বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:০৪ এম
মায়ামি স্টেডিয়ামে ব্রাজিল এবং স্কটল্যান্ড একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে। এ পর্যন্ত দুদল ১০ ম্যাচে একত্রিত হয়েছে। ব্রাজিল ৮ ম্যাচে জয়লাভ করেছে, অন্যদিকে ২টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
নেইমার জুনিয়র এবং এন্দরিকদের কাউকেই ব্রাজিলের একাদশে রাখা হয়নি। তাদের সকলের স্থান হয়েছে বেঞ্চে।
বরাবরের মত ব্রাজিলের একাদশের সদস্যরা হলেন: অ্যালিসন বেকার, দানিলো, মার্কুইনহোস, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, ডগলাস সান্তোস, ক্যাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস, লুকাস পাকুয়েতা, রায়ান, ম্যাথুস কুনহা এবং ভিনিসিউস জুনিয়র।
এই ম্যাচে, যদি ব্রাজিল জিতে বা ড্র করে, তাহলে তারা অন্তত রানার্সআপ হবে। তাদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নকআউট নিশ্চিত করার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়েছে ব্রাজিল।
ম্যাচের ছয় মিনিটের মধ্যে গোল করেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। এ কারণে সেলেসাওরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে।
দুটি ম্যাচ শেষে ব্রাজিল এবং মরক্কোর উভয়ের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। একই সময়ে, মরক্কো মুখোমুখি হবে গ্রুপের তলানিতে অবস্থান করা হাইতির।
ফলে দুটি দলই যদি জিতে যায়, তাহলে গ্রুপসেরা নির্ধারিত হবে গোল ব্যবধানে। বর্তমানে +৩ গোল ব্যবধান নিয়ে এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল, যেখানে মরক্কোর গোল ব্যবধান +১। এর জন্য স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রতিটি গোল খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ইতিহাসও ব্রাজিলের পক্ষে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এখন পর্যন্ত ১০টি ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে ৮টি ম্যাচে জয় পেয়েছে সেলেসাওরা এবং বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে অন্য আরেকটি কার্ড দেখলে নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না কাসেমিরো এবং ডগলাস সান্তোস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লাইভগ্রুপ সি
স্কটল্যান্ড ০–১ ব্রাজিল
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬
পরবর্তী খেলাসমূহ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬[গ্রুপ সি] ভোর ৪টা
মরক্কো – হাইতি
মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম, আটলান্টা, যুক্তরাষ্ট্র
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬[গ্রুপ এ] সকাল ৭টা
মেক্সিকো – চেক প্রজাতন্ত্র
এস্তাদিও আজতেকা, মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো
আরও পড়ুন
সাশ্রয়ী মূল্যে এআই স্মার্ট চশমা বাজারে আনার ঘোষণা মেটার
হোয়াটসঅ্যাপ না খুলেই হোম স্ক্রিন থেকে পাঠানো যাবে ভয়েস মেসেজ, কীভাবে?
হোয়াটসঅ্যাপে বাড়ছে সাইবার হামলা, ৫ উপায়ে সুরক্ষিত রাখুন অ্যাকাউন্ট
এআই মানুষের বিকল্প নয় বরং বাড়াবে কর্মসংস্থান: জেফ বেজোস
বিজ্ঞান ও গবেষণার জগতকে বদলে দিতে আসছে ‘চ্যাটজিপিটি ফর সায়েন্স’
দ্রুতগতির ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। অনলাইন মিটিং, অনলাইন ক্লাস, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা সাধারণ ব্রাউজিং—সবকিছুর জন্যই নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন। তবে অনেক সময় ভালো ব্রডব্যান্ড প্যাকেজ ব্যবহার করলেও কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া যায় না। এমন পরিস্থিতিতে কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করে ইন্টারনেটের কার্যকারিতা বাড়ানো সম্ভব।
প্রথমেই রাউটারের অবস্থানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। অনেকেই রাউটারকে আলমারি, টিভির পেছন বা মোটা দেয়ালের পাশে রাখেন, যা ওয়াই-ফাই সিগন্যালের পথে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে সংযোগ দুর্বল হয়ে যায় এবং ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই রাউটার এমন জায়গায় রাখা উচিত, যেখানে চারপাশ খোলা থাকে এবং সিগন্যাল সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
রাউটার দীর্ঘদিন একটানা চালু থাকলেও এর কর্মক্ষমতায় প্রভাব পড়তে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার চালু করা ভালো। এতে ডিভাইসটি নতুন করে কার্যক্রম শুরু করতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে ধীরগতির সমস্যা দূর হয়।
রাউটারের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাসার এক কোণে রাউটার রাখলে দূরের কক্ষগুলোতে সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে। এজন্য রাউটারকে যতটা সম্ভব ঘরের কেন্দ্রীয় স্থানে রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে পুরো বাড়িতে তুলনামূলকভাবে সমান সিগন্যাল পাওয়া যায়।
যদি এসব পদ্ধতিতেও সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে রাউটারের রিসেট অপশন ব্যবহার করা যেতে পারে। অধিকাংশ রাউটারে একটি ছোট রিসেট বাটন থাকে, যা চেপে ধরলে ডিভাইসটি ডিফল্ট সেটিংসে ফিরে যায়। এতে অনেক প্রযুক্তিগত ত্রুটি দূর হতে পারে। তবে রিসেটের পর পুনরায় নেটওয়ার্ক সেটআপ করতে হবে।
এ ছাড়া রাউটারের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার নিয়মিত হালনাগাদ রাখা প্রয়োজন। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপত্তা ও কর্মক্ষমতা উন্নত করতে নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করে। পুরোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করলে ইন্টারনেটের গতি ও স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, ধীরগতির ইন্টারনেট মানেই যে নতুন বা আরও ব্যয়বহুল প্যাকেজ নিতে হবে, তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে রাউটারের সঠিক ব্যবহার, অবস্থান পরিবর্তন, পুনরায় চালু করা, রিসেট করা কিংবা নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে সংযোগের গুণগত মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় ‘রে-ব্যান’ ওয়্যারেবল ডিভাইসের অভাবনীয় সাফল্যের পর, প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা প্ল্যাটফর্মস এবং চশমা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এসিলরলাক্সোটিকা যৌথভাবে নতুন এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) স্মার্ট চশমা বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে।
নতুন এই ‘মেটা গ্লাসেস’-এর প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯৯ মার্কিন ডলার। এর ফলে, এই স্মার্ট চশমা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে গত বছর বাজারে আসা ৮০০ ডলার মূল্যের ‘রে-ব্যান ডিসপ্লে’ চশমার তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হবে।
ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা দীর্ঘদিন ধরেই ‘পার্সোনাল ইন্টেলিজেন্স’ বা ব্যক্তিগত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের উন্নয়নে ঢালছে শত শত কোটি ডলার। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, উন্নত গ্যাজেট ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে এআই-এর সর্বোচ্চ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
লাক্সোটিকার সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি হলেও, এটি প্রথম কোনো চশমার সিরিজ যা রে-ব্যান বা ওকলির মতো লাক্সোটিকার নিজস্ব সুপরিচিত ব্র্যান্ডের অধীনে বাজারে আসছে না। বরং এটি সরাসরি মেটার নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ে উন্মোচন করা হচ্ছে।
নতুন চশমাগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন রঙ ও আকৃতিতে বাজারে আসবে। এর মধ্যে নজরকাড়া চারকোনা (রেকট্যাঙ্গেল) ডিজাইনসহ জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কাইলি জেনারের সঙ্গে যৌথ পার্টনারশিপে তৈরি একটি স্লিম ওভাল (ডিম্বাকৃতি) ফ্রেমের কালেকশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মেটার এই নতুন ডিভাইসগুলোতে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হচ্ছে তাদের নিজস্ব ‘সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাবস’ থেকে তৈরি প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল ‘মিউজ স্পার্ক’। এই মডেলটির সহায়তায় চশমাটিতে উন্নত ‘মেটা এআই’ সেবা পাওয়া যাবে।
আন্তর্জাতিক ডেটা কর্পোরেশন-এর তথ্যমতে, গত বছর বিশ্বজুড়ে স্মার্ট চশমা সরবরাহের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৬ লাখ ইউনিট। এর মধ্যে এককভাবে মেটার দখলেই ছিল প্রায় ৭৬.১ শতাংশ বাজার। মেটার এই বিশাল সাফল্যই মূলত গুগল এবং অ্যাপলের মতো অন্য শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই ধরণের ডিভাইস তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
মেটার এই ঘোষণাটি এসেছে এমন একটি সময় যখন এক সপ্তাহ আগেই স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘স্ন্যাপ’ ২,১৯৫ মার্কিন ডলারের চড়া মূল্যে একটি অগমেন্টেড-রিয়েলিটি চশমা বাজারে ছেড়েছে।
যেখানে স্ন্যাপের চশমাটি ব্যবহারকারীর বাস্তব পৃথিবীর দৃশ্যের ওপর ডিজিটাল কনটেন্ট ফুটিয়ে তোলে, সেখানে মেটার চশমাটি মূলত টেক্সট বা লেখা প্রদর্শন এবং সরাসরি এআই ইন্টারঅ্যাকশনের ওপর জোর দেয়।
সূত্র: দ্য ডন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাকুল প্রিত সিং ফিটনেস সচেতন তারকাদের মধ্যে অন্যতম।
তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ পরিচিত।
তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং একটি ছোট ভুল যে কত বড় বিপদের কারণ হতে পারে, সে অভিজ্ঞতাই সম্প্রতি তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি একটি চ্যাট শোতে অংশ নিয়ে রাকুল প্রিত সিং তার ভয়াবহ ফিটনেস দুর্ঘটনার কথা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, জিমে ৮০ কেজি ডেডলিফট করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার না করায় কোমরে বেশ চোট পান। সেই আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে, তাকে টানা ৪০ দিন বিছানায় থাকতে হয়েছিল।
সেই ঘটনার বিষয়ে অভিনেত্রী আরও বলেন, তিনি সাধারণত ডেডলিফট করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার করতেন। কিন্তু দুর্ঘটনার দিন সেটি পরেননি। আর সেই একটি ভুলই তার জীবনে বড় ধরনের ভোগান্তি ডেকে এনেছে।
রাকুল প্রিত বলেন, সেই এক ভুলের কারণে আমার স্নিপড ডিস্ক হয়েছিল এবং ৪০ দিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হয়েছিল। এটি শুধু শারীরিক আঘাত ছিল না, মানসিকভাবেও আমাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করেছিল।
তিনি বলেন, হঠাৎ করেই আমি স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারছিলাম না। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিক চাপও আমাকে ভেঙে দিচ্ছিল।
অভিনেত্রী বলেন, সক্রিয় জীবনযাপনে অভ্যস্ত একজন মানুষের জন্য দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী থাকা অত্যন্ত কঠিন। বিশেষ করে কাজ, ব্যায়াম ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল।
এই কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য স্বামী জ্যাকি ভগ্নানির প্রশংসাও করেন রাকুল।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল— ৮০ কেজি ওজন তোলার সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় রাকুলের কোমরের নিচের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। এতে তার স্নায়ুতন্ত্রেও চাপ সৃষ্টি হয়েছিল।
চোট পাওয়ার পরও তিনি কিছু দিন ব্যথানাশক ও পেশি শিথিলকারী ওষুধের সাহায্যে পেশাগত কাজ চালিয়ে যান। তবে পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে যেতে হয়।
সম্প্রতি রাকুল প্রিত সিং অভিনীত রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘পতি পত্নি অউর ও দো’ মুক্তি পেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ