ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বে খাদ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকার পূর্বাভাস ২০২৮ পর্যন্ত


বিশ্বে খাদ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকার পূর্বাভাস ২০২৮ পর্যন্ত

 

ইরান যুদ্ধের পাশাপাশি চলতি বছরে বিশ্বজুড়ে খাদ্য পণ্যের সরবরাহ ও দামে দ্বিতীয় ধাক্কা দিতে পারে ‘সুপার’ এল নিনো। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, এর প্রভাব ২০২৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

সুপার এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধির একটি চরম জলবায়ুগত পর্যায়। খবর গার্ডিয়ান।

আরও পড়ুন: জমানো খাবারে বানানো কেকেও ছাড় নেই, বন্দিদের জীবন নরক বানানোর হুমকি বেন-গভিরের

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওসেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নোয়া) পূর্বাভাসের ভিত্তিতে গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ সালের এল নিনোর চক্রটি বিশ্বজুড়ে বন্যা ও খরার ঝুঁকি বাড়িয়ে ফসল উৎপাদন এবং খাদ্য সরবরাহকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে এটিকে ‘সুপার’ বা ‘গডজিলা’ এল নিনো বলা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই এল নিনো ইতোমধ্যে ফসলের ওপরে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ভারতে বর্ষা মৌসুম বর্তমানে শুষ্ক হয়ে উঠেছে। কিছু অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র ২৫ শতাংশ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। দেশের মধ্যাঞ্চলের কিছু অংশে বৃষ্টিপাত ৫০ শতাংশ পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি গম, চাল ও আখের সরবরাহকে ব্যাহত করতে পারে।

গোল্ডম্যান স্যাক্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্যপণ্যের দাম ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা একটি পরোক্ষ প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়তে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে ব্যয়ের এই সম্পর্ক দৃশ্যমান হতে কিছুটা সময় লাগবে। চূড়ান্ত পরিস্থিতি প্রকাশ পেতে পারে ২০২৮ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে।

ইতালীয় ব্যাংক ইউনিক্রেডিটের মতে, ‘সুপার’ এল নিনোর কারণে বিশ্বব্যাপী কৃষি উৎপাদন ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ পর্যন্ত ধাক্কার মুখে পড়তে পারে। এটি প্রায় ৩৪ হাজার ২০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ উৎপাদন ক্ষতির সমান।

আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তার ৫ লাখ টাকা ছিনতাই

ব্যাংকটি জানিয়েছে, প্রধান প্রধান খাদ্যপণ্যের দাম ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা ফসল, যেমন- চাল, পাম অয়েল, চিনি ও কফির দাম ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ বা তারও বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি মূলত ‘ক্লাইমেটফ্লেশন’ বা জলবায়ুজনিত মূল্যস্ফীতিকে আবারও সামনে নিয়ে আসছে।

অতীত উদাহরণ থেকে দেখা গেছে, এল নিনো বারবারই ফসল উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে। এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগের ভয়াবহ এক এল নিনোর কারণে চীন, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল, ব্রাজিল, মিশর ও ভারতে খরা দেখা দিয়েছিল। ঔপনিবেশিক শাসনের কারণে পরিস্থিতি আরও শোচনীয় রূপ নিয়েছিল এবং দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। কেবল ভারতে ১৮৭৬ থেকে ১৮৭৮ সালের মধ্যে ৬০ লাখের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় নকল জার্সিসহ ৫ বাংলাদেশি আটক, জব্দ কোটি টাকার পণ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


মালয়েশিয়ায় নকল জার্সিসহ ৫ বাংলাদেশি আটক, জব্দ কোটি টাকার পণ্য

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের জালান পেতালিং এলাকায় ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে জাল জার্সি বিক্রির সাথে জড়িত এক বিশাল চক্রের সন্ধান পেয়েছে দেশটির অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিষয়ক মন্ত্রণালয় (কেপিডিএন)। এই অভিযানে ৫,৪০৩টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল জার্সি জব্দ করার পাশাপাশি পাঁচজন বাংলাদেশিকে এবং মিয়ানমারের একজন নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

গত শুক্রবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টার সময় ওই এলাকার চারটি দোকান ও একটি গুদামে একযোগে পরিচালিত অভিযানে এই জালিয়াতি চক্রের খোঁজ মেলে।

তদন্তের সময় জানা গেছে, আটক হওয়া বাংলাদেশি ও অন্যান্য বিদেশি কর্মীরা মূলত বিদেশি পর্যটকদের লক্ষ্য করে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। প্রতিটি নকল জার্সি মান বা গ্রেড অনুযায়ী ৫০ থেকে ১০০ রিঙ্গিতেরও বেশি দামে বিক্রি হতো।

জালান পেতালিং পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হওয়ায় সেখানে প্রতিটি দোকান থেকে দৈনিক প্রায় ১০০টি জার্সি বিক্রি হতো এবং প্রতিদিনের আনুমানিক মোট বিক্রির পরিমাণ ছিল প্রায় ৫ হাজার রিঙ্গিত। জব্দকৃত মোট জার্সির বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ১৫০ রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮১ লাখ ৮২ হাজার টাকা।

কুয়ালালামপুরে কেপিডিএন-এর প্রধান প্রয়োগকারী কর্মকর্তা মোহা শাহারান মোহা আরশাদ জানান যে, আটকের বিরুদ্ধে ট্রেডমার্ক অ্যাক্ট ২০১৯-এর অধীনে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো এই অবৈধ ব্যবসার নেপথ্যে থাকা প্রকৃত দোকানের মালিক এবং এই বাংলাদেশিসহ অন্যান্য বিদেশি কর্মীদের যারা নিয়োগ দিয়েছে, তাদের খুঁজে বের করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধুনটে ভয়াবহ যমুনার ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


ধুনটে ভয়াবহ যমুনার ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

 

বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর শহড়াবাড়ী স্পারে ভাঙন ঘটেছে।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং প্রবল স্রোতের কারণে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙন বর্তমানে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করলেও তা সফল হচ্ছে না।

কোনোভাবেই নদী ভাঙন থামানো যাচ্ছে না।

রবিবার (১২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নতুন করে উপজেলার যমুনা নদীর শহড়াবাড়ী স্পারের সামনের অংশের প্রায় ৩০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর ফলে নদীতীরবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যমুনা পাড়ের বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন, যেকোনো মুহূর্তে আরও বড় ধরনের ভাঙন হতে পারে।

বিভিন্ন স্থান থেকে জানা যায়, এ ভাঙন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং লোকালয়ের দিকে এগিয়ে আসছে। তারা এ ব্যাপারে ভাঙনরোধে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহরাবাড়ি গ্রামে গত বছর অক্টোবরে যমুনা নদীর হঠাৎ ভাঙনের ফলে ভূমিসহ ৯টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে চলে যায়। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তলদেশ ফাঁকা হয়ে যায় এবং পানির প্রবল স্রোতের ঘূর্ণাবর্তের কারণে এ ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

এরপর ভাঙন কবলিত তীর ধরে বালুভর্তি জিওব্যাগ ও টিউব ফেলার মাধ্যমে ভাঙন রোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কিন্তু हालिया সময়ে যমুনা নদীতে আবারও পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে ১৯ জুন থেকে শহরাবাড়ী ও বানিয়াজান স্পারের মধ্যবর্তী কিছু স্থানে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতের কারণে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়ে পানি নদীপাড়ে আঘাত হানছে। এতে করেও জিওব্যাগ দিয়ে তীর সংরক্ষিত এলাকাতেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিস্তীর্ণ ফসলের জমি এখন ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন করে ভাঙন আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি হয়। কিন্তু স্থায়ী ভাঙনরোধের জন্য কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না। ফলে নদীতীরবর্তী এলাকা ক্রমাগত যমুনার গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জিও ব্যাগ ফেলার চেষ্টা চলছে।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, ভাঙন শুরুর পরপরই ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। বালুভর্তি এই বিশেষ টিউব নদীর ভাঙনরোধে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তাই নদী ভাঙনে বিশেষ ক্ষয়ক্ষতির কোনো সম্ভাবনা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত নয়াপল্টনের বিএনপি কার্যালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত নয়াপল্টনের বিএনপি কার্যালয়

টানা প্রবল বৃষ্টির ফলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

এতে আশেপাশের সড়ক তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কার্যালয়ের নিচতলাতেও হাঁটুসমান পানি জমেছে।

রোববার (১২ জুলাই) নয়াপল্টনে দৃশ্যমান হয় যে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের পুরো সড়ক পানিতে ডুবে গেছে।

ঘোলাটে এবং ময়লাযুক্ত পানির ফলে রাস্তা ও ফুটপাতের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে।

পথচারীরা জানিয়েছেন, টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং রাজধানীর দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া, রাস্তায় রিকশাসহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হয়েছে। সড়কের দুই পাশের বহুতল ভবন ও দোকানপাটের সামনের অংশও পানির নিচে বা পানির খুব কাছাকাছি অবস্থায় রয়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরেও পানি প্রবেশ করেছে। জলাবদ্ধতার কারণে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে রিকশায় চড়ে কার্যালয় ত্যাগ করতে দেখা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় দেশীয় মৎস্য চাষে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী শত শত নারী-পুরুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


কলাপাড়ায় দেশীয় মৎস্য চাষে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী শত শত নারী-পুরুষ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দেশীয় মৎস্য চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্য নিয়ে গ্রামীন নারী-পুরুষদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণের আওতায় মাছ চাষের জন্য চুন, মাছের রেনু, ঝাকি জাল, ব্লু নেট, রাসায়নিক সার, অক্সিজেন মেশিন, মাছের খাবার এবং নগদ টাকা সহ বিভিন্ন প্রকার উপকরন প্রদান করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা হীড বাংলাদেশ। কলাপাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিলুপ্ত প্রায় পুষ্টিসম্পন্ন প্রজাতির মাছ, যেমন মলা, পুটি, ভেটকি ইত্যাদি চাষের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ৬৪ টি প্রদর্শনের আয়োজন করেছে এই সংস্থা। এর ফলে গ্রামীন নারী ও পুরুষেরা স্বাবলম্বী হতে সক্ষম হয়েছেন।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মৎস্য খাতের ওপর মোট ৭৪টি কার্যক্রমের মধ্যে ৬৪টি প্রদর্শনী মৎস্য চাষীদের জীবনের মান উন্নয়নে সফলভাবে কার্যকর করেছে হীড বাংলাদেশ’র এগ্রো মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট ইউনিট। এর মধ্যে ১০টি মাছের পোনা চাষের জন্য, ১টি অক্স্রিজেনেটেড ভ্যান এবং ৫টি দ্রুত বর্ধনশীল জি ৩ রুই মাছের প্রদর্শনী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রদর্শনীগুলোর জন্য চুন, মাছের রেনু, ঝাকি জাল, সাইন বোর্ড, ব্লু নেট, রাসায়নিক সার, রেকর্ড বুক, অক্স্রিজেন মেশিন, ড্রাম, ভ্যান, ব্যটারী, বাকেট নেট ইত্যাদি সরবরাহ করা হয়েছে। মাছের আইশ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণনে ৩টি উদ্যোক্তা তৈরি এবং আইশ ক্রয় বাবদ নগদ টাকা, দা, বটি, প্লাস্টিক কন্টেইনার, পাটাতন, গ্লাভস, মশারী সহ বিভিন্ন প্রকার উপকরন সরবরাহ করা হয়েছে।

রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিলুপ্তপ্রায় পুষ্টিসম্পন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষের জন্য ৫টি প্রদর্শনী, বড় মাছ উৎপাদনে ১২টি, ভাসমান খাচায় মাছ চাষে ৫টি, মলা মাছের ব্লুড ব্যাংক ৫টি, এবং দেশীয় মাছ চাষে ১০টি প্রদর্শনী করা হয়েছে। এসব প্রদর্শনীতে মলা, পুটি, রুই, তেলাপিয়া, ভেটকি মাছের পোনা সহ বিভিন্ন উপকরন প্রদান করা হয়েছে। মৎস্য খামার যান্ত্রিকীকরণ ১টি, ফিস ফিডের উদ্যোক্তা ১টি, এবং ব্লাক সোলজার ফ্লাই দ্বারা মাছের খাবার তৈরীর জন্য ২টি প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে। এসব উদ্যোক্তাদের জন্য তিনটি ব্যাচে মোট ৬০ জন সদস্যদের প্রশিক্ষণ শেষে সব ধরনের উপকরন প্রদান করা হয়েছে।

সুফলভোগী কচিরা রানী, শিল্পি রানী, রমিন সরকার অভিযোগ করেছেন যে, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা হীড বাংলাদেশ তাদের দেশীয় মৎস্য চাষের প্রশিক্ষণ দিয়ে ফ্রিতে মাছ চাষের জন্য সব ধরনের উপকরন দিয়েছে। বর্তমানে তারা দেশীয় মাছের খামার করে নিজেদের পুষ্টি চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি বাজারে মাছ বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন।

বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা হীড বাংলাদেশ পাখিমারা শাখার মৎস্য কর্মকর্তা ইমরান হোসেন জানান, কলাপাড়া উপজেলায় ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে হীড বাংলাদেশ এগ্রো মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট ইউনিট গ্রামীন মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মোট ৭৪ টি কার্যক্রমের মধ্যে ৬৪ টি প্রদর্শনী মৎস্য চাষীদের জীবিকার মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আগামীতে বাজেট সাপেক্ষে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখে চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%