প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জনপ্রিয় ‘রে-ব্যান’ ওয়্যারেবল ডিভাইসের অভাবনীয় সাফল্যের পর, প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা প্ল্যাটফর্মস এবং চশমা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এসিলরলাক্সোটিকা যৌথভাবে নতুন এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) স্মার্ট চশমা বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে।
নতুন এই ‘মেটা গ্লাসেস’-এর প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯৯ মার্কিন ডলার। এর ফলে, এই স্মার্ট চশমা সাধারণ ক্রেতাদের কাছে গত বছর বাজারে আসা ৮০০ ডলার মূল্যের ‘রে-ব্যান ডিসপ্লে’ চশমার তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হবে।
ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা দীর্ঘদিন ধরেই ‘পার্সোনাল ইন্টেলিজেন্স’ বা ব্যক্তিগত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের উন্নয়নে ঢালছে শত শত কোটি ডলার। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, উন্নত গ্যাজেট ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে এআই-এর সর্বোচ্চ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
লাক্সোটিকার সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি হলেও, এটি প্রথম কোনো চশমার সিরিজ যা রে-ব্যান বা ওকলির মতো লাক্সোটিকার নিজস্ব সুপরিচিত ব্র্যান্ডের অধীনে বাজারে আসছে না। বরং এটি সরাসরি মেটার নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ে উন্মোচন করা হচ্ছে।
নতুন চশমাগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন রঙ ও আকৃতিতে বাজারে আসবে। এর মধ্যে নজরকাড়া চারকোনা (রেকট্যাঙ্গেল) ডিজাইনসহ জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কাইলি জেনারের সঙ্গে যৌথ পার্টনারশিপে তৈরি একটি স্লিম ওভাল (ডিম্বাকৃতি) ফ্রেমের কালেকশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মেটার এই নতুন ডিভাইসগুলোতে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হচ্ছে তাদের নিজস্ব ‘সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাবস’ থেকে তৈরি প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল ‘মিউজ স্পার্ক’। এই মডেলটির সহায়তায় চশমাটিতে উন্নত ‘মেটা এআই’ সেবা পাওয়া যাবে।
আন্তর্জাতিক ডেটা কর্পোরেশন-এর তথ্যমতে, গত বছর বিশ্বজুড়ে স্মার্ট চশমা সরবরাহের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৬ লাখ ইউনিট। এর মধ্যে এককভাবে মেটার দখলেই ছিল প্রায় ৭৬.১ শতাংশ বাজার। মেটার এই বিশাল সাফল্যই মূলত গুগল এবং অ্যাপলের মতো অন্য শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই ধরণের ডিভাইস তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
মেটার এই ঘোষণাটি এসেছে এমন একটি সময় যখন এক সপ্তাহ আগেই স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘স্ন্যাপ’ ২,১৯৫ মার্কিন ডলারের চড়া মূল্যে একটি অগমেন্টেড-রিয়েলিটি চশমা বাজারে ছেড়েছে।
যেখানে স্ন্যাপের চশমাটি ব্যবহারকারীর বাস্তব পৃথিবীর দৃশ্যের ওপর ডিজিটাল কনটেন্ট ফুটিয়ে তোলে, সেখানে মেটার চশমাটি মূলত টেক্সট বা লেখা প্রদর্শন এবং সরাসরি এআই ইন্টারঅ্যাকশনের ওপর জোর দেয়।
সূত্র: দ্য ডন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন