন্ত্র সবকিছুই অর্থহীন হয়ে পড়বে।

শ্রমিক নেতা মাহমুদ হোসেন শ্রমিকদের অধিকারসংক্রান্ত ১৫ দফা দাবি তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন, এসব ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন না হলে শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা আরও সংকটের মুখে পড়বে।

শ্রমিক নেতা ফিরোজ আলীর সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তৃতা করেন বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, বিএনপির সহ-শ্রমবিষয়ক সহসম্পাদক ফিরোজ আল মামুন মোল্লা, নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মাস্টার, সরকারি প্রিন্টিং শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি লোকমান হোসেন, শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ আলী, চুন্নু সিকদার প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%