ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ৪৫ মিনিট বের হননি মোদি, যা জানা গেল


দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ৪৫ মিনিট বের হননি মোদি, যা জানা গেল

দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য সাধারণ নিয়ম হল দ্রুত বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হওয়া। কিন্তু মোদি সেই নিয়ম অনুসরণ করেননি এবং তিনি বিমানবন্দরের ভেতরেই প্রায় ৪৫ মিনিট অবস্থান করেছেন। কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হলেও পরে জানা যায় যে, তিনি কোনওভাবে ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট-ইউজি পুনঃপরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি না করতেই বিমানবন্দর থেকে বের হতে দেরি করেছিলেন। খবরসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।

অন্যদিকে, ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে যে, সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মোদি রোববার (২১ জুন) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছান। সাধারণত তিনি বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বাসভবনে চলে যান। কিন্তু আজ মোদি বিমানবন্দরে অবস্থান করার একটি বিশেষ সিদ্ধান্ত নেন। এর কারণ হল, নিট পরীক্ষাটি দুপুর ২টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল।

কর্মকর্তাদের মতে, ওই সময়ে দিল্লির রাজধানীতে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী তাদের নিজ নিজ কেন্দ্রের পথে ছিল, তাই যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে মোদির এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর চলাচলের সময়ে নির্দিষ্ট রুটে সাধারণত বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও কিছু সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়। তাই, পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার পথের শিক্ষার্থীদের যাত্রায় কোনো বিঘ্ন এড়াতে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় বিলম্বিত করেন মোদি। দুপুর ২টায় নিট-ইউজি পুনঃপরীক্ষা শুরু হওয়ার পর তিনি বিমানবন্দর ত্যাগ করে বাসভবনের উদ্দেশে রওনা দেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ

এভাবে নিট-ইউজির আগের পরীক্ষায় অনিয়ম এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষা বাতিল করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের ৫ হাজার ৪৪০টি এবং বিদেশের ১৪টি কেন্দ্রে মোট ২২ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এই পুনঃপরীক্ষায় অংশ নেন। এই উপলক্ষে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল।

পরীক্ষার সময়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে ৯৫ হাজারের বেশি কক্ষকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হয়। ইলেকট্রনিক জালিয়াতি ঠেকাতে ৫১ হাজারের বেশি সিগন্যাল জ্যামারও স্থাপন করা হয়েছিল। নিট-ইউজি আসলে ভারতের অন্যতম বৃহৎ ভর্তি পরীক্ষা, যা স্নাতক পর্যায়ের মেডিকেল শিক্ষায় ভর্তির প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সওজের ৬ কোটি টাকার জমি উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


ফরিদপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সওজের ৬ কোটি টাকার জমি উদ্ধার

ফরিদপুরে সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের প্রায় ৩১ শতাংশ সরকারি জমি প্রশাসন দখলমুক্ত করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি এই উদ্ধার হওয়া জমির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।

 

রবিবার (২১ জুন) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং সওজ বিভাগের সহযোগিতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

সওজ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদর উপজেলার গঙ্গাবর্দী মৌজার এসএ ২০২৪ ও ২০২৫ দাগভুক্ত অধিগ্রহণকৃত সরকারি জমিতে অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে একটি সেমিপাকা মার্কেট নির্মাণ করার চেষ্টা চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, শলাকুন্ড গ্রামের হামজা নামের একজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে জমিটি দখল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে আসছিলেন।

 

প্রশাসন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি জমিতে নির্মাণকাজ বন্ধ করার জন্য তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি নির্দেশনা অমান্য করেছেন। এর পর উপজেলা প্রশাসন ও সওজ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনাগুলোকে উচ্ছেদ করা হয়।

 

অভিযান চলাকালে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইট ও বালু জব্দ করা হয়েছে। পরে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে এসব সামগ্রী বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

 

সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাফিজ তানজিম জানান, ‘সার্ভেয়ারদের মাধ্যমে জমির সীমানা নির্ধারণ ও রেকর্ড যাচাই শেষে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এতে প্রায় ৩১ শতাংশ সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।’

 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল বা সেখানে স্থাপনা নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। একাধিকবার সতর্ক করার পরও নির্দেশনা অমান্য করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ভাড়া বাসায় গুলিবিদ্ধ যুবক, উদ্ধার অস্ত্র ও বিস্ফোরক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ভাড়া বাসায় গুলিবিদ্ধ যুবক, উদ্ধার অস্ত্র ও বিস্ফোরক

রাজশাহী নগরের শাহমখদুম থানার ছায়ানীড় আবাসিক এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মীর তারেকের ভাড়া নেওয়া বাসায় ফয়সাল বাঁধন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় ওই বাসায় মীর তারেকসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
গুলিবিদ্ধ ফয়সাল বাঁধন নগরীর সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তাকে মীর তারেকের সঙ্গে দেখা যায়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা ফয়সাল বাঁধনকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, তার পেটে নাভির সামান্য ওপরে গুলি লাগে। বেলা ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। পরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শরীর থেকে গুলি বের করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। উদ্ধার করা গুলিটি পিস্তলের বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন। সেখান থেকে একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি, গুলির খোসা, ককটেল সদৃশ বস্তু ও কিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। এ মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়। আহত ব্যক্তি সুস্থ হলে তার বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচতলা ভবনটির পঞ্চম তলা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক ভাড়া নিয়েছিলেন। নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও একটি কক্ষ ব্যবহার উপযোগী ছিল এবং সেখানেই তিনি নিয়মিত বসতেন। ঘটনার সময় ওই কক্ষে মীর তারেকসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। পরে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
পুলিশের ধারণা, বাসাটি কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা এর প্রস্তুতির কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে। তবে গুলির ঘটনা কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বেঁচে আছি নাকি মারা গেছি, দেখার কেউ নেই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


‘বেঁচে আছি নাকি মারা গেছি, দেখার কেউ নেই’

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। এই হাসপাতালটিতে এক হাজার ৩৫০ শয্যার ব্যবস্থা রয়েছে। সারা দিন এখানে রোগীদের জন্য উপচে পড়া ভিড় থাকে। টিকিট কাউন্টার, বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ এবং চিকিৎসক কক্ষের সামনে সব সময় রোগীদের দীর্ঘ সারি থাকতে দেখা যায়। তবে, এই হাসপাতালকে ঘিরে রোগীদের অভিযোগের সংখ্যা যেন কমছে না।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি গণমাধ্যমের ইউটিউবে একটি ভিডিওতে রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগ শুনতে পাওয়া গেছে। হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে একজন রোগী বলেন, ‘রাত ৩টায় এসেছি। একটা ডাক্তারও দেখেনি। ফ্লোরের মধ্যে রেখেছে। বেঁচে আছি, নাকি মারা গেছি, কেউ দেখার নেই। বেড বয় সকালবেলা এসে টাকা চায়। ২০০ টাকা দেওয়াতে খুশি না। ৬০০ টাকা দিতে হবে। একদম ফালতু হসপিটাল।’

ভিডিওতে এক রোগীকে বলতে শোনা যায়, ‘সেবা নেওয়ার জন্য এসেছি, কিন্তু দেখতেছি এখানে যাও, ওইখানে যাও, সিরিয়াল। অথচ অনেকে ঠিকই চিকিৎসা নিচ্ছে। কিন্তু সাধারণ জনগণ চিকিৎসা পাচ্ছে না। সকাল ৮টায় এসেছি, শুধু মাথায় এক্স-রে করার জন্য। পাঁচ মিনিটের কাজ, অথচ বেলা বাজে ১২টা।’

সিস্টারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে এক রোগী বলেন, ‘তাদের ব্যবহার এত খারাপ যে বলার মতো না। এ জায়গায় আমরা এসেছি ভালো সার্ভিস নেওয়ার জন্য। প্রত্যেকটা রোগী আসে তাদের সেবা নেওয়ার জন্য। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তারা সিস্টাররা মনে হয় একেকটা ডাক্তার।’

চর্মের সমস্যা নিয়ে আসা একটি নারী রোগী বলেন, ‘আমার চর্মের সমস্যা। আমি ডাক্তারের কাছে গিয়ে হাত দেখাইছি। উনি বলতেছেন যতটুকু দেখাইছি ততটুকুতে ট্রিটমেন্ট পাব না। আমি বলছি আমার আরো শরীরে অনেক জায়গায় আছে, এটা দেখানো যাবে না। তখন তিনি বলেন যে তাহলে ট্রিটমেন্টও হবে না। আউটডোরে এত মানুষের ভেতরে কিভাবে তাকে আমি শরীর দেখাব?’

অপর এক রোগী বলেন, ‘আজকে এক সপ্তাহ ধরে স্লিপ নিয়ে বইয়া রইছি। এই ওয়ার্ডে যান, ওই ওয়ার্ডে যান। আর সত্যি কথা কি, সেবা আমরা ভালো করে পাই না। সকাল ৮টা থেকে নিয়্যা ১২টা পর্যন্ত সিরিয়ালে দাঁড়াইয়া রইছি। উনি বলতেছে আজকে হবে না, শনিবারে আসেন। সামনের শনিবার থেকে আবার সামনের শনিবার।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রহ্মপুত্রে জেলের জালে ধরা পড়ল ৫৫ কেজির বাঘাইড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


ব্রহ্মপুত্রে জেলের জালে ধরা পড়ল ৫৫ কেজির বাঘাইড়

কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৫৫ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছ। স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে মাছটি কিনে নিয়েছেন এক স্কুলশিক্ষক। পরবর্তীতে তিনি প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা দামে মাছটি বিক্রির পরিকল্পনা করেছেন। সেই অনুযায়ী, মাছটির সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৮৫ হাজার টাকা হবে।

বিরল আকৃতির মাছটি দেখতে শিক্ষক সাজুর বাড়িতে ভিড় করছেন স্থানীয় উৎসুক মানুষজন। রবিবার (২১ জুন) সকালে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর এলাকার জেলে বকুল চন্দ্র ও তার সহযোগীদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। রাতভর মাছ ধরার পর ভোর বেলায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বিশাল আকৃতির বাঘাইড়টি জালে ওঠে।

জানা যায়, মাছটি জেলেদের কাছ থেকে কিনে নেন অনন্তপুর এলাকার স্কুলশিক্ষক মো. সাজেদুল ইসলাম সাজু। তিনি বলেন, "ব্রহ্মপুত্র নদে নতুন পানি আসায় বড় মাছের চলাচল বেড়েছে। এ সুযোগে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেদের জালে বাঘাইড়টি ধরা পড়ে।" প্রত্যন্ত এলাকা থেকে এত বড় মাছ বাজারজাত করা জেলেদের জন্য কষ্টসাধ্য হওয়ায় তিনি মাছটি কিনে নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, "৫৫ কেজির এই মাছ একা খাওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছি। এতে মাছটি প্রায় ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি হবে।"

কুড়িগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, "বৃষ্টি ও উজানের ঢলে ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের বিচরণ বেড়েছে। জেলেদের জালে ৫৫ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়া অবশ্যই সুখবর। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে আমরা সারা বছর জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%