ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স-বাস সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪


পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স-বাস সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪

পাবনার আতাইকুলায় লাশবাহী অ্যাম্বুল্যান্সের সাথে একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আরো একজন মারা গেছেন। এই ঘটনায় নিহতের মোট সংখ্যা বেড়ে চারজন হয়েছে।

মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গুরুতর আহত শিশুটি, যার নাম নাফিস (৭), তাকে পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বিকেল তিনটায় চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাফিস সাঁথিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের অধিবাসী রেজাউল করিমের ছেলে।

এর আগে, রাজশাহী যাওয়ার পথে নাটোর পৌঁছানোর পর শনিবার সকাল ১১টায় ছলিম প্রামাণিক (৬৫) নামক একজন মারা যান। তিনি সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত দানেজ প্রামাণিকের সন্তান। এর পূর্বে, সকাল বেলা দুর্ঘটনাস্থলে মারা যান সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের বুলু খাতুন (৫৭), যিনি ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী এবং অ্যাম্বুল্যান্স চালক রাজ শেখ (২৮), যিনি পাবনা পৌর শহরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার জামাল শেখের পুত্র।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুটি ব্যক্তি, যারা ছলিম প্রামাণিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) এবং নাতি রিয়াদ সরদার (১৭)। বর্তমানে তারা পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের মরদেহ নিয়ে একটি অ্যাম্বুল্যান্স সাঁথিয়া উপজেলার নিজ বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে ছিল। বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই সোমবার সকালে সাড়ে সাতটার দিকে অ্যাম্বুল্যান্সটি পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গীর কড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে, বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস বাসের সঙ্গে একটি মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে অ্যাম্বুল্যান্সটি ধ্বংস হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন অ্যাম্বুল্যান্সের চালক রাজ শেখ এবং লাশের সঙ্গে ছিলেন শিশু কেয়ার নানি বুলু খাতুন। এ সময় আরও চারজন গুরুতর আহত হন।

ঘটনাটি জানার পর মাধপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। তারা নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় জড়িত বাস ও অ্যাম্বুল্যান্সটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বৈরাচার, গুম ও খুনের বিরুদ্ধে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বৈরাচার, গুম ও খুনের বিরুদ্ধে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি; দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসন, গণতন্ত্রহীনতা, দমন-পীড়ন, গুম, খুন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে মানুষের জমে থাকা ক্ষোভই এক সময়ে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

এসময় খাগড়াছড়িতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ পালন উপলক্ষ্যে দিবসটির তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা।

তিনি জানান, জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়; এটি দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত সংগ্রামের ফল।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার জমানায় যে কয়েকটি ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের মনোবেদনার কারণ হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশের মানুষ দেখতে চায় না, এবং এটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সকল রাজনৈতিক শক্তির।

এছাড়া সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই তিনি গত এক সপ্তাহ ধরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কাজ করছেন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি খাগড়াছড়ি সফর করছেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, পুলিশ সুপার মো. মোরতোজা আলী খাঁন, সিভিল সার্জন ডা. রতন খীসাসহ জেলার বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃত্ববৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্রুত রায় কার্যকর চান শহীদ আবু সাঈদের বাবা-মা ও সহযোদ্ধারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


দ্রুত রায় কার্যকর চান শহীদ আবু সাঈদের বাবা-মা ও সহযোদ্ধারা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদের দ্বিতীয় শাহাদাতবার্ষিকীতে তার বাবা-মা ও সহযোদ্ধারা হত্যাকাণ্ড মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

তারা বলেছেন, আদালতের রায় দ্রুত বাস্তবায়িত হলে অন্তত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- এমন সান্ত্বনা পাওয়া যাবে।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। পুলিশের সামনে বুক উঁচিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা তার সেই দৃশ্যের ভিডিও ও ছবি দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। পরে তা সারা দেশে আন্দোলনে ছড়িয়ে পড়ে এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ গত ৯ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেছেন। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন। সেই রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান নিহতের পরিবার ও সহযোদ্ধারা।

শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ছেলের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। কান্নাফাটা কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ছেলেটা তো আর ফিরে আসবে না। আজ ওর কথা খুব বেশি মনে পড়ছে। আদালত রায় দিয়েছে, কিন্তু সেই রায় যদি আমার জীবদ্দশায় কার্যকর হতে দেখতাম, তাহলে অন্তত মনে একটু শান্তি পেতাম।’ তিনি মামলার সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করার দাবি জানান।

মা মনোয়ারা বেগমও ছেলেকে হারানোর বেদনা প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রতিদিন বাবার কবরের কাছে যাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকলেও প্রতিদিন ফোন করে খোঁজ নিতো। এখন আর কেউ বলে না- মা, কেমন আছো? সংসারের দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল ওর। দেশের জন্য জীবন দিয়েছে। যারা আমার বাবাটাকে হত্যা করেছে, তাদের সবার ফাঁসি চাই।’

আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে বাঁচাতে সর্বপ্রথম এগিয়ে আসা সহযোদ্ধা সিয়াম আহসান আয়ান বলেন, ‘আবু সাঈদ নিজের পরিবার, বাবা-মা কিংবা নিজের জীবনের কথা না ভেবে দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। আদালত যে রায় দিয়েছেন, সেটি দ্রুত কার্যকর হলে দেশের মানুষ ন্যায়বিচারের প্রতিফলন দেখতে পাবে।’

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আবু সাঈদের নেতৃত্বে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দিলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল, রাবার বুলেট ও গুলি ছোড়ে। সংঘর্ষের মধ্যেও আবু সাঈদ সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখেন।

একপর্যায়ে পুলিশের সামনে বুক উঁচিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদকে লক্ষ্য করে গুলি করা হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়।

দ্বিতীয় শাহাদাতবার্ষিকীতে আবু সাঈদের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল, স্মরণ সভা ও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাকে স্মরণ করছেন স্বজন, সহযোদ্ধা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের মানুষ। একই সঙ্গে তারা আবু সাঈদ হত্যার বিচার সম্পন্ন করে ঘোষিত রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই শহীদ দিবস পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই শহীদ দিবস পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই শহীদ দিবস পালিত হয়েছে। বরাবরের মতো, বৃহস্পতিবার(১৬ জুলাই) দুপুরে দিবসটির উল্লেখযোগ্য উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখ। তিনি বলেন, কোটা আন্দোলনের শুরু থেকেই আমাদের তরুণ শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে ১৭ বছরের দুঃশাসন রুখে দিয়েছে। তাদের সেই ত্যাগ ও তিতিক্ষার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। আমি বিশ্বাস করি জুলাই কখনো হারিয়ে যাবে না বলেই জুলাই নিয়ে বিশ্বব্যাপী গবেষণা হবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের আদর্শ ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, দেশকে সুন্দর করে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে জুলাই শহীদরা আত্মত্যাগ করেছেন। তাদের সেই ত্যাগের প্রতি আমরা চিরঋণী। আমরা যদি আংশিকভাবেও তাদের আদর্শ ধারণ করতে পারি, তবে এই দেশ সমূলে বদলে যাবে। আমরা এখনো সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি এবং আমাদের সবাইকে এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান সভাপতিত্বে এবং ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ড. মো. রাজিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের আহ্বায়ক ড. মাহাবুব হাসান, প্রক্টর ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্য সচিব ড. এস এম আহসান, রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান, পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক আব্দুল্লাহ বিন কাইজারসহ অনেকে বক্তব্য প্রদান করেন।

এছাড়াও, দিবসটির উল্লেখে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং বিকালে মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন,দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধবংস করে ফেলেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হচ্ছিল।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জনপ্রশাসন সভা কক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের বৈঠকে তিনি এই কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি প্রতিনিধি দলের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হয়েছে। এই প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী এর কাছে। প্রধানমন্ত্রীরা অধীর আগ্রহে তাদের বক্তব্য শুনেছেন।

উপ-প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেছেন, এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড় এবং এটিতে টিকে থাকতে হলে, ভবিষ্যতে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের এগিয়ে আসতে হবে।

সুজন মাহমুদ জানালেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে অভিহিত করে বলেছেন, তিনি এবং তাঁর সরকার এমন এক দেশ গড়ার জন্য কাজ করছেন যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গঠনের জন্য তিনি সবাইকে একসাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। কাউকে আলাদা মনে করছেন না।

বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন আয়োজন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শব্দের পরিবর্তে গোত্র ভিত্তিক পরিচয় প্রদান, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে অথবা রিজার্ভ বনাঞ্চল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসতি উচ্ছেদ বন্ধ করাসহ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ঋণ সুবিধা প্রদানের দাবি তুলে ধরা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রাষ্ট্র আমাদেরকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে বাধ্য করছে। সকল প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকারের দ্বারা ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হচ্ছে। যদি অর্থ পাচার না হতো তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) সব সমস্যা সমাধিত হয়ে যেতো।

তিনি এ কথাও বলেন, আমাদের সরকার সেগুলো সমাধানযোগ্য যেগুলো সেগুলোকে আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।

দেশের বিদ্যমান সমস্যা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশে এত সমস্যা এখনো আছে দেখে তিনি অবাক হচ্ছেন। কারণ ১৭ বছর তো এগুলো ঠিক হওয়ার কথা। যদি তখন সমাধান করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতো।

তিনি আরো বলেন, আগে যেসব উন্নয়নের গল্প শুনেছি, সেগুলো কোথায়? সব চাপ এখন আমাদের সরকারের উপর। এই সরকারের ওপরে জনগণের প্রত্যাশা বেড়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।

দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবস্থা ফ্যাসিস্ট সরকারের কারণে খারাপ হয়েছে, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের নেয়া উদ্যোগগুলো তুলে ধরে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানান উপ-প্রেস সচিব।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তারা একটি জেনারেশনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন। তার সময়ে ৩১ বেডের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। এরপর যখন আমাদের সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তখন সেটার উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর তা ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। এখন আমরা ১০১ বেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগের সরকার ইউনিয়ন ভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল, কিন্তু সেগুলোর কার্যক্রম নেই।

২০২৬-২৭ অর্থ বছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং জরুরি মেডিকেল যন্ত্রাংশের ওপর কর হ্রাস করার প্রতিও প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতি কর্মী সঞ্জিব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধির উপস্থিতি ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%