বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:৪৮ এম
বাংলাদেশ পুলিশের চারজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও দুইজন সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে। বুধবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদকে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে। র্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এইচ এম কামরুল ইসলামকে ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে এবং পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজিনুর রহমানকে নৌ পুলিশে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারের পর খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান ফেরদৌসকে সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের খাগড়াছড়ির সহকারী পুলিশ সুপার মো. দিদারুল ইসলামকে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম সার্কেলে বদলি করা হয়েছে। কক্সবাজারের চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিত দাসকে পার্বত্য এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ৫ আগস্ট ২০২৬ সালের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। অন্যথায় ৬ আগস্ট থেকে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে, যাদের মধ্যে একটি সাজাপ্রাপ্ত আসামীও রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে প্রেরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খানের নেতৃত্বে এএসআই আবু জাহিদ এবং এএসআই শেখ হাসান মাহামুদ পিপিএম সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় এস/সিঃ ৯২৯/১৯ এর সাজাপ্রাপ্ত সিআর ৮/১৯ (আশাঃ) নং মামলার আসামী ফজলু গাজীর ছেলে সাদ্দাম গাজীকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়া, সিআর ৪২/২৫ নং মামলার আসামী আরার গ্রামের মৃত আরশাদ সানার ছেলে আংগুর সানা ও সাকিব সানা, এই দুই ভাইকেও গ্রেফতার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনিতে ১১ ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সাপ্তাহিক প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্যারেড বুধবার (২২ জুলাই) সকালে থানা চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা আরও কার্যকর করা। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমদ খান বক্তব্য রাখেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, গ্রাম পুলিশ হচ্ছে পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী বাহিনী। তাদের উপস্থিতির কারণে গ্রামে যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তথ্য সংগ্রহ করা এবং দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার সুযোগ থাকে।
শামীম আহমদ খান আরও বলেন, তাই প্রত্যেক গ্রাম পুলিশ সদস্যকে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে হবে। মাদক, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, নারী ও শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, জুয়া, সন্ত্রাসী কার্যক্রম কিংবা যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য গোপন না রেখে তাৎক্ষণিকভাবে থানাকে জানাতে হবে। তিনি বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে তথ্য দিতে সহযোগিতা করলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারবে। গ্রাম পুলিশ সদস্যদের কাজের মূল্যায়ন করা হবে। যারা দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, সততা ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দেবেন এবং অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করবেন, তাদের নগদ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে। এ সময় নবাগত ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার দাস, সেকেন্ড অফিসার এসআই রশিদুজ্জামান সহ থানার অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনি সদর ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ১১ টায় সদর ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিসের সহযোগিতায় ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ইনক্লুসিভ কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স টু ডিজাস্টার অ্যান্ড ক্লাইমেট ভালনারেবিলিটিজ (ওঈজউঈঠ-ওওও) প্রকল্পের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শরিতুল্লাহ। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইএসডিও -আইসিআরডিসিভি-ওওও প্রকল্পের ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর মোছাঃ আরিফা খানম।
সভায় সদর ইউনিয়নের সকল সদস্যবৃন্দ, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, টউগঈ, শিক্ষক প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি লাইন ডির্পাটম্যান্টের ইউনিয়ন প্রতিনিধি, সাংবাদিক, নারী প্রতিনিধি, সিপিপির সদস্য, কৃষক প্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং এনজিও প্রতিনিধিরা মিলিয়ে প্রায় ৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শরিতুল্লাহ সভায় জানান, ইএসডিও'র বাস্তবায়নে যে কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে তা প্রশংসার দাবি রাখে এবং তিনি অনুরোধ জানান যে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আরও কিছু নতুন কাজ সম্প্রসারিত করা উচিত। শিক্ষক এস এম ইয়াহিয়া ইকবাল সকল সরকারি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে সু-সমন্বয়ের মাধ্যমে আরও ব্যাপক উন্নয়ন এবং দুর্যোগ সহনশীলতার সাথে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি ইএসডিও’র এই কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় এলাকার সমস্যা ও উন্নয়নের কাজগুলো তুলে ধরা হয় এবং সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সবার সহযোগিতা চাওয়া হয়। দুর্যোগ প্রতিরোধে ইএসডিও -মুসলিম এইডের কাজেরও প্রশংসা করা হয় এবং ভবিষ্যতে কাজ করার সুযোগ হলে তা সম্প্রসারিত করতে অনুরোধ করা হয়। সভা শেষে ৮টি ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে দুযোর্গের আগাম সতর্ক সংকেত দেওয়ার জন্য মোট ৮ সেট উপকরণ বিতরণ করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে (১টি করে হ্যান্ড মাইক, ১টি করে টর্চ লাইট, এবং ৩টি করে পতাকা)। সভায় মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিসের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর (হিউম্যানিটারিয়ান) এস এম মনোয়ার হোসেন এবং ইএসডিও- আইসিআরডিসিভি- ওওও প্রকল্পের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ শামসুল হক মৃধা, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর আয়শা আকতার ও এসকে জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) নিয়মিতভাবে টহল এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় পৃথক দুটি সফল অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় স্কাফ সিরাপ ও পাতার বিড়ি উদ্ধার করেছে। সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২২ জুলাই ২০২৬ বুধবার কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর অধীনস্থ জামালপুর বিওপির একটি চৌকস টহল দল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার জয়পুর চকবিলগাথুয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১৩৫ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক সিজার মূল্য চুয়ান্ন হাজার টাকা।
এছাড়া, একই দিনে প্রাগপুর বিওপির একটি চৌকস টহল দল প্রাগপুর কবরস্থান এলাকায় অভিযানে যোগ দেয়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৩,৬২০ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক সিজার মূল্য এক লক্ষ নিরানব্বই হাজার একশত টাকা। উভয় অভিযানে উদ্ধারকৃত মালামলের মোট আনুমানিক সিজার মূল্য দুই লক্ষ তিপ্পান্ন হাজার একশত টাকা। কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্য পাচার রোধে সর্বোচ্চপেশাদারিত্ব এবং সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সকল প্রকার সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ