বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:২৮ পি.এম
বরিশাল, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : বিনা চিকিৎসায় বরিশাল থেকে যেন ঢাকায় যেতে না হয়, এই লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধান মন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. জিয়া উদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, এখানেই (শেবাচিম হাসপাতালে) যেন চিকিৎসা পায়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদ ও বিভাগীয় প্রধানদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই তথ্য জানান।
তিনি আরো বলেন, জেলা শহরে একটি করে বার্ন ইউনিট কর্নার চালু হবে, যাতে বার্নের রোগীরা তাৎক্ষনিক চিকিৎসা পেতে সক্ষম হন।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় হাসপাতালের সভাকক্ষে মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. জিয়া উদ্দিন হায়দার। তিনি হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন, রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং স্বাস্থ্যসেবায় সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন বাবলু, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর, বরিশাল জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার, বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. রেফায়েতুল হায়দার, বরিশাল ড্যাবের সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিম, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল, বরিশাল নাগরিক ফোরামের সভাপতি ডা. মিজানুর রহমান, বরিশাল মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনসহ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরা।
মতবিনিময় সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনবল সংকট নিরসন এবং রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরে কার্যকর সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় মতামত ও সুপারিশও প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে গাঁজাসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত যুবকদের নাম হল মো. রানা শেখ (২৫) এবং মো. হৃদয় খাঁন (১৯)। তারা যথাক্রমে চিতলমারী সদর ইউনিয়নের বারাশিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রাম ও কালশিরা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদেরকে আটক করা হয়।
চিতলমারী থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) সুজয় কুমার মল্লিক জানিয়েছেন, ওসির নির্দেশে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কলিগাতী বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয় এবং সেখান থেকে তাদের কাছ থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া গাঁজার আনুমানিক মূল্য প্রায় ছয় হাজার টাকা। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চিতলমারী থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের অনুসন্ধানী সংবাদ ম্যাগাজিন ‘তেহেলকা’র সাবেক সম্পাদক তরুণ তেজপালের বিরুদ্ধে সহকর্মীকে ধর্ষণের মামলায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বোম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ। একই সময়ে ২০২১ সালে নিম্ন আদালতের দেওয়া খালাসের রায়টি বাতিল করে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আদালত তেজপালকে নির্দেশ দেন যে দুই সপ্তাহের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। রায়ের পর, তিনি নিজেকে ‘রাজনীতির শিকার’ হিসেবে দাবি করে জানান যে, তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন।
মামলাটি ২০১৩ সালের নভেম্বরে গোয়ায় অনুষ্ঠিত থিঙ্কফেস্ট অনুষ্ঠানের সময় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন কনিষ্ঠ এক নারী সহকর্মীকে একটি হোটেলের লিফটের ভেতরে যৌন নিপীড়নের পাশাপাশি ধর্ষণ করেন তেজপাল।
এ মামলায় ২০১৭ সালে মাপুসার সেশনস আদালতে বিচার শুরু হয়। পরে, ২০২১ সালে নিম্ন আদালত তেজপালকে খালাস দিলে গোয়া সরকার সেই রায়ের বিরুদ্ধে বোম্বে হাইকোর্টে আপিল করে।
বিচারপতি ড. নীলা গোখলে এবং বিচারপতি অমিত জামসান্দেকরের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে।
শুনানির সময় ভারতের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা রাজ্য সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এবং বলেন যে, যৌন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির আচরণ নিয়ে পূর্বধারণার ভিত্তিতে নিম্ন আদালত গুরুতর ভুল করেছে। তার মতে, একজন ভুক্তভোগী কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন—এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট বা সর্বজনীন মানদণ্ড নেই; এটি ব্যক্তিভেদে, পরিস্থিতিভেদে এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
দণ্ড ঘোষণার পরে তুষার মেহতা আদালতে তেজপালের তাৎক্ষণিক গ্রেফতারের আবেদন জানান। তিনি বলেন, যখন কোনো নারী 'না' বলে, তখন তার অর্থ 'না' এবং সমাজের কাছে এই বার্তাটি পরিষ্কারভাবে পৌঁছে দিতে হবে।
অন্যদিকে, আদালতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ৬২ বছর বয়সী তেজপাল নিজের প্রতি দয়া প্রদর্শনের আবেদন করেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে একজন ভুক্তভোগী মনে করি। আমার একজন স্ত্রী আছেন। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব।’ তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তিনি যেন নিজের ভাগ্যকেই ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিলেন। কিন্তু দুই দিনের প্রচেষ্টায় তিনি ময়লার স্তূপ থেকে আবার ফিরিয়ে আনলেন ভাগ্যকে, যা তাকে মিলিওনিয়ার বানিয়ে দিয়েছে।
দক্ষিণ ইতালির বিটোন্তো শহরের ভাগ্যবতী এই মহিলা লটারিতে এক মিলিয়ন ইউরোর (১৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা) বাম্পার পুরস্কার জিতেছিলেন।
তবে তিনি দোকানে লটারির টিকিটটি পরীক্ষা করার সময় মেশিন জানায় যে এটি ‘নন-পেইয়নেবল’ (পরিশোধযোগ্য নয়)। জেতেননি মনে করে তিনি ফেরার পথে টিকিটটি ডাস্টবিনে ফেলে দেন। মূলত পুরস্কারের অঙ্ক এত বেশি হওয়ায় এটি স্থানীয় দোকান থেকে সরাসরি দেওয়া সম্ভব ছিল না।
এজন্য দোকানের মেশিন এই ‘নন-পেইয়েবল’ বার্তাটি দেখায়।
দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পর পরিবারের একজন সদস্য তাকে জানিয়ে দেন যে, তার নিয়মিত কেটে আসা ২, ৪, ৮, ১০ এবং ৫১ নম্বরগুলো এবারের লটারিতে বাম্পার প্রাইজ জিতেছে। স্মৃতির কারণে ওই নারী সবসময় একই নাম্বারের লটারির টিকিট কিনতেন। সেজন্য তার টিকিটের নাম্বার পরিবারের সকলের জানা।
বাম্পার প্রাইজ জেতার খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ওই নারী দ্রুত ছুটে যান সেই দোকানে। কিন্তু গিয়ে জানতে পারেন, তখন পর্যন্ত ময়লার ঝুড়ি খালি করে দেওয়া হয়েছে এবং আবর্জনা সংগ্রহের গাড়িটি সেটি নিয়ে চলে গেছে।
টিকিটটি ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে ওই মহিলা ও তার পরিবার স্থানীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কম্পানির প্রশাসক রবার্তো নিকোলা তোসকানোর কাছে যান।
তোসকানো বলেন, ‘আমরা টিকিটটির যাত্রাপথ ট্র্যাক করার চেষ্টা করি। যদিও আমাদের মনে খুব একটা আশা ছিল না। কারণ ততক্ষণে একটি ময়লার ট্রাক আবর্জনাগুলো নিয়ে চলে গিয়েছিল।’
ভাগ্যক্রমে তোসকানো এবং তার দল সঠিক ট্রাকটি চিহ্নিত করে এবং সেটিকে থামাতে সক্ষম হন। তবে বর্জ্যের মধ্যে বিপজ্জনক উপাদান থাকার ঝুঁকির কারণে, গাড়িটিকে সরাসরি একটি বিশেষজ্ঞ কম্পানির কাছে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে এ ধরনের তল্লাশি চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
কর্মীরা এক দিনেরও বেশি সময় ধরে সেই ময়লার স্তূপ খুঁজে তল্লাশি চালান। একের পর এক বিভিন্ন টিকিট ও রসিদের টুকরোপরীক্ষা করার পর অবশেষে মিলিয়ন ইউরো মূল্যের কাঙ্ক্ষিত টিকিটটি খুঁজে পান।
তোসকানো বলেন, ‘সেগুলোর মধ্যে আমরা যে রসিদটি খুঁজছিলাম তা পাওয়া যায়। আশ্চর্যজনকভাবে সেটি তখনো একদম অক্ষত ছিল।’
টিকিটটি খুঁজে পাওয়ার খবর জানাতে তোসকানো যখন ওই নারীকে ফোন করেন, তখন ‘তিনি আবেগে কেঁদে ফেলেছিলেন’।
তোসকানো আরো বলেন, ‘আমি তখন তাকে জড়িয়ে ধরতাম। কিন্তু আমরা আসলে ফোনে কথা বলছিলাম।’
অবশ্য সেই নারীকে এখন ময়লার ট্রাক থামানো ও তল্লাশি অভিযানের সব অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হবে। তবে সেটাও তিনি নিশ্চয়ই হাসিমুখে করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি লিওনেল মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসির বার্সেলোনা যুব একাডেমিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে মুহূর্তে খবরটি ভাইরাল হয়ে যায়। ছড়িয়ে পড়া এই গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন দাবি করে ‘লা মাসিয়া’য় যোগ দেওয়ার গুঞ্জন সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছেন বাবা আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। তার দাবি, থিয়াগো বর্তমানে ইন্টার মায়ামি একাডেমিতে বেশ ভালোভাবেই মানিয়ে নিয়েছে। আসন্ন নভেম্বরে ১৪ বছর বয়সে পদার্পণ করবে থিয়াগো মেসি। তখন বার্সেলোনার অনূর্ধ্ব-১৪ দলে যোগ দিয়ে লা মাসিয়া-তে তার ফুটবল প্রশিক্ষণ শুরু করবে। হঠাৎ এমন একটি খবর চাউর হয়। তবে এই বিষয়ে মেসি বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এই ধরনের কোনো চুক্তির খবর নিশ্চিত করা হয়নি। বরং বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, একা একা এত কম বয়সে স্পেনে চলে যাওয়ার জন্য থিয়াগো এখনো বেশ ছোট। মরিসিও পচেত্তিনোতে ভরসা রাখল যুক্তরাষ্ট্র। থিয়াগো মেসি এবং মেসির বাকি সন্তানরা বর্তমানে তাদের পরিবারের সাথে মায়ামিতেই বসবাস করছে। সেখানে ইন্টার মায়ামি সিএফের যুব একাডেমিতে নিয়মিত ফুটবল খেলছে। আপাতত মায়ামি ছেড়ে অন্য কোনো ক্লাবে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ