১১:৫৫ এম
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হুমকির প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক আগ্রাসন চালানোর জন্য বিভিন্ন বিকল্প এবং কৌশল পর্যালোচনা করছে। দীর্ঘ চার বছরের অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি ভেঙে সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত নতুন করে শুরু হওয়ার পর এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক ও আঞ্চলিক সূত্রগুলো অনুসারে, হুথিদের লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে পর্দার আড়ালে সবুজ সংকেত এবং প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা দিয়েছে। তবে রিয়াদের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি।
মার্কিন এবং পশ্চিমা কর্মকর্তাদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার মাঝে হুথিদের মোকাবিলা করা নিয়ে সৌদি রাজদরবারের ভেতরেও মতভেদ দেখা দিয়েছে। এই সাম্প্রতিক উত্তেজনার সূচনা ঘটে চলতি মাসের প্রথম দিকে, যখন হুথি কর্মকর্তাদের বহনকারী একটি বিমান সানা বিমানবন্দর থেকে তেহরানের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। অভিযোগ রয়েছে, বিমানটি যাতে সানায় ফিরে আসতে না পারে সেই উদ্দেশ্যে সৌদি আরব সানা বিমানবন্দরে বোমাবর্ষণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আবহায় হুথি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হুথি নেতা আব্দুল মালিক আল-হুথি এক টেলিভিশন ভাষণে সৌদি আরবকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, রিয়াদ যদি ইয়েমেনে পুণরায় হামলা চালায়, তবে সৌদির সব তেল শোধনাগার এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ওপর হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিমানবন্দর এবং বন্দরের বদলে এবার আঘাত হানা হবে।
আরও পড়ুন: আঘাত হানল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, বাতাসের গতি পৌঁছাল ১৫০ কিলোমিটারে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন