ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠকের পরিকল্পনা নেই শিগগিরই


ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠকের পরিকল্পনা নেই শিগগিরই

ইরান জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বৈঠক করার পরিকল্পনা তাদের নেই। তবে, একই সময়ে কাতারের রাজধানী দোহায় দুই দেশের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়নের কারিগরি আলোচনা চলবে।

এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) জানায়, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘মূলত আগামী কয়েক দিনে কোনো পর্যায়ে মার্কিন পক্ষের সাথে বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।’

তিনি আরো বলেছেন, দোহায় ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নসংক্রান্ত কারিগরি আলোচনা হচ্ছে, যা ওয়াশিংটনের সাথে রাজনৈতিক আলোচনা নয়; বরং সমঝোতা স্মারকের ভিন্ন ভিন্ন ধারা বাস্তবায়নের বিষয়ে একটি কারিগরি বৈঠক। এর মধ্যে ইরানের জব্দকৃত সম্পদের মুক্তির বিষয়টি রয়েছে।

আরও পড়ুন: টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি: অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

বাঘাই উল্লেখ করেন, অন্য পক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করলে তবেই ইরানও নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে। তিনি বলেন, সমঝোতা স্মারকে সব পক্ষের দায়দায়িত্ব স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সেখানকার কাঠামোর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রেরও নির্দিষ্ট দায়বদ্ধতা রয়েছে।

মঙ্গলবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ মোহাম্মদ আল-আনসারি জানান, দোহায় চলমান বৈঠকগুলো বৃহত্তর মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার অংশ। এই বৈঠকগুলোতে ইরান সম্পর্কিত বিষয়ও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার বর্তমানে দোহায় অবস্থান করছেন। তারা কাতারি কর্মকর্তা ও মধ্যস্থতাকারীদের সাথে বৈঠক করছেন, তবে সংবাদ সম্মেলনে ইরানি প্রতিনিধিদের সাথে সরাসরি রাজনৈতিক আলোচনা হচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে দোহা ও অন্যান্য স্থানে যে বৈঠকগুলো হচ্ছে, সেগুলো মূলত কারিগরি পর্যায়ের।

এই মাসে সুইজারল্যান্ডে একটি প্রাথমিক বৈঠকের অংশ হিসেবে ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তির রূপরেখা তৈরির জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

বিদেশে জব্দকৃত ইরানের ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়ার বিষয়ে কাতারের মুখপাত্র জানান, কাতারে আটকে থাকা ইরানের ৬ বিলিয়ন ডলারের তহবিল এখনো তেহরানের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। ওই অর্থ ছাড়ের বিষয়টি আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে, অর্থাৎ কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হলেই অর্থ ছাড়ের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ভেন্যুর আকাশে সহস্রাধিক ড্রোন, ৩০০টি নিষ্ক্রিয় করল এফবিআই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


বিশ্বকাপ ভেন্যুর আকাশে সহস্রাধিক ড্রোন, ৩০০টি নিষ্ক্রিয় করল এফবিআই

চলমান ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নিরাপত্তা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। টুর্নামেন্টটির অর্ধেক পথ পেরোতেই আয়োজক দেশগুলোর ভেন্যু ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ১ হাজার ১০০-র বেশি অননুমোদিত ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই ও নিরাপত্তা বাহিনী সফলভাবে ৩০০টিরও বেশি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করেছে। আজ সোমবার ওয়াশিংটনের কাছে এফবিআই আয়োজিত আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ বিষয়ক কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জুলিয়ানি জানান, গত রবিবার রাত পর্যন্ত বিশ্বকাপ ভেন্যু এবং এর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোট ১ হাজার ১৩৯টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। তবে কোনো ধরনের শক্তি প্রয়োগ বা ধ্বংসাত্মক পদ্ধতি ছাড়াই এগুলোকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয় নিরাপত্তা কর্মীরা। যদিও সুরক্ষার স্বার্থে ড্রোনগুলো নিষ্ক্রিয় করার সুনির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত কৌশল প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের নিরাপত্তা সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা এফবিআই-এর বিশেষ এজেন্ট ডগ অলসন জানিয়েছেন, তদন্তের অংশ এবং আইনি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের জন্য ইতিমধ্যেই ৫০০-র বেশি ড্রোন জব্দ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে এবারই প্রথম ৪৮টি দলের এই মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর এই আসরকে নিশ্ছিদ্র রাখতে কয়েক শত মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে অত্যাধুনিক ড্রোন শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে মার্কিন প্রশাসন। অননুমোদিত ড্রোন জ্যাম বা আটকে দেওয়ার জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি আয়োজক শহরের কয়েক ডজন পুলিশ কর্মকর্তাকে এফবিআই-এর বিশেষ কেন্দ্রে কাউন্টার-ড্রোন অপারেশনের ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বড় বড় ক্রীড়া ও রাজনৈতিক ইভেন্টে ড্রোন হামলা বা অনুপ্রবেশের ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি জুনের শুরুতেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিনে হোয়াইট হাউসে আয়োজিত একটি মিক্সড মার্শাল আর্টস ফাইট নাইটকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন হামলার একটি পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেয় এফবিআই। এর আগে ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকেও সাড়ে তিনশর বেশি অননুমোদিত ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছিল, যার জেরে ৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবারের বিশ্বকাপে ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা_previous all records সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘রাম মন্দিরের অর্থ আত্মসাতে মুসলিম জড়িত থাকলে এতক্ষণে এনকাউন্টার দিতেন যোগী’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


‘রাম মন্দিরের অর্থ আত্মসাতে মুসলিম জড়িত থাকলে এতক্ষণে এনকাউন্টার দিতেন যোগী’

রাম মন্দিরের অর্থ আত্মসাতের ইস্যুতে বিজেপি সরকারের সমালোচনার তাত্পর্য তুলে ধরে ভারতের অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের প্রধান ও সংসদ সদস্য আসাদউদ্দিন ওয়াইসি যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি সোমবার (২৯ জুন) পশ্চিম উত্তর প্রদেশের বিজনোরে এক সমাবেশে সংবাদমাধ্যমে বলেন, 'যদি রাম মন্দির ট্রাস্ট থেকে অর্থ আত্মসাতে কোনো মুসলিম জড়িত থাকতেন, তাহলে এতক্ষণে তাকে এনকাউন্টারে হত্যা করা হতো।' তার মতে, এমন মুসলিম থাকার কারণে তার বাড়িতে বুলডোজার চালিয়ে দেয়া হতো। খবরটির সূত্র এনডিটিভি।

ওয়াইসি এই মামলায় ব্যবস্থা নিতে বিলম্বের অভিযোগ তুলে বলেন, 'পুলিশ এখনো এই বহুল আলোচিত মামলার অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে আনার প্রচেষ্টাও করছে না।'

তিনি বলেন, 'যদি ট্রাস্টে একজন মুসলিমকে অন্তর্ভুক্ত করা হতো, তাহলে তার এনকাউন্টার করে এবং বাড়িতে বুলডোজার চালিয়ে মামলার নিষ্পত্তি করা যেত। কিন্তু এখনকার অভিযুক্তরা নির্বিঘ্নে আছেন।'

ওয়াইসি রাম মন্দির ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, 'চম্পত আরামে আছেন।' সম্প্রতি অনুদান আত্মসাতের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর চম্পত রায় তার দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কয়েক দিন আগে ওয়াইসি উত্তর প্রদেশ সরকারকে প্রশ্ন করেছিলেন, রাজ্যে মুসলিমদের ক্ষেত্রে গুলি চালানো বা বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে, তাহলে কি এই মামলার অভিযুক্তদের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা নেয়া হবে?

রাম মন্দিরের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ভারতজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছে এবং এটি বড় ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দলসমূহও এ ঘটনায় যোগী আদিত্যনাথ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করছে।

সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর এ ইস্যুর গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়, যার পর রাজ্য সরকারের বিশেষ তদন্ত দল মামলাটির তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন বাসভবনে তল্লাশি, হিসাববহির্ভূত নগদ অর্থ উদ্ধার এবং মন্দিরের কর্মী ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

এ ঘটনার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি মন্দিরের ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিও উঠেছে।

২৫ জুন ট্রাস্টের সদস্য কৃষ্ণ মোহনের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার প্রথম এফআইআর দায়ের হয়, যেখানে আটজন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করা হয়। এই আটজন হলেন অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লাভকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামাশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রাম শঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু। এরা সবাই রাম মন্দিরের অনুদান গণনার দায়িত্বে ছিলেন।

যোগী আদিত্যনাথ ২৬ জুন বলেন, 'যদি জনগণের আস্থা নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে সরকার শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করবে।'

এখনও পর্যন্ত আত্মসাৎ হওয়া অর্থের সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি। যদিও ধারণা করা হচ্ছে, মন্দিরের হিসাব থেকে প্রায় ৭ থেকে ৭ দশমিক ৫ কোটি রুপি নগদ অর্থের গরমিল রয়েছে এবং এপর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্তদের কাছ থেকে প্রায় ৮০ লাখ রুপি উদ্ধার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষক কার্ডে মিলছে ১০ ধরনের সুবিধা: তথ্য কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


কৃষক কার্ডে মিলছে ১০ ধরনের সুবিধা: তথ্য কর্মকর্তা

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও পুনঃখনন, নারীর জন্য গাড়ি এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জনমুখী সুবিধাদি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং করেছে তথ্য কর্মকর্তারা।

এ সময় জানানো হয়, কর্মসূচিগুলোর উপকারিতার তথ্য সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিলে আরও বেশি মানুষ জানবে, উপকার পাবে।

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সম্মেলন কক্ষে জেলা তথ্য অফিস সরকারের অগ্রাধিকার বিষয়ক কর্মসূচিগুলো সম্বন্ধে বিস্তারিত তুলে ধরা হয় এই ব্রিফিংয়ে।

ব্রিফিংয়ে জেলার তথ্য পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা মূলত ১০টি প্রধান সুবিধা ভোগ করেন।

এর মধ্যে রয়েছে, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সহজে কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি, ভর্তুকি মূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে কৃষিঋণ প্রাপ্তি, স্বল্প মূল্যে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা ও ব্যবহারের সুযোগ, কৃষি বীমা ও পণ্য বিক্রয়, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, পরিচয়ের স্বীকৃতি এবং স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি হ্রাস।

কৃষি ঋণ মওকুফ বিষয়ে বলা হয়, সরকার শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল ঋণের পাশাপাশি তার ওপর অর্জিত সব ধরনের সুদ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এই সুবিধার আওতায় দেশের প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন।

ফ্যামিলি কার্ড বর্তমান সরকারের একটি ডিজিটাল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি হিসাবে উল্লেখ করে বলা হয়, এর মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে সরাসরি নগদ আর্থিক সহায়তা এবং টিসিবির মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য প্রদান করা হচ্ছে।

এ সময় তথ্য পরিচালক মীর আকরাম খাল খনন ও পুনঃখনন পরিবেশ ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে বহুমুখী উপকারিতা নিয়ে আসে উল্লেখ করে জানান, এটি শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন বাড়ায়, বর্ষায় জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ করে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সমৃদ্ধ করে এবং স্থানীয় পর্যায়ে মাছ চাষ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, মানুষ ও প্রাণিকূলের অস্তিত্ব, বিশুদ্ধ পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অপরিসীম।

গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য, কাঠ ও ওষুধ সরবরাহ করে।

এছাড়া, ভূমিক্ষয় রোধ ও দুর্যোগ মোকাবিলাসহ নানাবিধ উপকার রয়েছে এ কর্মসূচির।

নারীর জন্য গাড়ি সম্পর্কে আলোকপাত করে পরিচালক জানান, সরকার নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ নারী পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত 'পিংক বাস সার্ভিস' (ইলেকট্রিক বাস) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়, যেখানে বাস চালক, হেল্পার ও সুপারভাইজার—সবাই হবেন নারী।

নারীদের নিরাপদ যাতায়াত ও গাড়ি চালনায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. মাসুদ মিয়া, জেলা তথ্য অফিসের সহকারী পরিচালক আফসানা ফেরদৌস মিষ্টি, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ কাইয়ূমসহ জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিং শেষে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রবর্তিত কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও পুনঃখনন, নারীর জন্য গাড়ি এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জনমুখী সুবিধাদি ভিডিও স্টোরিতে তুলে ধরা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় হত্যা মামলায় দুই আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


খুলনায় হত্যা মামলায় দুই আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

 পাইকগাছার ইব্রাহীম মোড়লকে হত্যার দায়ে আদালত দুই আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সময়ে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা প্রদান না করলে তাদের আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার খুলনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজী এই রায় ঘোষণা করেছেন। আদালতের বেঞ্চের সহকারী মনসুর আহমেদ বাসসকে বিষয়টির নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, পাইকগাছা উপজেলার খাটুমারী গ্রামের বাবুল ফকিরের ছেলে মো. আকবর ফকির এবং একই উপজেলার বান্দিকাটি গ্রামের ওহাব জোয়াদ্দারের ছেলে ওবায়দুল্লাহ জোয়াদ্দার।

রায় ঘোষণার সময় ওবায়দুল্লাহ জোয়াদ্দার পলাতক ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%