প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার আতাইকুলায় লাশবাহী অ্যাম্বুল্যান্সের সাথে একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আরো একজন মারা গেছেন। এই ঘটনায় নিহতের মোট সংখ্যা বেড়ে চারজন হয়েছে।
মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গুরুতর আহত শিশুটি, যার নাম নাফিস (৭), তাকে পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বিকেল তিনটায় চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাফিস সাঁথিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের অধিবাসী রেজাউল করিমের ছেলে।
এর আগে, রাজশাহী যাওয়ার পথে নাটোর পৌঁছানোর পর শনিবার সকাল ১১টায় ছলিম প্রামাণিক (৬৫) নামক একজন মারা যান। তিনি সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত দানেজ প্রামাণিকের সন্তান। এর পূর্বে, সকাল বেলা দুর্ঘটনাস্থলে মারা যান সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের বুলু খাতুন (৫৭), যিনি ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী এবং অ্যাম্বুল্যান্স চালক রাজ শেখ (২৮), যিনি পাবনা পৌর শহরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার জামাল শেখের পুত্র।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুটি ব্যক্তি, যারা ছলিম প্রামাণিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) এবং নাতি রিয়াদ সরদার (১৭)। বর্তমানে তারা পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের মরদেহ নিয়ে একটি অ্যাম্বুল্যান্স সাঁথিয়া উপজেলার নিজ বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে ছিল। বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই সোমবার সকালে সাড়ে সাতটার দিকে অ্যাম্বুল্যান্সটি পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গীর কড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে, বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস বাসের সঙ্গে একটি মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে অ্যাম্বুল্যান্সটি ধ্বংস হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই নিহত হন অ্যাম্বুল্যান্সের চালক রাজ শেখ এবং লাশের সঙ্গে ছিলেন শিশু কেয়ার নানি বুলু খাতুন। এ সময় আরও চারজন গুরুতর আহত হন।
ঘটনাটি জানার পর মাধপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। তারা নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় জড়িত বাস ও অ্যাম্বুল্যান্সটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন