ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি, নাকি আবারও যুদ্ধের দামামা?


মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি, নাকি আবারও যুদ্ধের দামামা?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালায়। সেই হামলায় শুরু হওয়া যুদ্ধ এখন সাড়ে ৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে। যুদ্ধে সরাসরি তিনটি দেশ জড়িত হলেও এর প্রভাব গোটা বিশ্বে পড়েছে। বিশ্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগ জ্বালানি তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণানি বন্ধ থাকায় তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতেও চাপ পড়েছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পক্ষ যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক চেষ্টা শুরু করে। এপ্রিল মাসে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নেতারা সরাসরি বসেও ছিলেন। নানা মহলের চেষ্টায় গত ১৭ জুন ভার্চুয়ালি একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেকশিয়ানের মধ্যে। ১৪ দফা সেই সমঝোতা স্মারকে গোটা বিশ্বের মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিলেন। সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের অঙ্গীকার করা হয়েছিল। কথা ছিল, ৬০ দিনের মধ্যে দুই পক্ষ বসে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাবে। প্রয়োজনে সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ আরো বাড়ানোর কথা বলা হয়েছিল। সমঝোতা স্মারকের বেঁধে দেয়া ৬০ দিনের মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে। কিন্তু যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ নেই। সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ বাড়ানো বা স্থায়ী শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে কোনো আলোচনা নেই।

বিশাল প্রত্যাশার বিপরীতে বিশ্ববাসীকে চরম হতাশায় উপহার দিয়েছে বহুল আলোচিত এই সমঝোতা স্মারক। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের দুদিনের মধ্যে এর নানান শর্ত এবং শব্দচয়ন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বিমত সৃষ্টি হয়। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে হরমুজ প্রণালিকে আবার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ৩১ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা চলতে থাকে। তবে চলতি আগস্ট মাসে বড় ধরনের কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি। পর্দার আড়ালে সমঝোতার শর্ষের বিভিন্ন চেষ্টার কথা শোনা গেলেও কার্যকর কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রকে বিপাকে ফেলতে হুথিদের সহায়তা করছে চীন

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান আর ওমান একটি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সেটি সফল হলে একধরনের স্বস্তি আসতে পারে। যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি। কিন্তু দুই পক্ষই নিজেদের বিজয়ের দাবি করছে। মুখে যতই হম্বিতম্বি করুন না কেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে যুদ্ধ বন্ধের মরিয়া চেষ্টা রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। বিপুল অর্থ ব্যয় তো হচ্ছেই, খবর বেরোচ্ছে টান পড়েছে আমেরিকার অস্ত্রভান্ডারেও।

ইরানের অর্থনীতি অনেক দিন ধরেই অবরুদ্ধ। তবু হরমুজ প্রণালিকে মূল অস্ত্র বানিয়ে টিকে থাকাকেই নিজেদের বিজয়ের পর্যায়ে নিয়ে গেছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় বসার ব্যাপারে ইরান এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি উল্লেখ করেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে। তবে এর মানে এই নয় যে কোনো আলোচনা চলছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করেছে এবং এর ফলে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সাথে আলোচনা প্রসঙ্গে আরাঘচি বলেন, আমরা বর্তমানে একটি অস্থায়ী রুট বা পথনকশা করছি, যা পরবর্তী ধাপগুলোতে স্থায়ী রুটে পরিণত হবে। আমরা হয়তো খুব শিগগিরই একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবো। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, এই প্রণালিটি পুনরায় উন্মুক্ত করা অন্যান্য শর্ত পূরণের ওপর নির্ভর করছে। যে শর্তগুলো মানতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবশ্যই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করেছেন এবং বলেছেন, আমেরিকা শিগগিরই এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি জানাবে।

১৭ জুন স্বাক্ষরিত ১৪ দফার এই সমঝোতা স্মারকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো দুই দেশের মধ্যকার জটিল এবং বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো পরবর্তীতে সমাধানের জন্য তুলে রাখা হয়েছিল। তবে তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং লেবাননের সংঘাত অবসান করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য। সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান চলতি যুদ্ধে তাদের মিত্ররা এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের মাধ্যমে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে সামরিক অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দিচ্ছে। এখন থেকে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান শুরু না করার এবং একে অপরের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ বা বলপ্রয়োগের হুমকি থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করছে। সেই সঙ্গে লেবাননের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশে প্রস্তুত, শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষা মাউশি

সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছিল, চূড়ান্ত চুক্তিতে লেবাননসহ সব ক্ষেত্রে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ অবসানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে এবং এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য ধারাগুলি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হবে। সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে এই চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে, যা উভয়পক্ষের সম্মতিতে বাড়ানো যেতে পারে।

চুক্তিতে আরও উল্লেখ ছিল, চূড়ান্ত চুক্তি হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে এবং ইরানের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন প্যাকেজের জন্য কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের কাজ শুরু করতে হবে। এই চুক্তির অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, ইরানের তেল রফতানির ওপর ছাড় দেওয়া এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানের শত শত কোটি ডলারের তহবিলে তেহরানকে প্রবেশাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণ করার এবং ৬০ দিনের জন্য কোনো শুল্ক ছাড়াই জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ইরান আরও পুনর্ব্যক্ত করেছিল যে, তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র সংগ্রহ বা তৈরি করবে না এবং বর্তমান স্থিতাবস্থা বজায় রাখবে।

সমঝোতা স্মারকে ইরান লাভবান হচ্ছে এমন আলোচনা শুরু হলেও লাভের মুখ দেখেনি ইরান। সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের একদিনও পার হয়নি, তার আগেই চুক্তির শব্দচয়ন নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। বিশেষ করে, এটি একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি নাকি আরও দীর্ঘস্থায়ী শান্তিচুক্তি এবং কোন পক্ষের কী করার কথা ছিল; তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দ্বিমত তৈরি হয়।

চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। এই ঘটনার পর উভয়পক্ষই নিজেদের পদক্ষেপের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তির লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে।

আরও পড়ুন: রাড্ডা ক্লিনিক ভাঙচুর: জামায়াতের ৭ দিনের আলটিমেটাম জড়িতদের গ্রেপ্তারে

গত ৭ জুলাই ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে এই চুক্তিটি ভেস্তে গেছে। জবাবে ইরান জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সব প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন ও স্থগিত করেছে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানও একইভাবে নিজেদের সব প্রতিশ্রুতি স্থগিত করেছে। তারপর থেকে, এই যুদ্ধ কোনো শেষ না থাকা এক ইচ্ছাশক্তির এবং অর্থনৈতিক সহনশীলতার লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। কে কতদিন টিকতে পারবে তা নিয়েই যেন পরীক্ষা হচ্ছে।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা দিয়েছিলেন যে তিনি আমেরিকাকে কোনো ‘অনন্ত যুদ্ধে’ জড়াবেন না। কিন্তু মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে মনে হচ্ছে, তিনি সে অঙ্গীকার রাখতে পারছেন না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা ওয়াশিংটনের বর্তমান কৌশলের অংশ। এই মাসের শুরুর দিকে তিনি বলেছিলেন, আমরা কেবল ইরানের বিশাল মুদ্রাস্ফীতি এবং তাদের কাছে কোনও টাকা না থাকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি।

তেহরান অবশ্য নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। ইরানের প্রধান মধ্যস্থতাকারী এবং দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফ বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর সময় নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোর একটিও অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কোন কোন লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে; তা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না করেই তিনি ঘোষণা দেন, আমি আমার সমস্ত অন্তর দিয়ে ঘোষণা করছি যে আমরা এই যুদ্ধে জিতেছি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে লক্ষ্যগুলো নিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তার মধ্যে ছিল ইরানের সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ, শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন, তেহরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র না পায় তা নিশ্চিত করা এবং হিজবুল্লাহর মতো মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি ইরানের সমর্থন বন্ধ করা। মুখে মুখে যুদ্ধ জয়ের দাবি এবং হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র এখন কোনোভাবে হরমুজ প্রণালিকে খুলে দিতে পারাকেই নিজেদের বিজয় ভাবছে। আর ইরান অনড় অবস্থানে থাকতে পারাকেই বিজয় হিসেবে ভাবছে।

আরও পড়ুন: লুই আই কানের মাস্টার প্ল্যানে শেরেবাংলা নগরে নতুন সচিবালয় স্থাপন : নাসিমুল গনি

সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষের দিনে বিশ্বের সামনে একটি বিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন হব, যুদ্ধ কি থামবে? নতুন কোনো সমঝোতা হবে নাকি নতুন করে আবার যুদ্ধ শুরু হবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান হলেন এ কে এম আসাদুজ্জামান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩২ পি.এম


দুদকের নতুন চেয়ারম্যান হলেন এ কে এম আসাদুজ্জামান

সরকার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়েছে। একই সময়ে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাকির হোসেন খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৮ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী তাদের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, একই আইনের ৫ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের জন্য নির্ধারিত বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের সমপর্যায়ের। অন্যদিকে, কমিশনার ড. জাকির হোসেন খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার জন্য বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমপর্যায়ের নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে নিয়োগ প্রাপ্তদের পরিচয় উল্লেখ করা হলেও, তাদের বিস্তারিত কর্মপরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে, গত ২ জুলাই দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পাঠানোর জন্য এসব জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান জানিয়েছিল।

আইনের অধীনে, দুদক সর্বোচ্চ পাঁচজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে এবং রাষ্ট্রপতি থেকে একজনকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। কমিশনার হওয়ার জন্য আইন, বিচার, প্রশাসন, শিক্ষা, হিসাব-নিরীক্ষা, শৃঙ্খলা বাহিনী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে কমপক্ষে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সালিশে ‘কান ধরে উঠবস’ করিয়ে মীমাংসার চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


নাসিরনগরে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সালিশে ‘কান ধরে উঠবস’ করিয়ে মীমাংসার চেষ্টা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাই জাহিদুল ইসলাম (২৪) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠার পর, স্থানীয়ভাবে সালিশ বসিয়ে অভিযুক্তকে সাতবার কান ধরে উঠবস করিয়ে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে, এটি কিশোরীর পরিবার দাবি করেছে। অভিযোগকারী পরিবারের সদস্যরা পরে পুলিশকে জানাতে বাধ্য হয়েছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে, কিশোরীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগের ঘটনায় কিশোরীর সোয়াব ও প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের আতুকুরা গ্রামের মাইজনবাড়ি এলাকার সফিল মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। কিশোরীর পরিবার ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে, জাহিদুল কিশোরীকে বাড়ির পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে পরে একটি ভাঙা ঘরে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর কিশোরী তার বড় বোনকে বিষয়টি জানালে, পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছে যে, কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পরদিন সকালে, কিশোরীর বড় ভাই এই বিষয়ে জাহিদুলকে প্রশ্ন করলে, তিনি তাকে আক্রমণ করেন এবং মামলা করলে পরিণতি ভালো হবে না বলে জানিয়ে দেন। এরপর স্থানীয় গ্রামের সর্দারকে বিষয়টি জানানো হলে, সোমবার সকাল ৯টার দিকে সেখানে সালিশ বসা হয়। সালিশে স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য ফাহিমা খাতুন উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। সেখানে অভিযুক্তকে সাতবার কান ধরে উঠবস করানোর মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কিশোরীর পরিবার এই ধরনের সালিশ মেনে নেয়নি। পরে, কিশোরীকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে পুলিশ তাকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য পরামর্শ দেয়। এরপর কিশোরীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর থেকে, অভিযুক্ত জাহিদুল পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। কিশোরীর বড় ভাই বলেন, জাহিদুল একটি কসমেটিকসের ব্যবসা করেন। তার বোন অত্যন্ত সহজ-সরল প্রকৃতির। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সিনিয়র স্টাফ নার্স নেহেরা আক্তার বলেছেন, কিশোরী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর অভিযোগের ঘটনায় সোয়াব ও প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি গাইনি কনসালটেন্টকে জানানো হয়েছে, চিকিৎসকের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পরবর্তী বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। নাসিরনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম বলেছেন, বিষয়টি পুলিশ অবগত। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। কিশোরীর পরিবারকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রিন রোডের রূপসা রেস্টুরেন্টকে নিরাপদ খাদ্য আইনে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


গ্রিন রোডের রূপসা রেস্টুরেন্টকে নিরাপদ খাদ্য আইনে ১ লাখ টাকা জরিমানা

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের কারণে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুসারে রাজধানীর গ্রিন রোডের ‘রূপসা রেস্টুরেন্ট’কে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপ Authority।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুম মুনীরা কায়ছানের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এ জরিমানা করা হয়। জরিমানা করা অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময়ে রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘর অত্যন্ত নোংরা ও অপরিষ্কার অবস্থায় পাওয়া যায়। রান্নাঘরের ফ্লোরটিও ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়। এছাড়াও রেফ্রিজারেটরে যথাযথ লেবেল ছাড়াই মাছ, মাংস, গ্রিল চিকেন এবং বিভিন্ন ধরনের রান্না করা মশলা সংরক্ষণ করতে দেখা যায়।

অভিযানকালে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ রেস্তোরাঁ নিবন্ধন সনদ, প্রিমিসেস লাইসেন্স, খাদ্য কর্মীদের স্বাস্থ্যসনদ এবং পেস্ট কন্ট্রোলের প্রমাণপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। এসব অপরাধে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আসলাম ভূইয়া, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে কটাক্ষের মুখে আল্লু অর্জুন, মুছলেন পোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে কটাক্ষের মুখে আল্লু অর্জুন, মুছলেন পোস্ট

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে চরম বিতর্কের মুখে পড়েছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় সুপারস্টার আল্লু অর্জুন।  জাতীয় পতাকায় অশোক চক্র না থাকা এবং পতাকার ছবিতে নিজের ব্যক্তিগত লোগো ব্যবহার করায় নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন এই ‘পুষ্পা’ খ্যাত অভিনেতা। তীব্র সমালোচনা ও কটাক্ষের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) থেকে বিতর্কিত সেই পোস্টটি মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন। ওই দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি অলংকরণ বা ইলাস্ট্রেশন শেয়ার করে অনুরাগী ও দেশবাসীকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান আল্লু অর্জুন। ছবিটিতে ভারতের ঐতিহাসিক লাল কেল্লা এবং জাতীয় পতাকার একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল। তবে পোস্টটি করার পরপরই তা নেটিজেনদের তীক্ষ্ণ নজরে আসে। তারা দেখতে পান, ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড বা পেছনের অংশে আবছাভাবে অশোক চক্র দেখা গেলেও মূল ভারতীয় জাতীয় পতাকার মাঝে যে নীল রঙের অশোক চক্রটি থাকা বাধ্যতামূলক, সেটি সেখানে নেই।

জাতীয় পতাকার এমন দৃশ্য দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। অসন্তোষ প্রকাশ করে এক নেটিজেন লেখেন, ওনার ন্যূনতম সাধারণ জ্ঞানটুকুও নেই। জাতীয় পতাকায় অবশ্যই অশোক চক্র থাকা উচিত। একই সঙ্গে শুভকামনা জানানোর ছবির মধ্যে নিজের লোগো ব্যবহার করা নিয়েও শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অন্য এক ব্যবহারকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, এমন একটা জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাতেও নিজের লোগো ব্যবহার করেছেন! এটি অত্যন্ত নিচু মানসিকতার পরিচয়। আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করতেও ছাড়েননি। একজন ব্যঙ্গ করে লেখেন, আল্লু অর্জুন এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) কীভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটাই জানেন না। অন্য একজন সরাসরি মন্তব্য করেন, এটি পুরোপুরিই তার ‘জ্ঞানের অভাব’।

তবে বিতর্কের এই ঝড়ের মাঝে আল্লু অর্জুনকে সমর্থন করে এগিয়ে এসেছেন তার অনেক ভক্ত ও সাধারণ অনুরাগী। তাদের দাবি, এটি অভিনেতার নিজের কোনো ভুল নয়, বরং তার সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট টিমের অসাবধানতার ফল। অভিনেতার পক্ষে সাফাই গেয়ে এক অনুরাগী লিখেছেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি নিচে অশোক চক্রটি রয়েছে, কিন্তু পতাকায় তা নেই। এটি নিছকই একটি ভুল ছাড়া আর কিছু নয়। মানুষমাত্রই ভুল হতে পারে এবং এটি পুরোপুরি তার টিমের গাফিলতি। এটাকে অযথা বড় কোনো বিষয় বানিয়ে তিলকে তাল করার দরকার নেই। যদিও এই পুরো বিতর্ক ও নেটপাড়ার হট্টগোল নিয়ে আল্লু অর্জুন বা তার টিমের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

আল্লু অর্জুন তার সাম্প্রতিক ব্লকবাস্টার ছবি ‘পুস্পা ২: দ্য রুল’-এর অসামান্য সাফল্যের পর এবার পা রাখতে চলেছেন নতুন এক বড় প্রজেক্টে। তামিল পরিচালক অ্যাটলি-র পরিচালনায় একটি সায়েন্স-ফিকশন ঘরানার সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি, যার নাম রাখা হয়েছে ‘রাকা’। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করছেন আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলি। তারকাবহুল এই সিনেমায় আল্লু অর্জুনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন দীপিকা পাড়ুকোন, ম্রুণাল ঠাকুর, রাশমিকা মান্দানা, জিম সারভ এবং জাহ্নবী কাপুরের মতো একঝাঁক তারকা।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রকাশ পায় ‘রাকা’ সিনেমাটির প্রথম ঝলক বা ফার্স্ট লুক। সেই পোস্টারে আল্লু অর্জুনকে চোখে কাজল এবং প্রস্থেটিক মেকআপে এক রহস্যময় লুকে দেখা গিয়েছিল। তার গায়ে ছিল পশমি পোশাক এবং তা থেকে বেরিয়ে আসছিল বিশাল এক পশুর থাবা, যা কোনো বিশেষ রূপান্তরের ইঙ্গিত দেয়। সিনেমাটিতে আল্লু অর্জুনকে নাকি চারটি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে। গুঞ্জন উঠেছে, ছবিতে তিনি একই সঙ্গে একজন দাদু, বাবা এবং দুই ছেলের চরিত্রে অভিনয় করবেন, যদিও নির্মাতারা এখনো এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেননি। বিশাল বাজেটের এই মেগা সায়েন্স-ফিকশন ড্রামাটি ২০২৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%