বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:৪৪ পি.এম
ফিফার বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল বা অনৈতিক চাপের অভিযোগ তোলার দুদিন পরে, জর্ডান ২০২৫ সালের আরব কাপে অংশগ্রহণের জন্য খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের বকেয়া পুরস্কারের অর্থ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার(৬ আগস্ট), দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রিন্স আলি বিন হুসেইন এই তথ্য জানিয়েছেন।
বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির প্রস্তাব ভেস্তে যাওয়ার পর, বিভিন্ন কনফেডারেশন ও জাতীয় অ্যাসোসিয়েশনের চাপের মুখে পড়েন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। প্রিন্স আলি বিন হুসেইন তার সমালোচনায় বলেন, ফিফা জর্ডানের সমস্যা সমাধানে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিল, যা সমর্থনের বিনিময়ে অনুমান করা হচ্ছিল। এছাড়া কাতারে অনুষ্ঠিত আরব কাপের ফাইনালে ওঠার জন্য বকেয়া পুরস্কারের অর্থও ছিল।
এক্সে পোস্টে প্রিন্স আলি উল্লেখ করেছেন, আজ সকালে হঠাৎ করেই আমাদের খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফদের পাওনা অর্থ বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ফিফা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই অর্থ গত ডিসেম্বরে কাতারে অনুষ্ঠিত ফিফা আরব কাপের ফাইনালে ওঠার জন্য প্রাপ্য ছিল। এটি এমন একটি অর্থায়ন, যেটি আট মাস আগে পাওয়া উচিত ছিল।
প্রিন্স আলি আরও বলেন, বিশ্বকাপের সময় ফিফা মৌখিকভাবে জানিয়েছিল, সভাপতিকে সমর্থন করলে তা আমাদের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সংকট কাটাতে খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে। তবে, ফিফা এই অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যে অনুরোধ করা হয়েছিল, সে সম্পর্কে তারা কোনো সাড়া দেয়নি।
অর্থ প্রাপ্তি একটি ইতিবাচক ঘটনা হলেও, ফিফার নেতৃত্ব নিয়ে তার সংস্থার উদ্বেগের কোনো পরিবর্তন হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, "আমরা সবাই যেসব সমস্যা সম্মুখীন হই, যা সাধারণত ফিফা সভাপতি নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত, এটি তার একটি লক্ষণ।" প্রিন্স আলি বলেন, "ফিফার নেতৃত্বের বিষয়ে আমার স্পষ্ট অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসছে না। আমি আমার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং আমি সভাপতি ইনফান্তিনোকে সমর্থন করব না, এমনকি তাকে ভোটও দেব না।"
বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির প্রস্তাব বাতিলের পরে, ভুল পদক্ষেপের জন্য ফিফা তার সদস্যদের কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। তবে, বুধবার মরক্কোতে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকের পরে, সংস্থাটির নেতৃত্ব ইনফান্তিনোর প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পাইকপাড়ায় মহাসড়কের অধিগ্রহণকৃত জমি থেকে ১৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে যৌথভাবে পরিচালিত অভিযানে প্রায় আড়াই একর অধিগ্রহণ করা জমিতে থাকা বিভিন্ন স্থাপনা যেমন দোকান, ঘরবাড়ি ইত্যাদি উচ্ছেদ করা হয়।
এ অভিযানে শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুর রহমান, ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, সওজের সংশ্লিষ্ট কর্মচারী এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্ব প্রকৌশালী হাফিজুর রহমান জানান, মহাসড়ক সোজা করার প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য সরকারের অধিগ্রহণ করা জমি থেকে অবৈধ স্থাপনাগুলো অপসারণ করা হচ্ছে। উন্নয়নকাজ যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় এবং নির্ধারিত সময়ে শেষ করা যায়, সেই লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুর রহমান মন্তব্য করেন, জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর সরকারি নিয়ম মেনেই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্থাপনাগুলো অপসারণ করা হয়েছে এবং অভিযানটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নবনিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বৃহত্তর জাতিসংঘ ব্যবস্থার সহায়তা প্রত্যাশা করেছেন।
বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নবনিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজ তার কাছে পরিচয়পত্র (ক্রেডেনশিয়াল) পেশ করতে গেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন রড্রিগেজকে স্বাগত জানিয়ে তার নিয়োগে অভিনন্দন জানান এবং অভিন্ন উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে ইউএনডিপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় ইউএনডিপির দীর্ঘদিনের অবদানের উচ্চ প্রশংসা করে বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের পথে দেশের অগ্রযাত্রায় সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
স্টিফেন রড্রিগেজ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ইউএনডিপির অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য আর্থসামাজিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এ সময় ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি এ অর্জনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মর্যাদা এবং বৈশ্বিক পরিসরে দেশের গঠনমূলক ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক এবং সর্বজনশ্রদ্ধেয় সালিশ ব্যক্তিত্ব আব্দুল আহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি প্রায় আট মাস আগে ঘটেছিল। তবে, এই হত্যাকাণ্ডের মামলায় অধিকাংশ এজাহারভুক্ত আসামি এখনও অধরা রয়ে গেছেন। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় নিহতের পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর একাংশের মধ্যে চরম উদ্বেগ, ক্ষোভ এবং নিরাপত্তার হীনমন্যতা বিরাজ করছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা প্রভাবশালী চক্রের অব্যাহত হুমকি এবং বিচারহীনতার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।
হত্যাকাণ্ডটির নেপথ্য এবং নৃশংসতার বিবরণ তুলে ধরতে গেলে জানা যায়, নিহত আব্দুল আহাদ এলাকায় একজন সফল ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী সালিশ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় হাট-বাজার, নদী ইজারা এবং বালু-পাথারের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। পরিবারের দাবি, সীমান্ত এলাকায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম, অবৈধ কালোবাজারি ও চোরাচালানের প্রতিবাদ করায় তিনি স্থানীয় এক প্রভাবশালী চক্রের তীব্র রোষানলে পড়েন।
মামলার এজাহার সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে কয়েকজন ব্যক্তি কৌশলে আব্দুল আহাদকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর আর তিনি জীবিত ফিরে আসেননি। পরদিন (১৫ ডিসেম্বর) ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ইস্ট খাসি হিলস জেলার চেল্লা থানার আওতাধীন একটি নির্জন এলাকা থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে নিয়ে এসে সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।
পরিবারের তথ্যমতে, আব্দুল আহাদের মাথা, বুক, গলা, কোমর এবং হাঁটুসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে নৃশংস আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলে পুলিশ রক্তমাখা টি-শার্ট, স্যান্ডেল, গ্যাস লাইট এবং ধস্তাধস্তির আলামত উদ্ধার করে। এছাড়া, ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল আজিজের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপের অডিও বাদীপক্ষের কাছে পৌঁছায়। পরিবারের দাবি, যদি অডিওটির পূর্ণাঙ্গ ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হয়, তবে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উন্মোচিত হবে।
হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আসামিদের পরিচয় অনুসন্ধানে নেমে স্থানীয়দের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রাপ্ত হয়েছে। ১ নম্বর আসামি আব্দুল আজিজ গং এলাকায় ভারতীয় গরু-মহিষের বিশাল সীমান্ত চোরাচালান এবং 'কালো স্মাগলিং' রাজত্ব পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠছে। প্রতিবেদকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে আলাপকালে এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল আজিজ প্রকাশ্যে স্বীকার করেন যে, তিনি ভারত থেকে গরু-মহিষ বাংলাদেশে এনে ব্যবসা করেন। রাজস্ব ফাঁকির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দাম্ভিকতার সঙ্গে তিনি বলেন, "সরকারের রাজস্ব দেওয়ার মতো কোনো জায়গা পাই না, তাই রাজস্বও দিই না।"
একজন হত্যামামলার আসামির এমন খোলামেলা চোরাচালান এবং কোটি কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব ফাঁকির বিষয়ে সুশীল সমাজ ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মামলায় মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরিচিত ১০ জন এজাহারভুক্ত আসামি হলেন: ১. আব্দুল আজিজ (৫৫), পিতা: মৃত আব্দুল গফুর, গ্রাম: বিরেন্দ্রনগর। ২. ইয়াকুব আলী (৪০), পিতা: মৃত মমশ্বর আলী, গ্রাম: শ্রীপুর। ৩. কদ্দুছ আলী (৫০), পিতা: মৃত মমশ্বর আলী, গ্রাম: শ্রীপুর। ৪. ফয়ছল আহমদ (৩৫), পিতা: আব্দুল আজিজ, গ্রাম: বিরেন্দ্রনগর। ৫. (তথ্য সংগৃহীত হচ্ছে)। ৬. নজরুল ইসলাম (৫০), পিতা: মৃত আতাউর রহমান, গ্রাম: দ্বীনেরটুক। ৭. আরিফুল ইসলাম (৩৫), পিতা: মৃত আমিনুল ইসলাম শাহা, গ্রাম: শ্রীপুর। ৮. ফখরুল আলম বাবলু (৩৫), পিতা: মৃত মুক্তার আলী, গ্রাম: শ্রীপুর। ৯. আব্দুল আলী (৪৫), পিতা: মৃত ছাদ উল্লা, গ্রাম: তেরাপুর (হাতিরভাঙ্গা)। ১০. আরমান আলী (৩৫), পিতা: কদ্দুছ আলী, গ্রাম: শ্রীপুর।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মামলায় অভিযুক্তদের কয়েকজন উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে বাইরে এসে মামলা তুলে নিতে অণবরত চাপ সৃষ্টি করছে। প্রতিনিয়ত নিহতের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। আসামিদের ভয়ে এলাকার সাধারণ মানুষও প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
উচ্চপর্যায়ে অভিযোগ ও সিআইডির প্রতি পরিবারের আকুতি: তদন্তের শ্লথগতি দেখে নিহতের ভাই মো. আ. কাইয়ুম ফারুক সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তিনি আকুল কণ্ঠে জানান, "আমরা কোনো বৈষম্য বা অন্যায় চাই না, কেবল আমার ভাই হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচার চাই। প্রকাশ্যে ঘুরতে থাকা আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।"
বর্তমানে বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার তদন্তভার সিআইডি (CID)-এর ওপর ন্যস্ত রয়েছে। সিআইডি মহাপরিচালক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিচার বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল দাবি জানিয়েছেন: * দ্রুত পদক্ষেপ: পলাতক এবং চিহ্নিত আসামিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনা। * স্বচ্ছ তদন্ত: ফরেনসিক প্রমাণাদিসহ নিরপেক্ষ তদন্ত দ্রুত শেষ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল। * নিরাপত্তা প্রদান: মামলার বাদী, সাক্ষী এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। * দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: বিচারে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করে সমাজে আইনের শাসনের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত এবং নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি না হলে বিচার ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনায় একজন যুবক শিবলী হোসেন রুবেলকে বিদেশি পিস্তল এবং গুলি সহ গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) নগরীর নিরালা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
বুধবার ভোর চারটার সময় নগরীর মোতালেবের মোড় এলাকায় একজনকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করার পর গোয়েন্দা বিভাগ এবং খুলনা থানা পুলিশের যৌথ অভিযান শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে খালিশপুরে অবস্থিত গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া।
তিনি বলেন, অভিযানে একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তি চিহ্নিত সন্ত্রাসী পলাশ ও আশিক গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতিসহ একাধিক অপরাধমূলক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ