ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নীলফামারীতে ট্রাকের চাপায় ভ্যানচালকসহ নিহত ৪, একই পরিবারের ৩ জন


নীলফামারীতে ট্রাকের চাপায় ভ্যানচালকসহ নিহত ৪, একই পরিবারের ৩ জন

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার ফলে ব্যাটারিচালিত ভ্যানের চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। রবিবার, ১২ জুলাই তারিখে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ডোমার-জলঢাকা আঞ্চলিক সড়কের ওপর এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন সদস্য রয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৩টার সময়ে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান, যাত্রী নিয়ে ডোমার-জলঢাকা সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। যাত্রা করার সময় পাঙ্গা মটকপুর-নদীয়া এলাকা পৌঁছানোর পর, পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনায় ভ্যানটি পুরোপুরি দুমড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে চারজন নিহত হন।

আরও পড়ুন: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ঘোজাডাঙা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শহীদুলের বিরুদ্ধে আবারও শ্ললতা হানিসহ নানা অভিযোগ

নিহতদের মধ্যে ভ্যানচালক পরিমল বর্মন (৪০) রয়েছেন, যিনি একই এলাকার অলি বর্মনের ছেলে। একই দুর্ঘটনায় নিহত অপর তিনজন হলেন, প্রদীপ বর্মনের স্ত্রী প্রতিমা রানী (২৮) এবং তাদের দুই সন্তান, পিতোসা (৮) ও যাদব (৪)।

এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান। ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং মরদেহ সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশজুড়ে বন্যায় মৃত ৫১, কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


দেশজুড়ে বন্যায় মৃত ৫১, কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু

টানা ভারী বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের কারণে দেশের সাত জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বর্তমান সময়ে পর্যন্ত বন্যা এবং অন্যান্য দুর্ঘটনার ফলে ৫১ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে কক্সবাজার জেলায়।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা বন্যার কবলিত হয়েছে।

এ পর্যন্ত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মোট ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্যরা। দুর্গত মানুষের জন্য খোলা হয়েছে ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন।

জেলাভিত্তিক হিসাব বলছে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে। সেখানে ২৮ জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এছাড়াও আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলায় মারা গেছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রামের ১৬টি উপজেলায় সবচেয়ে বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ। এ জেলায় পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ পরিবার। কক্সবাজারেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানান, বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

এছাড়া দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন পড়লে দ্রুত ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলি সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় শুকনা খাবার, চাল, নগদ অর্থসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত জুয়েলের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নেন সাবেক ছাত্রনেতা মামুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর কিশোরগঞ্জ

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত জুয়েলের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নেন সাবেক ছাত্রনেতা মামুন

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর বুধাইবাড়ি গ্রামে দুর্বৃত্তদের হামলায় নির্মমভাবে নিহত জুয়েল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি সৈয়দ জহিরুল ইসলাম মনি মিয়ার পুত্র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম মামুন।

রোববার (১২ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে তিনি তার কর্মীসমর্থকদের নিয়ে বৃষ্টির মধ্যে উপস্থিত হয়ে নিহত জুয়েলের কবর জিয়ারত করেন। মামুন এই সময় জুয়েলের শোকে কান্নায় ভেঙে পড়া পিতা মো. কুদ্দুস মিয়ার পিঠে হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন। তিনি বলেন, “আমাদের প্রিয় নেতা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম এমপি মহোদয়ের সাথে কথা বলে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।”

কে সেই নিরপরাধ ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তা শনাক্ত করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নিশ্চয়তা দিতে চান কুদ্দুস মিয়া। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি চাই না আমার ছেলের মতো কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হোক। কারা আমার নিরপরাধ ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের অবশ্যই সনাক্ত করেই মামলা দায়ের করা হবে। যদি কোনো কারণে কুলিয়ারচর থানায় মামলা করতে না পারি, তবে কিশোরগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করব।”

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুলাই শুক্রবার বিকেলে জুয়েল মিয়া তার এক বন্ধুর ডিমের গাড়িতে চড়ে আগরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে লক্ষ্মীপুর বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি গোবরিয়া আব্দullahপুর ইউনিয়নের বড়চারা বাজারের ১০০ গজ পশ্চিমে পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত গাড়ির গতি রোধ করে। তারা জুয়েলকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় মারধর শুরু করে। হামলায় জুয়েল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে পথচারীরা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এলাকাবাসীর তথ্যমতে, লক্ষ্মীপুর ও বড়চারা এলাকার কয়েকজন যুবকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তবে নিহত জুয়েল সম্পূর্ণ নিরপরাধ ছিলেন এবং ওই বিরোধের সাথে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না। কেবল পরিস্থিতির শিকার হয়ে অকালে প্রাণ হারাতে হলো এই যুবককে।

হত্যাকাণ্ডের পর প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে কুলিয়ারচর। গত ১১ জুলাই শনিবার সন্ধ্যার পর নিহতের নামাজে জানাজার পর বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়। লাশ দাফনের আগে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী খাটিয়া কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি লক্ষ্মীপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে শুরু হয়ে নিহতের বাড়িতে গিয়ে শেষ হয়। শত শত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মিছিলে খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়। পরে অশ্রুসিক্ত নয়নে জুয়েলের মরদেহ সমাহিত করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের ১২ ঘণ্টা পার হতে না হতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে জুয়েল হত্যার সাথে জড়িত উল্লেখ করে উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের বড়চারা গ্রামের সাকিব, শাউন, সোহান, রনি, আসিফ ও জিদনীসহ বেশ কয়েকজন যুবকের নাম ও ছবি ছড়িয়ে পড়ে। এত দ্রুত কীভাবে সবার ছবি সংগ্রহ করা হলো এবং পোস্টকারীরা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কি না, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও নতুন করে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, এই সুযোগে ব্যক্তি স্বার্থের জেরে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হয়। আবার কোনো প্রকৃত অপরাধী যেন রাজনৈতিক সেল্টারে কিংবা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পার পেয়ে না যায়।

বড়চারা গ্রামের যুবক মো. নাঈম আনোয়ার ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন: "আমাদের যুবসমাজের কাছে অন্তত এমন সহিংস আচরণ কখনো আশা করিনি। গুটি কয়েক ছেলেদের জন্য আজ সমস্ত এলাকাবাসী বর্বরতার তকমা মাথায় নিয়ে ঘুরছে। সেই সাথে নিরপরাধ কিছু ছেলেদের নামও শোনা যাচ্ছে। প্রকৃত দোষীরা শাস্তির আওতায় আসুক, সমাজে আবার শান্তি ফিরে আসুক এটাই প্রত্যাশা।"

এই হত্যা কান্ডের পর থেকেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন জানতে চাইলে তিনি জানাচ্ছেন, “হত্যার কারণ উদঘাটন ও দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।”

একটি নিরীহ যুবকের এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন কুলিয়ারচরের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

তবে ঘটনার দুইদিন পেরিয়ে গেলেও রোববার বিকেল ৪টা পর্যন্ত থানায় কোনো আনুষ্ঠানিক মামলা রুজু হয়নি বলে জানা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন

গুচ্ছ মেধাতালিকায় স্থান প্রাপ্ত অসচ্ছল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।

রংপুরের ধর্মদাস, লক্ষণপাড়া নিবাসী কৃষক নুর নবী মিয়ার কন্যা ইশরাত জাহান নিশী জিপিএ 5 পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, এরপর গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান পায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে।

কিন্তু পারিবারিক আর্থিক অনটনের কারণে ভর্তি ফি প্রদানে অক্ষম হওয়ায় তার ভর্তি কার্যক্রম স্থগিতের উপক্রম হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ইশরাত জাহান নিশীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে আশ্বস্ত করে।

পরবর্তীতে আজ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের উদ্যোগে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ইশরাত জাহান নিশীর ভর্তি ফি প্রদানের মাধ্যমে তার ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

এ সময় শিক্ষার্থী ইশরাত জাহানের কাছে তার অনুভূতি জানতে চাইলে সে বলে " আমি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের প্রতি। তারা এই সংকট মুহূর্তে আমার পাশে না দাঁড়ালে হয়তোবা আমার উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার স্বপ্ন এখানেই থেমে যেতো। আমি আর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারতাম না। সর্বোপরি তাদের এই সহযোগিতা এবং সহমর্মিতা আমার জীবনের পাথেয় হিসেবে আমি ধরে রাখবো। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি আমার অন্তর থেকে কৃতজ্ঞতা। "

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বে খাদ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকার পূর্বাভাস ২০২৮ পর্যন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


বিশ্বে খাদ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকার পূর্বাভাস ২০২৮ পর্যন্ত

 

ইরান যুদ্ধের পাশাপাশি চলতি বছরে বিশ্বজুড়ে খাদ্য পণ্যের সরবরাহ ও দামে দ্বিতীয় ধাক্কা দিতে পারে ‘সুপার’ এল নিনো। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, এর প্রভাব ২০২৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

সুপার এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধির একটি চরম জলবায়ুগত পর্যায়। খবর গার্ডিয়ান।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওসেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নোয়া) পূর্বাভাসের ভিত্তিতে গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ সালের এল নিনোর চক্রটি বিশ্বজুড়ে বন্যা ও খরার ঝুঁকি বাড়িয়ে ফসল উৎপাদন এবং খাদ্য সরবরাহকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে এটিকে ‘সুপার’ বা ‘গডজিলা’ এল নিনো বলা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই এল নিনো ইতোমধ্যে ফসলের ওপরে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ভারতে বর্ষা মৌসুম বর্তমানে শুষ্ক হয়ে উঠেছে। কিছু অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র ২৫ শতাংশ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। দেশের মধ্যাঞ্চলের কিছু অংশে বৃষ্টিপাত ৫০ শতাংশ পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি গম, চাল ও আখের সরবরাহকে ব্যাহত করতে পারে।

গোল্ডম্যান স্যাক্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্যপণ্যের দাম ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা একটি পরোক্ষ প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়তে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে ব্যয়ের এই সম্পর্ক দৃশ্যমান হতে কিছুটা সময় লাগবে। চূড়ান্ত পরিস্থিতি প্রকাশ পেতে পারে ২০২৮ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে।

ইতালীয় ব্যাংক ইউনিক্রেডিটের মতে, ‘সুপার’ এল নিনোর কারণে বিশ্বব্যাপী কৃষি উৎপাদন ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ পর্যন্ত ধাক্কার মুখে পড়তে পারে। এটি প্রায় ৩৪ হাজার ২০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ উৎপাদন ক্ষতির সমান।

ব্যাংকটি জানিয়েছে, প্রধান প্রধান খাদ্যপণ্যের দাম ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা ফসল, যেমন- চাল, পাম অয়েল, চিনি ও কফির দাম ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ বা তারও বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি মূলত ‘ক্লাইমেটফ্লেশন’ বা জলবায়ুজনিত মূল্যস্ফীতিকে আবারও সামনে নিয়ে আসছে।

অতীত উদাহরণ থেকে দেখা গেছে, এল নিনো বারবারই ফসল উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে। এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগের ভয়াবহ এক এল নিনোর কারণে চীন, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল, ব্রাজিল, মিশর ও ভারতে খরা দেখা দিয়েছিল। ঔপনিবেশিক শাসনের কারণে পরিস্থিতি আরও শোচনীয় রূপ নিয়েছিল এবং দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। কেবল ভারতে ১৮৭৬ থেকে ১৮৭৮ সালের মধ্যে ৬০ লাখের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%