বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:০৯ পি.এম
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আটজন নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে নতুন দায়িত্বে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজনকে পল্লবী ও রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
আদেশ অনুসারে, ধানমন্ডি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিনকে পল্লবী থানার ওসি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। বর্তমান ওসি মো. হাসান বাসিরকে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে (সিটিটিসি) বদলি করা হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবি সিদ্দিককে রূপনগর থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রূপনগর থানার বর্তমান ওসি মো. নোমান হোসেনকে সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, শাহ আলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মীর রেজাউল ইসলামকে রামপুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রামপুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাহালুল খানকে গোয়েন্দা-তেজগাঁও বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগের পরিদর্শক মীর মো. সাজ্জাদ হোসেনকে শাহ আলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) এ কে এম মঈন উদ্দীনকে একই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রিজটি এক দশক ধরে ভেঙে পড়ে রয়েছে। পুনর্নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেই। এর ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া আশ্বাসগুলি কেবল কাগজের প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নে জনতারহাট ও সাকোরপাড় সড়কের ওপর নির্মিত ব্রিজটি ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় প্রায় ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হামিদ ট্রেডার্স ব্রিজটি নির্মাণের এক বছরের মধ্যেই ব্রহ্মপুত্র নদের উপচে পড়া বন্যার পানির প্রবল স্রোতে ব্রিজের নিচের অংশের মাটি সরে যায়।
ফলস্বরূপ, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের ঝুঁকি নিয়ে ভেলা বা ডিঙি নৌকায় পারাপার হতে হয়। শুকনো মৌসুমে অনেক দূর ঘুরে ব্রিজের অংশ পাড়ি দিতে হয়। এর ফলে এই পথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও রোগীর স্বজনরা চরম বিপদে পড়েছেন।
জনতারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিমা খাতুন বলেন, "বর্ষা মৌসুমে স্কুলে যেতে ভয় পাই। এ সময় অনেকে স্কুলে যায় না।"
বোতলা গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের জানান, "ব্রিজের ওপারে চাষবাস করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ি। অনেক ঘুরে যেতে হয়। ধান-পাট কাটার পর নিয়ে আসতে সমস্যা হয়। যারা ছোটখাটো ব্যবসা করেন তারাও ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।"
দলন গ্রামের গৃহিনী মনজিলা বেগম বলেন, "আমার স্বামী অটো চালায়। কিন্তু এই পথে যেতে পারে না। কেউ অসুস্থ হলে তাকে কষ্ট করে অন্য পথে নিয়ে যেতে হয়। মেম্বার-চেয়ারম্যানরা ভোটের সময় এসে অনেক কথা বলে যায়, কিন্তু ব্রিজটার কাজ আর হয় না।"
খারিজা কামাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আলমগীর হোসেন জানান, "ব্রিজের দুই পাড়ে চারটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। শিশু শিক্ষার্থীদের খুব কষ্ট করে চলাচল করতে হয়। জনস্বার্থে দ্রুত ব্রিজটি নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।"
স্থানীয় যুবক জনাব আলী বলেন, "ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের চরম কষ্ট হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় দেন-দরবার করেও কোনো সমাধান হচ্ছে না।"
জেলা ত্রাণ ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা এ টি এম বেনজির রহমান জানান, "জনগুরুত্বপূর্ণ সাকোয়ারপাড় ব্রিজটি আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নির্মাণের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশা করি আগামী বছর ব্রিজটি পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগরীর পার্ক এবং শ্রান্তি বিনোদনের স্থানগুলোর পর এখন রাতের অন্ধকারে ব্যস্ততম রাস্তাগুলিও দখল করতে শুরু করেছে প্রভাবশালী অবৈধ দখলদাররা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাতের পরে নগরীর নবগ্রাম রোড-চৌমহনীর মেজর জলিল সড়ক এবং সংলগ্ন জাতীয় মহাসড়কের ওপর সিটি করপোরেশনের লোগো সম্বলিত ভারি ইস্পাতের অবকাঠামোর দোকানপাট স্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিলেও, কে বা কারা এসব দোকান বসিয়েছে, তা কেউ জানাতে পারছে না।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে এলাকাবাসী অন্তত ২০টি এ ধরনের দোকান দেখে হতবাক হয়ে যায়। বরিশাল সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদারের সাথে সেল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন এবং সিটি করপোরেশন এর সাথে জড়িত নয়। বিকেলের দিকে সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সরেজমিনে বিষয়টি পরিদর্শন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবৈধ দখলদাররা সেখানে বহাল তবিয়তেই ছিল।
উল্লেখ্য, অতীতে বরিশাল মহানগরীর অবৈধ দখলদাররা ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে। প্রতিদিন সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করলেও, খুব অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু আগের অবস্থায় ফিরে আসছে। এমনকি ভ্রাম্যমাণ আদালত বিচার সম্পন্ন করে শাস্তি প্রদান করলেও, তা মান্য না করার ক্ষেত্রে নানা অজুহাত এবং চাপ প্রয়োগের ঘটনা ঘটছে।
ওয়াকিবাহাল মহলের মতে, এসব ঘটনার পেছনে নগরীর একাধিক প্রভাবশালী মহলের আশির্বাদ কাজ করছে।
সিটি করপোরেশনের লোগো ব্যবহার করে নবগ্রাম রোড-চৌমহনীর রাস্তাসহ জাতীয় মহাসড়ক দখলের পাশাপাশি পাশের লেকের পাড় দখলের মহোৎসবের সাথে ক্ষমতাশীন দলের নাম বারবার উঠে আসছে। কোটি টাকা ব্যয় করে সম্প্রতি এ লেকটির মাঝে আলোক-শব্দের ফোয়ারা এবং নান্দনিক আলোকমালার সৌন্দর্য ম্লান করে দিচ্ছে অবৈধ দখলদাররা। তবে নিকট অতীতের নান্দনিক সৌন্দর্যের এ নগরীকে যেসব অবৈধ দখলদাররা ক্রমাগত গ্রাস করছে, তাদের বেশিরভাগই এ নগরীতে কোনো কর প্রদান না করলেও, করদাতা নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা প্রতিনিয়ত কেড়ে নিচ্ছে।
এমনকি তাদের প্রতিদিনের জঞ্জাল পরিষ্কারে করদাতা নগরবাসীর বিপুল করের টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে নগর ভবনকে। কিন্তু কোনো প্রতিকার নেই। উল্টো প্রতিনিয়ত এ নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা ক্রমশ লোপ পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে হামাসের আক্রমণের সরকারি নথি ও রেকর্ড বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, এমন গুরুতর অভিযোগ করেছেন সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল অভি গিল। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এটিকে অপরাধমূলক আচরণ বলে অভিহিত করেছেন।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম 'ইসরায়েল হায়োম' ও 'চ্যানেল ১২'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভি গিল জানান, ৭ই অক্টোবর সকালে হামাসের হামলার পর নেতানিয়াহুর সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের সময় বদলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর চিফ অফ স্টাফ তজাচি ব্রেভারম্যান। রেকর্ড অনুযায়ী, সেদিন সকালে নেতানিয়াহুর কাছে প্রথম ফোন কলটি গিয়েছিল ৬:৪০ মিনিটে, তবে তা বাড়িয়ে ৬:২৯ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, হামলার শুরু থেকেই নেতানিয়াহু সতর্ক ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিচ্ছিলেন—এমন একটি চিত্র দাঁড় করাতেই এই সময় পরিবর্তন করা হয়েছিল।
অভি গিল আরও উল্লেখ করেন, হামলার ঘটনার দুই সপ্তাহ পরেই তিনি সরকারি নথির অননুমোদিত সংগ্রহ ও সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন এবং তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেলকে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপের জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এতদিন নীরব থাকলেও ঘটনা তদন্তে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন না হওয়ায় তিনি সত্য প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন।
অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক দল 'লিকুদ' এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা প্রচার বলে দাবি করেছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ৭ই অক্টোবরের হামলার বিষয়ে নেতানিয়াহুকে আগে থেকে কোনো আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। সূত্র: দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১৩ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন, যা একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৪৬৯ শিক্ষার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০১৯ সালের ছয়জন, ২০২০ সালের ছয়জন এবং ২০২১ সালের একজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। ২০১৯ সালের মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন—ভেটেরিনারি অনুষদের নাজনীন সুলতানা, কৃষি অনুষদের প্রত্যাশা বিশ্বাস, পশুপালন অনুষদের শারমীন ইসলাম, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের শান্তা ইসলাম, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শাহাবুদ্দিন আহমেদ এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের নাফিসা তাসনীম বিনতি।
২০২০ সালের জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন—ভেটেরিনারি অনুষদের ইসমাইল হোসেন, কৃষি অনুষদের মোসা. আয়েশা সিদ্দিকা, পশুপালন অনুষদের মো. আরিফুল ইসলাম, কৃষি অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ইসরাত জাহান, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের চিত্রা রাণী পাল এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের জিন্নাত রেহানা ঋতু।
এছাড়া, ২০২১ সালের জন্য ভেটেরিনারি অনুষদের ফারহানা বিনতে ফেরদৌস মনোনীত হয়েছেন। ইউজিসি জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রাপ্ত মনোনীত প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খসড়া তালিকা পুনরায় যাচাইয়ের পর ৪৬৯ শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তালিকা নিয়ে যদি কোনো প্রার্থী বা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আপত্তি থাকে, তবে প্রয়োজনীয় প্রমাণকসহ আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ইউজিসিতে লিখিতভাবে জানাতে হবে।
বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী, মনোনীত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২২ ক্যারেট মানের সাড়ে চার গ্রাম স্বর্ণ ও ১০ গ্রাম রৌপ্য দিয়ে তৈরি একটি পদক এবং সম্মাননাপত্র প্রদান করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি প্রদান এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক দেওয়া হয়ে থাকে। ইউজিসি ২০০৫ সাল থেকে এই পদক প্রদান করে আসছে।
বাকৃবির ১৩ শিক্ষার্থীর এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাঙ্গনে মেধা ও একাডেমিক সাফল্যের ধারাবাহিকতার একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ