প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের ফাইনালটি ছিল দুই প্রজন্মের দুই তারকা লড়াইয়ের প্রতীক। একদিকে স্পেনের উদীয়মান বিস্ময় লামিনে ইয়ামাল এবং অন্যদিকে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছে স্পেন। তবে ম্যাচ শেষে সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে ইয়ামাল ও মেসির আবেগঘন সাক্ষাৎ।
মেসি, যিনি টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে না পারার কারণে স্বাভাবিকভাবে হতাশ ছিল, ম্যাচ শেষে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কেঁদে ফেলেন। অন্যদিকে ইয়ামালের জন্য দিনটি ছিল স্বপ্নের মতো। ইতোমধ্যেই তিনি প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসেই শিরোপা জয়ের আনন্দের মধ্যে ছিলেন। তবে শিরোপা উদযাপন করতে গিয়ে তিনি মেসিকে নিজের অন্যতম বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে ভুলে যাননি।
শিরোপা উদযাপনের মাঝে কিছুক্ষণের জন্য সরে এসে ইয়ামাল মাঠে বসে থাকা মেসির কাছে এগিয়ে যান। মেসি তখন পরাজয়ের হতাশা নিয়ে একাকী বসেছিলেন। ইয়ামালকে কাছে আসতে দেখে, মেসি উঠে দাঁড়ান। এরপর দুই প্রজন্মের এই দুই তারকা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন।
দর্শকদের মনে মুহূর্তটি ফিরিয়ে আনে ঐতিহাসিক ছবির স্মৃতি। ইয়ামাল, যিনি আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে তরুণ মেসির কাছে গোসল করিয়েছিলেন ইউনিসেফের একটি প্রচারণায়, বহু বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে সেই শিশুকালীন নায়ককে আলিঙ্গন করেন।
যদিও খেলার ধরনে ব্রাজিলের নেইমারকে আদর্শ মনে করেন ইয়ামাল, তিনি কখনওই মেসির প্রতি তার শ্রদ্ধা লুকাননি। বরাবরই আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তিকে ইতিহাসের সেরা ফুটবলার বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
ফাইনালের আগে মেসি ইয়ামালের প্রশংসা করেছিলেন। আর্জেন্টাইন মহাতারকা বলেছিলেন, ‘সে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। আমি তার জন্য শুভকামনা জানাই, কারণ তার সাফল্য মানেই বার্সেলোনার সাফল্য।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন