আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ প্রতিনিধি
১০:৫৫ এম
চট্টগ্রাম জেলার দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের উদ্যোগে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দিবস উদযাপন করেছে।
“আসুন সবাই মিলে গড়ি মাসিকবান্ধব পৃথিবী” স্লোগানকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (১০ জুন) মুছাপুর বদিউজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে ব্যবস্থাপনার সভাপতি ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ারুল কবির। বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের অংশগ্রহণে মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
নারী প্রগতি সংঘের উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিনা বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্র ব্যবস্থাপক মো. শামসুদ্দীন। পরে মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে ধারণাপত্র পাঠ করেন বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আতিকা জাহান দীপা।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সন্দ্বীপ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. আশরাফুর রহমান নাদিম। তিনি মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থান, এ-সংক্রান্ত নীতি ও উদ্যোগ, বয়ঃসন্ধিকাল, ঋতুস্রাব, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব এবং মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অভিভাবক এবং সরকারের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
ডা. নাদিম বলেন, “মাসিক কোনো লজ্জার বিষয় নয়, এটি নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। মাসিক না হওয়াই বরং অস্বাভাবিক। মাসিককালীন কোনো শারীরিক জটিলতা বা অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তা অভিভাবকদের জানাতে হবে এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের সংকোচ বা লজ্জা রাখা উচিত নয়।”
সভায় আরও বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. বেলাল হোসাইন, সিনিয়র শিক্ষক গুলশাহানারা খানম, নারী প্রগতি সংঘের প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মো. রাশেদ ও রাহুল কান্তি দাশ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা মাসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সামাজিক কুসংস্কার ও সংকোচ দূর করে কিশোরীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসম্মত মাসিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকলের সম্পৃক্ততা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন আরও ৩ জন এবং আহত হয়েছেন ৫ জন। পাশাপাশি, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামলার ফলে হামাসের আর্থিক নেটওয়ার্কের দুই শীর্ষ সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়াও, বিদেশে চিকিৎসা নিতে চাওয়া হাজারো ফিলিস্তিনিকে বাধা দেয়া এবং সীমান্ত বন্ধ হওয়ায় মানবিক সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে।
গাজায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মৃতের संख्या ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও হামলা থামছে না, ফলে শত শত প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। উপত্যকাজুড়ে মানবিক সংকট আরো গভীর হচ্ছে।
এদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হামাসের আর্থিক নেটওয়ার্কের কয়েকজন শীর্ষ সদস্য উত্তর গাজার এক হামলায় নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনী জানায়, তারা সামরিক শাখায় কোটি কোটি ডলারের অর্থ প্রবাহ পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রদান করা হয়নি, ফলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এছাড়া, গাজা থেকে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তায় বিদেশে যেতে চাওয়া প্রায় ১৭ হাজার ফিলিস্তিনিকে বাঁধা দেয়ার অভিযোগও উঠেছে ইসরাইলের বিরুদ্ধে। সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ থাকার এবং খোলার অনিশ্চয়তার কারণে রোগীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। মানবিক সহায়তা প্রবেশ ও রোগী সরানোর প্রধান পথগুলো সীমিত হওয়ায় দ্রুত সব সীমান্ত পুনরায় খোলার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। বেতলেহেমের হুসান গ্রাম থেকে একাধিক গ্রেফতারের খবর এসেছে নাবলুস ও জেনিন অঞ্চলে। রামাল্লাহর পশ্চিমে অভিযানের সময় মারধর ও আটক করার অভিযোগও উঠেছে।
এছাড়া, দীর্ঘ ১৮ মাস আটক থাকার পর চিকিৎসক হুসাম আবু সাফিয়ার আদালতে উপস্থিতির একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে তাকে দুর্বল অবস্থায় দেখা যাচ্ছে, যা নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার জবাবে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও নরওয়ে সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। ছয়টি সংস্থা ও কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এসেছে, যার মধ্যে ইসরাইলের অর্থমন্ত্রীকেও তালিকাভুক্ত করেছে ফ্রান্স।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ৮০০টিরও বেশি সহিংস ঘটনার প্রভাব পড়ছে ২০০টিরও বেশি সম্প্রদায়ে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) একটি বর্তমান বাস্তবতা; এটি ভবিষ্যতের ধারণা নয়। অনেক ক্ষেত্রেই, যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং, শিল্প উৎপাদন এবং গণমাধ্যম, AI-এর ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। তবে এর সাথে সংশ্লিষ্ট একটি প্রশ্ন উঠছে: AI কি মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে, নাকি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, AI প্রযুক্তি কর্মক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনছে। যেসব কাজ নিয়মিত, পুনরাবৃত্তিমূলক এবং তথ্যভিত্তিক, সেগুলো ক্রমেই স্বয়ংক্রিয় হয়ে যাচ্ছে। তাই কিছু পেশায় মানুষের চাহিদার হ্রাসের আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সাপোর্ট, সাধারণ হিসাবরক্ষণ এবং কিছু প্রশাসনিক কাজ বর্তমানে AI-নির্ভর সফটওয়্যার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তবে, বিষয়টিতে অন্য একটি দিকও রয়েছে। ইতিহাসের শিক্ষায় দেখা যায়, নতুন প্রযুক্তির আবির্ভাবে কিছু চাকরি বিলুপ্ত হয়েছে, তবে নতুন ধরনের কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে। AI-র ক্ষেত্রেও এমন সম্ভাবনা বিদ্যমান। বর্তমানে, AI ডেভেলপমেন্ট, ডেটা অ্যানালিটিক্স, মেশিন লার্নিং, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল মার্কেটিং, এবং প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনার মতো খাতে দক্ষ ব্যক্তিদের চাহিদা বাড়ছে। এই কারণে, প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারলে নতুন প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন অর্থ উন্মোচিত হতে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে তরুণ জনগণের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জও বড়। যদি AI-এর বিস্তার দক্ষতা উন্নয়নের সাথে মেলানো না যায়, তখন অনেক তরুণ চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়তে পারেন। তবে, সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তরুণরা বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। শিক্ষাবিদদের মতে, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তি-ভিত্তিক দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, সৃজনশীল চিন্তা এবং সমালোচনামূলক বিশ্লেষণের উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। কারণ, যদিও AI তথ্য প্রক্রিয়াকরণে দক্ষ, তবে এটি মানবিক বিচারবোধ, নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার বিকল্প হতে পারে না। অর্থনীতিবিদদের মতে, AI-কে শুধুমাত্র চাকরির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখতে হবে না। বরং, এটি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নতুন শিল্প খাতের বিকাশ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগও তৈরি করতে পারে। তবে, এর সুফল পেতে হলে সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতকে একযোগে কাজ করতে হবে। বিশ্ব যখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন AI নিয়ে ভয় না পেয়ে প্রস্তুতির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের এই সময়ে যারা নতুন দক্ষতা অর্জন করবে, তারাই ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে এগিয়ে থাকবে। সবশেষে, বলা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চাকরির বাজারের জন্য একই সাথে সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। এটি একটি দিক থেকে কিছু প্রচলিত চাকরির ধরনকে পরিবর্তন করছে, অন্যদিকে নতুন সম্ভাবনার দ্বারও খুলে দিচ্ছে। তাই, AI-কে হুমকি হিসেবে না দেখে, বরং পরিবর্তিত বাস্তবতার অংশ হিসেবে গ্রহণ করে দক্ষতার উন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করাই হতে পারে ভবিষ্যতের কার্যকর কৌশল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের সুযোগের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জয় পেলেই ইতিহাস গড়বে টাইগাররা।
তবে সিরিজের প্রথম ম্যাচের মতো এবারও টস ভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের। টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক জস ইংলিশ। ফলে বাংলাদেশকে শুরুতে নামতে হচ্ছে ফিল্ডিংয়ে।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দলে একটি পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাট হাতে ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হওয়ায় একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন সাইফ হাসান। তার জায়গায় দলে ফিরেছেন সৌম্য সরকার।
অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর অস্ট্রেলিয়াও একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে। লিয়াম স্কটের পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন রেইলি মেরেডিথ।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ডিএলএস পদ্ধতিতে ৮৬ রানের বড় জয় তুলে নেয়। চার বছর পর দলে ফিরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান মোসাদ্দেক হোসেইন। তিনি ৭০ বলে ৮৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলার পাশাপাশি বল হাতে ৩৭ রানে ২ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন।
এছাড়া পেসার নাহিদ রানা ৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধস নামান। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে সহজেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ।
এখন দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় রয়েছে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজের দল। সিরিজ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাঠে নামা টাইগারদের দিকে তাকিয়ে দেশের কোটি ক্রিকেটভক্ত।
বাংলাদেশের একাদশ: সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস (উইকেটকিপার), তৌহিদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা।
অস্ট্রেলিয়ার একাদশ: ম্যাথু শর্ট, কুপার কনোলি, মারনাস লাবুশেন, জশ ইংলিশ (অধিনায়ক/উইকেটকিপার), অ্যালেক্স কেরি, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাট রেনশ, জেভিয়ার বার্টলেট, রিলি মেরেডিথ, নাথান এলিস, অ্যাডাম জাম্পা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় একটি মালবাহী ট্রাকের চাপায় চলমান ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। ঘটনার পর একই সাথে আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরের দিকে ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাকুন্দিয়া উপজেলার শ্রীরামদী এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা এলাকার রুস্তম আলীর ছেলে বাদল মিয়া (৪৫) এবং অপরজন হলেন হোসেনপুর উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের দাপুনিয়া এলাকার শামসুদ্দিনের ছেলে ইছাম উদ্দিন (৫০)।
অতিরিক্ত পুলিশ জানাচ্ছে, ভোরের দিকে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী একটি মালবাহী ট্রাক মহাসড়কের শ্রীরামদী সরকারি হিমাগার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসতে থাকা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এই নিদারুণ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হন এবং আরও তিনজন গুরুতর আহতাবস্থায় পড়েন।
আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে জানা গেছে, অটোরিকশার যাত্রীরা সকলেই বরশি দিয়ে মাছ ধরার জন্য পিঁপড়ার ডিম সংগ্রহ করতে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় চাপা দেয়া ট্রাক ও ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে। তবে ট্রাকচালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ