ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পেছনে কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক


স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পেছনে কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক

আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিয়ে বলেন, মন্ত্রীর পেছনে কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘোরার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

সোমবার (১৫ জুন) মগবাজারে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬টি নবজাতক শিশু মৃত্যু ও হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফিংয়ের সময় এই বক্তব্য দেন।

ডা. শেখ মহিউদ্দিন তখন বলেন, 'মন্ত্রীর পেছনে আমি টাকা নিয়ে ঘури নাই।'

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, মোহাম্মদ মসিউর রহমানকে জনপ্রশাসনে ন্যস্ত

তিনি আরও বলেন, লাইসেন্স বাতিলের যে রিপোর্ট দেয়া হয়েছে, সেখানে ভেন্টিলেশনের বিষয়টি উঠে আসছে। আমরা আধুনিক ও নতুনভাবে হাসপাতালের ভেন্টিলেশন সিস্টেম আপগ্রেড করছি। হাসপাতালের বেকারি ছিল, বর্তমানে সেটা বন্ধ করা হয়েছে।

বন্ধ ঘোষণার পর থেকে নতুন করে রোগী ভর্তি বন্ধ রয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে বেশ কয়েকজন ক্রিটিকাল রোগী এখন হাসপাতালের অবস্থায় রয়েছে।

হাসপাতাল বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার আপিল করা হবে বলে জানালেন ডা. শেখ মহিউদ্দিন।

এর আগে গত শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাকাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি। অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা আজ আদ্-দ্বীনের পক্ষে কথা বলে।’

আরও পড়ুন: সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস ৭ নভেম্বর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়ানগরে ডুবন্ত জাহাজে মিলল যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পিরোজপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


জিয়ানগরে ডুবন্ত জাহাজে মিলল যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ

পিরোজপুরের জিয়ানগরে ডুবে থাকা একটি জাহাজের ভেতর থেকে মো. আব্দুল্লাহ পশারী (২২) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

গতকাল রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরসংলগ্ন কচা নদীতে ডুবে থাকা এমভি গ্রীন এসট্রল-১ নামে একটি জাহাজের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আব্দুল্লাহ পাড়েরহাট ইউনিয়নের উমেদপুর গ্রামের আলাল পশারীর ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন আব্দুল্লাহ। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবে থাকা জাহাজটির পাশে একটি ডিঙ্গি নৌকায় তার ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনরা। পরে তার বড় ভাই রানা পশারী। এরপর গত ১৩ জুন জিয়ানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিহতের বড় ভাই রানা পশারী বলেন, তিনদিন ধরে আমার ভাই নিখোঁজ ছিল। থানায় জিডিও করেছিলাম। সে কীভাবে ওই জাহাজের কাছে গেল, তা বুঝতে পারছি না। এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বোঝা যাবে।

জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বলেন, জিডির ভিত্তিতে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা চাওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা জাহাজের ভেতর থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমের টানে দূরদেশ থেকে এসে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন সলেমান-সুবর্ণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


প্রেমের টানে দূরদেশ থেকে এসে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন সলেমান-সুবর্ণা

প্রেমের কোনো ভৌগোলিক সীমানা নেই—এ কথারই বাস্তব উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার সাবেক লাউখোলা গ্রামের তরুণী সুবর্ণা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিক সলেমান। দুই বছর আগে আবুধাবির একটি পার্কে পরিচয়ের মাধ্যমে শুরু হওয়া বন্ধুত্ব পরে ভালোবাসায় রূপ নেয়। এবং সেই সম্পর্কের সফল পরিণতি হিসেবে তারা আজ সোমবার (১৫ জুন) বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর দুই পরিবারের সম্মতিতেই এই বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হচ্ছে। বিয়েকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে পুরো এলাকার মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। রোববার রাতে জমকালো আয়োজনে তাদের গায়ে হলুদ সম্পন্ন হয়েছে। আজ বিয়ের মূল অনুষ্ঠানের জন্য কনে সুবর্ণার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রায় দুই হাজার অতিথির আপ্যায়নের আয়োজন করা হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে কর্মসংস্থানের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান সুবর্ণা। সেখানে আবুধাবির একটি পার্কে সলেমানের সঙ্গে তার প্রথম দেখা হয়। প্রথমে সাধারণ বন্ধুত্ব হলেও এরপরের সময়ে তা গভীর প্রণয়ে পরিবর্তিত হয়। একপর্যায়ে তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে উভয় পরিবারকে জানান। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিক্রমে এই বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর সলেমান পূর্বে বিবাহিত এবং তিনি তিন সন্তানের জনক। বিষয়টি সুবর্ণা এবং তার পরিবার অবগত রয়েছেন। মূলত, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও পারিবারিক সম্মতির ভিত্তিতে তাদের এই বিয়ে সম্পন্ন হচ্ছে।

এই ব্যতিক্রমী বিয়েকে কেন্দ্র করে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও প্রতিবেশীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও এই আয়োজন নিয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সুবর্ণা জানান, "আমরা একে অপরকে পছন্দ করি। দুজনের সম্মতি এবং উভয় পরিবারের ইতিবাচক সাড়ার ভিত্তিতেই আমরা বিয়ে করছি। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।" বর সলেমান গণমাধ্যমের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাঁর পেশাগত বিবিধ কারণের জন্য ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই আন্তর্জাতিক বিয়ে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চলছে নানা ইতিবাচক আলোচনা। অনেকেই এটিকে দুই ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের মিলনের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেছেন, "ভালোবাসা ও পারিবারিক সম্মতির মাধ্যমে বিয়ে হচ্ছে, এটি অত্যন্ত ইতিবাচক। আমরা শুধু চাই মেয়েটি যেন প্রবাসের মাটিতে সুখে-শান্তিতে জীবন পার করতে পারে।"

ভিন্ন দুই দেশের এই দম্পতির জন্য এলাকাবাসী শুভকামনা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, সুন্দর বোঝাপড়ার মাধ্যমে তাদের দাম্পত্য জীবন হবে সুখ ও সফল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজুত রেখেই কাগজে-কলমে গম উত্তোলন, যা করেছেন ম্যাজিস্ট্রেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


মজুত রেখেই কাগজে-কলমে গম উত্তোলন, যা করেছেন ম্যাজিস্ট্রেট

ময়মনসিংহ বিভাগের কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার (সিএসডি) থেকে কাগজপত্রের মাধ্যমে গম উত্তোলন হওয়া সত্ত্বেও বাস্তবে তা গুদামে থেকে যায়। এই খবরের প্রেক্ষিতে রোববার (১৪ জুন) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান পরিচালনা করেন। এদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানের সময় নথিপত্রে কিছু অনিয়মের প্রাথমিক তথ্য সামনে এসেছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামিলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানানো হয়েছে, জেলার তারাকান্দা উপজেলার কেন্দুয়া বাজার এলাকায় অবস্থিত মেসার্স তালুকদার ফ্লাওয়ার মিলের জন্য গত ৮ জুন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে দুটি চিঠিতে ৩৮০ মেট্রিকটন আটা উত্তোলন করে পেষাই পূর্বক ফলিত আটা এলাকার নির্ধারিত এলএসডি/সিএসডিতে সরবরাহ করতে নির্দেশনা প্রদান করা হয় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহমুদুল হাছান দ্বারা।

১১ জুনের মধ্যে ৩৮০ মেট্রিকটন গম উত্তোলনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ২০০ মেট্রিকটন গম থেকে উৎপন্ন ১৫৪ মেট্রিকটন আটা ১৭ জুন এবং ১৮০ মেট্রিকটন গম থেকে উৎপন্ন ১৩৮ মেট্রিকটন আটা ২১ জুন সরবরাহ করতে বলা হয়।

এ অবস্থায় ১১ জুন কাগজপত্রে ময়মনসিংহ বিভাগের কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার (সিএসডি) থেকে ৩৮০ মেট্রিকটন গম উত্তোলন দেখানো হলেও প্রকৃতপক্ষে তা গুদামে ছিল। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামিলুর রহমান গত রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে অভিযানে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাদ্য বিভাগে কর্মরত একজন কর্মী জানান, কাগজপত্রে গুদাম থেকে গম উত্তোলন দেখানোর পর সেগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন কোম্পানির কাছে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। মিল থেকে কর্তৃপক্ষ সকলেই এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকায় এই অনিয়ম ধরা পড়ে না।

খবরে পেয়ে বিকেল ৫টার দিকে খাদ্য গুদামে গিয়ে দেখা যায়, মালামাল লোড-আনলোড বন্ধ রয়েছে। ৩০ নম্বর গুদামের সামনে দুটি পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। এই গুদাম থেকেই মেসার্স তালুকদার ফ্লাওয়ার মিলের নামে বরাদ্দের গম উত্তোলন দেখানো হলেও সেখানে মজুদ রয়েছে, জানান সেখানে কর্মরত ব্যক্তিরা।

৩০ নম্বর গুদামের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক জুনায়েদ ইবনে শফি বলেন, ‘বরাদ্দের আদেশের মেয়াদ একদিন থাকায় এটি করতে হয়েছে। গুদামে এখনও মাল থাকা যুক্তিযুক্ত নয়। তবে কাজের চাপের কারণে গাড়ি সময়মত পাঠাতে পারেনি। আজকে তারা (মিল মালিক) গাড়ি পাঠাচ্ছেন, মাল চলে যাবে।’

ময়মনসিংহ বিভাগের কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার (সিএসডি) থেকে কাগজপত্রে ১১ জুন পুরো গম উত্তোলন দেখানো হলেও বাস্তবে ঘটনাক্রমে তা হয়নি। সিএসডির ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ এরশাদুর রহমান খান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘৩৮০ মেট্রিকটনের যে ডিওটি হয়েছিল সেটি ১১ জুন পাওয়ায় এবং মাত্র একদিন মেয়াদ থাকায় এর পুরো সরবরাহ হয়নি। এখনও (১৪ জুন) প্রায় ৯৪ মেট্রিকটন উত্তোলন হয়নি, তবে উত্তোলন কার্যক্রম চলছে। এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি।’

মিলের নামে গম বরাদ্দ দেখিয়ে উত্তোলন দেখানো হলেও বাস্তবে গম বাইরে বিক্রি হয়, এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘প্রতি মাসেই গম যায় এবং আমাদের আটা সরবরাহ করে। পরে আমরা এই আটা ওএমএসের মাধ্যমে বিতরণ করি। যতটুকু ডিও হয় আমরা ততটুকু গম সরবরাহ করি। গম আসে না, এমনটা নয়, একদিনে ১৮০ টন গম বিতরণ করা সম্ভব নয়। আমাদের নথিপত্রে সব ঠিক আছে।’

তিনি আরও বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট এসেছিলেন, গমগুলো কেন এখনও যায়নি, সেটা দেখতে। কাজের বিরাট চাপের কারণে বিতরণ কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।’

তবে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার পর তারাকান্দার মেসার্স তালুকাদার ফ্লাওয়ার মিলের মালিক মোশার্রফ হোসেন তালুকদার বলেন, ‘বরাদ্দের পুরো ৩৮০ মেট্রিকটন বুঝে পেয়েছি। তবে কবে বুঝে পেয়েছেন তা তিনি বলতে পারেননি।

গুদাম থেকে গম নেওয়ার বাকি আছে কীনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা খাতা দেখে বলতে হবে। প্রথমে পুরো গম পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও পরে বলেন, কিছু গম এখনও পাওয়ার বাকি রয়েছে।’

এদিকে সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামিলুর রহমান ময়মনসিংহ বিভাগের কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার (সিএসডি) ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ এরশাদুর রহমান খানের কক্ষে বসে নথিপত্র যাচাই-বাছাই এবং কর্মকর্তাদের লিখিত জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে কক্ষ থেকে বের হওয়ার পর অভিযানের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু না বলে দ্রুত গাড়িতে করে চলে যান।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামিলুর রহমান জানান, ‘আমরা মজুদ ও নথিপত্র যাচাই করেছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করেছি। এখানে কিছু অনিয়ম পাওয়া গেছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবির আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে ৫০% ভর্তিতে জটিলতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


ইবির আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে ৫০% ভর্তিতে জটিলতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য মাদরাসা-কলেজ থেকে ৫০ শতাংশ ভর্তিনীতির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। অনুমোদিত নীতিতে বলা হয়েছিল, ৫০ শতাংশ মাদরাসা এবং ৫০ শতাংশ কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের ভর্তির কথা। কিন্তু সাম্প্রতিক গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমের মধ্যে সেই শর্ত মানা হয়নি। এ বিষয়ে টেকনিক্যাল কমিটি জানান, পরবর্তী মাইগ্রেশন থেকে সমন্বয়ের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৭ ডিসেম্বর, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগের জন্য ৫০:৫০ অনুপাতে আসন বণ্টনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চলমান ভর্তি কার্যক্রমে ওই নীতির কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। ভর্তির জন্য টাকা জমাদানকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৯০ শতাংশ কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের বলে জানায় বিভাগটি।

সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল কমিটির সদস্যদের মতে, আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে এ ইউনিট থেকে ৩২ জন, বি ইউনিট থেকে ৪০ জন এবং সি ইউনিট থেকে ৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তবে বিজ্ঞপ্তিতে মাদরাসা ও কলেজ শিক্ষার্থীদের সমান বণ্টনের কথা বলা হলেও ইউনিটভিত্তিক বণ্টনের স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় হিসাব নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁরা জানান, পরবর্তী মাইগ্রেশন থেকে বিষয়টি সমন্বয় করা হবে।

গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষায় অনার্সে ভর্তির সুযোগ পাওয়া নবীন শিক্ষার্থী আতিকুর রহমান দাবি করেন, ভর্তি নির্দেশিকায় মাদরাসা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ শতাংশ হারে আসন বরাদ্দের বিষয়টি স্পষ্ট ছিল। যদি পরে সেই শর্তে পরিবর্তন ঘটে, তবে তা শিক্ষার্থীদের প্রতি অন্যায় হবে। ভর্তির ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত দেখিয়ে পরে তা বাস্তবায়ন না করা প্রতারণার শামিল। কারণ শিক্ষার্থীরা নির্দেশিকায় উল্লিখিত শর্তের ভিত্তিতেই সাবজেক্ট চয়েস করেছে।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির দায়িত্বে থাকা সদস্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দিন খান জানান, বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে এবং কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবগত করা হয়েছে। এছাড়া, পরবর্তী মাইগ্রেশনে সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে।

অন্যদিকে, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির দায়িত্বে থাকা ইউএফটিবির রুবেল শেখ বলেন, আমি এ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তরাই এ সম্পর্কে ভালো বলতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মাকসুদুল হক তালুকদার জানান, যদি কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়ে থাকে তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের আগে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত ছিল। তিনি বর্তমানে এখানে রুটিন দায়িত্বে আছেন এবং ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রক্রিয়া তদারকি করেছেন শিক্ষা শাখার কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে উপ-রেজিস্ট্রার শহীদুল ইসলাম বলেন, মাদরাসা-কলেজ ভারসাম্য নীতি অনুযায়ী ভর্তি পরিচালনা করা হবে। প্রথম মেরিটে হয়তো এই ভারসাম্য পাওয়া যায়নি কিন্তু আগামী মেরিট থেকে এ শর্ত অনুযায়ী ভর্তি করানো হবে।

বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী ও প্রচলিত আইনের সমন্বয়ে শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষে আইন ও শরিয়াহ অনুষদের অধীনে ‘আল-ফিকহ্’ বিভাগ চালু হয়। শুরুতে আরবিতে দক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ভর্তি পরীক্ষা হলেও পরবর্তীতে ভর্তি পদ্ধতিতে একাধিক পরিবর্তন আসে। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে মাদরাসা ও কলেজ পটভূমির শিক্ষার্থীদের সমানসংখ্যক ভর্তির আয়োজন করা হয়। পরে গুচ্ছভিত্তিক উন্মুক্ত ভর্তি নীতির আওতায় সেই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

বিভাগের শিক্ষকদের দাবি, অনার্স ও মাস্টার্স মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার নম্বরের আরবি ও ফিকহভিত্তিক কোর্স রয়েছে। আরবিতে দুর্বল শিক্ষার্থীরা এসব কোর্সে পিছিয়ে পড়ায় ফলাফল খারাপ হয়ে যায়, রিটেক পরীক্ষা বৃদ্ধি পায় এবং সেশনজটের মতো সমস্যা তৈরি হয়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ৪০ জন মাদ্রাসা ও ৪০ জন কলেজ পটভূমির শিক্ষার্থীর জন্য আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আলতাফ হোসেন বলেন, বিভাগের অ্যাকাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ শর্ত যুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ভর্তি কার্যক্রমে কেন তা অনুসরণ করা হচ্ছে না, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নির্দেশে গঠিত ‘ইসলামিক ইউনিভার্সিটি কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ধারা ১.২.১ এবং ৫.১৪ তে ভর্তির ক্ষেত্রে জেনারেল ও মাদরাসা থেকে সমানসংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম বেধে দেওয়া হয়। ১৯৮৮ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর ৫০ শতাংশ মাদরাসা থেকে নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। দুই ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ১০০ নম্বরের ইংরেজি অথবা আরবি ও ইসলামিয়াতও আবশ্যিক ছিল। বর্তমানে এই ভারসাম্য বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ধর্মতত্ত্ব অনুষদেও নেই জেনারেল শিক্ষার্থীদের ৫০ শতাংশ ভারসাম্য নীতি। শুধুমাত্র আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগের জন্য তা পুনরায় কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হলেও চলমান ভর্তি কার্যক্রমে নীতিটি বাস্তবায়ন না হওয়ায় নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%