প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। এই হাসপাতালটিতে এক হাজার ৩৫০ শয্যার ব্যবস্থা রয়েছে। সারা দিন এখানে রোগীদের জন্য উপচে পড়া ভিড় থাকে। টিকিট কাউন্টার, বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ এবং চিকিৎসক কক্ষের সামনে সব সময় রোগীদের দীর্ঘ সারি থাকতে দেখা যায়। তবে, এই হাসপাতালকে ঘিরে রোগীদের অভিযোগের সংখ্যা যেন কমছে না।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি গণমাধ্যমের ইউটিউবে একটি ভিডিওতে রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগ শুনতে পাওয়া গেছে। হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে একজন রোগী বলেন, ‘রাত ৩টায় এসেছি। একটা ডাক্তারও দেখেনি। ফ্লোরের মধ্যে রেখেছে। বেঁচে আছি, নাকি মারা গেছি, কেউ দেখার নেই। বেড বয় সকালবেলা এসে টাকা চায়। ২০০ টাকা দেওয়াতে খুশি না। ৬০০ টাকা দিতে হবে। একদম ফালতু হসপিটাল।’
ভিডিওতে এক রোগীকে বলতে শোনা যায়, ‘সেবা নেওয়ার জন্য এসেছি, কিন্তু দেখতেছি এখানে যাও, ওইখানে যাও, সিরিয়াল। অথচ অনেকে ঠিকই চিকিৎসা নিচ্ছে। কিন্তু সাধারণ জনগণ চিকিৎসা পাচ্ছে না। সকাল ৮টায় এসেছি, শুধু মাথায় এক্স-রে করার জন্য। পাঁচ মিনিটের কাজ, অথচ বেলা বাজে ১২টা।’
সিস্টারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে এক রোগী বলেন, ‘তাদের ব্যবহার এত খারাপ যে বলার মতো না। এ জায়গায় আমরা এসেছি ভালো সার্ভিস নেওয়ার জন্য। প্রত্যেকটা রোগী আসে তাদের সেবা নেওয়ার জন্য। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তারা সিস্টাররা মনে হয় একেকটা ডাক্তার।’
চর্মের সমস্যা নিয়ে আসা একটি নারী রোগী বলেন, ‘আমার চর্মের সমস্যা। আমি ডাক্তারের কাছে গিয়ে হাত দেখাইছি। উনি বলতেছেন যতটুকু দেখাইছি ততটুকুতে ট্রিটমেন্ট পাব না। আমি বলছি আমার আরো শরীরে অনেক জায়গায় আছে, এটা দেখানো যাবে না। তখন তিনি বলেন যে তাহলে ট্রিটমেন্টও হবে না। আউটডোরে এত মানুষের ভেতরে কিভাবে তাকে আমি শরীর দেখাব?’
অপর এক রোগী বলেন, ‘আজকে এক সপ্তাহ ধরে স্লিপ নিয়ে বইয়া রইছি। এই ওয়ার্ডে যান, ওই ওয়ার্ডে যান। আর সত্যি কথা কি, সেবা আমরা ভালো করে পাই না। সকাল ৮টা থেকে নিয়্যা ১২টা পর্যন্ত সিরিয়ালে দাঁড়াইয়া রইছি। উনি বলতেছে আজকে হবে না, শনিবারে আসেন। সামনের শনিবার থেকে আবার সামনের শনিবার।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন