ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাজার বনাম শূন্য: যুদ্ধের আগে চীনের কাছে পরাজিত ভারত?


হাজার বনাম শূন্য: যুদ্ধের আগে চীনের কাছে পরাজিত ভারত?

যদি আগামীকাল ভারত ও চীনের মধ্যে কোনো যুদ্ধ শুরু হয়, তবে একটি পক্ষ আকাশে শত শত অত্যাধুনিক স্টিলথ যুদ্ধবিমান পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। যেখানে অন্য পক্ষের হাতে হয়তো একটি যুদ্ধবিমানও থাকবে না। বেইজিং ও নয়াদিল্লির মধ্যে সামরিক সক্ষমতার এই বিশাল ব্যবধান এখন চরম পরিচালনগত জরুরি অবস্থায় রূপ নিয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সাময়িকী 'দ্য ওয়ার জোন'-এ প্রকাশিত প্রখ্যাত সামরিক বিশ্লেষক আন্দ্রেয়াস রুপ্রেখটের একটি সাম্প্রতিক মূল্যায়নে উঠে এসেছে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য। তার অনুমান অনুযায়ী, চীনের কাছে ইতিমধ্যে প্রায় ৫০০টি পরিচালনাগত ‘জে-২০ মাইটি ড্রাগন’ স্টিলথ ফাইটার জেট থাকতে পারে, যা তাদের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমান বলেই পরিচিত। এটি সংখ্যায় অনেকের পূর্ব ধারণার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি।

চীন অত্যন্ত জটিল এই পঞ্চম প্রজন্মের বিমান তৈরির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। হয়তো তারা এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়িয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি ভারতের জন্য একটি মারাত্মক আশঙ্কার ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে। বাস্তবে, বর্তমানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে স্টিলথ যুদ্ধবিমানের সংখ্যা একেবারে শূন্য রয়েছে। ইতিপূর্বেই ভারতের সিকিম ও তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি অঞ্চলে চীনা জে-২০ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবর পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: শামোন্ডা নামের ভাইরাসটি কতটা ভয়ংকর?

রাডারকে ফাঁকি দিয়ে শত্রুর আকাশসীমায় অনায়াসে ঢুকে প্রথম আঘাত হানার ক্ষেত্রে এই বিমানগুলো অত্যন্ত দক্ষ। আধুনিক যুদ্ধকৌশলে স্টিলথ ফাইটারগুলো মূলত যুদ্ধক্ষেত্রের রূপরেখা নির্ধারণ করে। এগুলো প্রথমে শত্রুর আকাশসীমায় প্রবেশ করে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে এবং এরপর সাধারণ যুদ্ধবিমানগুলোর অবাধে কাজ করার পথ তৈরি করে।

চীনের এই আকাশচুম্বী অগ্রগতির বিপরীতে ভারতের নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান 'আমকা' তৈরির প্রকল্প এখনো বাস্তবায়ন থেকে অন্তত এক দশক দূরে রয়েছে। জরুরি আমদানির ক্ষেত্রে রাশিয়ার 'সু-৫৭' একমাত্র বিকল্প হিসেবে সামনে থাকলেও তা ভারতের জন্য পুরোপুরি আদর্শ বা সম্পদের সঠিক ব্যবহার নয় বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে ইউরোপের ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রকল্পে যোগ দেওয়ার যে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে, তাও একটি ভবিষ্যতের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ভারতের 'আমকা' যখন বিমানবাহিনীতে যুক্ত হবে, ততদিনে চীনের ঝুলিতে হাজারখানেক উন্নত জে-২০ থাকার পাশাপাশি তাদের ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানও ডানা মেলতে শুরু করবে। ভারতের এই বর্তমান শূন্যতার পেছনে রয়েছে কয়েক দশকের বিলম্বিত সিদ্ধান্ত, অসংলগ্ন পরিকল্পনা এবং বড় পরিসরে উন্নত যুদ্ধবিমান তৈরিতে অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা।

তবে এর অর্থ এই নয় যে ভারত সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষাহীন। এই বিশাল ঘাটতি আড়াল করতে ভারত বর্তমানে স্টিলথ-বিরোধী বিশেষ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উন্নত সেন্সর ও সনাক্তকরণ নেটওয়ার্কে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। এগুলো চীনা স্টিলথ বিমানের সুবিধাকে কিছুটা হলেও কমিয়ে দিতে পারে। তবে সংখ্যার লড়াইয়ে ভারত এখন একেবারেই প্রাথমিক স্তরে দাঁড়িয়ে আছে। চীনের এই দ্রুত বিমান বিপ্লবের মুখে ভারতের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এখন প্রয়োজন দ্রুত সিদ্ধান্ত ও আউট-অফ-দ্য-বক্স চিন্তাভাবনা, যা এই চওড়া হতে থাকা ব্যবধানকে দ্রুত কমিয়ে আনতে পারে।

আরও পড়ুন: টাইফুন ‘চাম্পি’র আঘাতে তাইওয়ানে নিহত ১, আহত পাঁচ শতাধিক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক হিসেবে ভাঙ্গার চম্পা আক্তার নির্বাচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক হিসেবে ভাঙ্গার চম্পা আক্তার নির্বাচিত

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (মহিলা) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার ১ নং ভাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা চম্পা আক্তার।

তিনি ঢাকা বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে এবং দেশসেরা নির্বাচিত হন। সর্বশেষ বুধবার তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গ্রহণ করেন। এ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহসানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে চম্পা আক্তার বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ে এই স্বীকৃতি আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এই অর্জন আমার বিদ্যালয়, সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের। ভবিষ্যতেও শিশুদের সুশিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও কাব কার্যক্রমের উন্নয়নে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইন শিথিল হলেও জাপানের সিংহাসনে বসার সুযোগ পাচ্ছেন না নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


আইন শিথিল হলেও জাপানের সিংহাসনে বসার সুযোগ পাচ্ছেন না নারীরা

রাজপরিবারের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার সঙ্গে উদ্বেগ তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে জাপানের পার্লামেন্ট একটি নতুন বিল অনুমোদন করেছে, যা রাজকীয় উত্তরাধিকার নিয়মে কিছুটা শিথিলতা বিনিয়োগ করেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা জনগণের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও নারীদের সিংহাসনে বসার জন্য নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়নি। এর ফলে, বর্তমান সম্রাটের একমাত্র সন্তান প্রিন্সেস আইকো এখনও সিংহাসনের প্রত্যাশী হতে পারছেন না।

শুক্রবার জাপানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে এটি পাস হয়েছে, এবং এটি গত সপ্তাহে নিম্নকক্ষে পাস হয়েছিল। অনুসন্ধান অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়ার শেষে এটি কার্যকর হবে। ১৯৪৯ সালের পর এই প্রথমবার 'ইম্পেরিয়াল হাউস ল' বা রাজকীয় আইনের মূল পাঠে কোনো সংশোধন আনা হল। এটি জাপানি রাজতন্ত্রের ইতিহাসে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হয়।

নতুন আইন অনুযায়ী, রাজপরিবারের সদস্যরা ১৫ বছরের বেশি বয়সী দূরের পুরুষ আত্মীয়দের দত্তক নিতে পারবেন। একই সঙ্গে, রাজপরিবারের নারী সদস্যরা যদি সাধারণ পরিবারে বিয়ে করেন, তাহলে তাদের রাজকীয় মর্যাদা ও উপাধি ধরে রাখার অনুমতি থাকবে। এর আগে, নারীদের সাধারণ নাগরিককে বিয়ে করলে রাজকীয় উপাধি ত্যাগ করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, প্রিন্সেস মাকো ২০২১ সালে তার সহপাঠীকে বিয়ে করে রাজপরিবার ত্যাগ করেছিলেন।

জাপান, বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো অবিচ্ছিন্ন বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্রের উপাধি লাভ করেছে, যার ইতিহাস প্রায় ২৬০০ বছরেরও বেশি পুরানো। বর্তমানে সিংহাসনের উত্তরাধিকারের তালিকায় প্রথম স্থানে আছেন সম্রাটের ৬০ বছর বয়সী ছোট ভাই ফুমিহিতো এবং দ্বিতীয় স্থানে আছেন ফুমিহিতোর ১৯ বছর বয়সী পুত্র প্রিন্স হিসাহিতো। তৃতীয় তথা সর্বশেষ যোগ্য প্রার্থী হলেন সম্রাটের ৯০ বছর বয়সী চাচা।

আইনের এই সংশোধনী কার্যকর না হলে, প্রিন্স হিসাহিতোর কোনো পুত্রসন্তান না থাকলে, জাপানের রাজবংশের উত্তরাধিকার শেষ হয়ে যেতে পারত। তবে নতুন বিলের আওতায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে রাজপরিবার থেকে বাদ পড়া ১১টি সাবেক রাজকীয় শাখার পুরুষ বংশধরদের আবার দত্তক আনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জাপানে নারী সম্রাটের পক্ষে ব্যাপক জনমত থাকা সত্ত্বেও, দেশের রক্ষণশীল রাজনৈতিক মহল সর্বদা পুরুষ-তান্ত্রিক উত্তরাধিকারের সমর্থন করছে। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং অন্যান্য রক্ষণশীল নেতারা রাজপরিবারের বৈধতা রক্ষায় কেবল পুরুষদের সিংহাসনে বসানোর নিয়মের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। তবে, জাপানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৭০ থেকে ৮৩ শতাংশ সাধারণ মানুষ নারী সম্রাটকে সিংহাসনে দেখতে চাচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি গড়ছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


লেবাননে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি গড়ছে ইসরায়েল

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী লেবাননের দক্ষিণে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার উদ্দেশ্যে নতুন স্থায়ী সামরিক পোস্ট স্থাপন করা শুরু করেছে।

ইসরায়েলের দৈনিক মারিভ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যে প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে, সেখানে বলা হয়েছে, বিদেশী সূত্রের বরাতে যে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের অবস্থান দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এসব স্থায়ী সামরিক অবস্থান তৈরি করা হচ্ছে।

তবে নতুন পোস্টগুলোর সুনির্দিষ্ট অবস্থান সম্পর্কে মূলত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এ পদক্ষেপ এমন সময়ে নেওয়া হচ্ছে, যখন ইতালির রোমে লেবানন ও ইসরায়েলের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের দুটি সংঘাতময় এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের জন্য উভয় পক্ষ একটি কাঠামো ও দিকনির্দেশনায় সম্মত হয়েছে।

মারিভের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে এই নতুন উদ্যোগ তেল আবিব ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডায় ভয়াবহ দাবানল, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে ধোঁয়ার ছাঁট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


কানাডায় ভয়াবহ দাবানল, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে ধোঁয়ার ছাঁট

কানাডায় ভয়াবহ দাবানল হাজার হাজার একর বনাঞ্চলকে পুড়িয়ে দিচ্ছে। ফাইল ছবি এএফপি দেওয়া হয়েছে। কানাডার বনাঞ্চলে জ্বলতে থাকা শত শত দাবানল থেকে ছড়িয়ে পড়া ঘন ও বিষাক্ত ধোঁয়া এবার গ্রাস করেছে প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় ধোঁয়ার চাদর তৈরি হওয়ায় বায়ুর মান অত্যন্ত বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন বাসিন্দাদের যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে থাকার এবং অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার জন্য জরুরি পরামর্শ দিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার-এর তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট শহরের বায়ুর মান বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় চলে গেছে। শহরটির বায়ুদূষণ সূচক (একিউআই) রেকর্ড ৬০০-তে পৌঁছায়, যা মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার নির্ধারিত 'বিপজ্জনক' মাত্রার প্রায় দ্বিগুণ। মার্কিন সরকারি তথ্যানুযায়ী, মিনেসোটা, মিশিগান, উত্তর ইলিনয়, উত্তর ওহিও এবং কানাডার অন্টারিও অঞ্চলে ধোঁয়ার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। মিনিয়াপোলিস, মিলওয়াকি ও টরন্টোর মতো বড় বড় শহরেও বায়ুর মান চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে। এছাড়া মিনেসোটা থেকে মেরিল্যান্ড পর্যন্ত অন্তত ১০টি অঙ্গরাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় অস্বাস্থ্যকর বায়ুর জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

একজন শিকাগোর বাসিন্দা স্টেফানি ভিলানোভা নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, 'বাইরে তাকালে প্রথম দেখায় কুয়াশা মনে হলেও আসলে পুরো শহর ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। বাইরে গেলেই চোখ ও গলায় তীব্র জ্বালাপোড়া অনুভূত হচ্ছে।' মারাত্মক বায়ুদূষণের কারণে মিনেসোটায় বেশ কয়েকটি উন্মুক্ত কনসার্ট, মেলা ও অন্যান্য অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। মিনিয়াপোলিসে সব ধরনের আউটডোর কার্যক্রম এবং সুইমিং পুল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞানী এমিলি ফিশার বলেন, 'বর্তমানে ধোঁয়ার একটি বিশাল প্রবাহ সরাসরি মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে। এটি মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব, যা এখন মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসেও আঘাত হানছে।' নিউইয়র্কেও আকাশ ইতিমধ্যে কমলা রঙের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। নিউইয়র্ক সিটির mayor জোহরান মামদানি সবাইকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। শহরের বিভিন্ন লাইব্রেরি ও ফায়ার স্টেশনে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে।

এদিকে রোববার নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠেয় চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের ঠিক আগে বায়ুদূষণের এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় ফুটবল ভক্তদের মাঝে তীব্র উদ্বেগ জেগেছে।

কানাডা সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে বর্তমানে ৮৫৮টি দাবানল জ্বলছে, যার মধ্যে ১১১টি এখনো সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সবচেয়ে বেশি আগুন জ্বলছে ম্যানিটোবা, সাসকাচেওয়ান ও অন্টারিও প্রদেশে। চলতি মৌসুমে কানাডায় প্রায় ৫৯ লাখ একর বনভূমি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে বিশ্বজুড়ে দাবানলের সংখ্যা ও তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে, যা মানুষের ফুসফুস ও হৃদ্‌রোগের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%