ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জরিমানা ছাড়া দেশ ছাড়ার বা বৈধ হওয়ার শেষ সুযোগ দিচ্ছে আমিরাত


জরিমানা ছাড়া দেশ ছাড়ার বা বৈধ হওয়ার শেষ সুযোগ দিচ্ছে আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া বিদেশি নাগরিকদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর দিয়েছে দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি (আইসিপ)। 

আঞ্চলিক ফ্লাইট বিপর্যয়ের কারণে যারা নির্দিষ্ট সময়ে দেশ ছাড়তে পারেননি, তাদের আর্থিক বোঝা কমাতে ৩০ দিনের একটি বিশেষ গ্রেস পিরিয়ড বা সময়সীমা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। বিশেষ সুযোগটি গত ১০ জুন থেকে শুরু হয়ে আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভুক্তভোগী প্রবাসীরা কোনো ধরনের ওভারস্টে ফাইন বা জরিমানা ছাড়াই আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন অথবা নতুন ভিসায় নিজেদের স্ট্যাটাস বৈধ করে সেখানে বসবাস ও কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে আইসিপ একটি মানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় যারা আটকে পড়েছিলেন, তাদের জরিমানা মওকুফ করা হয়েছিল। বর্তমানে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে এবং বিমান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। ফলে জরিমানা মওকুফের পূর্ববর্তী কারণটি আর বিদ্যমান না থাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য স্ট্যাটাস বৈধ করার বা দেশ ছাড়ার এটাই চূড়ান্ত সুযোগ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আইসিপি।

আরও পড়ুন: নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে জাজিরার ৫ ব্যবসায়ীর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

এই মানবিক সুবিধা পাওয়ার জন্য প্রবাসীদের আলাদা কোনো বাড়তি আবেদন বা জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। যারা আমিরাত ছাড়তে চান তারা সরাসরি বিমানবন্দরে চলে যেতে পারবেন, আর যারা থেকে যেতে চান তারা স্বাভাবিক নিয়মে স্ট্যাটাস পরিবর্তন করতে পারবেন। আইসিপি সংশ্লিষ্ট সকলকে যেকোনো হালনাগাদ তথ্য বা আইনি পদ্ধতির জন্য কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিয়ে শুধুমাত্র তাদের অফিশিয়াল যোগাযোগমাধ্যম ও ওয়েবসাইট অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়ে দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লড়াই পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চের অভিজাতদের কাতারে মরক্কো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


লড়াই পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চের অভিজাতদের কাতারে মরক্কো

বিশ্বমঞ্চে মরক্কো মানেই এখন আর কোনো ধুঁকতে থাকা দল নয়। বরং, ফুটবল বিশ্বের অন্যতম একটি পরাশক্তি হিসেবে এমনটাই বিশ্বাস করছেন তারা। এই বছরের ২০২২ সালের বিশ্বকাপে আশ্চর্যজনকভাবে সেমিফাইনালে খেলা মরক্কো বর্তমানে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের সপ্তম স্থানে রয়েছে। চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে, যখন তারা পরাশক্তি ব্রাজিলের বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েছিল, তখন শেষ পর্যন্ত ১-১ ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। তবে এই আক্ষেপ এখনো ভুলে গেলে চলবে না, কারণ আজ শুক্রবার, স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে সংঘটিত হতে যাচ্ছে মরক্কোর ম্যাচ। এই ম্যাচে জয় পেলেই নকআউট পর্বের পথে তাদের রাস্তা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে, যেহেতু গ্রুপ পর্বে তাদের শেষ প্রতিপক্ষ তুলনামূলক দুর্বল দল, হাইতি।

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগের দিন বৃহস্পতিবার, যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন কমন পার্কে মরক্কোর শত শত সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। তারা লাল ও সবুজ রঙের ধোঁয়া উড়িয়ে, ড্রামের আওয়াজে নাচতে নাচতে পুরো এলাকা উৎসবে ভাসিয়ে দেন। সমর্থকদের চোখে-মুখে এখন আত্মবিশ্বাসের ছোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তাদের মতে, মরক্কোর ফুটবলের মান বর্তমানে এতটাই উচ্চ, যেটি পিএসজির ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি কিংবা রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার ব্রাহিম দিয়াজের মতো খেলোয়াড়দের মাধ্যমে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে প্রতিফলিত হচ্ছে।

মন্ট্রিল থেকে দুই সন্তানকে নিয়ে বোস্টনে খেলা দেখতে আসা ৩৫ বছর বয়সী ওসামা খাতাম বলেন, একসময় বিশ্বকাপে আসা মরক্কোর জন্য একটি বড় অর্জন ছিল। এখন, জার্মানি, ফ্রান্স কিংবা স্পেনের মতো বড় দলের সঙ্গে মরক্কোর তফাত নেই। তিনি মনে করেন, এখন থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপে মরক্কোকে এই রূপে দেখা যাবে।

মরক্কোর ফুটবলের এই নাটকীয় উত্থানের পেছনে প্রবাসী খেলোয়াড়দের অবদানের পাশাপাশি ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘মোহাম্মদ সিক্স ফুটবল একাডেমি’ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। ১৯৯৮ সালের পর টানা ২০ বছর বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে না পেরে মরক্কোর ফুটবল যখন ধ্বংসের মুখে তখন এই একাডেমিটি গড়ে তোলা হয়। এর সুফল তারা ২০১৮ সালে বিশ্বকাপে ফিরে এসে প্রথম পেতে শুরু করে এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে বেলজিয়াম, স্পেন ও পর্তুগালকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে একটি ইতিহাস গড়তে সক্ষম হয়।

শুধু সিনিয়র দলই নয়, গত বছর অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জিতে মরক্কো ক্রমবর্ধমান তরুণ প্রতিভাদের প্রমাণ দিতে সক্ষম হয়েছে। আর এই তরুণ প্রতিভারা নিজেদের ঘরের মাঠে মেলে ধরার সুযোগ পাবে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে, যা যৌথভাবে আয়োজন করবে মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল।

সমর্থকদের মতে, মরক্কো এখন শুধুমাত্র নিজেদের জন্য খেলছে না, বরং আফ্রিকা মহাদেশসহ অনুন্নত বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য এক আদর্শ ভূমিকা পালন করছে। মরক্কো দেখিয়ে দিয়েছে যে সঠিক পরিকল্পনা থাকলে আফ্রিকার যেকোনো দেশই আন্তর্জাতিক মঞ্চে শীর্ষ চারে জায়গা করে নিতে পারে। খেলা দেখতে সরাসরি মরক্কো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ৫২ বছর বয়সী মুসিন মুসলিহ আশাবাদী স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের ব্যাপারে। তিনি মনে করেন, ২০২২ সালের মতো এবারও মরক্কো আরেকটি অবিশ্বাস্য বিশ্বকাপ উপহার দেবে, এটি কোটি ভক্তের প্রত্যাশা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদা না দেওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তা দম্পতির ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


চাঁদা না দেওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তা দম্পতির ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহে বাড়ি নির্মাণের জন্য চাঁদা না দেওয়ায় এবং নির্মাণাধীন ভবনের মালামাল স্থানীয় একটি সিন্ডিকেটের কাছ থেকে কিনতে রাজি না হওয়ায় এক ব্যাংক কর্মকর্তা এবং তার স্ত্রীর ওপর মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পর, সোমবার থানায় মামলা করার পর বুধবার রাতে প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. সাইফুল ইসলাম (৪০)। তিনি নগরের বলাশপুর কলমিস্ত্রি মোড় এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। বুধবার (১৭ জুন) রাতের সময়ে জেলার ত্রিশাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্র অনুযায়ী, শেরপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বর্তমানে ময়মনসিংহ নগরের চরপাড়া জনতা ব্যাংকে কর্মরত আছেন। ২০২৩ সালে তিনি নগরের ময়নার মোড় এলাকায় চার শতক জমি ক্রয় করেন এবং সেখানে পাঁচতলা ভবনের ভিত্তি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। উল্লেখ্য যে, ছয় থেকে সাত মাস ধরে ওই ভবন নির্মাণের কাজ পরিচালিত হচ্ছিল।

অভিযোগ প্রমাণিত হচ্ছে যে, স্থানীয় সাইফুল ইসলাম একটিদল নিয়ে ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল তাদের কাছ থেকে কিনতে নজরুল ইসলামকে প্রস্তাব দেন। কিন্তু নজরুল ইসলাম নিজ পছন্দমতো মালামাল কিনে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ায় সাইফুল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং তাদের কাছ থেকে মালামাল না কিনলে ভবন নির্মাণের অনুমতি না দেওয়ার জন্য একাধিকবার হুমকি দেয়।

গত রবিবার বিকালের সময় বাসায় গিয়ে নজরুল ইসলামকে মালামাল নিতে বলার পর তিনি রাজি হননি। এর ফলে ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের সময় হামলার ঘটনা সংগঠিত হয়। হামলায় নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাসুমা হায়াত, তার ভাই আজিজুল ইসলাম এবং প্রতিবেশী ব্যাংক কর্মকর্তা সাকিম আহম্মেদ আহত হন। হামলাকারীরা সুইচ গিয়ার চাকুর সাহায্যে সাকিম আহম্মেদের মাথায় আঘাত করে এবং অন্যদের ওপরও মারধর চালায়।

এই ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ওই ফুটেজে দেখা যায়, প্রথমে তিনজন ব্যক্তি এসে দাঁড়িয়ে থাকা তিনজনের ওপর আকস্মিক হামলা প্রভাবিত করেন। পরে আরও তিনজন হামলায় যোগদান করে, যার মধ্যে একজনকে চাকু হাতে দৌড়ে আসতে দেখা যায়। হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। এসময় ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী প্রতিবাদ করতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, সোমবার নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে মো. সাইফুল ইসলামের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। পরে সেদিনই অভিযোগটি থানায় মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।

ব্যাংক কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, 'আমি ব্যাংক ঋণ নিয়ে বাড়ি করছি। তারা এসে আমাকে বলে যে চাঁদা দিতে হবে, নতুবা কাজ দিতে হবে। আমি ভেবেছিলাম হয়তো তারা আমাকে শুধুমাত্র ভয় দেখাবে। কিন্তু এভাবে আক্রমণের শিকার হব, আমি একজন অফিসার হিসেবে এটি কখনোই কল্পনা করতে পারিনি। আমি এটার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।'

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেছেন, সিসিটিভি ফুটেজে সাইফুলকে শনাক্ত করে তাকে ত্রিশাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলকে যে বার্তা দিলেন পচেত্তিনো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


দলকে যে বার্তা দিলেন পচেত্তিনো

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ইউএসএমএনটি) বিশ্বকাপের মঞ্চে একটি শুভসূচনা করেছে। তারা গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে পরাগুয়েকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে। তবে দলের এই দারুণ পারফরম্যান্সের পেছনে কেবল মাঠের কৌশলই নয়, বরং বড় স্বপ্ন দেখার মানসিকতার কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান কোচ মারিসিও পচেত্তিনো। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে পচেত্তিনো জানিয়েছেন যে, এই জয় তার দলের খেলোয়াড়দের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা এবং আত্মবিশ্বাসের ফল।

দ্য অ্যাথলেটিক-কে দেওয়া একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে পচেত্তিনো যোগ করেন, পরাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি প্রমাণ করেছে যে এই দলে প্রতিভার কোনো অভাব নেই। যখন দলের শক্তি ও সম্পদের সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকে, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো দলের জন্যই একটি ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে। তবে এই জয়ের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তিনি খেলোয়াড়দের দিয়েছেন। কোচের মতে, কোচিং স্টাফের কাজ হলো শুধু দলকে সঠিক পথ দেখানো, আসল কাজটা মাঠে ফুটবলাররাই করে দেখিয়েছেন।

পোচেত্তিনো খেলার ফর্মেশন বা ট্যাকটিকসের চেয়েও খেলোয়াড়দের মানসিকতায় বড় পরিবর্তনের ওপর জোর দিচ্ছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, বিশ্বাসই মানুষকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে যায়। নিজের এই চিন্তাভাবনা প্রকাশ করতে গিয়ে পোচেত্তিনো বলেন, আমাদের উচিত সীমা না রেখে বড় স্বপ্ন দেখা। কেউ যদি চাঁদে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, তবে হয়তো সে চাঁদের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবে। তবে কেউ যদি শুধু চাঁদের কাছাকাছি যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, তাহলে সে চিরকাল পৃথিবীতেই আটকে থাকবে। এই ইতিবাচক শক্তি এবং আত্মবিশ্বাসই খেলোয়াড়দের সেরাটা বের করে আনতে সাহায্য করছে বলে তিনি মনে করেন।

দলকে আরও শক্তিশালী করতে স্কোয়াডের ভেতর সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি করতে চান এই আর্জেন্টাইন মাস্টারমাইন্ড। তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, দলে কারও জায়গাই চিরস্থায়ী বা নিশ্চিত নয়। প্রতিটি খেলোয়াড়কে প্রতিদিন অনুশীলনে এবং ম্যাচে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেই দলে জায়গা ধরে রাখতে হবে। বিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম এবং প্রতিযোগিতা; এই তিনের সমন্বয়ে মার্কিন ফুটবলকে তিনি এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান।

সূত্র: গোল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমার ক্ষমতার কোনো সীমারেখা নেই’, ইরান যুদ্ধের পর ট্রাম্পের দম্ভোক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


‘আমার ক্ষমতার কোনো সীমারেখা নেই’, ইরান যুদ্ধের পর ট্রাম্পের দম্ভোক্তি

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন যে, আমেরিকার ক্ষমতা খাটানোর ক্ষেত্রে ‘কোনো সীমারেখা’ নেই। তিনি যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের ‘সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর’ অধিকারী—এমন যুক্তি দিয়ে এই মন্তব্য করেন।

গত বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এই সংঘাতের পর রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রয়োগ এবং এর সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে তিনি কী শিক্ষা পেলেন? জবাবে ট্রাম্প বলেন, ক্ষমতার কোনো সীমা নেই। তিনি আরও জানান, আমি এখনো তেমন কোনো সীমাবদ্ধতার শিক্ষা পাইনি। জানি হয়তো সীমা আছে, কিন্তু বাস্তবে কোনো সীমারেখা নেই। আমরা সামরিকভাবে তাদেরকে (ইরান) পুরোপুরি পরাজিত করেছি।

নিজের সামরিক সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী এখন আমাদের। আমাদের মতো এমন নৌ-অবরোধ আর কে করতে পারত? আমি এমন এক নৌ-অবরোধ তৈরি করেছিলাম যার ভেতর দিয়ে একটি জাহাজও পার হতে পারেনি। কেউ কেউ চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তারা সফল হয়নি। তাদের সেই চেষ্টা বেশি সময় টেকেনি।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি তেহরানের কাছ থেকে তার কাঙ্ক্ষিত ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, হ্যাঁ, এটি সম্ভবত আসলেই একটি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ।

জোরালো এই যুদ্ধ-পরবর্তী দাবির মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে মার্কিন আধিপত্যের চরম বার্তা দিলেন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%