বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:৩৮ এম
সরকারি চাকরিতে বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে কিছু কর্মকর্তা তাঁদের কর্মদক্ষতা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে দায়িত্বের গণ্ডি ছাড়িয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেন। গ্রিসে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) রাবেয়া বেগম তেমনই একজন কর্মকর্তা। ২৪ জুলাই তিনি বদলি হয়ে ভুটানে বাংলাদেশ দূতাবাসে একই পদে যোগ দিচ্ছেন। গ্রিসে প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আন্তরিকতা, সহজ যোগাযোগ ও সেবামুখী মনোভাবের জন্য তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। বদলির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে অসংখ্য শুভেচ্ছা ও আবেগঘন বার্তা প্রবাসীরা দেন। অনেকেই লিখেছেন, রাবেয়া বেগমের বিদায়ে গ্রিসের বাংলাদেশি কমিউনিটি একজন প্রবাসীবান্ধব ও মানবিক কর্মকর্তাকে হারাল। শুধু গ্রিসে নয়, মাল্টা ও আলবেনিয়ায় বাংলাদেশের পৃথক দূতাবাস না থাকায় সেখানকার প্রবাসীদের কনস্যুলার সেবাও এথেন্সের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে দেওয়া হয়। রাবেয়া বেগম একাধিকবার সরেজমিনে এসব দেশে গিয়ে কনস্যুলার সেবা প্রদান এবং প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। গত ১৬ জুলাই এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে রাবেয়া বেগমকে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। সহকর্মীরা তাঁর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণ করেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন। এ সময় তাঁকে স্মারক উপহারও প্রদান করা হয়। ২০২২ সালের শেষ দিকে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে এথেন্সে যোগদান করা রাবেয়া বেগম পরে পদোন্নতি পেয়ে প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজধানী এথেন্সের পাশাপাশি গ্রিসের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, কনস্যুলার সেবা সহজ করা এবং প্রবাসীদের নানা সংকটে পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি কমিউনিটির কাছে একজন আস্থাভাজন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পান। রাবেয়া বেগমের বিদায় প্রবাসীদের অনেকের মতে শুধুমাত্র একজন সরকারি কর্মকর্তার বদলি নয়; এটি একজন আন্তরিক অভিভাবকসুলভ মানুষের বিদায়। তাঁর পেশাদারিত্ব, কর্মনিষ্ঠা ও মানবিক আচরণ গ্রিসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের কাছে দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। রাবেয়া বেগমের গ্রামের বাড়ি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কাফরুল ও ভাষানটেক থানায় নতুন পদায়ন করা হয়েছে ওসি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এই দুই থানার নতুন ওসি পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়েছে। একইসাথে, দুই থানার বর্তমান ওসিদের ডিএমপির একটি পৃথক ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।
বুধবার তারিখে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত একটি আদেশে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
আদেশ অনুসারে, কাফরুল থানার বর্তমান ওসি সাজ্জাদ হোসেনকে ডিএমপির ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগে বদলি করা হয়েছে, অপরদিকে ভাষানটেক থানার বর্তমান ওসি আসলাম হোসেনকে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, ডিএমপির গোয়েন্দা (ডিবি) ওয়ারী বিভাগের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলামকে কাফরুল থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের চারজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও দুইজন সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে। বুধবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদকে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে। র্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এইচ এম কামরুল ইসলামকে ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে এবং পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজিনুর রহমানকে নৌ পুলিশে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারের পর খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান ফেরদৌসকে সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের খাগড়াছড়ির সহকারী পুলিশ সুপার মো. দিদারুল ইসলামকে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম সার্কেলে বদলি করা হয়েছে। কক্সবাজারের চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিত দাসকে পার্বত্য এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ৫ আগস্ট ২০২৬ সালের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। অন্যথায় ৬ আগস্ট থেকে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে, যাদের মধ্যে একটি সাজাপ্রাপ্ত আসামীও রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে প্রেরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খানের নেতৃত্বে এএসআই আবু জাহিদ এবং এএসআই শেখ হাসান মাহামুদ পিপিএম সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় এস/সিঃ ৯২৯/১৯ এর সাজাপ্রাপ্ত সিআর ৮/১৯ (আশাঃ) নং মামলার আসামী ফজলু গাজীর ছেলে সাদ্দাম গাজীকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়া, সিআর ৪২/২৫ নং মামলার আসামী আরার গ্রামের মৃত আরশাদ সানার ছেলে আংগুর সানা ও সাকিব সানা, এই দুই ভাইকেও গ্রেফতার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনিতে ১১ ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সাপ্তাহিক প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্যারেড বুধবার (২২ জুলাই) সকালে থানা চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা আরও কার্যকর করা। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমদ খান বক্তব্য রাখেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশ হচ্ছে পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী বাহিনী। তাদের উপস্থিতির কারণে গ্রামে যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তথ্য সংগ্রহ করা এবং দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার সুযোগ থাকে।
শামীম আহমদ খান আরও বলেন, তাই প্রত্যেক গ্রাম পুলিশ সদস্যকে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে হবে। মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, নারী ও শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, জুয়া, সন্ত্রাসী কার্যক্রম কিংবা যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য গোপন না রেখে তাৎক্ষণিকভাবে থানাকে জানাতে হবে। তিনি বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে তথ্য দিতে সহযোগিতা করলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারবে। গ্রাম পুলিশ সদস্যদের কাজের মূল্যায়ন করা হবে। যারা দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, সততা ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দেবেন এবং অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করবেন, তাদের নগদ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে। এ সময় নবাগত ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার দাস, সেকেন্ড অফিসার এসআই রশিদুজ্জামান সহ থানার অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ