ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনা বিভাগে কৃষকদের ৪২ কোটি টাকার বেশি কৃষিঋণ মওকুফ


খুলনা বিভাগে কৃষকদের ৪২ কোটি টাকার বেশি কৃষিঋণ মওকুফ

খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৫৬ হাজার ৭৪৮ জন কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ করা হচ্ছে। এছাড়া, ঋণের অর্থ পরিশোধ না করায় যাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছিল, তাদের মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী, এই কৃষকদের ঋণ মওকুফ করা হচ্ছে।

কৃষি ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, কৃষি ঋণ মওকুফের আওতায় এসেছে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৫৬ হাজার ৭৪৮ জন কৃষক। তাদের ঋণের অর্থের পরিমাণ ৪১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৬ হাজার ২৫৬ টাকা। এর মধ্যে খুলনা মহানগর ও জেলার ১১ থানা ও উপজেলা এলাকায় ৬ হাজার ৭৬৭ জন কৃষকের ৪ কোটি ১২ লাখ ৫৪ হাজার ৪২৫.৯ টাকা মওকুফের আওতায় আনা হয়েছে।

নির্বাচনকালীন সময় পর্যন্ত যেসব কৃষকের ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণ ছিল, তারা এই মওকুফের আওতায় এসেছে। কৃষি ব্যাংক খুলনা বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ঋণ গ্রহীতাদের মওকুফের বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঋণের অর্থ পরিশোধ না করায় যাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছিল, তাদের মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

খুলনা বিভাগীয় কৃষি ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এ ব্যাংকের জোনাল অফিসের আওতায় খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর ও নড়াইল জেলায় ৩০ হাজার ২৪৮ জন কৃষককে ঋণ মওকুফের আওতায় আনা হয়েছে। যার অর্থের পরিমাণ ২১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। কৃষি ব্যাংক খুলনা জেলা অফিসের তথ্যমতে, খুলনা মহানগর ও জেলার ১১ থানা ও উপজেলা এলাকায় ৬ হাজার ৭৬৭ জন কৃষকের ৪ কোটি ১২ লাখ ৫৪ হাজার ৪২৫ টাকার ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এর মধ্যে বটিয়াঘাটায় ১৮৩ জনের ১২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৭৫.৫ টাকা, দাকোপে ২৩৭ জনের ১৮ lakh ১১ হাজার ৫৮ টাকা, দৌলতপুরে ৮৭ জনের ৫ লাখ ৩৬ হাজার ১৫৫ টাকা, দিঘলিয়ায় ২২৮ জনের ১৩ লাখ ৬২ হাজার ৩৮৮ টাকা, ডুমুরিয়ায় ২ হাজার ৭১১ জনের ১ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৮৫৫ টাকা, ফুলতলায় ৬৭৩ জনের ৪৪ লাখ ৪৭ হাজার ৬৩৩ টাকা, কয়রায় ১ হাজার ৪৪৮ জনের ১ কোটি ৫ লাখ ৪৮ হাজার ১১০ টাকা, খুলনায় ২১ জনের ১ লাখ ৮ হাজার ৮৬৬ টাকা, লবণচরায় ১৪ জনের ৩৮ হাজার ১৯৬ টাকা, পাইকগাছায় ২৯৫ জনের ১৯ lakh ৮৭ হাজার ৪৮৬ টাকা, রূপসায় ৬২১ জনের ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৬৮৩ টাকা ও তেরখাদায় ২৪৯ জনের ২৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫২০ টাকা।

যাইহোক, নির্বাচনের পূর্বের ১০ হাজার টাকার বেশি এবং নির্বাচন পরবর্তীতে খুলনা জোনের আওতায় ৫ জেলায় গত ৩০ জুন ঋণগ্রস্ত হয়েছে আরও ২ লাখ ৩ হাজার কৃষক। এই ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬শ’ কোটি টাকা। খুলনার রূপসা ইলাইপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ মিনার ছেলে মো. ছলেমান মিনা ১৯৯২ সালে ৬ হাজার টাকা ঋণ নেন। সুদ আসলসহ ১০ হাজার টাকা হয়ে গেলে ব্যাংকের চাপে ৫ হাজার টাকা পরিশোধের পর তার ঋণ স্থিতি ছিল ৫ হাজার ৩৮ টাকা। একই এলাকার সামছুর রহমান ১৯৯০ সালে এ শাখা থেকে ৭ হাজার টাকা ঋণ নেন। সুদ আসলসহ তার ঋণস্থিতি রয়েছে ১২ হাজার ১৭১ টাকা। তালিমপুর গ্রামের হাজী কুব্বাত আলীর ছেলে মোমিন উদ্দীন ১৯৮৯ সালে ৬ হাজার টাকা ঋণ নেন। বর্তমানে তার ঋণস্থিতি রয়েছে ১১ হাজার ৭৭৪ টাকা। তারা তিনজনই রূপসা উপজেলার কৃষি ব্যাংক পূর্ব রূপসা ঘাট শাখা থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। তিনজনই ঋণ মওকুফের আওতায় আসায় তাদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটেছে।

কুষ্টিয়া বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক উৎপল কবিরাজ জানিয়েছেন, কৃষি ব্যাংক কুষ্টিয়া জোনের আওতাভুক্ত মাগুরা, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় ঋণ মওকুফের আওতায় ২৬ হাজার ৫শ’ জন কৃষককে আনা হয়েছে। তাদের ঋণের পরিমাণ ২০ কোটি ৪৭ লাখ ৫৬ হাজার ২৫৬ টাকা। ব্যাংকের এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া ৫ জেলার কৃষকদের তালিকা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে এসব কৃষকদের ঋণমুক্ত করে কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন বিতর্কে অভিনেত্রী কাজল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩০ পি.এম


নতুন বিতর্কে অভিনেত্রী কাজল

বলিউড অভিনেত্রী কাজলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় তাকে ঘিরে ধরেন আলোকচিত্রী ও ভক্তরা। সেই মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, লাল রঙের পোশাকে হাসিমুখে বিমানবন্দর থেকে বের হচ্ছেন কাজল। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার ফ্ল্যাশের মধ্যেও তিনি ছিলেন বেশ স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত। তবে কলকাতায় আসার কারণ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য না করে রহস্যময় হাসি দিয়ে গাড়িতে উঠে পড়েন তিনি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে কাজল কলকাতার দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে পূজা দেন। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের ঘিরে তিনি মন্দিরে প্রবেশ করেন এবং পূজা শেষে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

এরই মধ্যে ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী রাইমা সেন ইনস্টাগ্রামে কাজলের সঙ্গে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করে জানান, তারা একসঙ্গে দারুণ একটি সন্ধ্যা কাটিয়েছেন। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। অনেকেই ধারণা করছেন, টলিউড ও বলিউডের যৌথ কোনো সিনেমা বা নতুন প্রকল্পের জন্যই হয়তো কলকাতায় এসেছেন কাজল। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, গত বছর মুক্তি পাওয়া কাজল অভিনীত চলচ্চিত্র ‘মা’-এর প্রচারণার অংশ হিসেবেও তিনি কলকাতা সফর করেছিলেন। সে সময়ও দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে পূজা দিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।

কলকাতার সঙ্গে কাজলের সম্পর্ক বরাবরই গভীর। অভিনেত্রী তনুজা মুখার্জির কন্যা হওয়ায় বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে ছোটবেলা থেকেই তার নিবিড় সম্পর্ক। দুর্গাপূজায় শাড়ি পরে বাঙালি সাজে অংশ নেওয়া এবং ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করতেও দেখা যায় তাকে। তাই কলকাতা সফর কাজলের জন্য সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

তবে এবারের সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী তা এখনো রহস্যই রয়ে গেছে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও চলচ্চিত্র অঙ্গনে এ নিয়ে আলোচনা থামছেই না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ২ বিলিয়ন ডলার, চাপ বাড়ছে রিজার্ভে: মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩১ পি.এম


জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ২ বিলিয়ন ডলার, চাপ বাড়ছে রিজার্ভে: মন্ত্রী

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর জ্বালানি আমদানি করতে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে, বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

মন্ত্রী সোমবার (২০ জুলাই) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি) আয়োজিত ‘উন্নয়ন কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক কর্মশালায় এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী আরও জানান, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আমদানির ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের উৎপাদন খরচও অধিক বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর জ্বালানি আমদানিতে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকার সমুদ্র জয় করলেও সামুদ্রিক জ্বালানি সম্পদ আহরণে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি করতে পারেনি। প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে এই ক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি হয়েছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সমাজকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উন্নয়ন সহযোগীদের আরও বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলছে। পাশাপাশি ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে এবারের বাজেটে ট্যাক্স শিথিল রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুর ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আবুল হোসেনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ পি.এম


শিশুর ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আবুল হোসেনের মৃত্যুদণ্ড

শিশু মরিয়ম খাতুনকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় রায়ে একমাত্র আসামী আবুল হোসেনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম খাতুনের এই মামলায় বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। একই সাথে তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানার আদেশও দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর কঠোর পুলিশ প্রহরায় দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী আবুল হোসেন ওরফে ফটিক (২৯) জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর (বড় মসজিদপাড়া) গ্রামের আবু তাহের মোল্লার ছেলে।

মামলার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায় যে, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সকাল প্রায় ১১টার দিকে গোয়ালপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক ইকবাল হোসেনের ১০ বছর বয়সী মেয়ে মরিয়ম খাতুনসহ কয়েকজন শিশু হাড়িভাঙ্গা মাঠে শাক তুলতে যায়।

এ সময় আবুল হোসেন মরিয়মকে শাক তুলে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যান এবং অন্য শিশুদের অপেক্ষা করতে বলেন। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও মরিয়ম ফিরে না আসায় অন্য শিশুরা বিষয়টি তার মাকে জানায়। পরে মরিয়মের স্বজনরা ভুট্টাক্ষেতে গিয়ে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার পর মরিয়মের বাবা ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে জীবননগর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর জীবননগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম আবুল হোসেনকে একমাত্র আসামী করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

মামলার বিচার চলাকালে আসামী চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তার ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে অভিযুক্তের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলে।

বিচারিক কার্যক্রমে মোট ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। গত বুধবার উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত ২০ জুলাই এই রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

চার্জশিট, সাক্ষ্য-প্রমাণ, স্বীকৃতিমূলক জবানবন্দি এবং ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনসহ উপস্থাপিত সব তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এম. এম. শাহজাহান মুকুল। তিনি রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন যে, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছে। আসামিপক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট ওহিদুজ্জামান মুকুল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এগিয়ে এসে মেসিকে জড়িয়ে ধরলেন ইয়ামাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ পি.এম


এগিয়ে এসে মেসিকে জড়িয়ে ধরলেন ইয়ামাল

বিশ্বকাপের ফাইনালটি ছিল দুই প্রজন্মের দুই তারকা লড়াইয়ের প্রতীক। একদিকে স্পেনের উদীয়মান বিস্ময় লামিনে ইয়ামাল এবং অন্যদিকে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছে স্পেন। তবে ম্যাচ শেষে সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে ইয়ামাল ও মেসির আবেগঘন সাক্ষাৎ।

মেসি, যিনি টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে না পারার কারণে স্বাভাবিকভাবে হতাশ ছিল, ম্যাচ শেষে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কেঁদে ফেলেন। অন্যদিকে ইয়ামালের জন্য দিনটি ছিল স্বপ্নের মতো। ইতোমধ্যেই তিনি প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসেই শিরোপা জয়ের আনন্দের মধ্যে ছিলেন। তবে শিরোপা উদযাপন করতে গিয়ে তিনি মেসিকে নিজের অন্যতম বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে ভুলে যাননি।

শিরোপা উদযাপনের মাঝে কিছুক্ষণের জন্য সরে এসে ইয়ামাল মাঠে বসে থাকা মেসির কাছে এগিয়ে যান। মেসি তখন পরাজয়ের হতাশা নিয়ে একাকী বসেছিলেন। ইয়ামালকে কাছে আসতে দেখে, মেসি উঠে দাঁড়ান। এরপর দুই প্রজন্মের এই দুই তারকা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন।

দর্শকদের মনে মুহূর্তটি ফিরিয়ে আনে ঐতিহাসিক ছবির স্মৃতি। ইয়ামাল, যিনি আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে তরুণ মেসির কাছে গোসল করিয়েছিলেন ইউনিসেফের একটি প্রচারণায়, বহু বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে সেই শিশুকালীন নায়ককে আলিঙ্গন করেন।

যদিও খেলার ধরনে ব্রাজিলের নেইমারকে আদর্শ মনে করেন ইয়ামাল, তিনি কখনওই মেসির প্রতি তার শ্রদ্ধা লুকাননি। বরাবরই আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তিকে ইতিহাসের সেরা ফুটবলার বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

ফাইনালের আগে মেসি ইয়ামালের প্রশংসা করেছিলেন। আর্জেন্টাইন মহাতারকা বলেছিলেন, ‘সে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। আমি তার জন্য শুভকামনা জানাই, কারণ তার সাফল্য মানেই বার্সেলোনার সাফল্য।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%