ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ ভেন্যুর আকাশে সহস্রাধিক ড্রোন, ৩০০টি নিষ্ক্রিয় করল এফবিআই


বিশ্বকাপ ভেন্যুর আকাশে সহস্রাধিক ড্রোন, ৩০০টি নিষ্ক্রিয় করল এফবিআই

চলমান ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নিরাপত্তা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। টুর্নামেন্টটির অর্ধেক পথ পেরোতেই আয়োজক দেশগুলোর ভেন্যু ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ১ হাজার ১০০-র বেশি অননুমোদিত ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই ও নিরাপত্তা বাহিনী সফলভাবে ৩০০টিরও বেশি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করেছে। আজ সোমবার ওয়াশিংটনের কাছে এফবিআই আয়োজিত আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ বিষয়ক কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জুলিয়ানি জানান, গত রবিবার রাত পর্যন্ত বিশ্বকাপ ভেন্যু এবং এর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোট ১ হাজার ১৩৯টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। তবে কোনো ধরনের শক্তি প্রয়োগ বা ধ্বংসাত্মক পদ্ধতি ছাড়াই এগুলোকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয় নিরাপত্তা কর্মীরা। যদিও সুরক্ষার স্বার্থে ড্রোনগুলো নিষ্ক্রিয় করার সুনির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত কৌশল প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের নিরাপত্তা সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা এফবিআই-এর বিশেষ এজেন্ট ডগ অলসন জানিয়েছেন, তদন্তের অংশ এবং আইনি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের জন্য ইতিমধ্যেই ৫০০-র বেশি ড্রোন জব্দ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে এবারই প্রথম ৪৮টি দলের এই মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর এই আসরকে নিশ্ছিদ্র রাখতে কয়েক শত মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে অত্যাধুনিক ড্রোন শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে মার্কিন প্রশাসন। অননুমোদিত ড্রোন জ্যাম বা আটকে দেওয়ার জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি আয়োজক শহরের কয়েক ডজন পুলিশ কর্মকর্তাকে এফবিআই-এর বিশেষ কেন্দ্রে কাউন্টার-ড্রোন অপারেশনের ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বড় বড় ক্রীড়া ও রাজনৈতিক ইভেন্টে ড্রোন হামলা বা অনুপ্রবেশের ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি জুনের শুরুতেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিনে হোয়াইট হাউসে আয়োজিত একটি মিক্সড মার্শাল আর্টস ফাইট নাইটকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন হামলার একটি পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেয় এফবিআই। এর আগে ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকেও সাড়ে তিনশর বেশি অননুমোদিত ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছিল, যার জেরে ৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবারের বিশ্বকাপে ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা_previous all records সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘রাম মন্দিরের অর্থ আত্মসাতে মুসলিম জড়িত থাকলে এতক্ষণে এনকাউন্টার দিতেন যোগী’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


‘রাম মন্দিরের অর্থ আত্মসাতে মুসলিম জড়িত থাকলে এতক্ষণে এনকাউন্টার দিতেন যোগী’

রাম মন্দিরের অর্থ আত্মসাতের ইস্যুতে বিজেপি সরকারের সমালোচনার তাত্পর্য তুলে ধরে ভারতের অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের প্রধান ও সংসদ সদস্য আসাদউদ্দিন ওয়াইসি যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি সোমবার (২৯ জুন) পশ্চিম উত্তর প্রদেশের বিজনোরে এক সমাবেশে সংবাদমাধ্যমে বলেন, 'যদি রাম মন্দির ট্রাস্ট থেকে অর্থ আত্মসাতে কোনো মুসলিম জড়িত থাকতেন, তাহলে এতক্ষণে তাকে এনকাউন্টারে হত্যা করা হতো।' তার মতে, এমন মুসলিম থাকার কারণে তার বাড়িতে বুলডোজার চালিয়ে দেয়া হতো। খবরটির সূত্র এনডিটিভি।

ওয়াইসি এই মামলায় ব্যবস্থা নিতে বিলম্বের অভিযোগ তুলে বলেন, 'পুলিশ এখনো এই বহুল আলোচিত মামলার অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে আনার প্রচেষ্টাও করছে না।'

তিনি বলেন, 'যদি ট্রাস্টে একজন মুসলিমকে অন্তর্ভুক্ত করা হতো, তাহলে তার এনকাউন্টার করে এবং বাড়িতে বুলডোজার চালিয়ে মামলার নিষ্পত্তি করা যেত। কিন্তু এখনকার অভিযুক্তরা নির্বিঘ্নে আছেন।'

ওয়াইসি রাম মন্দির ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, 'চম্পত আরামে আছেন।' সম্প্রতি অনুদান আত্মসাতের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর চম্পত রায় তার দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কয়েক দিন আগে ওয়াইসি উত্তর প্রদেশ সরকারকে প্রশ্ন করেছিলেন, রাজ্যে মুসলিমদের ক্ষেত্রে গুলি চালানো বা বুলডোজার দিয়ে বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে, তাহলে কি এই মামলার অভিযুক্তদের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা নেয়া হবে?

রাম মন্দিরের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ভারতজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছে এবং এটি বড় ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দলসমূহও এ ঘটনায় যোগী আদিত্যনাথ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করছে।

সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর এ ইস্যুর গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়, যার পর রাজ্য সরকারের বিশেষ তদন্ত দল মামলাটির তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন বাসভবনে তল্লাশি, হিসাববহির্ভূত নগদ অর্থ উদ্ধার এবং মন্দিরের কর্মী ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

এ ঘটনার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি মন্দিরের ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিও উঠেছে।

২৫ জুন ট্রাস্টের সদস্য কৃষ্ণ মোহনের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার প্রথম এফআইআর দায়ের হয়, যেখানে আটজন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করা হয়। এই আটজন হলেন অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লাভকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামাশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রাম শঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু। এরা সবাই রাম মন্দিরের অনুদান গণনার দায়িত্বে ছিলেন।

যোগী আদিত্যনাথ ২৬ জুন বলেন, 'যদি জনগণের আস্থা নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে সরকার শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করবে।'

এখনও পর্যন্ত আত্মসাৎ হওয়া অর্থের সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি। যদিও ধারণা করা হচ্ছে, মন্দিরের হিসাব থেকে প্রায় ৭ থেকে ৭ দশমিক ৫ কোটি রুপি নগদ অর্থের গরমিল রয়েছে এবং এপর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্তদের কাছ থেকে প্রায় ৮০ লাখ রুপি উদ্ধার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষক কার্ডে মিলছে ১০ ধরনের সুবিধা: তথ্য কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


কৃষক কার্ডে মিলছে ১০ ধরনের সুবিধা: তথ্য কর্মকর্তা

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও পুনঃখনন, নারীর জন্য গাড়ি এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জনমুখী সুবিধাদি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং করেছে তথ্য কর্মকর্তারা।

এ সময় জানানো হয়, কর্মসূচিগুলোর উপকারিতার তথ্য সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিলে আরও বেশি মানুষ জানবে, উপকার পাবে।

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সম্মেলন কক্ষে জেলা তথ্য অফিস সরকারের অগ্রাধিকার বিষয়ক কর্মসূচিগুলো সম্বন্ধে বিস্তারিত তুলে ধরা হয় এই ব্রিফিংয়ে।

ব্রিফিংয়ে জেলার তথ্য পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা মূলত ১০টি প্রধান সুবিধা ভোগ করেন।

এর মধ্যে রয়েছে, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সহজে কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি, ভর্তুকি মূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে কৃষিঋণ প্রাপ্তি, স্বল্প মূল্যে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা ও ব্যবহারের সুযোগ, কৃষি বীমা ও পণ্য বিক্রয়, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, পরিচয়ের স্বীকৃতি এবং স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি হ্রাস।

কৃষি ঋণ মওকুফ বিষয়ে বলা হয়, সরকার শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল ঋণের পাশাপাশি তার ওপর অর্জিত সব ধরনের সুদ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এই সুবিধার আওতায় দেশের প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন।

ফ্যামিলি কার্ড বর্তমান সরকারের একটি ডিজিটাল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি হিসাবে উল্লেখ করে বলা হয়, এর মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে সরাসরি নগদ আর্থিক সহায়তা এবং টিসিবির মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য প্রদান করা হচ্ছে।

এ সময় তথ্য পরিচালক মীর আকরাম খাল খনন ও পুনঃখনন পরিবেশ ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে বহুমুখী উপকারিতা নিয়ে আসে উল্লেখ করে জানান, এটি শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন বাড়ায়, বর্ষায় জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ করে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর সমৃদ্ধ করে এবং স্থানীয় পর্যায়ে মাছ চাষ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, মানুষ ও প্রাণিকূলের অস্তিত্ব, বিশুদ্ধ পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অপরিসীম।

গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য, কাঠ ও ওষুধ সরবরাহ করে।

এছাড়া, ভূমিক্ষয় রোধ ও দুর্যোগ মোকাবিলাসহ নানাবিধ উপকার রয়েছে এ কর্মসূচির।

নারীর জন্য গাড়ি সম্পর্কে আলোকপাত করে পরিচালক জানান, সরকার নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ নারী পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত 'পিংক বাস সার্ভিস' (ইলেকট্রিক বাস) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়, যেখানে বাস চালক, হেল্পার ও সুপারভাইজার—সবাই হবেন নারী।

নারীদের নিরাপদ যাতায়াত ও গাড়ি চালনায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. মাসুদ মিয়া, জেলা তথ্য অফিসের সহকারী পরিচালক আফসানা ফেরদৌস মিষ্টি, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ কাইয়ূমসহ জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিং শেষে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রবর্তিত কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও পুনঃখনন, নারীর জন্য গাড়ি এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জনমুখী সুবিধাদি ভিডিও স্টোরিতে তুলে ধরা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় হত্যা মামলায় দুই আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


খুলনায় হত্যা মামলায় দুই আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

 পাইকগাছার ইব্রাহীম মোড়লকে হত্যার দায়ে আদালত দুই আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সময়ে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা প্রদান না করলে তাদের আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার খুলনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজী এই রায় ঘোষণা করেছেন। আদালতের বেঞ্চের সহকারী মনসুর আহমেদ বাসসকে বিষয়টির নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, পাইকগাছা উপজেলার খাটুমারী গ্রামের বাবুল ফকিরের ছেলে মো. আকবর ফকির এবং একই উপজেলার বান্দিকাটি গ্রামের ওহাব জোয়াদ্দারের ছেলে ওবায়দুল্লাহ জোয়াদ্দার।

রায় ঘোষণার সময় ওবায়দুল্লাহ জোয়াদ্দার পলাতক ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামীকাল থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


আগামীকাল থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর

আগামীকাল থেকে বাংলা কিউআর (কুইক রেসপন্স) কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৩০ জুন, ২০২৬ তারিখে ঢাকা থেকে প্রকাশিত। বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে সহজ, সাশ্রয়ী ও সর্বজনীন করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নিয়েছে। নগদবিহীন (ক্যাশলেস) এই ব্যবস্থা লেনদেনকে সহজ ও স্বচ্ছ করার জন্য সহায়ক হবে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং ব্যাংকসমূহ বাংলা কিউআর বাস্তবায়নের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ১ জুলাই থেকে সারাদেশে বাংলা কিউআর ব্যবহার বাধ্যতামূলক হবে। এর ফলে শপিং মল থেকে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের পর্যন্ত অভিন্ন কিউআর কোড ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বাংলা কিউআরের বৃহত্তম সুবিধা হলো এর সর্বজনীনতা এবং কম খরচ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রচলিত কার্ডভিত্তিক পেমেন্ট গ্রহণের জন্য ব্যয়বহুল পণ্য প্রাপ্তির জন্য পিওএস মেশিনের প্রয়োজন হয়, কিন্তু বাংলা কিউআর ব্যবহারে শুধুমাত্র একটি সাধারণ কিউআর স্টিকারই যথেষ্ট হবে। ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং ফুটপাতের দোকানদারসহ বিভিন্ন সেবাদাতারা সহজে ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন। নিরাপত্তার দিক থেকেও বাংলা কিউআর একটি নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা। এতে কার্ড ক্লোনিং বা পিন চুরির ঝুঁকি নেই। গ্রাহকের ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেট অ্যাপ থেকেই সরাসরি লেনদেন সম্পন্ন হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বাসসকে জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাকে কিউআর চালুর বিষয়টি বহুদিন আগে থেকেই গ্রহণ করেছে। আগামীকাল থেকে বাধ্যতামূলক হওয়া বলতে বোঝাচ্ছে- বাজারে কেনাকাটার শেষের পেমেন্ট করতে যখন আপনি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ব্যবহার করতে চেষ্টা করবেন, তখন বিকাশের কিউআর কোড দেখতে পাবেন, কিন্তু আপনার পকেটে রকেটের অ্যাকাউন্ট আছে। এই অবস্থাটি চলে না। সকল কিউআরকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করতে হবে। বাংলা কিউআর স্ক্যান করে আপনি বিকাশ, নগদ এবং ব্যাংকসহ অন্য যেকোনো মাধ্যমে পেমেন্ট করতে সক্ষম হবেন। বিকাশের করপোরেট কমিউনিকেশন্স প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম জানালেন, মার্চেন্ট পয়েন্টগুলোতে অভিন্ন বাংলা কিউআর রূপান্তরিত হলে ডিজিটাল পেমেন্টের ইকোসিস্টেম আরও বিস্তৃত হবে। তাই ব্যাংক এবং মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকরা দেশে ছড়িয়ে থাকা মার্চেন্ট পয়েন্টগুলোতে কিউআর স্ক্যান করে দ্রুত ও ঝামেলাহীন ক্যাশবিহীন লেনদেন করতে পারবেন। গ্রাহকরা ভাঙতি ও ক্যাশ বহনের ঝুঁকি এড়াতে পারবেন এবং মার্চেন্টদের পেমেন্ট গ্রহণ ও তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা সহজ হবে। বিকাশের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংকের ক্যাশলেস লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দ্রুততম সময়ে মার্চেন্ট পয়েন্টে বাংলা কিউআর প্রচলনে বিকাশ কাজ করছে। ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমকে আরও সমৃদ্ধ করা এবং জনপ্রিয় করার জন্য বিকাশ অনেক আগ থেকেই কিউআর পেমেন্টে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও ক্যাশলেস সমাজ গড়ার সরকারি উদ্যোগের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকবে বিকাশ। এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল কাইয়ুম খান বাসসকে জানান, বাংলা কিউআরের দুটি ভাগ রয়েছে, একটি অধিগ্রহণ এবং অন্যটি সরবরাহ করা। সরবরাহ করা মানে হচ্ছে ক্রেতা যাতে ক্রয় করতে পারে। বাংলা কিউআর তৈরির প্রস্তুতি শুরু করার আগে থেকেই এনআরবিসি ব্যাংক কাজ করছিল। এরপর অধিগ্রহণ অর্থাৎ দোকানে দোকানে বিকাশের মতো করে বাংলা কিউআরের সার্ভিস দিতে কাজ করছে। তারা ইতিমধ্যে একগুচ্ছ মার্চেন্ট অনবোর্ড হয়েছে এবং প্রতি দিন বাংলা কিউআরের লেনদেন কোটি টাকার উপরে হচ্ছে। তাই বাংলা কিউআরের জন্য এনআরবিসি ব্যাংক সম্পূর্ণ প্রস্তুত। একই সাথে গ্রাহকদের সহযোগিতা জারি রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%