ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
অভাব-অনটনের মধ্যে সন্তানের আত্মহত্যার চেষ্টা

এনআইডি সংশোধন না হওয়ায় দুই বছর ধরে বেতনহীন শিক্ষিকা


এনআইডি সংশোধন না হওয়ায় দুই বছর ধরে বেতনহীন শিক্ষিকা

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের জটিলতার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। তাঁর পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট এবং অভাব-অনটনের চাপেই তাঁর অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে নুমিম আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।

জানা গেছে, কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের ঘিলাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কানিজ তানিয়া সোলতানা ২০১৮ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেন। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘ আট বছর পার হলেও তাঁর এনআইডি সংশোধনের কাজ সম্পন্ন হয়নি। এই জটিলতার কারণে গত প্রায় দুই বছর ধরে তাঁর সরকারি বেতন বন্ধ রয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বেতন বন্ধ থাকায় তারা দীর্ঘদিন ধরে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, সন্তানের লেখাপড়া ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

গতকাল শনিবার (২৭ জুন) বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় ফিরে অনেক ডাকাডাকি করেও ছেলে নুমিমের কোনো সাড়া পাননি কানিজ তানিয়া সোলতানা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দরজা ভেঙে নুমিমকে উদ্ধার করে দ্রুত কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের অভাব-অনটন, আর্থিক সংকট ও মানসিক চাপ থেকেই নুমিম আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, বছরের পর বছর ধরে একটি এনআইডি সংশোধনের আবেদন ঝুলে থাকার কারণে যদি একজন সরকারি কর্মচারীর বেতন বন্ধ থাকে এবং তার পরিবার এমন চরম সংকটে পড়ে, তবে এর দায়ভার কার?

ভুক্তভোগী শিক্ষিকা কানিজ তানিয়া সোলতানা বলেন, ‘২০১৮ সালে এনআইডি সংশোধনের আবেদন করেছি। বারবার সংশ্লিষ্ট দফতরে যোগাযোগ করেও কোনো সমাধান পাইনি। দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চরম কষ্টে আছি। আমার সন্তানের এমন ঘটনার পর আমি এর সুষ্ঠু সমাধান এবং সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা কামনা করছি।’

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনিক জটিলতা বা দায়িত্বে অবহেলার কারণে যদি একজন সরকারি শিক্ষকের বেতন বছরের পর বছর বন্ধ থাকে, তাহলে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এনআইডি সংশোধনের আবেদনগুলোরও দ্রুত নিষ্পত্তি করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা আছে। আবেদনটি বর্তমানে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল নিয়ে সংকট নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল নিয়ে সংকট নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে।

তিনি রোববার (২৮ জুন) রাজধানীর আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ড উদ্বোধন করা উপলক্ষে এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো জানান, সারা দেশে ৬ থেকে ৫৯ মাসের ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে আজ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, বর্তমানে সরকারের কাছে ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত আছে।

মন্ত্রী ক্যাম্পেইনে কোনো শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল না খাওয়াতে পারলে পরবর্তী দিন নির্দিষ্ট কেন্দ্রে দেয়া হবে বলেও নিশ্চিত করেন।

এ ছাড়া, জন্মের পর থেকে অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানোর অনুরোধ করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

এ সময় মন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের কাছ থেকে পর্যাপ্ত টিকা না পাওয়ার কারণে হাম মারাত্মকভাবে আক্রান্ত করেছিল। পাশাপাশি, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলেরও কোনো মজুত ছিল না।

মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, এবার হামের টিকার শতভাগ কাভারেজ নিশ্চিত করা হয়েছে। যদি কেউ বাদ পড়ে, তবে এখনও খুঁজে খুঁজে দেয়া হচ্ছে।

হামের টিকার মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত উন্নত মানের টিকা দেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৭ এম


হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া বীরতারা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির শেখকে (৩৫) তিন ঘণ্টার মধ্যেই পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের কাঠালবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাব্বির শেখের বাড়িতে বহিরাগতদের নিয়ে গোপন বৈঠক হচ্ছে-এমন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীনগর থানা পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজ্জাক ও শরিফুলসহ একাধিক সদস্য অংশ নেন। রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে তাকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে দুই হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়।

এ সময় তার পরিবারের সদস্য ও অনুসারীরা চিৎকার-চেঁচামেচি করে আশপাশের লোকজন জড়ো করে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং পরে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে এসআই রাজ্জাক গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতির এক পর্যায়ে হ্যান্ডকাফ পরিহিত অবস্থায় সাব্বির শেখ কৌশলে পালিয়ে যান।

ঘটনার পরপরই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) আনিসুর রহমান, শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল মিয়া এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)-এর নেতৃত্বে একাধিক টিম গঠন করে অভিযান শুরু করা হয়। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১২টার দিকে বীরতারা বাজার এলাকা থেকে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

শ্রীনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মিল্টন দত্ত জানায়, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিসিএস কর্মকর্তাদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২০ এম


বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিসিএস কর্মকর্তাদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ বা শাখাপ্রধান হিসেবে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগুলোতে সুশাসন, জবাবদিহি এবং আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্যোগ।

এখন পর্যন্ত রাজধানীর কিছু আলোচিত ও বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা শুরু হয়েছে।

এজন্য ডিসেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে। সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকার যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে উপযুক্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা অথবা বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তাকে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে সমকালের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ-বাণিজ্য, আর্থিক অনিয়ম, গভর্নিং বডির ক্ষমতার অপব্যবহার এবং শিক্ষার মান অবনতি ঘটার অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এসব অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুযায়ী, অভিযোগপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রথমে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) তদন্ত পরিচালনা করবে। যদি তদন্তে গুরুতর অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শিক্ষা ক্যাডারের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা সেখানে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব নেবে এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

তবে শিক্ষাবিদদের একটি অংশ বলছেন, এই সিদ্ধান্তটি কার্যকর করতে গেলে নিরপেক্ষ তদন্ত, স্বচ্ছ মানদণ্ড এবং প্রেষণে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা আবশ্যক। অন্যথায় নতুন ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেছেন, 'শিক্ষা ক্যাডার থেকে কর্মকর্তাদের অধ্যক্ষ করে পাঠালেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। বরং মনিটরিং এবং জবাবদিহি সুনিশ্চিত না করা গেলে কোন পদক্ষেপই কার্যকর হবে না। যাঁরা দায়িত্ব নেবেন, সেই কর্মকর্তাদের সেখানকার জবাবদিহি সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি নেতার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


বিএনপি নেতার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

সিলেটের বিয়ানীবাজারে বিএনপির এক নেতার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের শিকার যুবদল নেতা কামাল আহমেদ, যিনি চাক্কু কামাল নামেও পরিচিত। স্থানীয় যুবদল নেতা কামালের বিরুদ্ধে চাঁদা না পাওয়ার পর হামলা, ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ঘটনার কারণে ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা মঈন উদ্দিন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কেন্দ্রীয় যুবদলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগকারী মঈন উদ্দিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স শাখা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি। তিনি জানান, বিয়ানীবাজার পৌর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামাল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত নেতাকর্মীদের সহায়তায় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে কামাল তার কাছে চাঁদা দাবি করেছেন।

মঈন উদ্দিন বলেন, ‘সর্বশেষ তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চাক্কু কামাল তার অনুসারীদের নিয়ে তার ওপর হামলা চালান। শুধু তাই নয়, স্থানীয় বাজারে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং বসতবাড়ির সীমানা প্রাচীরও ভাঙচুর করা হয়।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এসব ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যার পরিকল্পনাও করা হয়েছে। চলতি বছর এপ্রিল মাসে তিনি থানায় মামলা করেছেন। কিন্তু মামলার পরেও তিনি রেহাই পাননি, বরং তার ওপর হামলার চেষ্টা চলেছে।

ভুক্তভোগী বলেন, ক্রমাগত হুমকি এবং হামলার কারণে বর্তমানে তিনি নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর জামাতের নেতা চাক্কু কামাল এলাকায় বিএনপির নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার শুরু করেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং সংগঠন শৃঙ্খলা ভঙ্গের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতা তার কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ।

এদিকে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে চাক্কু কামালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সিলেট জেলা যুবদলের কাছে লিখিত সুপারিশ পাঠানো হয়েছিল। ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, চাক্কু কামাল চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন। স্থানীয় যুবদলের আহ্বায়ক হোসেন আহমদ দুলন বলেন, ‘আমরা কামাল আহমেদের বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছি। জেলা কমিটি বিষয়টি কেন্দ্রে পাঠিয়েছে। পরবর্তী সময়ে কি হয়েছে, আমি জানি না।’

অন্যদিকে, সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছর কামাল আহমেদকে বহিষ্কারের জন্য যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছিল, তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। , মঈন উদ্দিন নামের একজনের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় তথ্যসহ তাকে আসতে বলা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কামাল আহমেদ বলেন, ‘মহিউদ্দিন আমার বিরুদ্ধে যে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন, তা ভিত্তিহীন। তিনি যদি কোনো প্রমাণ দিতে পারেন, আমি এবং প্রশাসন আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%