ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘জাল যার, জলা তার’ নীতিতে হবে হাওর ও নদী ব্যবস্থাপনা: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী


‘জাল যার, জলা তার’ নীতিতে হবে হাওর ও নদী ব্যবস্থাপনা: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

হাওর ও নদীর জলাশয় ব্যবস্থাপনায় ‘জাল যার, জলা তার’ নীতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, দেশের হাওর ও নদী ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করা হবে প্রকৃত জেলেদের অধিকার নিশ্চিত করে।

মৎস্য প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার দুপুরে নেত্রকোনার মদন উপজেলার উচিতপুর হাওরে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি জানান, সরকার দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

এর পূর্বে মদন উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত উচিৎপুর হাওরের ঘাটে একটি জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য প্রতিমন্ত্রী। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সড়ক ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর।

মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পরিদর্শনে এসে মৎস্য প্রতিমন্ত্রী মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী উপজেলার হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে কৃষক ও জেলেদের সঙ্গে পৃথক সমাবেশে অংশ নেন। এ সময় অতিথিরা স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং হাওরের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

সমাবেশগুলোতে বক্তারা হাওরাঞ্চলের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জেলে-কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা উল্লেখ করেন যে, সরকার ধারাবাহিকভাবে হাওরাঞ্চলের উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর সম্প্রতি জলাবদ্ধতা সমস্যা মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা তালিকায় অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে এই তালিকাটা করা হয়েছে খুব অল্প সময়ের মধ্যে। মাত্র ১০ থেকে ১৫ দিন প্রশাসন সময় পেয়েছে। এর মধ্যেই হচ্ছে। এতে কিছু ভুলভ্রান্তি হয়েছে আমিও জানি। যেগুলো ভুলভ্রান্তি আছে-একই পরিবারের অনেকের নামে হয়েছে, সেগুলো সব স্থগিত করা হয়েছে। নতুন করে তালিকা করা এখন আর সম্ভব নয়। আর ক্ষতিগ্রস্ত মোটামুটি সবাই পেয়েছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যেই তুরস্কে শুরু হচ্ছে ন্যাটো সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


ট্রাম্পের সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যেই তুরস্কে শুরু হচ্ছে ন্যাটো সম্মেলন

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের মধ্যেই আগামী সপ্তাহে তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে একত্রিত হচ্ছেন বিশ্ব নেতারা। একত্রিত নেতারা সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের তেহরান ও গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সৃষ্ট মতপার্থক্য একপাশে সরিয়ে রাখার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন।

এদিকে, জোটের প্রতি ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতি কমিয়ে আনার পরও ইউরোপের সুরক্ষায় ন্যাটোর ভূমিকা তুলে ধরবেন নেতারা। ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার ও বুধবারের এই সম্মেলনে রাশিয়াকে যেকোনো আক্রমণ থেকে বিরত রাখতে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতির বিষয়টি দৃশ্যমান হবে। এ সময় কয়েক হাজার কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নেতারা মস্কোর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের লড়াইয়ের জন্য অস্ত্র সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়ে অঙ্গীকার করবেন বলেও আশা করা হচ্ছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তুর্কি প্রেসিডেন্ট তাইয়েপ এরদোয়ানের আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন। এই সময় তিনি এরদোয়ান ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও করবেন।

ইউরোপীয় কর্মকর্তারা আশা করছেন, এরদোয়ান ও রুটের সঙ্গে ট্রাম্পের সুসম্পর্ক সম্মেলনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে। তবে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আটলান্টিক-পার (ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে) বিদ্যমান তিক্ততা এবং ন্যাটোর বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সমালোচনার কারণে তারা এ বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছেন না।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো সদস্যদের সুরক্ষায় অর্থ ব্যয় করে, অথচ এর বিনিময়ে তারা কোনো সুবিধাই পাচ্ছে না।

রুটে এবং ন্যাটোর অন্যান্য নেতারা জোর দিয়ে বলেছেন, এই জোট যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব নিরাপত্তায়ও অবদান রাখে এবং নিজেদের প্রতিরক্ষায় আরও বেশি অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের আহ্বানে ইউরোপীয়রা সাড়া দিচ্ছে। রুটে জানিয়েছেন, ইউরোপীয়রা আরও বেশি দায়িত্ব নিচ্ছে।

বুধবার বার্লিনে রুটে বলেন, আগামী সপ্তাহের সম্মেলনে বাড়তি অর্থ ব্যয়কে কীভাবে যুদ্ধ-প্রস্তুত সক্ষমতায় রূপান্তর করা যায় এবং কীভাবে আমাদের প্রতিরক্ষা শিল্পকে উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত করা যায়—তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ন্যাটো একটি আটলান্টিক-পার জোট ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে, তবে একে আরও ভালো অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের এর ভারসাম্য পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার পাশাপাশি ইউরোপীয় মিত্ররা এবং কানাডা ইউরোপে প্রচলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে আরও বেশি দায়িত্ব গ্রহণ করছে।

রুটে গত মাসে জানিয়েছিলেন, ন্যাটো-র ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলো এবং কানাডা ২০২৫ সালে প্রতিরক্ষা খাতে আগের বছরের তুলনায় ৯০ বিলিয়ন ডলার বেশি ব্যয় করেছে, যার ফলে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৫৭০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

গত বছর হেগে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ন্যাটো নেতারা ২০৩৫ সালের মধ্যে অস্ত্র ও সেনার মতো মূল প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ৩.৫% ব্যয় করার বিষয়ে সম্মত হন—যা আগের ২% লক্ষ্যের চেয়ে বেশি। এছাড়া সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার মতো প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে জিডিপির আরও ১.৫% বিনিয়োগ করার বিষয়ে তারা একমত হন।

ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের হুমকি এবং ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ ছাড়াই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল।

ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ইরান যুদ্ধ শীর্ষ সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তুকে আড়াল করে ফেলতে পারে। যদি বর্তমানে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি অবস্থায় থাকা এই সংঘাত নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে পর্যাপ্ত সহায়তা না করার কারণে ট্রাম্প ইউরোপীয়দের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আক্রান্ত কোনো ন্যাটো সদস্যকে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের নেই। ন্যাটো কর্মকর্তারা মনে করেন, ইরান ইস্যুতে মতবিরোধের পরও অনেক ইউরোপীয় নেতা যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের আকাশসীমা ও ভূখণ্ডে অবস্থিত ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছিল।

এছাড়াও ইরান ইস্যুতে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও বিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মতো ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যকার ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ফাটল ধরিয়েছিল। শীর্ষ সম্মেলনে সেই তিক্ততা আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

ন্যাটোর একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বলেন, আমি আশাবাদী এমন কিছু হবে না। নেতারা জানেন, এখানে কী ঝুঁকির মুখে রয়েছে। আর যদি সত্যিই তেমন কিছু ঘটে, তবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য আমাদের হাতে তো ‘সর্বোত্তম বিবাহ-পরামর্শদাতা’ মার্ক রুটে আছেনই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এলপিজির দাম কমিয়েছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এলপিজির দাম কমিয়েছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বৈশ্বিক পরিস্থিতি সমন্বয় করে সরকার এলপিজি সিলিন্ডারের দাম তাৎক্ষণিকভাবে কমিয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শুক্রবার দুপুরে যশোর সার্কিট হাউজে জেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলপিজি গ্যাসের ৯৮ ভাগ আমদানি করতে হয়, যা সম্পূর্ণরূপে বেসরকারি খাতনির্ভর।

তিনি আরো বলেন, 'মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। যখনই বৈশ্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে, তখনই আমরা মূল্য সমন্বয় করেছি। রাতারাতি বড় মূল্য সমন্বয় হয়েছে। যখনই সুযোগ আসবে, ততই ধাপে ধাপে জ্বালানির দাম কমিয়ে সস্তি আনতে চেষ্টা করবো।'

ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল ও লোডশেডিং প্রসঙ্গে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, 'এই তপ্ত গ্রীষ্মে বিদ্যুতের সার্ভিস নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ করছে। কোথাও বিদ্যুৎ বিল নিয়ে নানা অভিযোগ এসেছে, আমরা প্রতিটি বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ সেন্টার স্থাপন করেছি। সেখানে যোগাযোগ করে অভিযোগ সমাধানের নির্দেশনা দিয়েছি।'

তিনি আরও বলেন, 'বিএনপি জনগণের সরকার, জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিক হতে বলা হয়েছে।'

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সাথে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবুসহ বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, শুক্রবার সকালে যশোর উপশহরে সোনালী ব্যাংকের নিজস্ব জমিতে এক হাজার বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সোনালী ব্যাংক জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস যশোর এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এ সময় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য তিনি সকলকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১৯৯১ সালে আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেন। এরপর থেকে প্রতিবছর এই কর্মসূচির বিস্তৃতি লাভ করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের বিষয়ে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশব্যাপী বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। স্কুল থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান বৃক্ষ রোপণের ব্যবস্থা নিচ্ছে।

আজ বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনালী ব্যাংক যশোর অঞ্চলের ম্যানেজার ইকবাল কবির। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক, সোনালী ব্যাংক যশোর করপোরেট শাখার ডিজিএম মনিরুল ইসলাম, এজিএম মশিয়ার রহমান, জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন সোনালী ব্যাংক যশোর অঞ্চলের সভাপতি দবীর উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রাজীব প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতির অভিযোগে শ্রীলঙ্কার সাবেক নৌবাহিনীর প্রধান গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


দুর্নীতির অভিযোগে শ্রীলঙ্কার সাবেক নৌবাহিনীর প্রধান গ্রেফতার

শ্রীলঙ্কার সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ফ্লিট অ্যাডমিরাল ওয়াসান্থা কারান্নাগোদাকে দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার গ্রেফতার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসের ছেলেকে যোগ্যতা ছাড়াই নৌবাহিনীতে নিয়োগ দিতে এবং বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে অবৈধভাবে সহায়তা করেছিলেন।

৭৩ বছর বয়সী ওয়াসান্থা কারান্নাগোদাকে ঘুষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ২০০৬ সালে যোগ্যতা ছাড়াই যোশিথা রাজাপাকসকে নৌবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি-এর মাধ্যমে জানা যায়, ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কায় কয়েক দশক ধরে চলা তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদী যুদ্ধের অবসানের সময়ে কারান্নাগোদা নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করছিলেন। ২০১৯ সালে তাকে উন্নীত করে ফ্লিট অ্যাডমিরাল পদ দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি নৌবাহিনীতে কোনো সক্রিয় দায়িত্বে নেই।

যোশিথা রাজাপাকসে, যার বয়স ৩৮ বছর, গত মাসে সংশ্লিষ্ট আরেকটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ ডার্টমাউথ নৌ কলেজে প্রশিক্ষণের জন্য সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

ঘুষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (ব্রাইবেরি কমিশন) তার বিরুদ্ধে এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘যোশিথা রাজাপাকসকে নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে ফ্লিট অ্যাডমিরাল দুর্নীতির অপরাধ করেছেন।’

কারান্নাগোদার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধেরও অভিযোগ রয়েছে। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-ের অভিযোগে ২০২৫ সালের মার্চে ব্রিটেন তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এছাড়া ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে ১১ জন তরুণকে হত্যার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে হত্যা ষড়যন্ত্রের অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।

২০২১ সালের অক্টোবরে মাহিন্দা রাজাপাকসের ছোট ভাই গোটাবায়া রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ওই অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দুর্নীতি ও আলোচিত অমীমাংসিত অপরাধ দমনের অঙ্গীকার নিয়ে ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকের প্রশাসন পরে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করে।

দিসানায়েকে ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজাপাকসে পরিবার এবং তাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো নতুন গতি পেয়েছে। বিগত বছরগুলোতে রাজাপাকসে পরিবারের সদস্য এবং তাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব মামলার সবগুলোই এখনও আদালতে বিচারাধীন।

২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তার বাবা প্রতিষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন একটি বাড়ি কেনার জন্য ব্যবহৃত অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হওয়ায় যোশিথা রাজাপাকসের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা চলছে।

তিনি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তার বড় ফুফুর দেওয়া মূল্যবান রত্ন বিক্রি করে তিনি অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন। তবে তার সেই বড় ফুফু জানাতে পারেননি, তিনি কীভাবে ওই মূল্যবান রত্নগুলো পেয়েছিলেন।

২০১৯ সালের ইস্টার সানডের বোমা হামলায় ২৭৯ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় কথিত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তার চাচা গোটাবায়া রাজাপাকসের বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় তক্ষকসহ দক্ষিণাঞ্চলের মূল হোতা সুমন আটক: বনে অবমুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় তক্ষকসহ দক্ষিণাঞ্চলের মূল হোতা সুমন আটক: বনে অবমুক্ত

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় পুলিশ বিপন্ন বন্যপ্রাণী তক্ষকসহ দক্ষিণাঞ্চলের বন্যপ্রাণী পাচারকারী চক্রের মূল হোতা সুমন আকন (৪৫) কে আটক করেছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ ভাণ্ডারিয়ার মুসলিমপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত তক্ষকটি বন বিভাগের সহায়তায় অবমুক্ত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত সুমন আকন ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের মুসলিমপাড়া এলাকার বারেক আকনের ছেলে। সুমন দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণাঞ্চলে বন্যপ্রাণী ও তক্ষক চোরাচালান সিণ্ডিকেটের অন্যতম প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে আসছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুমনের বাড়িতে তক্ষক বেচাকেনার গোপন খবর পেয়ে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের একটি দল শুক্রবার দুপুরে তার বসতবাড়িতে আকস্মিক অভিযান চালায়। অভিযানের সময় তার ঘর থেকে তক্ষকটি উদ্ধার করা হয়। বিক্রির উদ্দেশ্যে বন্যপ্রাণীটি অবৈধভাবে নিজ হেফাজতে রাখায় তাকে আটক করা হয়। এই অভিযানে অংশ নেন ভাণ্ডারিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহীন হোসেন, কামরুজ্জামান ও রফিক।

তক্ষকটি উদ্ধারের পর বন্যপ্রাণীটির সুরক্ষায় সেটিকে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। এরপর স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তক্ষকটিকে সুন্দর ও প্রাকৃতিক পরিবেশে (বনে) অবমুক্ত করেন ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে আটককৃত সুমনের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপরাধের রেকর্ড পর্যালোচনা করে জানা যায়, এটি সুমনের প্রথম অপরাধ নয়। এর আগে ২০২৩ সালের ২৫ জুন রাতে সুমনসহ আরও চারজনকে বিপুল পরিমাণ অর্থ মূল্যের তক্ষকসহ আটক করেছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে সে সিণ্ডিকেট আরও শক্তিশালী করে চোরাচালান চক্রের হাল ধরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%