ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পায়রা বন্দরে জাহাজ ঘিরে ‘তেল-মাদক’ সিন্ডিকেট: নেপথ্যে সরকারি জমি দখল ও মাসোহারা


পায়রা বন্দরে জাহাজ ঘিরে ‘তেল-মাদক’ সিন্ডিকেট: নেপথ্যে সরকারি জমি দখল ও মাসোহারা

পণ্যবাহী জাহাজের নাবিকদের তীরে পৌঁছে দেওয়ার আড়ালে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চোরাই তেলের কারবার রমরমা চলছে। এই জ্বালানি তেল অবৈধভাবে সংগ্রহের উদ্দেশ্যে একাধিক শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। শুধু এতটুকুই নয়, তেল ক্রয়ের বিনিময়ে জাহাজের মাদকাসক্ত ক্রুদের হাতে ইয়াবাসহ নানান ধরনের মাদকের ছোট-বড় চালান তুলে দেওয়া হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চোরাই তেলের কারবার পরিচালনার জন্য এই চক্রটি সরকারি সম্পত্তি দখল করে একাধিক অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড, কিন্তু স্থানীয়দের কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। এমনকি ঐ নির্দিষ্ট এলাকার সাংবাদিকদের প্রবেশেও রয়েছে সিন্ডিকেটের অলিখিত নিষেধাজ্ঞা।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে নির্মিত পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা নিয়ে আসে একাধিক লাইটার জাহাজ। পায়রা সমুদ্রবন্দরের আওতাধীন এসব জাহাজ প্রায় প্রতিদিন নির্দিষ্ট জেটি দিয়ে পণ্য খালাস করে। আর এই পণ্য খালাসের আড়ালে চোরাই তেল ও মাদকের বাণিজ্য সম্পন্ন হচ্ছে, যা দীর্ঘ এক মাস ধরে অনুসন্ধানকালে উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: নেছারাবাদের সমুদয়কাঠী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা মনিরের

প্রত্যক্ষদর্শী ডেভিড (ছদ্মনাম) জানান, স্থলপথে গড়ে ওঠা এই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের সদস্যরা অভিনব কায়দায় তৈরি ছোট ফাইবার বোটে করে জাহাজের নাবিকদের তীরে পারাপার করে। মূলত এই পারাপারের আড়ালেই চলে মূল চোরাচালান। এসব ফাইবার বোটে বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে তেল মজুতের জন্য আলাদা গোপন কক্ষ বা চেম্বার তৈরি করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে জাহাজ থেকে অত্যন্ত দ্রুত সময়ে কয়েক হাজার লিটার তেল অপসারণ করে তীরে নিয়ে আসা হয়। এরপর বোট থেকে সেই তেল ব্যারেলে ভর্তি করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়।

দরের হিসাব অনুযায়ী, জাহাজ থেকে প্রতি লিটার তেল মাত্র ৭০-৮০ টাকা দরে কিনে নেয় কারবারিরা। পরবর্তীতে তা স্থানীয় সিন্ডিকেটের কাছে ১০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

এই চক্রের সাথে জড়িত কালু মিয়া (ছদ্মনাম) নামের একজন জানান, জাহাজে কর্মরত মাদকাসক্ত অনেক ক্রুকে শুধু টাকা দিয়ে খুশি করা যায় না। তাদেরকে ইয়াবা বা অন্য মাদক সরবরাহ না করলে তারা তেল বিক্রি করতে রাজি হয় না। এর ফলে অসাধু নাবিকদের মাদক সরবরাহ করে তাদেরকে খুশি রাখতে পারলেই বিপুল পরিমাণ চোরাই তেল পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

তিনি আরও জানান, স্থলপথে পুলিশি ঝামেলা এড়াতে মাঝেমধ্যে আটক হওয়া তেলের চালানের বিপরীতে নকল কাগজপত্র দেখিয়ে তা ছাড়িয়ে আনা হয়। এছাড়া ঝামেলা এড়াতে সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার মাধ্যমে থানা পুলিশের সাথে মাসিক চুক্তির (মাসোহারা) ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানাচ্ছেন তিনি। খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা তৈরির পাশাপাশি পুরো চক্রের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সরাসরি মদদ রয়েছে।

ক্যাপ্টেন শরীফ (হারবার মাস্টার, পায়রা সমুদ্রবন্দর): "এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়। পায়রা বন্দর সীমানায় এমন অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে কোস্টগার্ডের টহল ও তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে। এর পাশাপাশি বন্দর কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে অবহিত করা হচ্ছে।"

মো. আরিফুজ্জামান (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কলাপাড়া): "সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অতিদ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা - ওসি, কলাপাড়া থানা): "থানা পুলিশের বিরুদ্ধে মাসোহারার যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য। এসব বিষয় মূলত নৌ-পুলিশ এবং কোস্টগার্ডের আওতাধীন। কলাপাড়া থানা পুলিশ পূর্বে কিছু তেল আটক করেছিল, তবে মালিকপক্ষ পরবর্তীতে সেগুলোর বৈধ কাগজপত্র দেখানোর পর তা ছেড়ে দেওয়া হয়।"

আরও পড়ুন: কাউখালী সাপ্তাহিক বাজারে ফুটপাত ও সড়ক দখলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ শুরুর আহ্বান জানাল চীন ও পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ শুরুর আহ্বান জানাল চীন ও পাকিস্তান

সাংহাইয়ে চীন ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় সংলাপ শুরুর আহ্বান জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং-ই এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এই আহ্বানটি তুলে ধরা হয়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উভয় নেতা এ ব্যাপারে যুদ্ধবিরতি এবং পুনরায় আলোচনা শুরুর তাগিদ দিয়েছেন। ওয়াং-ই সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নিজেদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার এবং যুদ্ধবিরতির সমঝোতা স্মারক মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে, কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৩টা এবং পৌনে ৬টার দিকে দোহার আকাশে বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটে। এই সময় আকাশে বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দ শোনা যায় এবং ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। এটি ছিল মূলত আকাশপথে হামলা প্রতিহত করার লক্ষণ।

যদিও হামলা সফলভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে, তবুও এর ধ্বংসাবশেষ ছিটকে পড়ার কারণে এক শিশু আহত হয়েছে। কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আহত শিশুটির এখন চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কাতার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, তারা সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। বিপদমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য মোবাইল ফোনে নিয়মিত সতর্কবার্তা পাঠানো হচ্ছে যাতে তারা ঘরের ভিতরে এবং জানালার কাছ থেকে দূরে থাকেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাজার বনাম শূন্য: যুদ্ধের আগে চীনের কাছে পরাজিত ভারত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৫ পি.এম


হাজার বনাম শূন্য: যুদ্ধের আগে চীনের কাছে পরাজিত ভারত?

যদি আগামীকাল ভারত ও চীনের মধ্যে কোনো যুদ্ধ শুরু হয়, তবে একটি পক্ষ আকাশে শত শত অত্যাধুনিক স্টিলথ যুদ্ধবিমান পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। যেখানে অন্য পক্ষের হাতে হয়তো একটি যুদ্ধবিমানও থাকবে না। বেইজিং ও নয়াদিল্লির মধ্যে সামরিক সক্ষমতার এই বিশাল ব্যবধান এখন চরম পরিচালনগত জরুরি অবস্থায় রূপ নিয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সাময়িকী 'দ্য ওয়ার জোন'-এ প্রকাশিত প্রখ্যাত সামরিক বিশ্লেষক আন্দ্রেয়াস রুপ্রেখটের একটি সাম্প্রতিক মূল্যায়নে উঠে এসেছে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য। তার অনুমান অনুযায়ী, চীনের কাছে ইতিমধ্যে প্রায় ৫০০টি পরিচালনাগত ‘জে-২০ মাইটি ড্রাগন’ স্টিলথ ফাইটার জেট থাকতে পারে, যা তাদের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমান বলেই পরিচিত। এটি সংখ্যায় অনেকের পূর্ব ধারণার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি।

চীন অত্যন্ত জটিল এই পঞ্চম প্রজন্মের বিমান তৈরির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। হয়তো তারা এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়িয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি ভারতের জন্য একটি মারাত্মক আশঙ্কার ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে। বাস্তবে, বর্তমানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে স্টিলথ যুদ্ধবিমানের সংখ্যা একেবারে শূন্য রয়েছে। ইতিপূর্বেই ভারতের সিকিম ও তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি অঞ্চলে চীনা জে-২০ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবর পাওয়া গেছে।

রাডারকে ফাঁকি দিয়ে শত্রুর আকাশসীমায় অনায়াসে ঢুকে প্রথম আঘাত হানার ক্ষেত্রে এই বিমানগুলো অত্যন্ত দক্ষ। আধুনিক যুদ্ধকৌশলে স্টিলথ ফাইটারগুলো মূলত যুদ্ধক্ষেত্রের রূপরেখা নির্ধারণ করে। এগুলো প্রথমে শত্রুর আকাশসীমায় প্রবেশ করে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে এবং এরপর সাধারণ যুদ্ধবিমানগুলোর অবাধে কাজ করার পথ তৈরি করে।

চীনের এই আকাশচুম্বী অগ্রগতির বিপরীতে ভারতের নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান 'আমকা' তৈরির প্রকল্প এখনো বাস্তবায়ন থেকে অন্তত এক দশক দূরে রয়েছে। জরুরি আমদানির ক্ষেত্রে রাশিয়ার 'সু-৫৭' একমাত্র বিকল্প হিসেবে সামনে থাকলেও তা ভারতের জন্য পুরোপুরি আদর্শ বা সম্পদের সঠিক ব্যবহার নয় বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে ইউরোপের ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রকল্পে যোগ দেওয়ার যে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে, তাও একটি ভবিষ্যতের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ভারতের 'আমকা' যখন বিমানবাহিনীতে যুক্ত হবে, ততদিনে চীনের ঝুলিতে হাজারখানেক উন্নত জে-২০ থাকার পাশাপাশি তাদের ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানও ডানা মেলতে শুরু করবে। ভারতের এই বর্তমান শূন্যতার পেছনে রয়েছে কয়েক দশকের বিলম্বিত সিদ্ধান্ত, অসংলগ্ন পরিকল্পনা এবং বড় পরিসরে উন্নত যুদ্ধবিমান তৈরিতে অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা।

তবে এর অর্থ এই নয় যে ভারত সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষাহীন। এই বিশাল ঘাটতি আড়াল করতে ভারত বর্তমানে স্টিলথ-বিরোধী বিশেষ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উন্নত সেন্সর ও সনাক্তকরণ নেটওয়ার্কে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। এগুলো চীনা স্টিলথ বিমানের সুবিধাকে কিছুটা হলেও কমিয়ে দিতে পারে। তবে সংখ্যার লড়াইয়ে ভারত এখন একেবারেই প্রাথমিক স্তরে দাঁড়িয়ে আছে। চীনের এই দ্রুত বিমান বিপ্লবের মুখে ভারতের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এখন প্রয়োজন দ্রুত সিদ্ধান্ত ও আউট-অফ-দ্য-বক্স চিন্তাভাবনা, যা এই চওড়া হতে থাকা ব্যবধানকে দ্রুত কমিয়ে আনতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক হিসেবে ভাঙ্গার চম্পা আক্তার নির্বাচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক হিসেবে ভাঙ্গার চম্পা আক্তার নির্বাচিত

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (মহিলা) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার ১ নং ভাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা চম্পা আক্তার।

তিনি ঢাকা বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে এবং দেশসেরা নির্বাচিত হন। সর্বশেষ বুধবার তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গ্রহণ করেন। এ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহসানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে চম্পা আক্তার বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ে এই স্বীকৃতি আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এই অর্জন আমার বিদ্যালয়, সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের। ভবিষ্যতেও শিশুদের সুশিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও কাব কার্যক্রমের উন্নয়নে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইন শিথিল হলেও জাপানের সিংহাসনে বসার সুযোগ পাচ্ছেন না নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


আইন শিথিল হলেও জাপানের সিংহাসনে বসার সুযোগ পাচ্ছেন না নারীরা

রাজপরিবারের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার সঙ্গে উদ্বেগ তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে জাপানের পার্লামেন্ট একটি নতুন বিল অনুমোদন করেছে, যা রাজকীয় উত্তরাধিকার নিয়মে কিছুটা শিথিলতা বিনিয়োগ করেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা জনগণের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও নারীদের সিংহাসনে বসার জন্য নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়নি। এর ফলে, বর্তমান সম্রাটের একমাত্র সন্তান প্রিন্সেস আইকো এখনও সিংহাসনের প্রত্যাশী হতে পারছেন না।

শুক্রবার জাপানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে এটি পাস হয়েছে, এবং এটি গত সপ্তাহে নিম্নকক্ষে পাস হয়েছিল। অনুসন্ধান অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়ার শেষে এটি কার্যকর হবে। ১৯৪৯ সালের পর এই প্রথমবার 'ইম্পেরিয়াল হাউস ল' বা রাজকীয় আইনের মূল পাঠে কোনো সংশোধন আনা হল। এটি জাপানি রাজতন্ত্রের ইতিহাসে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হয়।

নতুন আইন অনুযায়ী, রাজপরিবারের সদস্যরা ১৫ বছরের বেশি বয়সী দূরের পুরুষ আত্মীয়দের দত্তক নিতে পারবেন। একই সঙ্গে, রাজপরিবারের নারী সদস্যরা যদি সাধারণ পরিবারে বিয়ে করেন, তাহলে তাদের রাজকীয় মর্যাদা ও উপাধি ধরে রাখার অনুমতি থাকবে। এর আগে, নারীদের সাধারণ নাগরিককে বিয়ে করলে রাজকীয় উপাধি ত্যাগ করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, প্রিন্সেস মাকো ২০২১ সালে তার সহপাঠীকে বিয়ে করে রাজপরিবার ত্যাগ করেছিলেন।

জাপান, বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো অবিচ্ছিন্ন বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্রের উপাধি লাভ করেছে, যার ইতিহাস প্রায় ২৬০০ বছরেরও বেশি পুরানো। বর্তমানে সিংহাসনের উত্তরাধিকারের তালিকায় প্রথম স্থানে আছেন সম্রাটের ৬০ বছর বয়সী ছোট ভাই ফুমিহিতো এবং দ্বিতীয় স্থানে আছেন ফুমিহিতোর ১৯ বছর বয়সী পুত্র প্রিন্স হিসাহিতো। তৃতীয় তথা সর্বশেষ যোগ্য প্রার্থী হলেন সম্রাটের ৯০ বছর বয়সী চাচা।

আইনের এই সংশোধনী কার্যকর না হলে, প্রিন্স হিসাহিতোর কোনো পুত্রসন্তান না থাকলে, জাপানের রাজবংশের উত্তরাধিকার শেষ হয়ে যেতে পারত। তবে নতুন বিলের আওতায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে রাজপরিবার থেকে বাদ পড়া ১১টি সাবেক রাজকীয় শাখার পুরুষ বংশধরদের আবার দত্তক আনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জাপানে নারী সম্রাটের পক্ষে ব্যাপক জনমত থাকা সত্ত্বেও, দেশের রক্ষণশীল রাজনৈতিক মহল সর্বদা পুরুষ-তান্ত্রিক উত্তরাধিকারের সমর্থন করছে। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং অন্যান্য রক্ষণশীল নেতারা রাজপরিবারের বৈধতা রক্ষায় কেবল পুরুষদের সিংহাসনে বসানোর নিয়মের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। তবে, জাপানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৭০ থেকে ৮৩ শতাংশ সাধারণ মানুষ নারী সম্রাটকে সিংহাসনে দেখতে চাচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%